ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জামায়াতের সাবেক আমীর সৈয়দ গোলাম সারওয়ারের ইন্তেকাল


১৯ জুন ২০২৫ ১৪:১৯

জামায়াতে ইসলামী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সাবেক আমীর সৈয়দ গোলাম সারওয়ার। গত সোমবার (১৬ জুন) ভোর ৪টা ৫০ মিনিটে ঢাকার ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। এর আগে কিডনিজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি ইবনে সিনা হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন। ইন্তেকালের সময় তাঁর বয়স হয়েছিল ৬০ বছর। তিনি স্ত্রী ও তিন কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। সৈয়দ গোলাম সারওয়ার নরসিংদী জেলা শহরের ঘোড়াদিয়া এলাকার মরহুম সৈয়দ শামছুল হক মাস্টারের ছেলে। বড় ভাইয়ের চাকরির সুবাধে গোলাম সারওয়ার ছাত্রজীবন থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে অবস্থান করতেন। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ থেকে বিএ পাস এবং পরবর্তীতে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করে।
ছাত্রজীবনে তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সভাপতি হিসেবে দুই সেশন দায়িত্ব পালন করেন। পরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের পর বিগত ২০১২ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত টানা আট বছর জামায়াতে ইসলামীর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আমীর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। গত সোমবার (১৬ জুন) বাদ আসর নরসিংদীর ঐতিহ্যবাহী জামেয়া কাসেমিয়া মাদরাসা মাঠে তার জানাজার নামাজ শেষে মাদরাসা সংলগ্ন কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়েছে।
সৈয়দ গোলাম সারওয়ারের ইন্তেকালে জামায়াতে ইসলামীর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আমীর মাওলানা মোবারক হোসাইন ও সেক্রেটারি মাওলানা আমিনুল ইসলাম গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। শোকবার্তায় জামায়াত নেতৃদ্বয় বলেন, সৈয়দ গোলাম সারওয়ার ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের জন্য একজন নিবেদিতপ্রাণ মানুষ। তিনি রাজনৈতিক চরম বৈরী পরিবেশে ইসলামী ছাত্রশিবির ও জামায়াতে ইসলামীর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি ফ্যাসিবাদের রোষানলে পড়ে বহুবার গ্রেফতার হয়ে কারানির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তার ইন্তেকালে ইসলামী আন্দোলন একজন বলিষ্ঠ ও যোগ্য নেতৃত্ব হারাল। জামায়াত নেতৃদ্বয় মরহুমের মাগফিরাত কামনার পাশাপাশি তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।