আজকের পত্রিকার খবর: ‘নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি করলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব’
৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৯:২৮
যুগান্তর পত্রিকার আজকের প্রধান শিরোনাম- জুলাই আন্দোলনে আদালতে অভিযোগ- প্রমাণ মেলেনি ৫৬% মামলার। এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুলাই আন্দোলনের প্রেক্ষিতে আদালতে করা মামলার একটা বড় অংশই ভুয়া।
উদাহরণ হিসেবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজধানীর মিরপুর ইসিবি চত্বরে হামলার অভিযোগে আড়াই শাে আসামির বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি মামলার বাদী মো. আব্দুল আজিজ ও সাক্ষীদের অস্তিত্ব খুঁজে পায়নি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পিবিআই জানায়, এখন পর্যন্ত তদন্ত করা মামলাগুলোর ৫৬ শতাংশেরই অভিযোগের প্রমাণ না থাকায় ফাইনাল রিপোর্ট দিতে হয়েছে।
বাকি ৪৪ শতাংশ মামলায় চার্জশিট দেওয়া হলেও সেখানকার বহু আসামিও প্রকৃত নয় বলে পিবিআই জানিয়েছে। কিছু বাদী নিজেদের অভিযোগও প্রত্যাহার করেছেন।
পিবিআই প্রধান মোস্তফা কামাল বলেছেন, ঢাকার ঘটনার মামলায় চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, বরিশাল ও কুমিল্লার এমন মানুষকে আসামি করা হয়েছে, যারা কখনো ঢাকায়ই আসেননি। সম্পৃক্ততা ছাড়া কাউকে আসামি করার কোনো কারণ নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আইনজ্ঞদের মতে, মিথ্যা মামলা দিয়ে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি করলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব
কালের কণ্ঠ পত্রিকার আজকের খবর- চলতি সপ্তাহেই তফসিল। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রধান উপদেষ্টাকে চলমান প্রস্তুতির অগ্রগতি জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইসির আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ইসি জানিয়েছে, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর নতুন কোনো প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে পোস্টার না সরালে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভোটের দিনে কেন্দ্রগুলোতে গোপন কক্ষের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে, যাতে ভোটারদের সুবিধা বাড়ে। ব্যালট পেপার পাঠানো হবে আগের রাতে- নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই এসব ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ইসি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হচ্ছে- প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, ‘জাতিকে একটি সুন্দর নির্বাচন দিতে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতিকে আমরা ইতিহাসের সেরা নির্বাচন উপহার দেব—এই প্রত্যয়ে এগিয়ে চলছি।’
নির্বাচন কমিশন সূত্র আগেই জানিয়েছিল, তফসিল ঘোষণার আগে নির্বাচন কমিশন প্রধান উপদেষ্টা ও রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করবে। সে অনুযায়ী আগামী বুধবার দুপরে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের সাক্ষাৎ হতে পারে বলে জানান নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।
আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম- ভোটের আগে নেশার বাণিজ্য। খবরে বলা হচ্ছে, ভারতীয় মাদক কারবারিরা ফেনসিডিলের মতো নেশাজাতীয় নতুন তিনটি সিরাপ ‘ব্রনোকফ সি’, ‘চকো প্লাস’ ও ‘উইন কোরেক্স’, বাংলাদেশে ছড়িয়ে দিতে চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। ভারতের সীমান্তঘেঁষা ১০ জেলার কারখানায় সিরাপগুলো তৈরি হচ্ছে এবং দেশের আটটি সীমান্ত জেলা দিয়ে সেগুলো প্রবেশ করছে।
ইতিমধ্যে কয়েকটি ছোট চালান আটকও হয়েছে। অধিদপ্তর জানায়, জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যস্ততাকে কাজে লাগিয়ে বড় চালান পাঠানোর চেষ্টা চলছে। কোডিন ফসফেট মিশ্রিত নতুন এই সিরাপগুলো ভারতে নিষিদ্ধ, আর নেশার মাত্রা ফেনসিডিলের সমান। অনেক ক্ষেত্রে ফেনসিডিলের বোতলে ভরে নতুন মোড়ক লাগানোও হচ্ছে।
সমীক্ষায় বলা হয়েছে, দেশে মাদকাসক্ত মানুষের সংখ্যা প্রায় ৮৩ লাখ; এর মধ্যে ৩ লাখ ৪৬ হাজারের বেশি মানুষ ফেনসিডিল ও সমজাতীয় মাদকে আসক্ত।
মাদক প্রবেশ রোধে জরুরি পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে তাগিদ দিয়েছে অধিদপ্তর। প্রথম আলোর প্রথম পাতার বড় আধেয় তাদেরই করা এক জরিপ, যেখানে উঠে এসেছে- সরকারের দেশ চালানো নিয়ে কিছুটা সন্তুষ্ট ৪৯% মানুষ, অত্যন্ত সন্তুষ্ট ৫%।
