দেশের রাজনীতির আকাশের উজ্জ্বল নক্ষত্র শহীদ কামারুজ্জামান


৯ এপ্রিল ২০২৬ ১১:০৭

॥ একেএম রফিকুন্নবী ॥
দুনিয়ার সব দেশে সব যুগে একজন মানুষ জন্মে সে দেশের আবহাওয়ার যুগোপযোগী ধ্যান-ধারণা কাজে লাগিয়ে ভালো উদ্যোগ গ্রহণ করে জনস্বার্থে দিকনির্দেশনা দিয়ে সমাজের উন্নয়ন করে। আমাদের জন্মভূমি বাংলাদেশে গত ৫৫ বছর যুগোপযোগী উদ্যোগের অভাবে দেশ এগোয়নি। জন্ম নিয়েছে স্বৈরাচার, একনায়কত্ব, দলবাজি, চাঁদাবাজির হোলি খেলা। তাই তো একদল বড় আরো বড় হয়েছে। বেশিরভাগ লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছে।
এই তো জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী জানালেন, ২০টি কোম্পানি সাড়ে ৫ লাখ কোটি টাকার অধিক খেলাপি করে বিদেশে টাকা পাচার করেছে। সবই হয়েছে পতিত আ’লীগ সরকারি দলের ছত্রছায়ায়। এমনই সৎ মানুষের আকালের দেশে মুহাম্মদ কামারুজ্জামান ছিলেন সততার উজ্জ্বল নক্ষত্র।
শহীদ মুহাম্মদ কামারুজ্জামান ছিলেন সচ্চরিত্রের মানুষ। তিনি মফস্বল গ্রাম থেকে উঠে এসে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রি নিয়ে সাংবাদিক পেশায় নিয়োজিত হন। তিনি এ দেশের সবচেয়ে চরিত্রবান ছাত্রবান্ধব সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরের দুবারের সভাপতি ছিলেন। জ্ঞানে-গুণে ভরপুর এই ব্যক্তি নৈতিক চরিত্র থেকে শুরু করে চাল-চলন, ভদ্র-নম্র স্বভাবের লোক ছিলেন। তার সাথে আমার ছাত্রজীবন থেকেই পরিচয়। একবার তিনি যখন শিবির সভাপতি তার সাংগঠনিক সফর ছিল চট্টগ্রাম-কক্সবাজার এলাকা। শিবির সভাপতির সাথে আমাকে সফরসঙ্গী করা হয়েছিল। আমি তখন ঢাকা মহানগরীর বায়তুলমাল সেক্রেটারি। তার আজিমপুরের বাসা থেকে খেয়ে রওনা হলাম চট্টগ্রামের উদ্দেশে। যথাসময়ে পৌঁছে চট্টগ্রামের বক্তৃতা সেরে কক্সবাজার যাবার কথা। উল্লেখ থাকে যে, তখন চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গরম রাজনীতির খেলা চলছিল। কামারুজ্জামান ভাই ছাত্রদের উদ্দেশে তার জ্ঞানগর্ভ বক্তৃতায় ধৈর্য ও ভদ্রভাবে ছাত্রদের পরিস্থিতি মোকাবিলার আহ্বান জানালেন। তাই তো চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের প্যানেল চাকসুতে জিতে ছাত্রদের ছাত্রবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছিল, যা আজও অব্যাহত আছে। গত কিছুদিন পূর্বে চাকসুতে শিবিরের প্যানেল জয়ী হয়ে পূর্বের ধারাবাহিকতায় এগিয়ে যাচ্ছে। মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের নেতৃত্বে ইসলামী ছাত্রশিবির রাসূলের সা. আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ইসলামী জ্ঞান ও সহযোগিতামূলক নীতি ও আদর্শে মানুষ গড়ার আঙিনা থেকে ভালো মানুষ হয়ে দেশ ও বিদেশে নানা জায়গায় দায়িত্ব পালন করছে।
আমাদের প্রিয় ভাই শহীদ মুহাম্মদ কামারুজ্জামনের সাথে আমার অনেক স্মৃতি জড়িত। তার সাথে পরপর দুবার লন্ডন ও আমেরিকায় দেখা হয়। আমি আমার ব্যবসার কাজে সেখানে গিয়েছিলাম। আমি জানতে পেরে তাকে আমাদের ব্যবসায়িক মেলায় অতিথি হিসেবে নেয়ার সুযোগ হয়েছিল। তিনি ছিলেন সব জায়গায় উপযোগী ও মানানসই বক্তা এবং উপস্থাপক। ব্যবসায়ীদের কীভাবে সততার সাথে জনগণের ভালোবাসা পাওয়া যায়, তার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বক্তৃতা দিয়েছিলেন।
