ছয় মাসের মাথায় মন্ত্রিসভায় প্রথম বড় পরিবর্তন
২৫ আগস্ট ২০২৬ ২২:১৪
এখনো একাধিক মন্ত্রণালয় একজনের হাতে
একই মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টা
(চার নতুন মন্ত্রী, দুই প্রতিমন্ত্রী; মন্ত্রী থেকে উপদেষ্টা স্বপন, উপদেষ্টা থেকে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন; পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এখন দুই প্রতিমন্ত্রী)
স্টাফ রিপোর্টার : সরকার গঠনের মাত্র ছয় মাসের মাথায় মন্ত্রিসভায় প্রথম বড় ধরনের রদবদল এনেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গত ২১ আগস্ট শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে চার নতুন পূর্ণমন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রী শপথ নেওয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয় এই পরিবর্তনের আনুষ্ঠানিকতা। পরে মধ্যরাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ দায়িত্ব বণ্টন ও পুনর্বণ্টন-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। এর মাধ্যমে একদিকে শূন্য হয়ে যাওয়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পূরণ হয়েছে; অন্যদিকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে এসেছে পরিবর্তন। একইসঙ্গে একজন প্রতিমন্ত্রী পূর্ণমন্ত্রী হয়েছেন, একজন মন্ত্রী মন্ত্রিসভা ছেড়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হয়েছেন, একজন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে এবং বিএনপির সিনিয়র একজন নেতা মন্ত্রিসভায় যুক্ত হয়েছেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর ১০ জন উপদেষ্টা রয়েছেন, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায়।
ছয়জনের পাঁচজনই নতুন : গত ২১ আগস্ট শুক্রবার বঙ্গভবনের দরবার হলে নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথ পড়ান নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। চার পূর্ণমন্ত্রী হলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। নতুন দুই প্রতিমন্ত্রী হলেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন। ফলে ছয়জন শপথ নিলেও তাঁদের মধ্যে পাঁচজন কার্যত নতুনভাবে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হয়েছেন; রশিদুজ্জামান মিল্লাত আগে থেকেই প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
কে পেলেন কোন মন্ত্রণালয়
রদবদলের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তনগুলোর একটি এসেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্ত্রিত্ব ছাড়ায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়টি শূন্য হয়েছিল। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খানকে দেওয়া হয়েছে এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। তার সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে থাকছেন মীর শাহে আলম।
প্রতিমন্ত্রী থেকে পূর্ণমন্ত্রী হওয়া এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত পেয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। তিনি এতদিন একই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। তার পদোন্নতির ফলে একই মন্ত্রণালয়ে আগের মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতার দায়িত্ব পরিবর্তন করা হয়েছে। আফরোজা খানম রিতাকে দেওয়া হয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। ফলে তিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে সরে খাদ্যমন্ত্রী হয়েছেন। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বহাল রয়েছেন। বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরীকে দেওয়া হয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। এই মন্ত্রণালয়টি আগের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগের পর থেকে পূর্ণমন্ত্রীবিহীন ছিল। সেখানে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন দায়িত্ব পালন করছেন।
জোটের শরিক বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ পেয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। এর আগে এ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন জহির উদ্দিন স্বপন। রদবদলের পর স্বপন মন্ত্রীর পদ ছেড়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হয়েছেন, মন্ত্রীর পদমর্যাদায়। গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন পেয়েছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব। এই মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ বহাল আছেন।
মন্ত্রী থেকে উপদেষ্টা, উপদেষ্টা থেকে প্রতিমন্ত্রী
এই রদবদলের সবচেয়ে আলোচিত দিকগুলোর একটি হলো জহির উদ্দিন স্বপনের পদপরিবর্তন। তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে সরে তিনি এখন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা। গত ২২ আগস্ট শনিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ বিষয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে। উপদেষ্টা হিসেবে তিনি মন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা পাবেন। গত ২৩ আগস্ট রোববার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তারেক রহমানের কাছে যোগদানপত্র জমা দিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে কাজে যোগ দেন।
অন্যদিকে ঠিক উল্টো পথে এসেছেন হুমায়ুন কবির। এতদিন তিনি প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এবার উপদেষ্টার পদ ছেড়ে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। তার আগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একই পদমর্যাদায় উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব ছিল; এখন তিনি সরাসরি মন্ত্রিসভার সদস্য।
