কার উসিলায় সিন্নি খাইলা মোল্লা চিনলা না


২৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:২৭

॥ একেএম রফিকুন্নবী ॥
জুলাই বিপ্লবের কারণেই আজকের জাতীয় সংসদ। আর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সালাহউদ্দিনের বাংলাদেশে আসা এবং সংসদে বসা। তাই জুলাই বিপ্লবের সাথে ছলচাতুরী করে বা প্রতারণা করে পার পাওয়া যাবে না। জনগণ প্রায় ৭০% ভোট দিয়ে জুলাই বিপ্লবের পক্ষে হ্যাঁ ভোট দিয়েছে, তাই জনগণের ভোট উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই। গণভোট কার্যকর করতে হবে। কোনো বিকল্প নেই।
ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী একাধিকবার জনসমাবেশে জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তাই আর টালবাহানা না করে দেশের স্বার্থে অনতিবিলম্বে জুলাই সুনদ কার্যকর করার জোর দাবি সচেতন নাগরিকদের।
দীর্ঘ ৫৫ বছরে কোনো সরকারই জনগণের দাবি সঠিকভাবে পালন না করে স্বস্তির সাথে বিদায় নিতে পারেনি। স্বাধীন দেশের জন্য এটা মানানসই নয়। কল্যাণকরও নয়। সর্বশেষ স্বৈরাচার হাসিনা সরকার তো ছাত্র-জনতার তাড়া খেয়ে দেশ থেকে পালাতে বাধ্য হয়েছে দলবল নিয়ে, যা দেশের জন্য বা তার জন্য কল্যাণকর নয়। আমরা ১৮ কোটি মানুষ আর দেশে রক্তারক্তি দেখতে চায় না। ছাত্র-জনতা আর মারামারি চায় না। দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্য চাই। দেশের কল্যাণ চাই। পরবর্তী ভবিষ্যতের জন্য একটি স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ গড়ে যেতে চাই।
মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের এই ছোট দেশে সবই দিয়েছেন। নদী-নালা, খাল-বিল, পাহাড়-পর্বত, সমুদ্র-সমতলভূমি। দেশের আর্থিক উন্নয়নের জন্য এসব উপকরণ খুবই প্রাসঙ্গিক। শুধুমাত্র দেশদরদি সরকার গঠন করতে পারলেই আমাদের নাম আর দরিদ্রের খাতায় থাকবে না। সুখের খবর চট্টগ্রাম, নোয়াখালীর দক্ষিণে বৃহত্তর চর জেগে উঠেছে, যা আরেকটি বাংলাদেশের সমান। ঐ এলাকা চাষাবাদের উপযোগী করে গড়ে তুলতে পারলে আমাদের আর গরিব থাকতে হবে না। আমাদের যে বিশাল সমুদ্রের সীমানা রয়েছে, তা খনিজ ও মাছ উৎপাদনের বড় ক্ষেত্র। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ সমুদ্রকে কাজে লাগাতে হবে। গ্যাস ও জ¦ালানি সম্পদ আহরণও বড় খাত। যেহেতু ভারতের নিম্ন এলাকা আমাদের। তাই গ্যাস, ও জ¦ালানি সম্পদ আমাদের দেশের জন্য অনুকূল।
কারো দয়া ও দাসত্ব নয়। নিজের এলাকা চাষ করা আমাদের অধিকার। সীমান্ত এলাকায় আমাদের গ্যাসক্ষেত্রগুলো আরো কার্যকরভাবে খননকাজ চালাতে হবে। ভূ-তত্ত্ব বিভাগের অভিজ্ঞ লোকবলকে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে হবে। প্রয়োজনে বিদেশি কারিগরের সাহায্য নিতে হবে। মূলকথা হলো আমাদের দেশের সম্পদ আমাদেরই উদ্যোগ নিয়ে কাজের উপযোগী করতে হবে। আমাদের জনশক্তিকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে পাঠাতে হবে। এমনকি আফ্রিকায় লিজ নিয়ে কৃষিকাজের উদ্যোগ নিলে বড় রেমিট্যান্স আনা সম্ভব। মূলকথা হলো স্থিতিশীল সরকার হলে দেশের স্বার্থে আমরা এগিয়ে যেতে পারব।
