বাংলাদেশ তারবিয়াতুল কুরআন ট্রাস্টের ইফতার মাহফিল
৬ মার্চ ২০২৬ ২০:২০
রমাদান মাসে আল কুরআন নাযিল হয়েছে জাতিকে আলোকিত করে ভাগ্যোন্নয়নের জন্য। বাংলাদেশ তারবিয়াতুল কুরআন ট্রাস্টের উদ্যোগে আয়োজিত “মু‘মিন জীবনে রমাদান, তাকওয়া ও কুরআন” শীর্ষক আলোচনা সভা ইফতার মাহফিলে আলোচকগণ বলেছেন, মহান আল্লাহ কুরআনুল কারীম রমাদানে নাযিল করেছেন বিশ্ব মানবতার হিদায়াতের জন্য, অশিক্ষা, কুশিক্ষার অন্ধকার থেকে জাতিকে মুক্ত করে জ্ঞান ভিত্তিক নৈতিকতার সমন্বয়ে আলোর পথ দেখাতে অথচ কুরআন ভুলে যাওয়ার কারণে আমরা যেমন পথ হারিয়েছি তেমনভাবে আমরা জাহিলিয়াতের অন্ধকারে ডুবে গেছি। যার ফলে সুদ-ঘুষ, চুরি, ডাকাতি, রাহাজানি, চাঁদাবাজি, খুন-ধর্ষণ, নারীদের বস্ত্রহরণসহ যাবতীয় অনাচার সমাজে দিন দিন বেড়েই চলছে। তাই আজকে আবার জাহেলি সমাজকে পরিবর্তন করে ইসলামের আলোয় আলোকিত সমাজ কায়েমের জন্য কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ তারবিয়াতুল কুরআন ট্রাস্ট সে আলোকিত সমাজের জন্য আল কুরআনের শিক্ষাকে আগামী দিনের ভবিষ্যত শিশুদের মাঝে ছড়িয়ে দিচ্ছেন নিরলস ও নিখুঁতভাবে। প্রশংসনীয় এ সুন্দর কাজকে বাংলাদেশের সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে সমাজের সবাইকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে সমানভাবে। তা হলেই হবে আমাদের কাঙ্খিত কুরআনিক সমাজ।
ইফতার মাহফিলে উপস্থিত অন্যান্য বক্তারা আরো বলেন, বাংলাদেশ তারবিয়াতুল কুরআন ট্রাস্টের মহতি এ উদ্যোগের প্রশংসা করে এর কার্যক্রমের সাথে একাত্বতা ঘোষণা করেন এবং দেশবাসীকেও একাজে সমানভাবে অংশগ্রহণ করতে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহবান জানান।
ট্রাস্টের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ড. মাও. লোকমান হাকীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ ইফসুফ ইবন হোছাইন, কীনোট উপস্থাপন করেন প্রফেসর ড. মো. জহিরুল ইসলাম, শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ট্রাস্টের প্রধান উপদেষ্টা ও পৃষ্ঠপোষক এস. এম রুহুল আমীন, প্রধান আলোচক ছিলেন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব সুপ্রিম কোর্টের এড. আল মামুন রাসেল, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ ড.এম কামাল উদ্দীন জসীম, প্রফেসর ডা. মো. রুহুল আমিন, ডা. মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী, মু.আব্দুল হক এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, সুপ্রিম কোর্টের এড. এস.এম জাকির হোসাইন, মুফতি মুহা. নুরউদ্দিন কাওছার, এস.এম আল আমীন ফয়েজী, প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম হানিফ, এস.এম আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ অনুষ্ঠানে তিলাওয়াত ও ইসলামী সঙ্গীত পরিবেশন করেন হাফেজ ক্বারী আহমাদ আব্দুল্লাহ নূর ও তাহিরা বিনতে মাসুদ।