ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং আর না
২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৩:০১
॥ হারুন ইবনে শাহাদাত ॥
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের জন্য প্রতিনিধি নির্বাচন এবং জুলাই চেতনার আলোকে দেশ গড়তে ‘হ্যাঁ’-কে বিজয়ী করতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ করা হবে। দেশে নির্বাচনী উৎসব এবং প্রতিযোগিতার বদলে একটি গোষ্ঠী সহিংসতা উসকে দিচ্ছে। অথচ দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী শাসনের পর এবারের নির্বাচনে নির্ভয়ে এবং অবাধে ভোটাধিকার প্রয়োগের আশা করছে দেশবাসী। নির্বাচনের দিনক্ষণ যত এগিয়ে আসছে, অভিযোগ তত বাড়ছে। বিশেষ করে যারা দলের চেয়ে দেশ বড় স্লোগান এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রে বিশ্বাসী বলে দাবি করেন, তাদের বিরুদ্ধেই ভিন্নমতের ব্যাপারে অসহিষ্ণুতার অভিযোগের পাল্লা ভারী।
স্লোগানের বাস্তবায়ন নেই
‘ব্যক্তির চেয়ে দল, দলের চেয়ে দেশ’- এ স্লোগানে বিশ্বাস করলে জনগণের ভোটাধিকার রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ থাকার কথা। দলীয় প্রধানের নির্দেশ মেনে মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী প্রচার চালানোর কথা থাকলেও মাঠের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ২৯৫ আসনের ৭৯টি আসনে বিএনপির ৯২ জন নেতা এখনো বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়ে গেছেন। নিজ দলের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিনিয়ত সহিংস ঘটনা ঘটছে। প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী প্রচারে বাধা এবং হামলা করছে বিএনপির কর্মী-সমর্থকরা। রাজধানী ঢাকায় এমন ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। কমিশন নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হচ্ছে। প্রশাসনের ওপর এখনো নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি, নাকি কমিশন নিজেই বিএনপির দিকে ঝুঁকে পড়েছে- বিষয়টি তদন্তের দাবি রাখে বলে মনে করেন রাজনীতি বিশ্লেষকরা। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের বক্তৃতা-বিবৃতিতেও অনেক ক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতার বদলে প্রতিহিংসা উসকে দিচ্ছে বলে পর্যবেক্ষকদের অনেকের অভিমত। কারণ তারা নিজ দলের কর্মসূচি ও মেনিফেস্টো নিয়ে কথা বলার চেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট; বিশেষ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে পুরনো ক্যাসেট বাজিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। অথচ বিষয়টি তাদের জন্য হিতে বিপরীত হচ্ছে- এ কথা তাদের ভাবনায় আসছে না। বিশেষ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীরা সারা দেশে বিএনপি নামধারী সন্ত্রাসীর হাতে লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনা অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য অশনিসংকেত বলে মনে করেন পর্যবেক্ষকরা। হামলার ঘটনাগুলোকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখার সুযোগ নেই বলে তারা মনে করেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘আমরা মনে করছি, নারীদের লাঞ্ছিত ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা বিএনপির স্থানীয় অতিউৎসাহী কর্মী-সমর্থকরাই করছে। তবে যখন দেখাচ্ছে অব্যাহতভাবে এ ঘটনা ঘটছে এবং দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না, তখন ভাবাই যায় পরিকল্পিতভাবেই তারা এমন ঘটনা ঘটাচ্ছে। তবে এ বিষয়টি তারাই ভালো বলতে পারবেন, তারা সিদ্ধান্ত নিয়ে পরাজয়ের ভয়ে ভয়ভীতি ছড়িয়ে অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করছে কি না? তিনি আরো বলেন, ‘প্রকাশ্যে এসব ঘটনা ঘটলেও নির্বাচন কমিশন নীরব ভূমিকা পালন করছে, যা জাতির প্রত্যাশার বিপরীত এবং এতে জনমনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন প্রশ্নে হতাশা বাড়ছে। নারীদের ওপর এ ধরনের হামলা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে নারী নেতৃত্ব পিছিয়ে পড়বে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও দেশকে পিছিয়ে দেবে।’
