গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে মহানগরী পর্যায়ে ১১ দলের গণমিছিল


২৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:১৬

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জ্বালানি সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণসহ জনদুর্ভোগ লাঘবের দাবিতে দেশের বিভাগীয় শহরগুলোয় গণমিছিল ও সমাবেশ করেছে ১১ দলীয় ঐক্য। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ব্যতীত রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, সিলেট, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও খুলনা মহানগরীতে এসব কর্মসূচি পালিত হয়।
জনগণ চূড়ান্ত আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত : বরিশালে এডভোকেট হেলাল
বরিশাল সংবাদদাতা : অন্যদের গুপ্ত ট্যাগ দিয়ে একজন তার লন্ডনে পালিয়ে থাকার ইতিহাসকে ঢাকতে চাইছেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল। তিনি বলেন, জনগণকে এত বোকা ভাববেন না। তারা সবই বুঝে গেছে। আবারো ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার জন্য জুলাই আন্দোলনে এত মানুষ জীবন দেয়নি।
গত ২৫ এপ্রিল শনিবার বিকেলে বরিশাল নগরীর টাউনহল প্রাঙ্গণে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল ও সমাবেশে প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জ্বালানি সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণসহ জনদুর্ভোগ লাঘবের দাবিতে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
মুয়াযযম হোসাইন হেলাল বলেন, দুই মাসেই সরকারের ফ্যাসিবাদী চেহারা জনগণের সামনে প্রকাশ পেয়েছে। ঐকমত্য কমিশনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে একমত হয়ে ক্ষমতায় গিয়ে এখন প্রতারণা করতে চাইছে। তারা আইন আদালতকে কুক্ষিগত করে জুলুমকে বৈধতা দিতে চায়। জনগণ চূড়ান্ত আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত। সময় থাকতে গণভোটের রায় অনুযায়ী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করে জনদাবি মেনে নিন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মহানগর জামায়াতের আমীর মাওলানা জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক মাহমুদ হোসাইন দুলাল, সহকারী সেক্রেটারি হাফেজ মাওলানা আতিকুল্লাহ, এনসিপির বরিশাল জেলা আহ্বায়ক আবু সাঈদ মুসা, এনসিপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য রফিকুল ইসলাম কনক, লেবার পার্টির মহানগর সভাপতি এসএম সোহেল মাহমুদ, এবি পার্টির সুমন তালুকদারসহ ১১ দলীয় ঐক্যের জেলা ও মহানগর নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মতিউর রহমান। সমাবেশ শেষে বিশাল এক বিক্ষোভ মিছিল টাউন হল থেকে শুরু হয়ে সদর রোড, ফজলুল হক এভিনিউ, চকবাজারসহ নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
রংপুরে ১১ দলের গণমিছিল
রংপুর সংবাদদাতা : অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান, জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জ্বালানি সংকট নিরসনের দাবিতে রংপুর মহানগরীতে ১১ দলের গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত ২৫ এপ্রিল শনিবার বিকেলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রংপুর মহানগর শাখা ও ১১ দলের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রংপুর নগরীর টাউন হল চত্বর পাবলিক লাইব্রেরি মাঠ থেকে শুরু হয়ে নগরীর সিটি বাজার, সুপার মার্কেট, পায়রা চত্বর, জাহাজ কোম্পানি মোড়, প্রেস ক্লাব চত্বর, গ্রান্ড হোটেল মোড় হয়ে শাপলা চত্বরে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রংপুর মহানগর সহকারী সেক্রেটারি ও রংপুর-১ গঙ্গাচড়া আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মাওলানা রায়হান সিরাজী সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন। গণমিছিল ও সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রংপুর মহানগরী শাখার আমীর উপাধ্যক্ষ মাওলানা এটিএম আজম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জাতীয় নাগরিক পার্টির রংপুর মহানগর সদস্য সচিব আব্দুল মালেক, খেলাফত মজলিস নেতা ইব্রাহীম খলিল, ইসলামী ছাত্রশিবিরের রংপুর মহানগর সভাপতি আনিসুর রহমান প্রমুখ।
সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর মহানগর সেক্রেটারি আনোয়ারুল হক কাজল, মহানগর সহকারী সেক্রেটারি আল আমিন হাসান, বাংলাদেশ স্থলবন্দর শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের সহকারী অঞ্চল পরিচালক অধ্যাপক আবুল হাশেম বাদল, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মহানগর সভাপতি এবং জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এডভোকেট কাওছার আলীসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের রক্তের সাথে প্রতারণার ফল ভালো হবে না-মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম
সিলেট সংবাদদাতা : জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, সিলেট মহানগর ১১ দলীয় ঐক্যের প্রধান সমন্বয়কারী ও মহানগর জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেছেন, ছাত্র-জনতার রক্তের ওপর দিয়ে ক্ষমতায় এসে বিএনপি জুলাই সনদকে উপেক্ষা করে ও গণভোটের রায়কে বাতিল করে জাতির সাথে প্রতারণা করেছে। তারা দেশে নতুন ফ্যাসিবাদ কায়েমের রাজনীতি শুরু করেছে। নৃশংস ছাত্রলীগের মতো ছাত্রদলকে লেলিয়ে দিয়ে তারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে। জ্বালানি সংকট নিরসনে ব্যর্থ সরকার উল্টো জনগণের সাথে মশকরা করছে।
