জুলাই সনদ বাস্তবায়ন কি আলোচনায় না রাজপথে?


২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১১:৩১

॥ জামশেদ মেহদী॥
অনেক আশা-ভরসা নিয়ে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ বিপ্লবের মাধ্যমে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ক্ষমতায় বসিয়েছিলেন। তারপর সাড়ে ১৩ মাস পার হয়ে গেল। এই সাড়ে ১৩ মাসে পুরোপুরি বোঝা গেল যে, ড. ইউনূস একজন Apolitical মানুষ অর্থাৎ অরাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। অনেক অরাজনৈতিক ব্যক্তিত্বও ভালোভাবে দেশ চালান। কিন্তু সেসব ক্ষেত্রে অরাজনৈতিক রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধান তার চারপাশে অত্যন্ত ঝানু ও অভিজ্ঞ পলিটিশিয়ান রাখেন। এই ঝানু এবং অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা শুধুমাত্র যে জ্ঞানী হন তাই নয়, তারা অত্যন্ত বাস্তববাদীও হয়ে থাকেন। ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার উপদেষ্টা পরিষদে এরকম লোক রাখেননি বললেই চলে। আমার ব্যক্তিগত হিসেবে এরকম মানুষ তার উপদেষ্টা পরিষদে মাত্র ২ জন আছেন। মাত্র ২ জনের পক্ষে অনেক বিষয়ে এস্যার্ট করা সম্ভব হয় না। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ড. ইউনূসের অভিজ্ঞতা এবং সুনামের ফলে কিছুটা উন্নতি হয়েছে সত্য। কিন্তু রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সবকিছু যেন তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছে। তারা সিদ্ধান্ত নিতে বিলম্ব করেন। আর কোনো সিদ্ধান্ত নিলেও দ্রুত তা পাল্টে ফেলেন।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদানের জন্য ড. ইউনূস ইতোমধ্যে আমেরিকায় রয়েছেন। কিন্তু তার সফরসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রেও এরকম সিদ্ধান্তহীনতার পরিচয় পাওয়া গেল। প্রথমে বলা হলো যে, ৪ জন পলিটিশিয়ান তার সফরসঙ্গী হবেন। এরা হলেন- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ও এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন। এই টিম দেখে জামায়াত এবং এনসিপি থেকে বলা হলো যে, বিএনপি থেকে দুজন নেওয়া হয়েছে, তাহলে জামায়াত এবং এনসিপি থেকে একজন করে নেওয়া হলো কেন? এই প্রশ্ন ওঠার পর সিদ্ধান্ত পাল্টে গেল। জামায়াত থেকে একজন নেওয়া হলো। তার নাম ব্যারিস্টার নকীব। তিনি এখন নিউইয়র্ক বা ওয়াশিংটনে আছেন। আর এনসিপিতে যুক্ত হলেন আরেকজন। তিনি হলেন ডা. তাসনিম জারা। আরো জানা গেল যে, ব্যক্তিগত কাজে ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি ড. আলী রীয়াজ এই মুহূর্তে আমেরিকা আছেন। তিনিও ড. ইউনূসের সফরসঙ্গী হন।
ড. আলী রীয়াজের কথা আলাদা। কিন্তু অন্য যে ৬ জন পলিটিশিয়ান নেওয়া হলো, তার কারণ কী? কেউ কিছু সঠিকভাবে বলতে পারেন না।
গতবারেও অর্থাৎ ২০২৪ সালের জাতিসংঘ সফরের সময় একটি বড় ভুল পদক্ষেপ নিয়েছিলেন ড. ইউনূস। সেটি হলো মাহফুজ আলমের অন্তর্ভুক্তি। মাহফুজ আলমকে কেন নেওয়া হয়েছিলো? সেটা কেউ জানে না। তবে তাকে নিয়ে খানিকটা আদিখ্যেতাই করা হয়। প্রথমে বলা হয় যে, July revolution was meticulously designed. অর্থাৎ সুনিপুণ পরিকল্পনা অনুযায়ী জুলাই বিপ্লব সংঘটিত হয়েছে। বিল ক্লিনটন এবং হিলারি ক্লিনটন আয়োজিত এক সভায় ড. ইউনূস মাহফুজ আলমকে এই বলে পরিচয় দেন যে, তিনি অর্থাৎ মাহফুজ আলম জুলাই বিপ্লবের মাস্টারমাইন্ড।