শহীদ মুহাম্মদ কামারুজ্জামান ছাত্রনেতা হিসেবে গোটা দেশে আলোড়ন সৃষ্টিতে সক্ষম হয়েছিলেন। দেশের আনাচে-কানাচে শিবিরের শাখা হয়েছে। ছাত্ররা শিবিরের দাওয়াত মূলত ইসলামের দাওয়াত মুখে যেমন পেয়েছে আর কথাবার্তা, আচার-আচরণ ভালোবাসার উত্তম নজির শিবিরের ছাত্রদের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোয় ভালোবেসে প্লে করতে শুরু করেছিল, যা আজও অব্যাহত আছে। তাই তো এবার ড. মুহাম্মদ ইউনূস সরকারের সময়ে পতিত স্বৈরাচার হাসিনার পতনের পর ডাকসু, জাকসু, চাকসু, রাকসু, জগসুতে বিপুল ভোটে শিবিরের প্যানেল জয়যুক্ত হয়ে তাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। বিএনপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রদল পাত্তাই পায়নি। কামারুজ্জামান ভাইয়েরা যে বিপ্লবের ধারা চালু করে গেছেন, মূলত ইসলমী জীবনবিধানের ধারা- তা ছাত্র-জনতার মধ্যে প্রভাব ফেলতে সক্ষম হচ্ছেন।
আজ দেশের রাজনীতিতেও শহীদ কামারুজ্জামানদের ত্যাগ ও কর্মপন্থাই উদ্বুদ্ধ হয়ে গোটা দেশের রাজনীতিতে বড় ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়েছে। সরকারিভাবে জামায়াতের ৬৮টি আসনে ঘোষণা হলেও কার্যত ১৬৮টি আসনে মানুষ জামায়াতকে জেতার মতো ভোট দিয়েছে। আমি মনে করি, ইসলামী ছাত্রশিবির এক্ষেত্রে সিংহভাগ ভূমিকা রেখেছে।
শহীদ মুহাম্মদ কামারুজ্জামান ভাই তার এলাকা শেরপুরে একাধিকবার ভোটে দাঁড়িয়েছেন। স্বল্প ভোটে হেরে গেলেও তার এলাকার মানুষ তাকে ভালো মানুষ হিসেবে চিনতো এবং মানতো। তাই তো এবার ঐ আসনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি হাফেজ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ বিপুল ভোটে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এমন আরো কয়েকজন বিদায়ী ছাত্রশিবির নেতা এমপি হয়েছেন। তার মধ্যে সাইফুল আলম খান মিলন, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, নূরুল ইসলাম বুলবুল, সালাহউদ্দিন আইউবী, ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ অন্যতম।
শহীদ মুহাম্মদ কামারুজ্জামান পারিবারিকভাবে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারে বিয়ে করেছেন, নাম মুহতারামা নূরুন্নাহার। তাদের ঘরে ৫ সন্তান। সবাই উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত। দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন জায়গায় গুরুদায়িত্ব পালন করছেন। আমরা তাদের দীর্ঘায়ু এবং দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ কামনা করছি।
শহীদ মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের সাংবাদিকতা ও সংবাদপত্রের সাথে জড়িত সৎ এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের জন্য যেমন সাপ্তাহিক সোনার বাংলার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন আবার প্রেস ক্লাবের বিভিন্ন পদেও দায়িত্ব পালন করেছেন সততার সাথে। রাজনৈতিকভাবে তিনি জামায়াতে ইসলামীর সিনিয়র সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন অত্যন্ত দক্ষতার সাথে। শহীদ মুহাম্মদ কামারুজ্জামান ভাই ইসলাম ও আধুনিকতার সমন্বয়ক। পোশাক, খাওয়া-দাওয়া, চালচলন, এসি গাড়ি ব্যবহার, প্রয়োজনে প্লেনে সফর করা ছিল তার জীবনের একটা দিক।