প্রথম আলোর উদ্যোগে ‘কি মেকারস কনসালটিং’ পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি দেশের অর্ধেকের বেশি মানুষের মাঝারি বা উচ্চমাত্রার সন্তুষ্টি রয়েছে।
জরিপ অনুযায়ী, ৪৯ দশমিক তিন শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন তারা কিছুটা সন্তুষ্ট।
পাঁচ দশমিক দুই শতাংশ বলেছেন তারা অত্যন্ত সন্তুষ্ট। মোট সাড়ে ৫৪ শতাংশের মতো উত্তরদাতা সন্তুষ্টির অভিমত দিয়েছেন।
সন্তুষ্ট নন, অসন্তুষ্টও নন—এমন মানুষের হার ২৩ শতাংশ। কিছুটা অসন্তুষ্ট মানুষের হার ১৮ দশমিক নয় শতাংশ।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর পাঁচই আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের তিন দিন পর দায়িত্ব নেয় ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার, যার মেয়াদ এখন ১৫ মাস পেরিয়েছে। নয়া দিগন্ত পত্রিকার আজকের খবর- কোটিপতি বেড়েছে ৯ হাজার।
খবরে বলা হয়েছে, অর্থনীতি স্থবির, শিল্পে সঙ্কোচন, মুদ্রাস্ফীতি উচ্চ এবং ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম চরমে—এমন পরিস্থিতিতেই দেশে গত এক বছরে নতুন ৯ হাজার কোটিপতি আমানতকারী যোগ হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, একই সময়ে কোটিপতি অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে ৫৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকার বেশি নতুন অর্থ।
প্রশ্ন উঠছে, যখন মধ্যবিত্তের সঞ্চয় কমছে, নিম্নবিত্ত ঋণে চাপছে এবং ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগ কমাচ্ছেন, তখন বিপুল এই অর্থ জমা করছে কারা এবং কেন?
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের সেপ্টেম্বরে কোটিপতি আমানতকারী ছিল ১ লাখ ১৯ হাজার ১৫৪ জন।
চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ৭০ জন। অর্থনৈতিক সংকটের সময় এই প্রায় ৭ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি বিশেষজ্ঞদের মতে স্বাভাবিক বাজার আচরণ নয়।
তাদের ব্যাখ্যায়, টাকার সুষম বণ্টন না হয়ে সম্পদ ক্রমেই কেন্দ্রীভূত হচ্ছে অল্প কিছু মানুষের হাতে।
উৎপাদনশীল খাতে সঙ্কোচন চললেও অদৃশ্য আর্থিক প্রবাহ বাড়ছে, যা সন্দেহজনক প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়।
দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার প্রধান শিরোনাম- EC all set for polls, referendum in Feb অর্থাৎ ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন।
জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট—দুটি প্রক্রিয়া একসঙ্গে পরিচালনার প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন।
ইসির সর্বশেষ বৈঠকে চূড়ান্ত প্রস্তুতির তালিকা অনুমোদন করা হয়েছে। এই সপ্তাহেই তফসিল ঘোষণা হতে পারে।
ভোটের সময় বাড়ানো, অতিরিক্ত গোপন কক্ষের ব্যবস্থা, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের চূড়ান্ত তালিকা এবং ব্যালট পাঠানোর সময়সূচিও নির্ধারিত হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের জন্য সব প্রস্তুতি সঠিকভাবে এগোচ্ছে।
প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর জানিয়েছে, ইসি সরকারি সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে এবং সারাদেশেই নির্বাচন কার্যক্রম দৃশ্যমান বলে উল্লেখ করেছে।
প্রস্তুতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে সরকার প্রয়োজনীয় সব সহায়তা দেবে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন যে এই নির্বাচন দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে মানসম্মত হবে।
বণিক বার্তা পত্রিকার আজকের প্রধান খবর- লোকসান কমেনি, বেড়েছে সিস্টেম লস, নবায়নযোগ্য বিদ্যুতেও নেই অগ্রগতি।
খবরে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্ব দিচ্ছেন উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, যিনি ২০০৭ থেকে ২০০৮ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ছিলেন।
সেই সময় রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সূচনা হয়। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিশেষ আইন পাস করে কুইক রেন্টাল ও আইপিপির মাধ্যমে অস্বচ্ছভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো হয়, যা চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না।
অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত পর্যালোচনা কমিটির প্রতিবেদনে দেখা যায়, গত ১৫ বছরে বিদ্যুৎ উৎপাদন চার গুণ বাড়লেও ব্যয় বেড়েছে ১১ গুণ।
