অন্য জমির ফসল

আজকের পত্রিকা: মমতার বক্তব্য কে কীভাবে দেখছে

সোনার বাংলা অনলাইন
৬ জুন ২০২৬ ১০:২৭

পত্রিকা

হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে গুরুত্ব দিয়ে দেখার কথা জানিয়েছে মামলাটির তদন্তকারী সংস্থা; নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনায় ‘ডিপি ওয়ার্ল্ড’-এর সঙ্গে চলমান আলোচনা দ্রুত এগিয়ে নিতে অথবা পুরো প্রক্রিয়া বাতিল করতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা এবং বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও জোরদার করছে—আজ ৬জুন ২০২৬   শনিবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকায় এমন খবর গুরুত্ব পেয়েছে।

আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম— তদন্তে মমতার বক্তব্যকে গুরুত্ব দিচ্ছে সিআইডি

এই খবরে বলা হয়েছে, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে গুরুত্ব দিয়ে দেখার কথা জানিয়েছে মামলাটির তদন্তকারী সংস্থা বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সংস্থাটি বলেছে, তদন্তের স্বার্থে মমতার বক্তব্যসহ সব তথ্যই গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

অবশ্য সরকার ওই বক্তব্যকে ‘রাজনৈতিক বক্তব্য’ হিসেবে দেখছে।

আর বিরোধী দল জামায়াত একে অভিহিত করেছে ‘ভারতের রাজনৈতিক খেলা’ হিসেবে।

এদিকে, এই মামলার বাদী হিসেবে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরের নাম দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন হাদির বোন মাসুমা হাদি।  ডিপি ওয়ার্ল্ডকে নিয়ে সংশয়ে সরকার— বণিক বার্তার দ্বিতীয় প্রধান খবর এটি।

এতে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার জন্য দুবাইভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘ডিপি ওয়ার্ল্ড’-এর সঙ্গে চলমান আলোচনা হয় দ্রুত এগিয়ে নিতে হবে, নয়তো পুরো প্রক্রিয়া বাতিল করতে হবে— এমন নির্দেশনা দিয়েছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।

এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি এখন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ওপর।

২০০৭ সালে আংশিক এবং ২০১৫ সালে পুরোদমে চালু হওয়ার পর থেকেই চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আয়ের উৎস এনসিটি। প্রতি বছরই ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে টার্মিনালটির আয়।

ফলে রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে নির্মিত এবং দীর্ঘদিন ধরে মুনাফায় থাকা দেশের সবচেয়ে লাভজনক টার্মিনালটিকে বিদেশি অপারেটরের হাতে দেওয়ার সিদ্ধান্তে উঠছে নানা প্রশ্ন।

বিদেশি অপারেটরের হাতে এনসিটি হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেয় ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার।

আর সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এনসিটি ১৫ বছর মেয়াদে ডিপি ওয়ার্ল্ডের হাতে ছেড়ে দেয়া নিয়ে দরকষাকষির শুরু হয়। কিন্তু সে সময় চাপের মুখে অন্তর্বর্তী সরকার শেষ পর্যন্ত আর ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে এনসিটি পরিচালনার চুক্তি করতে পারেনি। এখন আবার এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এদিকে, গত ৮ এপ্রিল দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এনসিটি পরিচালনার বিষয়টি আবারো তুলেছে ডিপি ওয়ার্ল্ড। দুবাইয়ের সভায় এনসিটি পরিচালনার ক্ষেত্রে রাজস্ব, ব্যয় ও জনবল কাঠামোর বিষয়ে আরো স্বচ্ছতা চেয়েছে ডিপি ওয়ার্ল্ড। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত ১৫ বছরের কনসেশন মেয়াদ পুনর্বিবেচনা এবং টার্মিনাল আধুনিকায়নে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগের বিষয়েও গুরুত্ব দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

যুদ্ধের বড় ধাক্কা শ্রমবাজারে— কালের কণ্ঠের প্রধান সংবাদ এটি।

এতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধের প্রভাব মধ্যপ্রাচ্যজুড়েও ছড়িয়ে পড়ায় সেখানকার দেশগুলোয় বাংলাদেশের কর্মী পাঠানোয় বড় ধাক্কা লাগায় সংকটে পড়েছে এই খাত।

যুদ্ধের কারণে কাজ হারিয়ে অনেক শ্রমিককে দেশে ফেরত আসতে হয়েছে।

চলতি বছরের ২৮শে ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে সৌদি আরব, কুয়েত ও কাতারের মতো দেশগুলোয় নতুন কর্মীর চাহিদা ব্যাপক হারে কমে যায়।

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্যানুযায়ী, গত মার্চ থেকে মে পর্যন্ত তিন মাসে বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য গেছেন এক লাখ ৫৩ হাজার ৬৩৬ জন বাংলাদেশি কর্মী।

আগের বছর একই সময় এই সংখ্যা ছিল দুই লাখ ৬০ হাজার ৪৩৮ জন। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে বিদেশগামী কর্মীর সংখ্যা কমেছে প্রায় ৪১ শতাংশ।