জুলাই বিপ্লব কিন্তু অল্পদিনের ফসল নয়। যদিও দেখা যায় ৩৬ দিনে আমরা সফলতা পেয়েছি, তা কিন্তু নয়, গত ১৭ বছরের শেখ হাসিনার জেল-জুলুম, হত্যা, গুম, আয়নাঘর, জামায়াত নেতাসহ বড় নেতাদের অকারণে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে দুর্নীতির রানি অমার্জনীয় অপরাধ করেছিল। তাই ছাত্র-জনতার ক্ষোভ ও বৈষম্যের পাহাড় সৃষ্টির কারণেই এ বিপ্লব সফল হয়েছে। এ বিপ্লব ব্যর্থ হতে দেয়া যাবে না।
দেশে দেশে বিপ্লবের পর বিপ্লবী সরকার গঠন হয়ে দেশ চালিয়ে সফলতা পেয়েছে। এই তো সেদিন নেপালে ৩৬ বছরের এক বিপ্লবী যোদ্ধার অধীনে সরকার গঠন করে বেশ ভালোভাবে তার দেশ চালাচ্ছে। কিছুদিন পূর্বে সিরিয়ায় বিপ্লব করে বিপ্লবী সরকার গঠন করে ভালোভাবে দেশ চালাচ্ছে। আগেও বলেছি, আবার বলতে চাই ছোট দেশ মালদ্বীপ ভারতীয় সৈন্য তাড়ানোর ঘোষণা দিয়ে মুহাম্মদ মইজ্জু নির্বাচনে জিতে সরকার গঠন করে দেড় মাসের মধ্যে ভারতীয় সৈন্য তাড়িয়ে দিয়েছে। তাই জুজুর ভয় না পেয়ে আমাদের স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে হবে। গত ৫৫ বছরে আমাদের কোনো গ্যাসফিল্ডের কাজ এগোয়নি।
আবার বলতে চাই, জুলাইযোদ্ধাদের মর্যাদা দিতে হবে। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ছাত্র-জনতাকে মূল্যায়ন করতে হবে। তাদের ত্যাগের কারণেই আমরা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে মানুষ অনেক দিন পর উৎসবমুখরভাবে ভোট দিতে পেরেছে। কোনো গণ্ডগোল হয়নি। মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে পুরুষ-মহিলারা ভোট দিয়েছে তাদের পছন্দমতো প্রার্থীকে। যদিও রাতে ভোটের রেজাল্ট ইঞ্জিনিয়ারিং করে জামায়াত জোটকে মেইন স্ট্রিমে আসতে দেয়নি দেশবিরোধী একটি চক্র, যা ড. ইউনূস সরকারের উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান প্রকাশ্যে মিডিয়াকে বলেছে, তারা জামায়াত জোটকে মেইন স্ট্রিমে আসতে দেয়নি।
জামায়াত আমীরের দূরদৃষ্টির কারণে আজ সংসদ তুলনামূলক ভালো পরিবেশে চলছে। আমরা ক্ষমতা নয়, দেশের জন্য কাজ করতে চাই। পদ-পদবি নয়, সরকারি দল বিরোধীদল দেশের জন্য, জনগণের কল্যাণে একমত হয়ে এগোতে চাই। দেশদ্রোহী কুচক্রী মহল বসে নেই। তারা এদেশকে স্বাধীন-সার্বভৌম উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে উঠতে দিতে চায় না। সবসময়ই ভারতের গোলাম হয়ে দেশ চালাতে চায়। দেশের মানুষ, ছাত্র-জনতা এখন অনেক সচেতন। দেশদ্রোহীদের কুচক্রে পা দেবে না।
