আজকের পত্রিকা:’সংকট বাড়ছে ইসলামী ব্যাংকে ১০ হাজার কোটি টাকা চেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে’

সোনার বাংলা অনলাইন
১১ জুন ২০২৬ ১৬:০৪

পত্রিকা

আজ ১১ জুন ২০২৬ বৃহস্পতিবার ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খুরশীদ আলমের নিয়োগ বিতর্কে ইসলামী ব্যাংকে অস্থিরতা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ব্যাংক থেকে ৪ হাজার কোটি টাকার আমানত তুলে নিয়েছে গ্রাহকরা।

এর প্রভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকে নগদ সংরক্ষণ অনুপাত (সিআরআর) বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে দেশের বৃহত্তম বেসরকারি ব্যাংকগুলোর অন্যতম ইসলামী ব্যাংক।

এজন্য ব্যাংকটির চলতি হিসাবে অর্থের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকার তারল্য সহায়তা চেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ব্যাংকের শীর্ষ এক কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ইসলামী ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকে রাখা চলতি হিসাবে এখনো তাদের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ রয়েছে। প্রিন্সিপাল অ্যাকাউন্টে সিআরআর মেইনটেইন করার জন্য সীমা থাকে।

সেই সীমার নিচে গেলে সিআরআর ঘাটতি হয়ে যায়। ব্যাংক এখন সেই সীমার নিচে চলে গেছে। তবে সিআরআর ঘাটতির আশঙ্কা এবং গ্রাহকদের চাহিদা নির্বিঘ্নে পূরণের লক্ষ্যে বিশেষ সহায়তার আবেদন করা হয়েছে।

খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে প্রাণহানি, গুলির ঘটনা নিয়ে সমালোচনা দীর্ঘদিনের। এরপরও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি সীমান্ত হত্যা। প্রাণহানির ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি থাকলেও তা কার্যকর হয়নি।

তবে সম্প্রতি পুশইন (ঠেলে পাঠানো) সীমান্তে উত্তেজনায় নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে। দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংগঠনও বেআইনিভাবে পুশইনের চেষ্টার সমালোচনা করছে।

এ পরিস্থিতির মধ্যেই গত সোমবার থেকে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে শুরু হয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের মধ্যে চার দিনের সীমান্ত সম্মেলন। দুই বাহিনীর মধ্যে শীর্ষ পর্যায়ের এই আলোচনায় পুশইন-পুশব্যাক ইস্যু গুরুত্ব পাচ্ছে।

তবে মহাপরিচালক পর্যায়ের সম্মেলন চলাকালেও পুশইনের চেষ্টা থেমে নেই।

গতকাল মঙ্গলবার রাতে বিজিবির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সমকালকে বলেন, চলমান সীমান্ত সম্মেলনে পুশইন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয় বাংলাদেশের তরফে জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এবারের আলোচ্যসূচির প্রধান বিষয় পুশইন ইস্যু।

খবরে বলা হচ্ছে, রাজপথের তীব্র আন্দোলনের পর এবার ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির মালিকানা, ব্যবস্থাপনা এবং সাম্প্রতিক শীর্ষ পর্ষদ পরিবর্তন ইস্যুতে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে জাতীয় সংসদ।

৫ই আগস্ট পরবর্তী প্রেক্ষাপটে এই প্রথম ব্যাংক খাতের কোনো সুনির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান নিয়ে দেশের সর্বোচ্চ আইনসভায় সরকার ও বিরোধী দলের শীর্ষ নেতারা এত দীর্ঘ বিতর্কে জড়ালেন।

বিরোধী দলের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছে, বিগত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাষ্ট্রীয় বিশেষ সংস্থার মাধ্যমে জোরজবরদস্তি করে এস আলম গ্রুপ ইসলামী ব্যাংকের যে শেয়ার ডাকাতি করেছিল, তা প্রকৃত মালিকদের ফিরিয়ে না দিয়ে বর্তমান সরকার উল্টো এস আলমের দোসর ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের ব্যাংকের শীর্ষ পদে বসাচ্ছে।

অপরদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ব্যাংকটিকে গতিশীল করতে এবং আইনি প্রক্রিয়ায় প্রকৃত মালিকদের হাতে শেয়ার ফিরিয়ে দিতেই এই অন্তর্বর্তীকালীন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে প্রাণহানি, গুলির ঘটনা নিয়ে সমালোচনা দীর্ঘদিনের। এরপরও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি সীমান্ত হত্যা। প্রাণহানির ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি থাকলেও তা কার্যকর হয়নি।

তবে সম্প্রতি পুশইন (ঠেলে পাঠানো) সীমান্তে উত্তেজনায় নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে। দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংগঠনও বেআইনিভাবে পুশইনের চেষ্টার সমালোচনা করছে।

এ পরিস্থিতির মধ্যেই গত সোমবার থেকে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে শুরু হয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের মধ্যে চার দিনের সীমান্ত সম্মেলন। দুই বাহিনীর মধ্যে শীর্ষ পর্যায়ের এই আলোচনায় পুশইন-পুশব্যাক ইস্যু গুরুত্ব পাচ্ছে।

