জামায়াতের ‘জুলাই এখনো শেষ হয় নাই’ শীর্ষক স্থিরচিত্র প্রদর্শনী

জুলাইয়ের প্রত্যাশা পূরণ ও জনগণের অধিকার নিশ্চিতে আন্দোলন চলবে : ডা. শফিকুর রহমান


১২ আগস্ট ২০২৬ ২০:৫৮

স্টাফ রিপোর্টার : জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূতি উপলক্ষে ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও তাদের রাজনৈতিক জোট ১১ দল। জুলাইকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে এবং নতুন বাংলাদেশের আকাক্সক্ষাকে জাতিকে মনে করিয়ে দিতে জামায়াত জেলা ও মহানগরী পর্যায়ে কর্মসূচি পালনের পাশাপাশি রাজধানীতে ‘জুলাই এখনো শেষ হয় নাই’ শীর্ষক স্থিরচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে। প্রদর্শনীতি স্থান পায় জুলাইয়ে ফ্যাসিস্ট হাসিনার হত্যাকাণ্ডের স্থিরচিত্র, দেখানো হয় ডকুমেন্টারি। সংক্ষিপ্তভাবে তুলে ধরা হয় বিভৎস সব হত্যাকাণ্ড ও এদেশের তরুণদের আন্দোলনের প্রেক্ষাপট। এতে তুলে ধরা হয় ১৯৪৭ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন শাসকগোষ্ঠীর স্বৈরাচারী শাসন ও ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের আমলের নানা ফ্যাসিবাদী কর্মকাণ্ড।
প্রদর্শনীটি রাজধানীর ২৯ মিন্টো রোডের বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে তিন দিনব্যাপী (৬-৮ জুলাই) অনুষ্ঠিত হয়। এটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়। প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতা, বিভিন্ন দেশের ঢাকাস্থ কূটনৈতিক মিশন প্রধান, রাষ্ট্রদূত, ও আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মকর্তারা। গত ৫ আগস্ট ‘জুলাই এখনো শেষ হয় নাই’ প্রদর্শনীর উদ্বোধনী বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশের যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তা এখনো পূরণ হয়নি। জনগণের গণরায় ও প্রত্যাশার বাস্তবায়নে আমাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জিত হলেও জনগণের সার্বভৌমত্বের আকাক্সক্ষা পূরণ হয়নি। দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে দেশের মানুষ নতুন পরিবর্তনের প্রত্যাশা নিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছিল। কিন্তু সেই প্রত্যাশা আজও পূরণ হয়নি।
বর্তমান সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, বেপরোয়া দলীয়করণ, সন্ত্রাস ও সহিংসতার পথ থেকে ফিরে এসে জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও যোদ্ধাদের প্রত্যাশার প্রতি সম্মান জানিয়ে একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
শিক্ষাঙ্গনে সাম্প্রতিক সহিংসতার সমালোচনা করে তিনি বলেন, রামদা, হেলমেট ও বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সন্ত্রাসের যে চিত্র দেখা যাচ্ছে, তা কোনোভাবেই শহীদ ও জুলাইযোদ্ধাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ হতে পারে না। শিক্ষাঙ্গনের পবিত্র পরিবেশকে কলুষিত ও রক্তাক্ত করা বন্ধ করতে হবে।
তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানভিত্তিক প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে মানুষের বিবেককে নাড়া দেওয়ার জন্য। এখানে কোনো ফিল্টার বা রেস্ট্রিকশন নেই; জনগণ এসে প্রদর্শনী দেখবেন এবং নিজেদের অভিমত ব্যক্ত করবেন। শহীদ আবু সাঈদসহ জুলাইয়ের শহীদদের উদ্দেশে লেখা চিঠিগুলোও প্রদর্শনীতে রাখা হয়েছে। এসব চিঠি পাঠ করে নিজেদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে নতুন করে ভাবার আহ্বান জানান তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, কোনো ব্যক্তি বা ষড়যন্ত্রের কাছে মাথা নত না করে জনপ্রত্যাশা ও গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের জন্য লড়াই চলবে। এ লড়াই কোনো দলের জন্য নয়; বরং ফ্যাসিবাদমুক্ত একটি নতুন বাংলাদেশ নিশ্চিত করার জন্য। জনগণ; বিশেষ করে তরুণ ও যুবসমাজের প্রত্যাশা পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এ সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, কূটনীতিক সাকিব আলী, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. দিলারা জামান, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক রুবি আমাতুল্লাহ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি ও সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জাহিদুর রহমান, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি ড. আবদুল মান্নান ও কামাল হোসেন এমপি, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান ও ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, জামায়াত নেতা সৈয়দ জয়নুল আবেদীন এমপি, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এনায়েতুল্লাহ চৌধুরী, জামায়াত নেতা হাফেজ রাশেদুল ইসলাম এমপি প্রমুখ।
গত ৭ আগস্ট শুক্রবার ‘জুলাই এখনো শেষ হয় নাই’ চিত্র প্রদর্শনী পরিদর্শন করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপি। এ সময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার এনসিপির নেতৃবন্দকে অভ্যর্থনা জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) ডা. মাহমুদা আলম মিতু এমপি, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, জামায়াতের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জাহিদুর রহমান প্রমুখ।
প্রদর্শনী পরিদর্শন শেষে নাহিদ ইসলাম এমপি বলেন, সত্যিকার অর্থে জুলাই শেষ হয়নি। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ এবং আধিপত্যবাদী শক্তি জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। জুলাইয়ের প্রত্যাশা- রাষ্ট্র সংস্কার, গণভোটে হ্যাঁ এর পক্ষের গণরায় এখনো বাস্তবায়ন হয়নি; চুরি করে নিয়ে গেছে।
তিনি বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য আমরা লড়াই করছি, আমাদের লড়াই করতে হবে। বর্তমান সরকার গণভোটের রায় নিয়ে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, সর্বত্র দলীয়করণ করছে। অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্রের বাস্তবায়ন হয়নি। তারা স্থানীয় সরকারেও দলীয়করণ করেছে। জুলাইয়ের কর্মসূচিতে গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলনের সমন্বয়কদের মূল্যায়ন করা হচ্ছে না; এমনকি কর্মসূচি পালনে বাধা দেয়া হচ্ছে।
নাহিদ আরও বলেন, বর্তমান সরকার যথাযথ ব্যবস্থা নিতে না পারায় পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনা দিল্লিতে বসে প্রেস কনফারেন্স করছে। সরকার কূটনৈতিক ব্যবস্থা না নিয়ে বাগাড়ম্বর করছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতি দিয়ে বাহবা নেয়ার চেষ্টা করছে। ১১ দলীয় ঐক্য, ঐক্যবদ্ধভাবে স্বৈরাচারকে প্রতিরোধ করবে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় থাকার নৈতিক ভিত্তি হারিয়ে ফেলেছে। জনগণের আস্থা হারিয়েছে। ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে নির্বাচিত ছাত্র সংসদের ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তির নেতাদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে। প্রশাসনের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরাও নিরপেক্ষ আচরণ করছেন না। রাষ্ট্রের কাঠামোগত পরিবর্তন না হলে সরকার স্বৈরাচার হয়ে উঠবে।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, আমরা চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালন করছি। বাংলাদেশের ইতিহাসে বাংলাদেশের মানুষ জুলাই বিপ্লবের মাহেন্দ্রক্ষণ আজ পালন করছে। বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান তার সরকারি বাসভবনে এই চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করেছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার ধারাবাহিক সংগ্রামের যে জায়গায় আমরা এসেছি, কোনো চক্রান্ত বা আধিপত্যবাদী ষড়যন্ত্র যেন আমাদের এ অগ্রযাত্রা রুখতে না পারে। আমাদের সামনের মঞ্জিলে পৌঁছাতেই হবে, আমাদের সামনের সংগ্রামে অগ্রসর হতেই হবে, আমাদের পারতেই হবে।