শ্রমবাজার বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অবকাঠামো নির্মাণ, পর্যটন, সেবা ও বাণিজ্য খাতের অনেক প্রতিষ্ঠান নতুন কর্মী নিয়োগে সতর্ক অবস্থান নেওয়ায় নতুন করে শ্রমিক নেওয়ার অনুমোদনের হার কমতে শুরু করে।

একই সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যগামী শত শত ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় নতুন কর্মীদের বিদেশযাত্রাও বিলম্বিত হতে থাকে।

সমকালের দ্বিতীয় প্রধান প্রতিবেদন— বিদ্যুৎ খাতে অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর

এই খবরে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের তিন মেয়াদে সবচেয়ে সমালোচিত বিষয় ছিল বিদ্যুৎ খাতের ক্যাপাসিটি চার্জ। উৎপাদনে না থাকলেও কেন্দ্র মালিককে এ অর্থ দেওয়া হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের বিদ্যুৎ জ্বালানি তথা সামগ্রিক অর্থনীতির সর্বনাশা বীজ লুকিয়ে আছে বিদ্যুতের এই অস্বাভাবিক ক্যাপাসিটি পেমেন্টে। যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।

গত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দায়মুক্তির আইনে করা সব অসম বিদ্যুৎ উৎপাদন চুক্তি পর্যালোচনার জন্য একটি কমিটি করা হয়।

ওই কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের আর্থিক সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ ক্যাপাসিটি চার্জ।

তারা জানান, সাধারণত ১২ বছরের মধ্যে প্রকল্পের ঋণের টাকা শোধ হয়ে যায়, কিন্তু চুক্তির কারণে ১৩ থেকে ২২ বছর পর্যন্ত অত্যন্ত উচ্চ হারে ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হয়।

পিডিবির তথ্যমতে, ২০০৯-১০ থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছর পর্যন্ত বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জন্য ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হয়েছে এক লাখ ৩৩ হাজার ৩৭৭ কোটি টাকা।

বেসরকারি খাতের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার সঙ্গে সঙ্গে ক্যাপাসিটি চার্জ বাড়লেও এ সময় বেশিরভাগ বিদ্যুৎকেন্দ্রের সক্ষমতার অর্ধেকও ব্যবহার হয়নি। কিছু কিছু কেন্দ্র বছরে সক্ষমতার ২-৩ শতাংশ উৎপাদন করেছে।

তবে কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন সক্ষমতার ৮০ শতাংশ ব্যবহৃত হবে, এমন শর্তেই চুক্তির সময় ক্যাপাসিটি চার্জ নির্ধারণ করা হয়েছিল।

টাইমস অব বাংলাদেশের প্রধান শিরোনাম— Dhaka, Ankara set to cement defence ties; অর্থাৎ প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও জোরদারের পথে ঢাকা ও আঙ্কারা।

এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ও তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও বাড়াতে একমত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার ঢাকায় দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আলোচনার পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এই অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

এ সময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান দুই দেশের মধ্যে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার জন্য অন্যতম সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে প্রতিরক্ষা উৎপাদন খাতকে চিহ্নিত করেছেন। পাশাপাশি তিনি বস্ত্র ও পোশাক, নবায়নযোগ্য জ্বালানির মতো কয়েকটি খাতকেও চিহ্নিত করেন।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, আমরা আমাদের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ এক দশমিক তিন বিলিয়ন ডলার থেকে দুই বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার উদ্যোগ খতিয়ে দেখছি। বিশেষ করে প্রতিরক্ষা শিল্পে আমাদের সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য আমরা পদক্ষেপ নিতে পারি।

স্টকহোম আন্তর্জাতিক শান্তি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মতে, বাংলাদেশে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহকারী তৃতীয় বৃহত্তম দেশ তুরস্ক। অন্যদিকে, বাংলাদেশ তুর্কি সামরিক সরঞ্জামের শীর্ষ ক্রেতাদের মধ্যে অন্যতম।

এই খবরে বলা হয়েছে, সারাদেশে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সংখ্যার তুলনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং এর অধীনস্থ বিভাগীয়, জেলা ও স্থানীয় স্বাস্থ্য প্রশাসনের পক্ষে সীমিত জনবল দিয়ে নিয়মিত মনিটরিং সম্ভব হচ্ছে না।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা সত্যতা স্বীকার করে বলেছেন, যখন অধিদপ্তর করা হয়, তখন আটটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জেলা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ছিল। তবে সব উপজেলায় সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ছিল না। বেসরকারি হাসপাতাল হাতেগোনা কয়েকটি ছিল।

বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিকের সংখ্যার তুলনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও এর অধীনস্থ স্থানীয় স্বাস্থ্য প্রশাসন ব্যবস্থাপনা ও জনবল সীমিত।

এদিকে বেশিরভাগ বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার প্রতিষ্ঠা ও ব্যবস্থাপনা সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী হচ্ছে না এবং বেশিরভাগ ভবনও নীতিমালা অনুযায়ী তৈরি কিংবা পরিচালনা হচ্ছে না।