জুলাই বিপ্লবের পর দেশের ৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের নির্বাচনী প্যানেলে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে প্রমাণ করেছেÑ ছাত্ররা আর পেশিশক্তির কাছে হার মানতে চায় না। ছাত্র নয়, এমন আদুভাই ছাত্রনেতাদের ছাত্ররা পরিহার করেছে। দাদা ছাত্রদের আর নেতৃত্বে দেখতে চায়না। তাই সচেতন ছাত্রসমাজ প্রকৃত ছাত্রদের নেতা বানিয়ে শিক্ষার পরিবেশ ঠিক রাখতে চায়। ইদানীং সরকারি দলের ছাত্র সংগঠন পায়ে পাড়া দিয়ে ছাত্রশিবিরের নির্বাচিত ডাকসু নেতাদের বিরুদ্ধে কাল্পনিক অভিযোগ তুলে মব সৃষ্টি করে আহত করেছে, আবার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মব সৃষ্টি করে ছাত্রদের ওপর হামলা করেছে, আহত করেছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা আশা করি, সচেতন ছাত্ররা এ ফাঁদে পা দেবে না। অন্যদিকে ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ ভালো রাখতে চেষ্টা করবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে মব তৈরির বিরুদ্ধে কথা বললেন, কিন্তু তাদেরই ছাত্র সংগঠন পায়ে পাড়া দিয়ে সাধারণ ছাত্রদের সাথে কলহে জড়িত হচ্ছে। মোটকথা সরকারি দলের ছাত্র সংগঠন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথা মানছে না, যা দেশের জন্য কল্যাণকর নয়। সরকারি দলের ছাত্র সংগঠনের মব ষড়যন্ত্র ইতোমধ্যেই সাধারণ ছাত্ররা প্রতিবাদ করেছে এবং মিটিং-মিছিল করে জানান দিয়েছে, পতিত ছাত্র সংগঠনের আচরণ সাধারণ ছাত্ররা বরদাশত করবে না।
সরকারি দলের মহাসচিব বিরোধীদলকে যেভাবে নির্মূল করার প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন, তা খুবই দুঃখজনক। যে ফখরুল ইসলাম জুলাই বিপ্লবের পূর্ব মুহূর্তে প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছিলেন, তারা ছাত্রদের আন্দোলনের সাথে নেই। তিনিই জুলাই বিপ্লবের ফসলের সংসদের সদস্য হয়েছেন এবং আসলে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমেই তারা সরকার গঠন করেছেন, যা ছাত্র-জনতা উপলব্ধি করে। সরকারি দলের আহম্বরিতা জনগণের কাছে স্পষ্ট হয়েছে যে, তাদের পায়ের নিচের মাটি খুবই দুর্বল। তাই তো প্রধানমন্ত্রী জুলাই সনদ ও গণভোটের দাবি অক্ষরে অক্ষরে পালনের প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়েছেন।
অন্যদিকে সরকারি দলের মহাসচিব বাম নেতা ফখরুল ইসলামের প্রকাশ্যে জামায়াতে ইসলামীকে নির্মূলের ঘোষণা একটি রাজনৈতিক অপরাধের শামিল। তাকে মনে হতো ভদ্র-শালীন ব্যক্তিত্ব। কিন্তু রাজনৈতিক ছলবলে তার মধ্যেই নির্মূলের গন্ধ পাওয়াটা কিছুটা হলেও অনাকাক্সিক্ষত। তার পাশেই বসেছিলেন অভিজ্ঞ দুজন নেতা, যাদের সাথে আমার ভালো পরিচয় বাইরে, জেলে এবং খাবার টেবিলে। জানি না, তারা ফখরুলের নির্মূলের কথার পর তাকে শহীদ জিয়া ও বেগম জিয়ার সাথে জামায়াতের সম্পর্কের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলেন কিনা?
