গণভোটে জুলাই সনদ সর্বোচ্চ আইনি ও রাজনৈতিক বৈধতা পেয়েছে

প্রিন্ট ভার্সন
৫ মার্চ ২০২৬ ২০:৪৪

ফেরদৌস আহমদ ভূইয়া

॥ ফেরদৌস আহমদ ভূইয়া ॥
আধুনিক গণতান্ত্রিক বিশ্বে গণভোট একটি স্বীকৃত পদ্ধতি। কোনো দেশের যেকোনো রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকটে গণভোট করেই সমাধান করা হয়ে থাকে। অনেক দেশেই রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকট উত্তরণে; এমনকি কোনো কোনো অঞ্চলের স্বাধীনতা প্রশ্নেও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং হচ্ছে। বাংলাদেশেও বিগত পাঁচ দশকে চারটি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং সবগুলোই গৃহীত হয়েছে। তেমনিভাবে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশেও অনেক গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং তন্মধ্যে কিছু কিছু গণভোটের রায় যেমন গৃহীত হয়েছে, তেমনি অধিকাংশ জনগণের সমর্থন লাভ না করায় কোনো গণভোট বাতিলও হয়েছে।
গণভোট কী?
গণভোটের আগে আমরা জানতে পারি ভোট কাকে বলে। ভোট হলো কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বা কাউকে নেতা হিসেবে বেছে নিতে সাধারণ জনগণ তথা ভোটারের মতামত বা পছন্দ জানানোর একটি আনুষ্ঠানিক পদ্ধতি। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এটি নাগরিকদের সবচেয়ে বড় ক্ষমতা, যার মাধ্যমে তারা দেশ বা সমাজ পরিচালনার জন্য প্রতিনিধি নির্বাচন করেন।
কোনো কোনো সময় নির্দিষ্ট রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও প্রস্তাব বা সাংবিধানিক আইন বা প্রকল্পের পক্ষে বা বিপক্ষে মতামত দেওয়ার জন্য ভোট ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের মতামত নেয়া হয় গণভোটের মাধ্যমে। গণভোট বা রেফারেন্ডাম হলো এমন একটি বিশেষ ভোট ব্যবস্থা, যেখানে কোনো নির্দিষ্ট আইন, নীতি বা সাংবিধানিক পরিবর্তনের বিষয়ে দেশের সাধারণ নাগরিকরা সরাসরি ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোট দিয়ে তাদের মতামত জানায়। সাধারণ নির্বাচনে আমরা আমাদের প্রতিনিধি (যেমন : সংসদ সদস্য) নির্বাচন করি, কিন্তু গণভোটে কোনো প্রার্থী থাকে না। এখানে একটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব বা প্রশ্নের ওপর জনগণের রায় নেওয়া হয়। এটি প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের (উরৎবপঃ উবসড়পৎধপু) একটি অন্যতম উদাহরণ।
রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের মতে, গণভোট সাধারণ নাগরিকদের নীতিনির্ধারণে সরাসরি কথা বলার সুযোগ দেয়, যা রাজনৈতিক বৈধতা বৃদ্ধি করে। রাষ্ট্রে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন বা নতুন সংবিধান গ্রহণের ক্ষেত্রে গণভোটকে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি হিসেবে স্বীকৃত।
রেফারেন্ডাম ও প্লেবিসিট (Referendum and Plebiscite)
রেফারেন্ডামের বাংলা অর্থ হচ্ছে গণভোট, যখন সংবিধান সংশোধন করার জন্য ভোটের আয়োজন করা হয়, তখন তাকে রেফারেন্ডাম তথা গণভোট বলা হয়। এক্ষেত্রে সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে বাধ্য থাকে।
সরকার কোনো আইন প্রণয়ন বা বাতিল করার ক্ষেত্রে যদি জনমত যাচাই করে কিন্তু এর ফলাফল মেনে নেয়ার বাধ্যবাধকতা থাকে না, তখন তাকে প্লেবিসিট (Plebescite)   বলে। কোনো দেশে গণভোটের মাধ্যমে জনগণের রায় সাংবিধানিক পরিবর্তন ও রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য সর্বোচ্চ আইনি ও রাজনৈতিক বৈধতা পায়।
গণভোট কেন?