আগ বাড়িয়ে এসব কথা বলার কি দরকার ছিলো ড. ইউনূসের? জুলাই বিপ্লব সুনিপুণ পরিকল্পনার ফসল নয় এবং মাহফুজও ঐ বিপ্লবের মাস্টারমাইন্ড নন। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, ছাত্ররা কোটা বিরোধী আন্দোলন শুরু করেছিলো। শেখ হাসিনা যদি এ আন্দোলনকে ধৈর্য এবং সহানুভূতির সাথে হ্যান্ডল করতেন, তাহলে হয়তো পরিস্থিতি অতদূর গড়াতো না, যেটা ৫ আগস্টে গড়ালো। প্রথম থেকেই শেখ হাসিনা এ আন্দোলনকে আয়রন হ্যান্ড দিয়ে দমাতে চান। আর সেটি করতে গিয়ে নির্বিচার গুলি করেন। সেই গুলিও আবার ছররা গুলি নয়। রীতিমতো ৭.৬২ বোরের গুলি। এগুলো সাধারণত আর্মি ব্যবহার করে। আর বিশেষ ক্ষেত্রে পুলিশ, র‌্যাব বা বিজিবিকে দেওয়া হয়। যেভাবেই ছাত্রদের আন্দোলনকে পাখিরমতো গুলি করে দমানোর চেষ্টা করা হয় এবং তার ফলে যখন প্রতিদিন ছাত্রদের লাশ পড়তে থাকে, তখন জনগণ উত্তেজিত হয়ে এ আন্দোলনে শামিল হন। শেষের দিকে যখন প্রতিদিন ৭০ থেকে ১০০ জন মানুষ মারা যেতে থাকেন, তখন সারা দেশ আবেগতাড়িত এবং ক্রুদ্ধ হয়ে শেখ হাসিনাকে দেশ থেকে তাড়ানোর সংগ্রামে নামেন। মাত্র ২১ দিনের মধ্যে বিশাল ভারতের অকুণ্ঠ সমর্থনপুষ্ট এবং সম্পূর্ণভাবে বন্দুকের নলের ওপর নির্ভরশীল হাসিনা সরকারের সাজানো দালান যে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে, সেটা বিপ্লবের ছাত্র নেতারাও বুঝতে পারেননি।
সে কারণেই তাদের কাছে সরকার পতনের পর কাকে দিয়ে সরকার গঠন করা হবে, সে সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণাই ছিলো না। হঠাৎ করে যখন হাসিনা পালিয়ে গেলেন, তার আগের দিন ছাত্ররা ভাবলেন যে হাসিনার তো দিন শেষ। কিন্তু কাকে তারা ক্ষমতায় বসাবেন? অতিদ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে বলে সেই মুহূর্তে নিরপেক্ষ এবং সৎ লোক হিসেবে ড. ইউনূসের নামই তাদের মাথায় আসে। এখানে মেটিকুলাস ডিজাইনের কোনো ব্যাপার ছিলো না। আর মাহফুজ আলমের মতো কোনো মাস্টারমাইন্ডেরও দরকার হয়নি। বরং এই বিপ্লবের একেবারে অগ্রসেনা ছিলেন নাহিদ ইসলাম, হাসনাত আব্দুলল্লাহ, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, সারজিস আলম প্রমুখ। আরেকজন সম্মুখসারিতে থেকে নাহিদদের মতোই আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। তিনি হলেন ডাকসুর বর্তমান ভিপি ছাত্রশিবির নেতা সাদিক কায়েম।
এই ধরনের গুবলেট ড. ইউনূস পাকিয়েছেন সংস্কার, বিচার এবং নির্বাচন নিয়েও। যেখানে তিনি নিজে জানতেন যে, তিনি দায়িত্বে থাকবেন মাত্র ১৮ মাস অর্থাৎ দেড় বছর, সেখানে ১১টি সংস্কার কমিশন গঠন করার কি দরকার ছিলো? সময়ের অভাবে ৫টি কমিশন রিপোর্ট তো কোল্ডস্টোরেজে পড়ে আছে। অবশিষ্ট সংস্কার কমিশন ১৬৬টি সুপারিশ করেছে। সেই ১৬৬টি সুপারিশের মধ্যে ৮৪টি সুপারিশ বিবেচনা করা হয়েছে। তার মানে অবশিষ্ট ৮২টি সুপারিশ হয়ে গেল নিছক পণ্ডশ্রম।