বর্তমানে সরকারি দল যতই সংখ্যাগরিষ্ঠের মনে করুক না কেন, তারা জানে তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠের হাকিকত। আমার জানা মতে, সরকারি দলের বাম ঘরানা ছাড়া বাকিরা সালাহউদ্দিন বা ফখরুলদের মনের মিল আছে কিনা? এরা যতই ভারতের তাঁবেদারির খোলস পরুক না কেন, তাদের অধিকাংশ নেতাকর্মী এবং দেশের ছাত্র-জনতা যে ভারতের আধিপত্যবাদ থেকে অনেক দূরে, তা জুলাই বিপ্লবে ছাত্র-জনতা দেখিয়ে দিয়েছে। অবশ্য একথা সত্য আমরা ভারতের জনগণের বিরোধী নই। আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সমমর্যদার ভিত্তিতে সম্পর্ক চাই।
ট্রাম্প যেমন তাদের আধিপত্যবাদ দেখাতে গিয়ে ইতোমধ্যেই ইরানের আক্রমণ থামাতে মরিয়া হয়ে পড়েছে। ট্রাম্প তার নিজের দেশেই নিরাপদ নয়, তা কয়েকদিন পূর্বে এক ডিনারে গুলির আওয়াজে জানান দিয়েছে।
ইরান ঘোষণা দিয়েছে যে, মোজতবা খামেনি অদৃশ্য স্থান থেকে দেশে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। বিএনপি ও ছাত্রদল এটাকেও কি গুপ্ত বলে চালিয়ে দেবেন। চালাবেন না। থানার ভেতরে ডাকসু নেতা ও সাংবাদিকদের ওপর আক্রমণ করে ছাত্রদলের নেতারা জঘন্য অপরাধ করেছেন। থানার লোকদের এবং এই ছাত্রনেতা নামধারী সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনা জরুরি। আমরা দেশে শান্তি চাই। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জ্ঞানের চর্চা দেখতে চাই। দলীয় রাজনীতির বাইরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে চালাতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের অবশ্যই শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। বাইরের লোকদের ক্যাম্পাসে না আসা নিশ্চিত করতে হবে। হলে অছাত্রদের জায়গা দেয়া যাবে না। ৩ সন্তানের বাপকে হলে রাখা যাবে না। প্রধানমন্ত্রীকে জানাতে চাই, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শুধুমাত্র ছাত্রদেরই। তাই ছাত্রদলকে সামাল দিন। অছাত্র নেতৃত্ব বাদ দিয়ে রেগুলার ছাত্রদের নেতৃত্বে আনুন, যেমন প্রতি বছরই শিবিরের নেতৃত্বে নতুন নেতা নির্বাচিত হয়ে আসে। দেশকে গড়তে হলে ছাত্রদের দেশসেবার উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে। মাস্তানি করে অন্যদলের ছাত্রদের ওপর হামলা করে দেশকে দেশ পরিচালনার মতো নেতা তৈরি হবে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদেরও দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে প্রতিষ্ঠানের ভাবমর্যাদা বজায় রাখতে হবে।
দীর্ঘদিন পর সরকারিদল ও বিরোধীদল সংসদে সহাবস্থানের নমুনা পেশ করেছে। আমাদের মতভেদ থাকবে, কিন্তু মতবিরোধ চাই না। জনগণের টাকায় সংসদ সদস্যদের ভরণ-পোষণ চলে। তাই জনগণের ক্ষতির কোনো কাজ বা কথা সংসদে হওয়া যাবে না। কথা ও কাজে সংসদকে প্রাণবন্ত করতে হবে। সংসদ চলবে যুক্তিতর্ক দিয়ে, ভায়োলেন্স করা যাবে না।
জুলাই বিপ্লবের ফলেই আজকের এই সংসদ। ১৫শ’ ছাত্র-জনতা রক্ত এবং প্রায় ৩০ হাজার ছাত্র-জনতা হাত, পা, চোখ হারানোর ফলেই আজকের এই সংসদ। তাই গতানুগতিকভাবে এ সংসদ গঠিত হয়নি। এ ব্যাপারটি সরকারি ও বিরোধীদলকে মনে রাখতে হবে। ৫ আগস্ট সরকারি দল ও বিরোধীদলের আমরা হাজার হাজার লোক হাসিনার জেলে ছিলাম। তাই আজ যারা জুলাই বিপ্লবের ধারাবাহিকতা নষ্ট করতে চাচ্ছেন, তাদের মনে রাখতে হবে জুলাই বিপ্লবের মর্যাদা সঠিকভাবেই দিতে হবে। বস্তাপচা লোক ও আইন দিয়ে দেশ চলবে না। জুলাই সনদের কার্যকারিতা দিয়েই দেশ চালাতে হবে। পেছনে ফেরার কোনো সুযোগ নেই। অতিদ্রুত সংস্কার ও বিচারের কাজ শেষ করতে হবে। দেশটা যেমন কারো বাপের না, তেমনি জনণের ইচ্ছায়ই ৭০% লোকের ভোটে পাস করা আইনই দেশের রক্ষাকবচ। আর টালবাহানা নয়, দলকরণ নয়, গাদ্দারি নয়, দেশের মানুষ জুলাই সনদের বাস্তবায়ন চায়। দেশ ও জাতি এটাই আশা করে।
লেখক : সাবেক সিনেট সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
ই-মেইল : rnabi1954@gmail.com