ফলে বিপিডিবি গুরুতর আর্থিক সংকটে পড়ে। বিদেশী কোম্পানির সঙ্গে বেশ কিছু অস্বচ্ছ যৌথ চুক্তিও হয়েছিল। শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি বিদ্যুৎ খাতকে ওই সরকারের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত খাত হিসেবে চিহ্নিত করে।
তবে অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছরের বেশি সময়েও দৃশ্যমান পরিবর্তন আসেনি। বিপিডিবির লোকসান কমেনি, সিস্টেম লসও আরও বেড়েছে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে অগ্রগতি নেই, যদিও প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস শূন্য কার্বন নিঃসরণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
আগামী সপ্তাহে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সংস্কারের পরিকল্পনা প্রধান উপদেষ্টার সামনে উপস্থাপন করা হবে।
নিউ এইজ পত্রিকার আজকের খবর -Khaleda unlikely to fly for London now অর্থাৎ এখনই লন্ডনের বিমানে চড়ছেন না খালেদা জিয়া।
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে আপাতত লন্ডনে নেওয়ার পরিকল্পনা স্থগিত রয়েছে, কারণ তাঁর শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি।
রোববার বিএনপি কিংবা এভারকেয়ার হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসায় নিয়োজিত মেডিকেল বোর্ড কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বিবৃতি দেয়নি।
মেডিকেল বোর্ডের সদস্য এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন শনিবার সাংবাদিকদের জানান, খালেদা জিয়া এখনো বিমান ভ্রমণের উপযোগী নন।
উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বিদেশে নেওয়ার সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে তাঁর শারীরিক অবস্থার ওপরই নির্ভর করবে।
জাহিদ হোসেন আরও জানান, এয়ার অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত থাকলেও অগ্রাধিকার হচ্ছে খালেদা জিয়ার যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসাগত নিরাপত্তা বজায় রাখা।
বিএনপি শুরুতে জানিয়েছিল, ৫ ডিসেম্বর কাতার থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁকে লন্ডনে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল।
মানবজমিন পত্রিকার আজকের প্রথম পাতার খবর- খালেদা জিয়ার সিটিস্ক্যানসহ কয়েকটি পরীক্ষা করা হয়েছে।
এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সিটিস্ক্যান ও ইসিজিসহ কয়েকটি পরীক্ষার ফল স্বাভাবিক এসেছে বলে মেডিকেল বোর্ডের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
তাঁর শারীরিক অবস্থার কিছু অগ্রগতি দেখা যাওয়ায় বোর্ড দেশের মধ্যেই চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ভাবছে, যদিও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তিনি মাঝেমধ্যে কথা বলার চেষ্টা করছেন।
পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান সার্বক্ষণিক শয্যাপাশে থেকে চিকিৎসার সমন্বয় করছেন।
মেডিকেল বোর্ডের মতে, বিভিন্ন স্বাস্থ্য সূচক আগের তুলনায় উন্নতি হচ্ছে, এবং পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে লন্ডনে নেওয়ার প্রয়োজন নাও হতে পারে।
দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার আজকের খবর- Bangladesh saw how Jamaat killed lakhs of people, dishonoured women in 1971: Tarique Rahman অর্থাৎ তারেক রহমানের বলেছেন, ‘বাংলাদেশ দেখেছে একাত্তরে লাখো মানুষ হত্যা ও নারীদের নির্যাতন করেছিল জামায়াত’।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে প্রচার চালাচ্ছে, তা ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের ভাষার সঙ্গে মিল রয়েছে।
তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ দেখেছে ১৯৭১ সালে রাজনৈতিক স্বার্থে এই দল কীভাবে লাখ লাখ মানুষকে হত্যা করেছে এবং নারীদের নির্যাতন করেছে।
রবিবার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে বিএনপির ছয় দিনের ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
তারেক রহমান অভিযোগ করেন, জামায়াত ভুয়া প্রতিশ্রুতি দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে, এমনকি ভোটের বিনিময়ে ‘স্বর্গের নিশ্চয়তা’ দেওয়ার মতো প্রচারণাও চালিয়েছে।
তিনি বলেন, “কিছু মানুষ এখন বলে, বিভিন্ন দলকে দেখেছি, এবার আরেক দলকে (জামায়াতকে) সুযোগ দিন। কিন্তু দেশের মানুষ এই দলকে ১৯৭১ সালেই দেখেছে।”-বিবিসি বাংলা-০৮-১২-২৫