রাষ্ট্রের সংবিধান পরিবর্তন, রাষ্ট্রের কোনো সিদ্ধান্তের বিষয়ে জনগণের মতামত নিয়ে বৈধতা নেয়া, জাতীয় অর্থনৈতিক কোনো বিষয়ে; এমনকি কোনো কোনো সময় দেশের একটি অঞ্চলের স্বাধীনতা প্রশ্নেও গণভোট করা হয়ে থাকে।
সংবিধান পরিবর্তন : দেশের সংবিধানে বড় কোনো সংশোধন বা আমূল পরিবর্তনের জন্য জনগণের সরাসরি সম্মতি নিতে গণভোট করা হয় ।
জনমতের গুরুত্ব : জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয়ে (যেমন : নতুন কোনো আইন গ্রহণ বা বর্জন) দেশের মানুষের সমর্থন কতটুকু তা যাচাই করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
বৈধতা নিশ্চিত করা : বড় কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সরকারের একার সিদ্ধান্তের চেয়ে জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ সেই সিদ্ধান্তকে বেশি শক্তিশালী ও আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য করে তোলে।
স্বাধীনতা বা সার্বভৌমত্ব : কোনো অঞ্চল স্বাধীন হবে কি না বা অন্য কোনো দেশের সাথে যুক্ত হবে কি না, তা নির্ধারণেও গণভোট হতে পারে ( যেমন: স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতা ভোট বা ব্রেক্সিট)।
বিশ্বের দেশে দেশে গণভোট : হ্যাঁ হলে গৃহীত, না’য়ে বাতিল
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন সময় অনেক গণভোট হয়েছে। এ নিবন্ধে অতীতে বিভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠিত উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গণভোট নিয়ে আলোচনা করছি। গণভোট যেমন বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোয় অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে, তেমনি পশ্চিমের উন্নত দেশগুলোয়ও হয়ে থাকে। যেমন ফ্রান্সের মতো একটি উন্নত দেশে নিকট অতীতে একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে ফ্রান্সে একটি প্রদেশের স্বাধীনতা নিয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। নিউ ক্যালোডেনিয়া নামে একটি প্রদেশ ফ্রান্স থেকে স্বাধীনতা পেতে এ গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। ঐ গণভোটে মাত্র তিন দশমিক ৫০ ভাগ জনগণ নিউ ক্যালোডেনিয়ার স্বাধীনতার পক্ষে হ্যাঁ ভোট দেয় আর ৯৬ দশমিক ৫০ ভাগ না ভোট দেয়, দুই দশমিক ৯৯ ভাগ ভোট বাতিল হয়। যেহেতু অধিকাংশ প্রস্তাবটির বিপক্ষে ভোট দিয়েছে তাই এ গণভোটটি বাতিল হয়ে যায়। তাই নিউ ক্যালোডেনিয়া স্বাধীনতা লাভ করতে পারেনি।
২০১৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতা প্রশ্নে গণভোটে ৫৫.৩% ভোটার যুক্তরাজ্যের (টক) সাথে থাকার পক্ষে এবং ৪৪.৭% ভোটার স্বাধীনতার পক্ষে ভোট দেন। ঐ গণভোটে ৮৪.৬ ভাগ মানুষ গণভোটে অংশগ্রহণ করে। ২০১৪ সালের গণভোটের মূল প্রশ্ন ছিল : “স্কটল্যান্ড কি একটি স্বাধীন দেশ হওয়া উচিত?” ফলাফল: ‘না’ (No) জিতেছে ৫৫% এর বেশি ভোটে ‘হ্যাঁ’ (Yes) ) ভোট পেয়েছে ৪৪.৭%। বিপুল ভোটাধিকার তথা প্রায় ৪৮ ভাগ মানুষ স্বাধীনতার পক্ষে ভোট দেয়া সত্ত্বেও স্কটল্যান্ড একটি স্বাধীন দেশ না হয়ে যুক্তরাজ্যের অংশ হিসেবেই থেকে যায়।