গত ২৫ এপ্রিল শনিবার বাদ আসর নগরীর কোর্ট পয়েন্টে সিলেট মহানগর ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত গণমিছিল পূর্ব সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জ্বালানি সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্যের নিয়ন্ত্রণসহ জনদুর্ভোগ লাঘবের দাবিতে একটি গণমিছিল বন্দরবাজার কোর্ট পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আম্বরখানা পয়েন্টে গিয়ে শেষ হয়। গণমিছিলে ১১ দলীয় ঐক্যের মহানগরের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ ছাড়াও ১১ দলের অঙ্গ-সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।
মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহজাহান আলীর পরিচালনায় গণমিছিলপূর্ব সমাবেশে বক্তব্য দেন জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির সিলেট মহানগর আহ্বায়ক এডভোকেট আব্দুর রহমান আফজল, সিলেট মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. নূরুল ইসলাম বাবুল, বাংলাদেশ লেবার পার্টির সিলেট মহানগর সভাপতি মাহবুবুর রহমান খালেদ, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপির মহানগর সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন লিটন, জাগপা সিলেট মহানগর সভাপতি শাহজাহান আহমদ লিটন, বিডিপি সিলেট মহানগর আহ্বায়ক কবির আহমদ, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি সিলেট মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা জুবায়ের খান, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সিলেট মহানগর সভাপতি এডভোকেট জামিল আহমদ রাজু প্রমুখ।
রাজশাহীতে ১১ দলীয় জোটের গণমিছিল ও সমাবেশ
রাজশাহী সংবাদদাতা : গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ এবং সারা দেশের শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস ও অস্থিরতার প্রতিবাদে রাজশাহী মহানগরীতে ব্যাপক গণমিছিল ও সমাবেশ করেছে ১১ দলীয় জোট।
গত ২৫ এপ্রিল শনিবার বিকেল ৫টার দিকে নগরীর আলুপট্টি এলাকা থেকে গণমিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে নগরীর রহমানিয়া হোটেলের সামনে এসে শেষ হয়।
মিছিল শেষে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজশাহী মহানগরীর নায়েবে আমীর এডভোকেট আবু মোহাম্মদ সেলিম। সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি ইমাজ উদ্দিন মণ্ডল।
গণমিছিল ও সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী অংশ নেন। কর্মসূচি শেষে শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
এ সময় সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী রাজশাহী মহানগরীর নায়েবে আমীর ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর রাজশাহী মহানগর নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক মোবাশ্বের আলী, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি গোলাম মোর্তজা। এছাড়া মহানগর জামাতের সহকারি সেক্রেটারি অধ্যক্ষ আহসান বুলবুল, সাংগঠনিক সেক্রেটারি জসিম উদ্দিন সরকার, যুব সেক্রেটারি সালাউদ্দিন আহমেদসহ ১১ দলীয় জোটের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাক্সক্ষাকে জলাঞ্জলি দিয়ে প্রতারণা করছে- নজরুল ইসলাম
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেছেন, সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আশা-আকাক্সক্ষাকে জলাঞ্জলি দিয়ে জাতির সাথে প্রতারণা করছে। প্রায় ৭০ শতাংশ জনগণের গণভোটের রায়কে বাতিলের মাধ্যমে ফের ফ্যাসিবাদী শাসনের দিকে ধাবিত হচ্ছে। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে ফ্যাসিবাদ পুনঃপ্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্র রুখে দেবে জনগণ।
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণের দাবিতে গত ২৫ এপ্রিল শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম মহানগরীর ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল পূর্ব এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
গণমিছিলটি মহানগরীর জামিয়াতুল ফলাহ মসজিদ থেকে বাদ আসর শুরু হয়ে লালখান বাজার, ওয়াসার মোড়, নার্সারি হয়ে জিইসির মোড়ে শেষ হয়।
১১ দলীয় ঐক্যে চট্টগ্রাম মহানগরীর সমন্বয়ক ও চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ উল্লাহর সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য রাখেন নেজামে ইসলাম পার্টির চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর মাওলানা জিয়াউল হোসাইন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি মাওলানা রিদুয়ানুল ওয়াহেদ, চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন, খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোস্তাফা কামাল, এনসিপির নগর যুগ্ম সমন্বয়ক জোবায়ের হোসাইন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির নগর সভাপতি আবু মোজাফফর মোহাম্মদ আনাস, খেলাফত আন্দোলনের মহানগর সভাপতি মাওলানা আতিক বিন ওসমান, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি মুহাম্মদ সৈয়দ গিয়াস উদ্দীন আলম, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির নগর সহ-সভাপতি এডভোকেট আব্দুল মোতালেব, লেবার পার্টির চট্টগ্রাম মহানগীরর সহ-সভাপতি মুজিবুল রহমান প্রমুখ।