হুমায়ুন কবিরের দায়িত্ব পরিবর্তনের ফলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি ব্যতিক্রমী কাঠামো তৈরি হয়েছে। পূর্ণমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে এখন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন হুমায়ুন কবির ও শামা ওবায়েদ ইসলাম- অর্থাৎ একই মন্ত্রণালয়ে দুজন প্রতিমন্ত্রী।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দুই প্রতিমন্ত্রী, দায়িত্বও আলাদা
দুই প্রতিমন্ত্রীর কাজের পরিধি নিয়েও ২৩ আগস্ট পৃথকভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জারি করা পরিপত্র অনুযায়ী, হুমায়ুন কবিরকে ‘পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১’ এবং শামা ওবায়েদ ইসলামকে ‘পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২’ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। হুমায়ুন কবির দেখবেন দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বিষয়, অনাবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয় এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অর্পিত অন্যান্য দায়িত্ব। শামা ওবায়েদ ইসলাম দেখবেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি, মানবাধিকার, গবেষণা ও উদ্ভাবন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন, সৃজনশীল অর্থনীতি এবং এলডিসি উত্তরণসহ কয়েকটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্র। ফলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইতিহাসে এমন কাঠামো নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছেÑ একজন পূর্ণমন্ত্রী ও তার সঙ্গে একই পদমর্যাদায় দুজন প্রতিমন্ত্রী। তবে দুই প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব আলাদা করে দেওয়ার ফলে কাজের বিভাজন স্পষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছে।
শূন্যতা পূরণও রদবদলের বড় কারণ
সরকারের প্রথম ছয় মাসে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদ স্পিকার নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রিসভা ছাড়েন। ভূমি প্রতিমন্ত্রী কায়সার কামাল ডেপুটি স্পিকার হওয়ায় তার পদও শূন্য হয়। পরে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেন। সর্বশেষ স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় ওই মন্ত্রণালয়েও শূন্যতা তৈরি হয়। অর্থাৎ নতুন নিয়োগের একটি বড় অংশ এসেছে বিদ্যমান শূন্যতা পূরণের প্রয়োজন থেকে। একইসঙ্গে কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের মাধ্যমে সরকারের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কাঠামো নতুন করে সাজানো হয়েছে।
একাধিক মন্ত্রণালয় এক মন্ত্রীর হাতে
রদবদলের পরও সরকারের মন্ত্রণালয় বণ্টনে একাধিক মন্ত্রণালয় এক মন্ত্রীর হাতে থাকার প্রবণতা বহাল রয়েছে। আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছেন। খন্দকার আবদুল মুক্তাদির শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্য তিন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। শেখ রবিউল আলমের হাতে রয়েছে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনের মতো গুরুত্বপূর্ণ তিনটি মন্ত্রণালয়।
অন্যদিকে আরিফুল হক চৌধুরী শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান দুই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন। মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। ফকির মাহবুব আনাম ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন।
একই মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টা
রদবদলের পর সরকারের কাঠামোর আরেকটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো একই মন্ত্রণালয়ে পূর্ণমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তিন স্তরের দায়িত্বশীল ব্যক্তি থাকা। অর্থ ও পরিকল্পনায় আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে রয়েছেন জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি এবং অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে নিতাই রায় চৌধুরী ও আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ামের পাশাপাশি উপদেষ্টা হিসেবে আছেন জাহেদ উর রহমান। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক এবং উপদেষ্টা মাহদী আমিন রয়েছেন। মাহদী আমিন একইসঙ্গে শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বও পালন করছেন।
শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী না থাকলেও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী দায়িত্ব পালন করছেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারীর পাশাপাশি মন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা হিসেবে আছেন ইসমাইল জবিউল্লাহ।
মন্ত্রিসভার আকার নিয়ে প্রশ্ন
সরকারের মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের সঙ্গে কৃচ্ছ্্রসাধনের প্রশ্নও সামনে এসেছে। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে দুটি বিপরীত বিষয় আলোচনায় এসেছে। একদিকে নতুন দায়িত্ব বণ্টনের মাধ্যমে প্রশাসনে গতি আনার প্রত্যাশা; অন্যদিকে মন্ত্রিসভার আকার বৃদ্ধির ফলে ব্যয় ও কাঠামোগত ভারসাম্য নিয়ে প্রশ্ন। বিশেষ করে তুলনামূলক ছোট কাজের পরিধির কিছু মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপদেষ্টা তিন ধরনের দায়িত্বশীল ব্যক্তি থাকায় দায়িত্বের স্তরবিন্যাস কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। আবার অন্যদিকে কয়েকজন মন্ত্রীর হাতে একাধিক বড় মন্ত্রণালয় থাকায় তাদের ওপর কাজের চাপ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা নিছের বিতর্ক চলছে।
আরও পরিবর্তনের আভাস
গত ২১ আগস্টের রদবদলের পরই রাজনৈতিক অঙ্গনে আরও পরিবর্তনের আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দায়িত্বশীল একটি সূত্রের বরাত দিয়ে দেশের একটি জাতীয় দৈনিক বলছে, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আরেক দফা পরিবর্তনের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।