২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে সার্বিয়ায় একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হয় বিচার বিভাগীয় পরিবর্তন তথা সংবিধান সংশোধন। ৬০ দশমিক ৪৮ ভাগ মানুষ হ্যাঁ ভোট দেয় আর ৩৯ দশমিক ৫২ ভাগ না ভোট দেয়। হ্যাঁ ভোট বেশি হওয়ায় সংশোধনীটি গৃহীত হয়। নতুন পারিবারিক আইন (সমকামী বিবাহ) সর্ম্পকে একটি প্রস্তাব নিয়ে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কিউবায় একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। ৬৬ দশমিক ৮৫ মানুষ পক্ষে হ্যাঁ ভোট দেয় এবং ৩৩ দশমিক ১৫ ভাগ না ভোট দেয়। তাই প্রস্তাবটি গৃহীত হয়ে যায়। ২০২৩ সালে উজবেকিস্তানে নতুন সংবিধান ও মেয়াদের পরিবর্তন সর্ম্পকিত একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। নতুন সংবিধান ও মেয়াদের পরিবর্তন সর্ম্পকিত প্রস্তাবটি গৃহীত হয়েছে। আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি নিয়ে ২০২৩ সালে অস্ট্রেলিয়ায় একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। ৩৯ দশমিক ৯৪ ভাগ হ্যাঁ এবং ৬০ ভাগ না ভোট দেয়ায় প্রস্তাবটি বাতিল হয়ে যায়। ৯০ দশমিক ২১ ভাগ মানুষ হ্যাঁ-র পক্ষে ভোট দেয় এবং ৯ দশমিক ১৮ ভাগ মানুষ না ভোট দেয়। বায়োডাইভার্সিটি ইনিশিয়াটিভ বিষয়ে ২০২৪ সালে সুইজারল্যান্ডে একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। ৩৭ দশমিক ২০ ভাগ মানুষ হ্যা এবং ৬২ দশমিক ৮০ ভাগ মানুষ না ভোট দেয়ায় তা বাতিল হয়ে যায়। ২০২৩ সালে ডিসেম্বরে চিলিতে নতুন সংবিধান প্রস্তাব (দ্বিতীয়বার) একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। ৪৫ দশমিক ৬১ ভাগ হ্যাঁ এবং ৫৪ দশমিক ৩৯ ভাগ না ভোট দেয়। হ্যাঁ ভোট কম হওয়ায় প্রস্তাবটি বাতিল হয়ে যায় । ২০২৪ সালের অক্টোবরে কাজখাস্তানে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ সম্পর্কিত একটি প্রস্তাব নিয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। ৭১ ভাগ মানুষ হ্যাঁ ও মাত্র ২৮ দশমিক ৮৮ মানুষ না ভোট দেয়। হ্যা-র পক্ষে ভোট বেশি পড়ায় প্রস্তাবটি গৃহীত হয়ে যায়। ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদান নিয়ে ২০২৪ সালের অক্টোবরে মলদোভায় একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। ৫০ দশমিক ৩৫ ভাগ হ্যাঁ-র পক্ষে ভোট দেয়, অপরদিকে ৪৯ দশমিক ৬৫ ভাগ মানুষ না-র পক্ষে ভোট দেয়। তাই প্রস্তাবটি গৃহীত হয়ে যায়। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে জুলাই সনদ (সংবিধান সংস্কার) নিয়ে বাংলাদেশে একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। ৬৮ দশমিক ৫৯ ভাগ মানুষ হ্যাঁ ৩১ দশমিক ৪১ ভাগ মানুষ না ভোট দেয়। হ্যাঁ জয়ী হওয়ায় প্রস্তাবটি গৃহীত হয়েছে।
বাংলাদেশ, কাজাখস্তান এবং উজবেকিস্তানের মতো দেশগুলোয় বড় ব্যবধানে প্রস্তাবগুলো গৃহীত হয়েছে। বিশেষ করে উজবেকিস্তানে সমর্থনের হার ছিল অভাবনীয় (৯০%+)।
অস্ট্রেলিয়া এবং চিলিতে ভোটাররা সরকারের আনা গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার প্রস্তাবগুলো সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। অন্যদিকে নিউ ক্যালেডোনিয়া ফ্রান্সের সাথেই থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় স্বাধীনতার প্রস্তাবটি বিশাল ব্যবধানে বাতিল হয়। মলদোভায় ফলাফল ছিল অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি, যেখানে মাত্র ০.৭০% ভোটের ব্যবধানে ইইউপন্থী প্রস্তাবটি জয়ী হয়।