তবে মহাপরিচালক পর্যায়ের সম্মেলন চলাকালেও পুশইনের চেষ্টা থেমে নেই।

গতকাল মঙ্গলবার রাতে বিজিবির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সমকালকে বলেন, চলমান সীমান্ত সম্মেলনে পুশইন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয় বাংলাদেশের তরফে জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এবারের আলোচ্যসূচির প্রধান বিষয় পুশইন ইস্যু।

খবরে বলা হচ্ছে, বিভিন্ন জীবাণুর অ্যান্টিবায়োটিক- প্রতিরোধী হয়ে ওঠা নিয়ে একের পর এক খবরের মধ্যে চিকিৎসকদের উদ্বিগ্ন করেছে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের এক গবেষণা।

এতে দেখা যাচ্ছে, হাসপাতালটিতে শিশুদের জন্য বিশেষায়িত নিবিড পরিচর্যা কেন্দ্রে (পিআইসিইউ) প্রথম সারির প্রায় সব অ্যান্টিবায়োটিকই অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

রামেক হাসপাতালের পিআইসিইউতে পরিচালিত সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, সেখানে চিকিৎসাধীন শিশুদের শরীরে ৯৬ শতাংশ অ্যান্টিবায়োটিকই কাজ করছে না।

সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকেরা বলছেন, তাঁদের হাতে কার্যত ‘শেষ অস্ত্র’ হিসেবে আছে মাত্র দুটি অ্যান্টিবায়োটিক ।

চলতি বছরের ১লা জানুয়ারি থেকে ৩০শে এপ্রিল পর্যন্ত পরিচালিত হয় এ গবেষণা। এতে পিআইসিইউতে চিকিৎসাধীন ৪৯ টি শিশুর শরীর থেকে জীবাণু সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে ৩০টি জীবাণু গ্রাম-নেগেটিভ ও ১৯ টি গ্রাম-পজিটিভ।

করের চাপ বাড়বে, থাকবে কিছু ছাড়ও’ প্রথম আলোর শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, কয়েক বছর ধরে রাজস্ব আদায়ে বেশ বড়সড় ঘাটতি হচ্ছে। তাই প্রতিবারের মতো আগামী বাজেটেও শুল্ক-কর আদায়ে মরিয়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

একদিকে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন বাস্তবায়ন শুরু হবে ১ জুলাই। অন্যদিকে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার এক লাখ কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে।

এমন প্রেক্ষাপটে এক লাখ কোটি টাকা বাড়িয়ে আগামী অর্থবছরের জন্য এনবিআরকে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের বিশাল লক্ষ্য দেওয়া হচ্ছে।

এই বিশাল লক্ষ্য অর্জনে এনবিআর বিভিন্ন ক্ষেত্রে শুল্ক-কর বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে। ফলে সাধারণ মানুষের ওপর করের চাপ কিছু ক্ষেত্রে বাড়তে পারে।

ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের স্বস্তি দিতে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো হচ্ছে। আবার ব্যাংক হিসাব খুলতে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) থাকার বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হতে পারে।

ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও বিনিয়োগ আকর্ষণে উদ্যোক্তাদের জন্য নানা খাতে করছাড়ও রাখা হতে পারে আগামী বাজেটে।

‘পণ্যের দাম কমার পাল্লাই ভারী’ কালের কণ্ঠের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, ভঙ্গুর অর্থনীতি ও বিনিয়োগ-কর্মসংস্থানহীন উচ্চ মূল্যস্ফীতির কঠিন সময় পার করছে দেশের মানুষ। ঠিক এ রকম সংকটকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি জোট সরকারের প্রথম বাজেট ঘোষণা রাত পোহালেই।

প্রধানমন্ত্রী চান অর্থনৈতিক সংকটের সময়ে জিনিসপত্রের দাম না বাড়ুক। মানুষ লাগামহীন উচ্চমূল্য থেকে মুক্তি পাক। তাঁর এই চাওয়া থেকেই তৈরি হয়েছে এবারের বাজেট।

ফলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এমনভাবে শুল্ক-করের হার বিন্যাস করেছে যে পণ্যের দাম কমার পাল্লাই ভারী।

কিন্তু সংস্থাটির সার্বিক কর আরোপ চলতি অর্থবছর থেকেও প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা বেশি। ফলে বেশির ভাগ পণ্যে শুল্ক ছাড় দিয়েও কিভাবে বেশি রাজস্ব আদায় করবে এনবিআর—এমন প্রশ্নের জন্ম দিতে প্রশ্নের জন্ম দিতে যাচ্ছে সংস্থাটি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি অনেকটা গোলকধাঁধার মতো। কারণ বিপুল পণ্যে করছাড়।

খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্দি বিনিময় চুক্তি থাকলেও কার্যত সেটি মানছে না ভারত। দেশটির সরকার মূলত ডিটেক্ট, ডিলিট এবং ডিপোর্ট (থ্রি ডি পদ্ধতি) অনুসরণ করছে। বাংলাদেশ সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।