এখন যে ৮৪টি সুপারিশ বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে, সেগুলোর মধ্যেও অন্তত ২১টি সুপারিশ নিয়ে গ্যাঞ্জাম বেধেছে। রাজনৈতিক দলসমূহের সাথে এসব সুপারিশ নিয়ে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস বৈঠক করার বুদ্ধিটি কে দিলো? এখন যা হবার তাই হয়েছে। কথায় বলে, তিন বাঙালি এক হলেই নাকি তিন রকম মত সৃষ্টি হয়। সেখানে ৩১টি রাজনৈতিক দল মিলে বৈঠক। সেখানেও আবার শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে। বিএনপিকে বিবেচনা করা হয়েছে সবচেয়ে বড় পার্টি হিসাবে। জুলাই বিপ্লবের আগে অবস্থাটা অনেকটা সেরকমই ছিলো। আওয়ামী লীগের সাথে মোকাবিলা করার কথা মনে হলে প্রথমে বিএনপির কথাই মনে হতো। তখন জামায়াত মানুষের মনে সেভাবে আসেনি। কারণ জামায়াতকে ঠেলতে ঠেলতে একেবারে দেয়ালের সাথে ঠেসে ধরা হয়েছিলো। তারা তো রাস্তায় বের হতেই পারেননি। কিন্তু জুলাই বিপ্লবের পর জামায়াত প্রচণ্ড দাপটের সাথে ফোরফ্রন্টে চলে আসে।
যে ৬টি সংস্কার কমিশনের ৮৪টি সুপারিশ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো আলাপ-আলোচনা করে, সেখানে বিএনপি একটি বিষয়ে স্থায়ী ভেটো দিয়ে রাখে। সেটা হলো সংবিধান সংস্কার। বিএনপির দাবি হলো, সংবিধানে হাত দেওয়া যাবে না। সংবিধানের সংস্কার করতে হলে সেটি আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত পার্লামেন্টই যা করার করবে। এ জায়গায় অন্যদের সাথে; বিশেষ করে জামায়াত, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, এবি পার্টি, নেজামে ইসলাম প্রভৃতি দলের সাথে শুরু হলো তীব্র বিরোধ। বিশেষ করে জামায়াত এবং এনসিপির বক্তব্য হলো এই যে, ইলেকশনের আগে বিপ্লবকে যদি আইনী ভিত্তি দেওয়া না হয় অথবা তাকে যদি সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া না হয়, তাহলে আগামী দিনে সেটা ১ বছর পরে হোক বা ২০ বছর পরে হোক, আদালতে চ্যালেঞ্জড হবে এবং ড. ইউনূস থেকে শুরু করে ছাত্র নেতাদের আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। সুতরাং নির্বাচনের আগেই এই সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিতে হবে।
এই সাংবিধানিক স্বীকৃতির ভিত্তি হবে গত ৫ আগস্ট ২০২৫ ড. ইউনূস কর্তৃক পঠিত জুলাই ঘোষণাপত্র এবং বর্তমানে বিবেচনাধীন জুলাই সনদ। জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে জামায়াত, এনসিপি প্রভৃতি দলের রিজার্ভেশন থাকলেও মতানৈক্য কমিয়ে আনার স্বার্থে তারা ঐ ঘোষণাপত্রের বিরোধিতা করেনি।
জামায়াত-এনসিপি প্রভৃতি দলের মূলকথা হলো এই যে, জুলাই বিপ্লবে ১৪০০ মানুষের জীবন দান এবং ২৬ হাজার মানুষের গুরুতর আহত হওয়া আওয়ামী লীগকে সরিয়ে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য হয়নি। বরং দেশে এমন একটি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বন্দোবস্ত থাকবে, যেখানে স্বৈরাচার হওয়ার ইচ্ছা থাকলে এবং চেষ্টা করলেও আর ফিরে আসতে পারবে না। এটি শুধু মুখে বললে হবে না। সংবিধানেও এমন ব্যবস্থা থাকবে, যেটি প্রতিপদে স্বৈরাচারের প্রত্যাবর্তনকে বাধা দেবে।
