রাজনৈতিক দলের শীর্ষনেতাদের প্রধান উপদেষ্টার বার্তা

স্টাফ রিপোর্টার
৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৩:৪৫

স্টাফ রিপোর্টার: গত ৩১ আগস্ট রোববার বিকেল সাড়ে ৪টায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আমন্ত্রণে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের নেতৃত্বে চার সদস্যের এক প্রতিনিধিদল অতিথি ভবন যমুনায় সাক্ষাৎ করেন। প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এবং সাবেক এমপি ড. হামিদুর রহমান আযাদ।
যমুনা থেকে বের হয়ে সংক্ষিপ্ত প্রেস ব্রিফিয়ে ডা. তাহের বলেন, “বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে করণীয়, নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র এবং দেশের বিরুদ্ধে নানামুখী ষড়যন্ত্রসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণ দীর্ঘ সংগ্রাম, রক্ত ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে পরিবর্তনের আশা করেছিলো। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের পতনের পর মানুষ প্রত্যাশা করেছিলো রাজনীতি, অর্থনীতি ও সংস্কৃতিতে গুণগত পরিবর্তন আসবে। নির্বাচনের মাধ্যমে একটি নতুন সূচনা ঘটিয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশে পৌঁছানোই আমাদের লক্ষ্য।
ডা. তাহের জানান, প্রধান উপদেষ্টা তিনটি বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন- ১. সংস্কার (রিফর্মস) করা, যাতে বার বার নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ না হয়, ২. বিচার দৃশ্যমান করা, ৩. বিশ্বমানের আনন্দমুখর নির্বাচন আয়োজন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে এসব প্রতিশ্রুতিই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নির্বাচনী সংস্কার নিয়ে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেছে এবং ৩১ দলের মধ্যে অধিকাংশই গুরুত্বপূর্ণ ১৯টি ইস্যুতে ঐকমত্যে পৌঁছেছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন (পিআর) পদ্ধতি চালুর দাবি।
তিনি বলেন, ২৫টি দল পিআর পদ্ধতির পক্ষে। আমরা চাই লোয়ার হাউস ও আপার হাউসÑ দুই স্তরেই পিআর প্রণয়ন করা হোক। পিআর প্রবর্তিত হলে দিনের ভোট রাতে হওয়ার সুযোগ থাকবে না, ভোট ডাকাতি রোধ হবে এবং একটি আধুনিক ও স্বচ্ছ নির্বাচনী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, অধিকাংশ দলের মতামত উপেক্ষা করে যদি কয়েকটি দলের চাপে পুরনো পদ্ধতিতে নির্বাচন হয়, তবে তা আরও সংকট সৃষ্টি করবে এবং পুরো প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলবে।
ডা. তাহের জোর দিয়ে বলেন, আমরা আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচন চাই। তবে সে নির্বাচন হতে হবে সকল দলের সম্মতি, অংশগ্রহণ ও সন্তুষ্টি নিশ্চিত করে। তবেই একটি অবাধ, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও উৎসবমুখর নির্বাচন আয়োজন সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, আমরা বলেছি, বর্তমানে দেশের পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। নুরুল হক নূরুর ওপর হামলার ঘটনা তারই প্রমাণ। দ্বিতীয় স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম নায়ক এবং নতুন বাংলাদেশের আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতৃত্বের ওপর এ ধরনের ন্যক্কারজনক হামলা দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার জন্য বড় ধরনের হুমকি। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং দাবি জানাই অবিলম্বে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে দোষীদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা স্পষ্টভাবে বলছি, যদি নির্বাচনপূর্ব সময়ে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, তবে নির্বাচনের সময় আরও ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই এখনই সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের ব্যবস্থা করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রতিটি রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি সরকারেরও দায়িত্ব রয়েছে।
তিনি বলেন, কিন্তু দুঃখজনক হলো, অন্তর্বর্তী সরকার এখনো দখলদারদের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ভূমিকা পালন করতে পারেনি। যে সরকার একটি বাসস্ট্যান্ড দখলদারদের উচ্ছেদ করতে পারে না, একটি চাঁদাবাজকে আইনের আওতায় আনতে ব্যর্থ হয়, সে সরকার কীভাবে একটি জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করবে, তা নিয়ে আমরা শঙ্কিত ও উদ্বিগ্ন। তবুও আমরা বলতে চাই, এখনো সময় আছে। সরকার যদি আন্তরিকভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং কার্যকর উদ্যোগ নেয়, তবেই এ সংকট থেকে উত্তরণের পথ তৈরি হবে। তিনি আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টা আমাদের সঙ্গে আলাপচারিতায় আশ্বাস দিয়েছেন যে, আলোচনায় উত্থাপিত বিষয়গুলো তিনি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবেন এবং প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবেন।”
গত মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) ৭টি রাজনৈতিক দল ও একটি সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এর আগে রোববার তিনটি প্রধান রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে অন্তর্বর্তী সরকার। বৈঠকগুলোয় শীর্ষ রাজনীতিকদের স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন সরকারপ্রধান।
তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন হবে। নির্বাচন ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। কেউ যদি নির্বাচনের বিকল্প নিয়ে ভাবে, সেটা হবে জাতির জন্য গভীর বিপজ্জনক। রোববার বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির সঙ্গে পৃথক বৈঠকে এ বার্তা দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় এ বৈঠক হয়।
বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ কথা জানিয়ে আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তিনি জাতির উদ্দেশে ভাষণে নির্বাচনের যে সময় ঘোষণা করেছেন, নির্বাচন সেই সময়ের মধ্যেই হবে। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন হবে। বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে সেরা নির্বাচন হবে।
বৈঠকগুলোয় জাতীয় পার্টির বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না- জানতে চাইলে প্রেস সচিব বলেন, জাতীয় পার্টির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। একেকটি দল একেক ধরনের মতামত দিয়েছে, প্রধান উপদেষ্টা সেটা শুনেছেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পিআর পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের কথা হচ্ছে। এ বিষয়ে কমিশন গণমাধ্যমকে জানাবে।
রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার এসব বৈঠকে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল, গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। তবে সব বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে উপদেষ্টারা সবাই উপস্থিত ছিলেন না।
বিএনপি : ৩১ আগস্ট রেবাবার সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় প্রবেশ করে বিএনপির প্রতিনিধিদল। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আ মেদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। এক ঘণ্টারও বেশি সময় বৈঠক শেষে মির্জা ফখরুল জানান, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন হবে বলে প্রধান উপদেষ্টা আশ্বস্ত করেছেন। বিএনপি আশা রাখে, প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণা অনুযায়ী নির্বাচন হবে। জাতীয় পার্টি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানান মির্জা ফখরুল।
লন্ডনে একটি দলের প্রধানের সঙ্গে বৈঠকে নির্বাচনের সময় নির্ধারণ প্রমাণ করে সরকার একটি দলের ওপর দুর্বল জামায়াতের এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, এটি একেবারেই অমূলক দাবি। লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক দল বিএনপির প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন, করতেই পারেন। তার এখতিয়ার আছে যেকোনো দলের প্রধানের সঙ্গে বসার। এটা একান্ত তার ব্যক্তিগত বিষয়। তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে সম্প্রতি গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূরের ওপর হামলার বিষয়ে বিএনপি মতামত দিয়েছে। বিএনপি মনে করে, এটি অত্যন্ত গর্হিত কাজ ও উদ্বেগজনক। এটা ভালোভাবে তদন্ত হওয়া দরকার। মির্জা ফখরুল বলেন, একটি শক্তি নির্বাচনকে বিলম্বিত করার চেষ্টা করছে। তবে নির্বাচন পেছানোর কোনো সুযোগ নেই। নির্বাচনের তারিখ হিসেবে যেটা ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, সেই তারিখেই নির্বাচন হবে। প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে।
গণপরিষদ নির্বাচন চায় এনসিপি, জাতীয় পার্টির কার্যক্রম নিষিদ্ধের পক্ষে : ৩১ আগস্ট রোববার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় প্রবেশ করে এনসিপির চার সদস্যের প্রতিনিধিদল। প্রতিনিধিদলে ছিলেন মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ। ১ ঘণ্টার বৈঠক শেষে দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব সাংবাদিকদের বলেন, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তির জন্য গণপরিষদ নির্বাচন দিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি এবং সাংবিধানিক ভিত্তির জন্য আগামী যে নির্বাচনটি হবে, সে নির্বাচনটি যেন অবশ্যই গণপরিষদ নির্বাচন হয় এবং সে গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের দীর্ঘ ৫৫ বা ৫৪ বছরের যে সংকট, যে একক ব্যক্তিকেন্দ্রিক যে স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব কিংবা কাঠামো গড়ে উঠছে, সেটার স্থায়ী সমাধানের জন্য আমরা মনে করি আগামী নির্বাচনটি গণপরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং সেটা নতুন সংবিধান প্রণয়ন করবে।’
জাতীয় নাগরিক পার্টির এই নেতা বলেন, গণঅভ্যুত্থানে অংশ নিয়ে যারা শহীদ হয়েছেন, যারা আহত হয়েছেন, তাদের পুনর্বাসন, চিকিৎসা এবং তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হয়নি। সরকারের কাছে শহীদ পরিবার এবং আহত ব্যক্তিদের পুনর্বাসন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন তারা। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সমর্থনে মিছিল করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে এখনো আটক থাকা ব্যক্তিদের দেশে ফেরাতে সরকারের সহযোগিতা চেয়েছে এনসিপি। এছাড়া গুম কমিশনের প্রতিবেদন আমলে নিয়ে রাষ্ট্রীয় যেসব সংস্থার সদস্যরা এ ধরনের অভিযোগে অভিযুক্ত, তাদের বিষয়ে যেন সুস্পষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণ করে, সে বিষয়েও প্রধান উপদেষ্টাকে বলেছেন এনসিপির নেতারা।
নির্বাচন কমিশনের সক্ষমতা এবং নিরপেক্ষতার বিষয়ে যেন প্রধান উপদেষ্টা ভূমিকা রাখেন, সে বিষয়েও অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে বলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতারা।
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে জাতীয় পার্টির কার্যক্রম নিষিদ্ধের পক্ষে অবস্থান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতারা। এ প্রসঙ্গে আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘জাতীয় পার্টি এবং আওয়ামী লীগের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। যেহেতু রাষ্ট্রীয়ভাবে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে এবং আমরা দেখতে পাই, জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনার জন্য একটি নিষিদ্ধ সংগঠনের বিষয়ে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছে। সেজন্য জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক কার্যক্রম যেন স্থগিত করার বিষয়ে সরকার আরও বেশি কার্যকর হয়, সে বিষয়টি আমরা প্রধান উপদেষ্টাকে আমলে নেওয়ার জন্য বলেছি।’