বিভিন্ন সংগঠনের সাথে লিয়াজোঁ কমিটির দায়িত্বও তিনি পালন করেছেন। ভবিষ্যতের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের আভাস পেয়ে ফ্যাসিস্ট হাসিনা তার চোখের কাঁটা হিসেবে জামায়াতের সাবেক আমীর অধ্যাপক গোলাম আযম, শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, শহীদ আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, শহীদ আবদুল কাদের মোল্লা, শহীদ মীর কাসেম আলীসহ বড় বড় নেতাদের যেনতেনভাবে জুডিশিয়াল কিলিং করে ফাঁসি দিয়েছে। তার ফলও পেতে শুরু করেছে দুর্নীতির রানি শেখ হাসিনা ও তার দলবল।
শহীদ মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের ছাত্রজীবন ও রাজনীতিক জীবন স্বচ্ছ এবং দুর্নীতিমুক্ত হওয়ার কারণেই শেখ হাসিনা তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে সাজানো সাক্ষী দিয়ে তাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছে। যারা তার বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষী দিয়েছিল, তারা আজ নানা রোগে ভুগছে। মৃত্যুর সাথে লড়ছে। মহান আল্লাহ সব দেখেন ও শোনেন। ফলে এই হাসিনা গংদের বিচার যেন দুনিয়ায় হয় এবং কাল কিয়ামতে তাদের জন্য রয়েছে শাস্তির মহাসমুদ্র। মহান আল্লাহ ছাড় দেন, কিন্তু ছেড়ে দেন না। তাই তো আবার শুরু হয়েছে তারই গড়া আদালতে বিচার কার্যক্রম।
শহীদ মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের ফাঁসির দিন তার পরিবারের লোকদের সাথে সরকারের উদ্যোগে দেখা করার সুযোগ দিয়েছিল। তিনি অত্যন্ত ভাবগম্ভীরভাবে চিন্তাহীন চিত্তে পরিবারের লোকদের সাথে সাক্ষাৎ দিয়েছিলেন এবং তাদের ইসলামের পথে অবিচল থাকার পরামর্শ রেখে গেছেন। রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার ব্যাপার তিনি বলেছিলেন, জীবনের মালিক মহান আল্লাহ। জীবন ভিক্ষার জন্য আবেদনের প্রশ্নই আসে না। ঠিকই ঐদিন রাত ১০টার পর তার ফাঁসি কার্যকর করে হাসিনার জল্লাদ বাহিনী। লাশ তার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যায় সরকারের লোকেরাই। রাতেই দ্রুত জানাজা দিয়ে লাশ কবরে রাখে। আত্মীয়-স্বজনদের জানাযায় শরিক হতে দেয়নি হাসিনার পেটোয়া বাহিনী। যদিও দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তার গায়েবানা জানাজা হয়েছে। এমনকি ইউরোপ, আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্যসহ গোটা দুনিয়ায় শহীদ মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের গায়েবানা জানাজা হয়েছে। তার রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়েছে। কবর দেয়া হয় তার গড়া এতিমখানার পাশেই। কবর দেয়ার পর পুলিশ ব্যারিকেড উঠিয়ে দেয়ার পর হাজার হাজার মানুষ তার কবর জিয়ারত করেছে। এমনকি এখনো দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে মানুষ কামারুজ্জামানের কবর জিয়ারতে আসেন, তার জন্য দোয়া করেন এবং তাকে যারা অন্যায়ভাবে ফাঁসি দিয়েছে, তাদের বিচার কামনা করেন। মহান আল্লাহ এই লোকদের দোয়া কবুল করবেন, ইনশাআল্লাহ।