নিয়মিত মনিটরিং না করলেও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বিভাগীয় (স্বাস্থ্য) পরিচালক জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একশ্রেণির কর্মকর্তা ও কর্মচারী এসব অবৈধ বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ব্লাড ব্যাংক থেকে লাখ লাখ টাকা মাসোহারা পাচ্ছেন।

নিউ এইজের প্রধান খবর— High alert on border; অর্থাৎ সীমান্তে উচ্চ সতর্কতা।

এই খবরে বলা হয়েছে, ভারত থেকে মানুষকে পুশইনে (জোর করে ঠেলে পাঠানো) দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) চেষ্টা অব্যাহত রাখায় সীমান্ত এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড (বিসিজি) উচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

দুই প্রতিবেশী দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা সীমান্তের অনেক পয়েন্টে মুখোমুখি হয়েছে, যেখানে বিজিবি বিএসএফের পুশইনের প্রচেষ্টাকে ঠেকিয়ে দিয়েছে।

গত মে মাসে পশ্চিমবঙ্গে ভারতের কেন্দ্রীয় শাসক দল ভারতীয় জনতা পার্টির ভূমিধস জয়ের পর থেকে যা নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশের স্পষ্ট অবস্থান হচ্ছে, পুশইনে ঘটনায় কাউকে প্রবেশ করতে দেবে না এবং ভারতকে জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাইয়ের মতো আইনি পথ অনুসরণ করতে হবে।

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান খবর— Subsidy burden set to rise for power, fertiliser; অর্থাৎ বিদ্যুৎ ও সারের ওপর ভর্তুকি বাড়ছে।

এই খবরে বলা হয়েছে, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ভর্তুকি ও প্রণোদনা বাবদ সরকার এক লাখ ২৬ হাজার ১২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করবে। যার মধ্যে ৫৫ শতাংশই বিদ্যুৎ ও সার খাতে।

এই দুই খাতে ভর্তুকি বাবদ বরাদ্দ করা হবে ৬৪ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে বিদ্যুতের জন্যই ৩৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে।

যদিও বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত গ্যাস ও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বিদ্যুৎ বিভাগ আরও বরাদ্দের জন্য চাপ দিচ্ছে।

এদিকে, চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটে ভর্তুকির পরিমাণ ছিল এক লাখ ২৫ হাজার ৯০৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৫০ শতাংশের বেশি ছিল সার ও বিদ্যুৎ খাতে।

তবে, বিশ্ববাজারে জ্বলানি ও সারের দাম বাড়ায় সংশোধিত বাজেটে এই ভর্তুকির পরিমাণ বাড়ানো হতে পারে।

প্রথম আলোর প্রধান খবর— সৃজনশীল অর্থনীতিতে জোর, বরাদ্দ হবে ৩০০ কোটি টাকা

এই খবরে বলা হয়েছে, দেশের তরুণদের মাদক, সন্ত্রাস ও উগ্রবাদ থেকে দূরে রাখতে সৃজনশীল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর জোর দিচ্ছে সরকার।

এর অংশ হিসেবে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বরাদ্দ রাখা হচ্ছে ৩০০ কোটি টাকা। বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সৃজনশীল অর্থনীতির সম্ভাবনা এবং এর রূপরেখাও তুলে ধরবেন।

সাধারণভাবে সৃজনশীল অর্থনীতি বলতে চলচ্চিত্র, নাচ, গান, নাটক, প্রকাশনা, বিজ্ঞাপন, স্থাপত্য, শিল্পকলা, কারুশিল্প, নকশা, সফটওয়্যার, ভিডিও গেমস ইত্যাদিকে বোঝানো হয়।

এ নিয়ে অর্থ বিভাগ যে ধারণাপত্র তৈরি করেছে, তাতে সৃজনশীল অর্থনীতির বৈশ্বিক চিত্র উঠে এসেছে। এতে আঙ্কটাডের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে সৃজনশীল অর্থনীতি থেকে বছরে আয় হয় ২ ট্রিলিয়ন অর্থাৎ ২ লাখ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি। আর কর্মসংস্থান হয় ৫ কোটি মানুষের।

২০২২ সালে বিশ্বে ১ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলারের সৃজনশীল সেবা রপ্তানি হয়েছে, যা ৫ বছর আগের তুলনায় ২৭ শতাংশ বেশি।

আঙ্কটাডের বরাত দিয়ে অর্থ বিভাগের উপস্থাপনায় বলা হয়, জিডিপির অনুপাতে সৃজনশীল অর্থনীতির অবদান সবচেয়ে বেশি ইন্দোনেশিয়ায়— ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ। প্রতিবেদনে বাংলাদেশের নাম নেই। তবে বাংলাদেশ সরকার এ অবদান জিডিপির ১ দশমিক ৫ শতাংশে নিয়ে যেতে চায়।

আজকের পত্রিকা:

সম্পর্কিত খবর