গত কয়েকদিনে বিএসএফের পুশইন অপচেষ্টার কারণে সীমান্ত এলাকায় একাধারে আতঙ্ক ও অমানবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বিশ্লষকরা ভারতের এমন আচরণকে গভীর ষড়যন্ত্রের আভাস হিসাবে দেখছেন।

তারা বলছেন, বন্দি বিনিময় চুক্তি না মেনে এবং কূটনৈতিক শিষ্টাচার উপক্ষো করে সীমান্তে ঘটা করে পুশইনের চেষ্টা রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টির অংশ হতে পারে। ভূরাজনৈতিকভাবে ভারত কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে ফায়দা লুটতে চাইছে কিনা তা নিয়েও সংশয় আছে তাদের।

ঢাকা-দিল্লির আগামীর সম্পর্কে তিস্তা চুক্তি, গঙ্গা পানি চুক্তি, বাণিজ্য ভারসাম্য, ভিসা ইস্যু, ইন্দোপ্যাসিফিকের কৌশলগত অবস্থানের চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান।

এ অবস্থায় সীমান্তে পুশইনের মতো অস্থিরতা তৈরি করে ভারত অন্যদিকে দৃষ্টি ফেরানোর চেষ্টা করছে কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে দেশের নানা মহলে।

নিউ এইজের শিরোনাম ‘Myanmar border mines threaten Bangladesh security’ অর্থাৎ ‘মিয়ানমার সীমান্তের মাইন বাংলাদেশের নিরাপত্তা হুমকি’।

খবরে বলা হচ্ছে, মঙ্গলবার বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে আরও একটি ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনাটি বাংলাদেশের সীমান্ত ঝুঁকি এবং সীমান্ত সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্বেগজনক প্রস্তুতির অভাবকে প্রকটভাবে তুলে ধরেছে।

একদিকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী স্থল সীমান্ত দিয়ে অনেক মানুষকে বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা করছে। অপরদিকে মিয়ানমার সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে। ২৪ মে থেকে ৯ জুনের মধ্যে, গত ১৬ দিনে এ নিয়ে মিয়ানমার সীমান্তে পঞ্চম প্রাণহানির ঘটনা ঘটল।

২ জুন বান্দরবানের নাইক্ষংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নে মাইন বিস্ফোরণে চারজন এবং মর্টার শেল বিস্ফোরণে একজনের মৃত্যু হয়।

বিজিবি-৩৪ ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম বলেন, মাইন বিস্ফোরণের ঝুঁকির কারণে সীমান্ত এলাকায় যাতায়াতের সময় সতর্ক থাকার জন্য আমরা নিয়মিত সভার মাধ্যমে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করছি। এ জন্য লিফলেটও বিতরণ করা হয়েছে।

দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম ‘Largest budget in the works’ অর্থাৎ ‘সবচেয়ে বড় বাজেট আসছে।’

খবরে বলা হচ্ছে, ফেব্রুয়ারিতে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসা বিএনপি সরকার দেশের এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় বাজেট পেশ করতে যাচ্ছে। যা একটি উচ্চাভিলাষী রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা এবং বৈদেশিক সহায়তা আনার একটি সাহসী পরিকল্পনার ওপর নির্ভরশীল।

আগামীকাল অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী তাঁর প্রথম বাজেট পেশ করবেন। এবাররে বাজেটের মূল বিষয়বস্তু হবে ‘অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ন ও বিকেন্দ্রীকরণ, ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ’। এই বাজেট ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৯ লাখ কোটি টাকার অঙ্ক অতিক্রম করবে।

যদিও অর্থমন্ত্রী বাজেট আলোচনায় নির্দিষ্ট কোনো অঙ্কের কথা উল্লেখ করেননি। তবে তিনি বলেছেন, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে সহায়তার জন্য আসন্ন বাজেটটি বেশ বড় হবে।

খবরে বলা হচ্ছে, দেশের নৌপথে বিভিন্ন সেবার শুল্কহার বাড়াতে যাচ্ছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। আগামী ১ জুলাই থেকে এ নতুন ট্যারিফ কার্যকর হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এতে নৌপথে পণ্য পরিবহনে খরচ বাড়বে।

বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালে সর্বশেষ শুল্কহার বাড়ানো হয়েছিল। সম্প্রতি নৌপথ থেকে মন্ত্রণালয়ের রাজস্ব আয় বাড়ানোর উদ্যোগের অংশ হিসেবে শুল্কবৃদ্ধির প্রস্তাব আসে।

প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক আদায়যোগ্য ভাড়া, টোল, কর, ফি, অন্যান্য চার্জ পুনর্নির্ধারণ করে নতুন ট্যারিফ তফসিল চূড়ান্ত করা হয়।

দেশের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন রুটে আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন ট্যারিফ কার্যকর হলে বিভিন্ন সেবায় গড়ে প্রায় ৩০ শতাংশ শুল্ক বাড়বে বলে জানিয়েছেন বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তারা। এর প্রভাব পড়তে পারে নির্মাণসামগ্রী, কৃষি, শিল্প কাঁচামাল ও ভোগ্যপণ্য পরিবহন ব্যয়ে।

আজকের পত্রিকা:

সম্পর্কিত খবর