বাংলাদেশে চার গণভোট
২০২৬ সালের গণভোটের আগেও বাংলাদেশে তিনটি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৯৭৭, ১৯৮৫ ও ১৯৯১ সালে এ তিনটি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৯৭৭-র গণভোট : সেনাপ্রধান থেকে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়া জিয়াউর রহমান তার শাসনকার্যের বৈধতা পেতে এটি করেছিলেন। এতে আমলাতন্ত্র এবং সদ্য গঠিত স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের বড় সমর্থন ছিল। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর সরাসরি অংশগ্রহণের চেয়ে এটি ছিল ব্যক্তির প্রতি আস্থার ভোট।
১৯৮৫-র গণভোট : রাষ্ট্রপতি এরশাদ তার সামরিক শাসনের বৈধতা পেতে এই ভোট আয়োজন করেন। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটগুলো একে ‘প্রহসন’ আখ্যা দিয়ে বর্জন করেছিল। বিরোধীদলগুলো সেদিন দেশব্যাপী হরতাল পালন করেছিল।
১৯৯১-র গণভোট : এটি ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে একমাত্র গণভোট, যেখানে সব বড় রাজনৈতিক দল (আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত ইত্যাদি) একমত ছিল। ১৯৯১ সালের পঞ্চম সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর বিএনপি যখন সংসদীয় পদ্ধতি প্রবর্তনের বিল আনে, তখন আওয়ামী লীগও তাতে পূর্ণ সমর্থন দেয়। ফলে এই গণভোটে কোনো দলই ‘না’ বাক্সের পক্ষে প্রচারণা চালায়নি।
গণভোটে জুলাই সনদ গৃহীত
সব শেষে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হলো জুলাই সনদের স্বীকৃতির গণভোট। এ গণভোটেও সাধারণ জনগণ জুলাই সনদ তথা রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষেই হ্যাঁ ভোট দিয়েছে। এ গণভোটে প্রায় ৭০ ভাগ মানুষ জুলাই সনদের পক্ষে তাদের মতামত দিয়েছে। গণভোটে হ্যাঁ জয়যুক্ত হওয়ায় জুলাই সনদ স্বীকৃতি পেয়েছে। যে কোনো গণভোটের মাধ্যমে জনগণের রায় কোনো সাংবিধানিক পরিবর্তন ও রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য সর্বোচ্চ আইনি ও রাজনৈতিক বৈধতা পায়। সে হিসেবে জুলাই সনদ হ্যাঁ ভোটের মাধ্যমে সর্বোচ্চ আইনি ও রাজনৈতিক বৈধতা পেয়েছে। সর্বোপরি বাংলাদেশের জনগণ রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য জুলাই সনদকে গণভোটের মাধ্যমে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং তা গৃহীত হয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের এ সিদ্ধান্ত রাষ্ট্র ও সরকার মেনে নিতে বাধ্য। তাই বর্তমান সরকারকে রাষ্ট্র সংস্কারের জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতেই হবে। জনগণের প্রত্যাশা বর্তমান সরকার সাধারণ ভোটারের এ রায়কে মেনে নিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে। ইমেইল:ferdous.ab@gmail.com

ফেরদৌস আহমদ ভূইয়া

নজরুল মানস ও ইসলামী সঙ্গীত
১৬ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:১৮

সম্পর্কিত খবর