শহীদ মুহাম্মদ কামারুজ্জামান তার জীবনের সময়ের মধ্যে দুনিয়ার বিভিন্ন দেশের ছাত্র ও ইসলামী আন্দোলনের সাথে জড়িত সংগঠনের সাথে যোগাযোগের জন্য ইউরোপ, আমেরিকা, ফ্রান্স, জার্মানি, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো গোটা আরবসহ মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়াসহ বহু দেশ সফর করেছেন। ইসলামের আলোকে জীবন গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন। উল্লেখ থাকে যে, বর্তমান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহীমের সাথে তার গভীর সম্পর্ক ছিল এবং এই আনোয়ার ইব্রাহীম বাংলাদেশেও এসেছিল ছাত্রশিবিরের প্রোগ্রামে যোগ দিতে। আজকে শহীদ কামারুজ্জামান বেঁচে থাকলে তিনিও বাংলাদেশের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে দেশের জন্য, দশের জন্য, ইসলামের জন্য কাজ করতে পারতেন। যদিও আমি মনে করি, তার সাথে আমার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক থাকার কারণে আমার উপলব্ধি হয়েছে যে, মহান আল্লাহ যাকে দিয়ে যে কাজ করাবেন, তা করানোর পরই আল্লাহর ইচ্ছায় তাকে তার কাছে নিয়ে যান, এতে আমার কোনো সন্দেহ নেই। আমরা তার সাথে সাক্ষাতের প্রত্যাশিত জান্নাতুল ফেরদাউস, ইনশাআল্লাহ। আর যারা তাকে অন্যায়ভাবে ফাঁসি দিয়েছে, তারা থাকবে জাহান্নামের অতল গহ্বরে, যা অশান্তিতে ভরা; যার শেষ নেই।
শহীদ মুহাম্মদ কামারুজ্জামান যেমন রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন স্বচ্ছতার সাথে, তেমনি সাংবাদিকতার ক্ষেত্রেও বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখে গেছেন। শুধু তাই নয়, তার লেখা প্রবন্ধ দেশে-বিদেশের পত্রপত্রিকায় নিয়মিত প্রকাশিত হতো। তার লেখার বহু বিষয় নিয়ে কয়েকটি বইও ছাপা হয়েছে। একজন মানুষ যদি প্রতিভার কার্যকরী ভূমিকা রেখে অগ্রসর হয়, তবে মহান আল্লাহ তায়ালাও বরকত দেন। ১১ এপ্রিল- এ দিনেই মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকর হয়। শহীদ কামারুজ্জামানের ফাঁসি না দেয়ার জন্য তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের সরকারকে অনুরোধ করেছিলেন। শুধু তাই নয়, জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোও এ ফাঁসির বিরোধিতা করে সরকারকে অনুরোধ করেছিল। কিন্তু ফ্যাসিস্ট হাসিনা কাউকে তোয়াক্কা না করে অবৈধ রায়ের ফাঁসি কার্যকর করে মহাপাপ করেছে, যা আজকে সে ভোগ করছে। শাস্তি এখানেই শেষ নয়, আরো শাস্তি অপেক্ষা করছে কালকিয়ামতে!
এই দিনে দেশ ও জনতার কাছে আরজ করতে চাই, আমরা যারা রাজনীতি করছি, তারা যেন স্বৈরাচার না হই, সে যে দলেরই হোক আমরা যেন এই ৫৫ বছরের রক্ত দিয়ে দেশের ভালো চাই তাদের যেন ভুলে না যাই। যেমন- শহীদ আবু সাইদ, মুগ্ধসহ আগের নেতাদের এবং সদ্য ১৪শ’ শহীদের কথা ভুলে না যাই। আর পরম বিধাতা নয়া স্বাধীনভাবে আমরা ১৮ কোটি মানুষ বাঁচতে চাই। সৎ, যোগ্য, দুর্নীতি, চাঁদাবাজমুক্ত দেশ গড়তে চাই। আসুন, দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠতার দম্ভ না দেখিয়ে প্রায় ৭০% হ্যাঁ ভোটের মর্যাদা দিয়ে দেশ চালানোর উদ্যোগ নিই। সরকারি ও বিরোধীদলের কাছে শহীদ মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের শহীদের দিনে এই কামনা করি।
লেখক : সাবেক সিনেট সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
ই-মেইল : rnabi1954@gmail.com