গাজীপুরে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল
গাজীপুর সংবাদদাতা : গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণের দাবিতে গত ২৫ এপ্রিল শনিবার বিকেলে গাজীপুরে গণমিছিল করেছে ১১ দলীয় ঐক্য।
মহানগর জামায়াতের আমীর অধ্যাপক জামাল উদ্দিন বলেন, দীর্ঘ লড়াই সংগ্রাম ও রক্তের বিনিময়ে দেশে ফ্যাসিবাদের অবসান হয়। দেশে একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে, জনগণ গণভোটে জুলাই সনদেরের পক্ষে রায় দিয়েছে, কিন্তু সরকার এই গণভোটের রায় বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে। ফ্যাসিবাদমুক্ত দেশ গঠনে সরকারকে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে।
মহানগর সেক্রেটারি আ স ম ফারুকের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর মো. খায়রুল হাসান মো. হোসেন আলী, সহকারী সেক্রেটারি আফজাল হোসাইন ও আজহারুল ইসলাম ও ১১ দলীয় নেতারা।
গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে মহানগর আমীরের নেতৃত্বে গণমিছিলটি শুরু হয়ে ভোগড়া বাইপাসে এসে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশেল মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়।
কুমিল্লায় ১১ দলের বিক্ষোভ সমাবেশ ও গণমিছিল
কুমিল্লা সংবাদদাতা : গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জ্বালানি সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং সার্বিক জনদুর্ভোগ লাঘবের দাবিতে কুমিল্লায় ১১ দলীয় ঐক্য বিক্ষোভ সমাবেশ ও গণমিছিল করেছে।
গত ২৫ এপ্রিল শনিবার বিকেলে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগরীর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ। সমাবেশ পরিচালনা করেন মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি মু. মাহবুবর রহমান।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমীর মো. মোছলেহ উদ্দিন, অধ্যাপক এ কে এম এমদাদুল হক মামুন এবং খেলাফত মজলিস কুমিল্লা মহানগরীর সভাপতি মাওলানা আব্দুল কাদের জামাল। এছাড়া বক্তব্য দেন মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কামারুজ্জামান সোহেল ও কাউন্সিলর মোশাররফ হোসাইন,এনসিপি নেতা মাছুমুল বারী কাউছার।
সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল নগরীর কান্দিপাড়, মনোহরপুর, রাজগঞ্জমোড়, মোগোলটুলি হয়ে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ গিয়ে শেষ করে।
গণভোটের রায় অস্বীকারের অর্থ ফ্যাসিজম প্রতিষ্ঠা করা- অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান
খুলনা সংবাদদাতা : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর এবং ১১ দলীয় ঐক্যের কর্মসূচি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেছেন, গণভোটের রায় মেনে না নেওয়ার অর্থ হচ্ছে ফ্যাসিজম প্রতিষ্ঠা করা। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান জাতিকে গণভোটে হ্যাঁ ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে এখন জনরায় মেনে নিচ্ছে না। কীভাবে জনরায় বাস্তবায়ন করা লাগে, জনগণ সেটি ভালো করেই জানে। সোজা পথে না আসলে জনগণ দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।
তিনি বলেন, আজকের প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ পুরো মন্ত্রিসভা; এমনকি সংসদ সদস্যরা জুলাই বিপ্লবের কারণে নির্বাচিত হয়েছেন। এক দলকে বিদায় করে আরেক দলকে ক্ষমতায় বসাতে জুলাই বিপ্লব হয়নি। জুলাই বিপ্লব হয়েছে ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থার জন্য রচিত বিদ্যমান সাংবিধানিক কাঠামোর পরিবর্তনের জন্য। এজন্যই সংবিধান সংস্কার করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে হবে।
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জ্বালানি সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণসহ জনদুর্ভোগ লাঘবের দাবিতে গত ২৫ এপ্রিল শনিবার বিকেলে নগরীর নিউমার্কেটস্থ বায়তুন নূর জামে মসজিদ কমপ্লেক্সের উত্তর গেটে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল পূর্ব সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগরী সেক্রেটারি এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল এমপির পরিচালনায় বক্তব্য দেন এনসিপি খুলনা মহানগরীর সংগঠক আহমদ হামীম রাহাত ও সাইফ নেওয়াজ, খেলাফত মজলিসের খুলনা মহানগরী সভাপতি হারুন অর রমীদ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহানগরী সভাপতি মুফতি আব্দুল্লাহ মাহমুদী, খুলনা মহানগরী ছাত্রশিবিরের সভাপতি রাকিব হাসান, জুলাইযোদ্ধা মো. হুযাইফা। এ সময় খুলনা মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক নজিবুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি এডভোকেট মুহাম্মদ শাহ আলম ও প্রিন্সিপাল শেখ জাহাঙ্গীর আলম।
পরে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল নগরীর শিববাড়ী মোড়, ময়লাপোতা মোড়, সাতরাস্তা মোড় হয়ে রয়্যাল মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
এছাড়া নারায়ণগঞ্জ ও ময়মনসিংহ মহানগরীতে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীরা জনদাবি আদায়ে গণমিছিল ও সমাবেশ করেছে। এসব কর্মসূচিতে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছে। গণমিছিলে ১১ দলীয় ঐক্যের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা নেতৃত্ব দেন।