সেরকম ব্যবস্থাই হলো ঐ ৮৪টি সুপারিশের মধ্যে অন্তত ২১টি সুপারিশ। এই ২১টি সুপারিশে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি। এর মধ্যে একটি রয়েছে সংসদের দুই কক্ষ। বিশেষ করে দুই কক্ষের গঠন প্রণালী। বিএনপির দাবি, দুটি কক্ষই আসনভিত্তিক হবে। আর জামায়াতের দাবি, দুটি কক্ষই সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব অনুযায়ী বা পিআর মোতাবেক হতে হবে। এই পয়েন্টে এখনো একমত হওয়া যায়নি।
এখন তার চেয়েও বড় ইস্যু সামনে এসেছে। সেটি হলো, কীভাবে জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দেওয়া হবে। প্রায় ৮ মাস ধরে আলোচনার পরও যখন সর্বসম্মত সমাধান পাওয়া যায়নি, তখন ঐকমত্য কমিশন ৪ জন সংবিধান বিশেষজ্ঞের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। এখন দেখা যাচ্ছে, ৪টি সমাধানের রাস্তা বের হতে পারে। একটি হলো, প্রভিশনাল কনস্টিটিউশন অর্ডারের মাধ্যমে জুলাই সনদ ঘোষণা করা। দ্বিতীয়টি হলো, জুলাই সনদের ওপর রেফারেন্ডাম বা গণভোট অনুষ্ঠান করা। তৃতীয়টি হলো, গণভোট না হলে পরবর্তী পার্লামেন্ট কর্তৃক প্রভিশনাল কনস্টিটিউশন অর্ডার র‌্যাটিফাই করা। আর চতুর্থটি হলো, প্রভিশনাল কনস্টিটিউশন অর্ডার জারির আগে বর্তমান সংবিধানের ১০৬ ধারা মোতাবেক সুপ্রিম কোর্টের আগাম মতামত নেওয়া।
ব্যারিস্টার শিশির মনির বয়সে কম হলেও এই অল্প সময়ের মধ্যেই সাংবিধানিক আইনজীবী তথা সংবিধান বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিজের স্থান করে নিতে পেরেছেন। তিনি বলেন যে, এই বিপ্লব হলো জনগণের সুপ্রিম উইলের বা জনগণের সার্বভৌম ইচ্ছার বহিঃপ্রকাশ। আর অন্তর্বর্তী সরকার সংবিধানে না থাকলেও জনগণের সার্বভৌম ইচ্ছা হিসেবে সেটিই সর্বোচ্চ সংবিধান। আর জনগণের সার্বভৌম ইচ্ছাতেই অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে। তাই ১০৬ ধারার মধ্যে সংবিধানকে ঢুকিয়ে দ্বিতীয়বার ভুল করা যাবে না। প্রথম ভুলটি করা হয়েছে বিপ্লবী সরকার গঠন না করে গত বছরের ৮ আগস্ট, হঠাৎ করে ১০৬ ধারা মোতাবেক সুপ্রিম কোর্টের মতামত নেওয়া এবং পরবর্তীতে বর্তমান সংবিধানের অধীনে অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ গ্রহণ। ন্যাড়া দুবার বেলতলায় যাবে না। তাই জুলাই সনদ প্রভিশনাল কনস্টিটিউশন অর্ডারের মাধ্যমে জারি করা না হলে গণভোট অনুষ্ঠিত হোক। এটিই জামায়াত ও অন্যান্য ইসলামী দলেরও দাবি।
এই পয়েন্টে বিএনপি এবং জামায়াত একমত হতে পারেনি। বরং অন্তর্বর্তী সরকার বিএনপির প্রতি পক্ষপাতিত্ব দেখাচ্ছে। অতএব জামায়াত এবং অন্যান্য দলের পক্ষে আর কোনো উপায় না থাকায় তারা দাবি আদায়ের জন্য রাজপথে নেমে এসেছেন।
এর অবধারিত পরিণতিতে জুলাই সনদ এবার সরকারের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত সুরম্য ভবন থেকে রাজপথে গড়িয়েছে। দেশবাসী এখন এটি দেখার জন্য ব্যাকুল প্রতীক্ষায় আছেন যে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন কি আলোচনার টেবিলে হবে? নাকি রাজপথে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের নিষ্পত্তি হবে?
Email:[email protected]