কূটনীতিকদের পরিদর্শন
গত ৮ আগস্ট শনিবার ‘জুলাই এখনো শেষ হয় নাই’ স্থিরচিত্র প্রদর্শনী পরিদর্শন করেছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশন প্রধান ও আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মকতারা।
এ সময় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি। জনগণের অধিকার নিশ্চিত হওয়ার মধ্য দিয়েই জুলাইয়ের প্রকৃত সার্থকতা আসবে। জনগণের অধিকার, ন্যায়বিচার ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারের প্রত্যাশা থেকেই মানুষ আন্দোলনে নেমেছিল।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ডেনমার্ক, কানাডা, ইরান, পাকিস্তান, মালদ্বীপ, জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি, ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব দ্য রেডক্রস ঢাকার হেড অব ডেলিগেশনসহ ঢাকাস্থ কূটনৈতিক মিশনের বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকগণ এ স্থিরচিত্র প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন।
আমীরে জামায়াত বলেন, বিগত সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে নানা শ্রেণি-পেশা ও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের কোনো মানুষই নিপীড়ন থেকে রেহাই পায়নি। ক্ষমতাসীনরা নিজেদের দেশের মালিক এবং জনগণকে প্রজা মনে করতেন। ক্ষমতায় আসার পর তারা বেপরোয়া হয়ে ওঠেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়েছে, এর মধ্য দিয়েই তৎকালীন সরকার ‘খুনের রাজনীতির সূচনা’ করেছিল।
আমীরে জামায়াত বলেন, পরবর্তীতে জামায়াতের শীর্ষনেতাদের একে একে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। তিনি এসব ঘটনাকে ‘বিচারিক হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, বিরোধী মত দমনের অংশ হিসেবে বহু মানুষকে হত্যা ও গুম করা হয়েছে। বিভিন্ন বাহিনী ও এজেন্সিকে মানুষ দমন ও গুমের কাজে ব্যবহার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ২০১৮ সালে ছাত্রদের আন্দোলন দমনের চেষ্টা করা হলেও শেষ পর্যন্ত সরকার কোটা ব্যবস্থা বাতিল করতে বাধ্য হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে কোটা সংস্কারকে কেন্দ্র করে আবার ছাত্রসমাজ রাস্তায় নামে।
সংস্কার ও গণভোট প্রসঙ্গে আমীরে জামায়াত বলেন, দীর্ঘ আলোচনা-পর্যালোচনার পর বিভিন্ন বিষয়ে সংস্কারের প্রস্তাব তৈরি করা হয়। বিচারপতি ও বিচারক নিয়োগ এবং নির্বাচন কমিশন গঠনের ক্ষেত্রে দলীয় প্রভাবমুক্ত ও নির্দলীয় ব্যবস্থার পক্ষে তাদের অবস্থান ছিল বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় সংস্কারের পাশাপাশি গণভোটের প্রস্তাবও সামনে আসে। জনগণ কোনো প্রস্তাবের পক্ষে রায় দিলে সেই রায় বাস্তবায়ন করা সবার দায়িত্ব। কিন্তু বিএনপি সরকার গঠনের পরও আগের ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন করেনি। বরং, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দলীয়করণ আগের চেয়ে বেড়েছে।
তিনি আরও বলেন, সংসদের ভেতরে সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি জানানো হলেও তাতে সাড়া পাওয়া যায়নি। সংসদে ন্যায়বিচার ও অধিকার না পাওয়ায় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে অধিকার আদায়ের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দেন আমীরে জামায়াত।
‘জুলাই এখনো শেষ হয় নাই’ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য সম্পর্কে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এটি কোনো সরকারের সফলতা তুলে ধরার আয়োজন নয়; বরং ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরাচারী শাসনের চিত্র এবং সেই সময়ে জনগণের ওপর নিপীড়নের ইতিহাস তুলে ধরাই এর উদ্দেশ্য।
তিনি বলেন, যাদের ওপর এখন দেশের দায়িত্ব রয়েছে, তাদের জনগণের প্রত্যাশা উপলব্ধি করে দেশ পরিচালনা করতে হবে। কেউ জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে চাইলে অধিকার আদায়ের জন্য জনগণকে আবারও প্রস্তুত থাকতে হবে।