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত না করা হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। আমরা গত কয়েকদিন ধরে দেখতে পাচ্ছি যে, আমাদের নির্বাচনী কার্যক্রমে নারী কর্মীরা যখন কাজ করতে বের হচ্ছেন, তখন দেশের বিভিন্ন জায়গায় তাদের ওপর হামলা হচ্ছে। তাদের নাজেহাল করা হচ্ছে, অপদস্থ করা হচ্ছে। কোনো কোনো জায়গায় খুবই লজ্জাজনকভাবে তাদের নেকাব থাকলে নেকাব খোলার জন্য বলা হচ্ছে। অনেকের হাত থেকে মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ঢাকা-১৫ আসন, টাঙ্গাইল-২, যশোর-২সহ ঢাকার বিভিন্ন আসনে এবং দেশের বিভিন্ন এলাকায় এ ঘটনাগুলো পরপর ঘটছে। আমরা ওনাদের অনুরোধ করেছি- এ সমস্ত বিষয়ে আমাদের বড় উদ্বেগ কাজ করছে। যেখানে অর্ধেক ভোটার নারী, সেখানে নারীরা স্বাভাবিকভাবে নারীদের পক্ষ থেকে কথা বললে কমফোর্ট ফিল করে। এটা ভালো দিক যে নারীরা রাজনীতিতে সক্রিয় হচ্ছেন এবং ভোটের আয়োজনে ভূমিকা রাখছেন। নির্বাচনে তাদের একটি চমৎকার ভূমিকা সবাই প্রত্যাশা করে। সব দলেরই নারীরা কাজ করছে। আমরা তাদের জন্য একটি সুন্দর, নিরাপদ পরিবেশ দিতে চাই। কিন্তু দুঃখজনক হলো, বিভিন্ন দলের পক্ষ থেকে আমাদের নারী-কর্মীদের ওপর মারাত্মক ধরনের আচরণ করা হচ্ছে, যা উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা তৈরি করেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর খুব একটা ভূমিকা আমরা দেখতে পাচ্ছি না। দেশের বিভিন্ন জায়গায় এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। একটি বড় দলের পক্ষ থেকে তাদের নেতাকর্মীরা এই কাজগুলো করছে।’
ঢাকা-৮ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলের প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে রাজধানীতে। গত ২৭ জানুয়ারি মঙ্গলবার সাড়ে ১১টার দিকে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজের একটি পিঠা উৎসবে অতিথি হিসেবে যান। সেখানে ছাত্রদল তার ওপর হামলা করে। এতে ঢাকা-৮ আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের ভোট কমল বলে মন্তব্য করেছেন সচেতন ভোটাররা। কারণ তারা আর কোনো দখলকারী, প্রতারণা ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের নির্বাচন চায় না।
ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের নির্বাচন সফল হবে না
ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে ক্ষমতায় আনতে এদেশে ২০০৮ সালে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছিলো সেনাশাসিত মইন উ আহমেদ ও ফখরুদ্দিনের নেতৃত্বে। এরপর হাসিনা নিজেই ২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত প্রতিটি জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রেখেছিলো। শেষ পর্যন্ত ছাত্র-জনতার বিপ্লবে ২০২৪-এর ৫ আগস্ট দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। দেশ-বিদেশের পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, এবার এ কুচিন্তা কেউ করলে রেহাই পাবে না। কারণ ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কীভাবে করা হয়, তার সর্ব প্রক্রিয়ার সাথে এদেশের মানুষ পরিচিত।
এ প্রসঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, নির্বাচন কমিশন সবার আস্থা অর্জন করতে না পারলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। জনগণ সব দেখছে। কমিশন প্রভাবিত হলে আমরা ১১ দলীয় জোট মাঠে নামতে বাধ্য হবো। আমরা নির্বাচনের মাঠে থাকতে চাই, কমিশন যেন আন্দোলনের মাঠে নামতে বাধ্য না করে। অনিয়ম চলতে থাকলে দল ও জোটের পক্ষ থেকে ভিন্ন পথে যাব। আগের মতো পরিকল্পিত নির্বাচন করতে দেওয়া হবে না। ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হলে মেনে নেওয়া হবে না। প্রতিহত করা হবে। নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে এর দায় সরকারকে নিতে হবে।’ এখন প্রশ্ন হলো- অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সরকার কতটা প্রস্তুত।
সরকার কতটা প্রস্তুত
সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি জনমনের সংশয় দূর করতে পারেনি। ফ্যাসিস্টের আমলের প্রশাসনেই চলছে দেশ- এমন অভিযোগ হরহামেশাই করা হচ্ছে বিভিন্ন মহলের পক্ষ থেকে। অবশ্য পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, আমলারা গ্লাসের পানির মতো। পানি যেমন যখন যে রঙের গ্লাসে রাখা যায়, সেই রঙ ধরে। আমলারাও ঠিক তাই- যখন যে সরকার আসে, তারা তাদের সাথেই মানিয়ে নেয়। দলান্ধ যে নেই তা নয়। ফ্যাসিস্ট আমলে দলান্ধ যারা ছিলেন, তারা তো অনেকেই পালিয়ে গেছে। সুবিধাবাদী অংশ বিএনপির দিকে ঝুঁকে পড়েছে। নিরপেক্ষরা সততার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। নির্বাচন কমিশন ও সরকারের দায়িত্ব কোনো দলীয় প্রভাব নয়, একটি নিরপেক্ষ ও অবাধ নির্বাচন জাতিকে উপহার দেয়ার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কঠোরভাবে প্রশাসনে কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা। কোনো বিশেষ দলের দিকে ঝুঁকে পড়াদের ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা। কিন্তু পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, এক্ষেত্রে এখনো যথেষ্ট ঘাটতি আছে।
সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ও প্রধান নির্বাহী ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন গণতান্ত্রিক উত্তরণের পূর্বশর্ত হলেও তা এককভাবে যথেষ্ট নয়। গণতন্ত্রকে টেকসই ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হলে গভীর আইনি, প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত সংস্কার অপরিহার্য। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার নেতৃত্বে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে কর্তৃত্ববাদী শাসনের অবসান ঘটলেও এখনো গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াই শেষ হয়নি। নির্বাচন ব্যবস্থার পরিশুদ্ধকরণ, মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার এবং রাষ্ট্র সংস্কারের মাধ্যমে একটি সাম্যভিত্তিক ও ন্যায়বিচারপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল আকাক্সক্ষা। তিনি নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রধান সাত প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করেছেন।
সাত প্রতিবন্ধকতা
ড. বদিউল আলম মজুমদার নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রধান সাত প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করেন। সেগুলো হলো- নির্বাচনী ও রাজনৈতিক অঙ্গনে দুর্বৃত্তায়ন, টাকার অশুভ প্রভাব, নির্বাচন কমিশনের অকার্যকারিতা, নাগরিক সমাজের নিষ্ক্রিয়তা, নির্বাচনকালীন সরকারের পক্ষপাতদুষ্টতা এবং ক্ষমতার অতিমাত্রায় কেন্দ্রীকরণকে চিহ্নিত করেন। অতীতের অভিজ্ঞতায় প্রমাণ হয়েছে যে, দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। এজন্য নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের গুরুত্ব অপরিসীম। নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী, স্বাধীন ও দায়বদ্ধ করতে হবে। একইসঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র, আর্থিক স্বচ্ছতা এবং দুর্বৃত্তদের রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। তিনি মনে করেন, নাগরিক সমাজ ‘ল্যাপ ডগ’ নয়, বরং ‘ওয়াচ ডগ’-এর ভূমিকা পালন করলে প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব।
‘ল্যাপ ডগ’ নয়, বরং ‘ওয়াচ ডগ’
জনগণের জাগরণের কারণে ৩৬ জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে। নাগরিক সমাজ জুলাই বিপ্লবীদের পাশে দাঁড়িয়ে ওয়াচ ডগের ভূমিকা পালনের সাহস পেয়েছিলো আন্দোলনে জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণ এবং আত্মোৎসর্গকারী ভূমিকার কারণে। কিন্তু এর আগে তারা হাসিনার ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে ছিলেন ‘ল্যাপ ডগ’-(অনুগত গোষ্ঠী)-এর ভূমিকায়। কারণ জনগণ ও রাজনৈতিক দলগুলো হাসিনার বন্দুকের সামনে দাঁড়াতে সাহস দেখায়নি। তাদের নেতা-কর্মীরা গুম-খুনের শিকার হয়েছে। কিন্তু রাজপথের আন্দোলন জীবন দেয়ার মতো নেতৃত্ব পায়নি।
রাজনীতি বিশ্লেষকরা মনে করেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে জনগণের সতর্কতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সরকার, নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি জনগণকে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে এগিয়ে আসতে হবে।