লংমার্চসহ ধারাবাহিক আন্দোলন নিয়ে মাঠে ১১ দলীয় ঐক্য

গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে অনড়


২৫ আগস্ট ২০২৬ ২২:৩৯

॥ হারুন ইবনে শাহাদাত ॥

‘সুখে থাকতে ভূতে কিলায়’ কিংবা ‘খাল কেটে কুমির আনা’- বাংলা ভাষার এ আপ্তবাক্যগুলোর অর্থ কমবেশি সবারই জানা। কিন্তু কথায় আছে গরু হারানো কৃষক দিশেহারা হয়ে ভুলে স্ত্রীকেও মা ডাকে। সরকারের অস্থির অবস্থা দেখে এমন কথাই বলছে দুর্ভোগে অতিষ্ঠ জনগণ।
দেশে রাজনীতির শান্ত হওয়া বইছে। বিশেষ করে ২০২৪-এর ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে জুলাই চেতনায় বিশ্বাসী নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিকে অগণতান্ত্রিক মারদাঙ্গা-ভাঙচুরের বদলে গণতন্ত্রের মিষ্টি বাতাস বইতে শুরু করেছে। কিন্তু কেন এই পরিবর্তন, সেই সত্য দুই বছরেই সরকার দলের কিছু নেতা ভুলতে বসেছে। জুলাই বিপ্লবের ফসল সরকার বিপ্লবী চেতনার কবর রচনা করে নিজে ফ্যাসিস্ট সেজে, পতিত পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিস্ট অপশক্তি আওয়ামীকেই প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে বলে রাজনীতি বিশ্লেষকরা মনে করছেন। কারণ তারা নাকি মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। বিশেষ করে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখল, ঘুষ-দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার এবং দেশটাকে কিছু দুর্বৃত্তদের অভয়ারণ্যে পরিণত করতে পারলে রাজনীতির ব্যবসা ভালো জমে, আঙুল ফুলে কলাগাছ হওয়া যায়। জনগণের সেবার বদলে লুটপাট করলেও গলায় ঝুলে, জনসেবক খেতাব পায়। স্লোগান ওঠে’… ভাইয়ের চরিত্র ফুলের মতো পবিত্র।’ এমন সুখের স্বর্গের বসবাস করা নেতা নামের শাসকরূপী শোষকরা নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত কিছুতেই মেনে নিতে চাচ্ছেন না। গণভোটের রায় মেনে নিয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে জুলাই সনদের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করার পর সংসদে বসার কথা থাকলেও তা তারা (সরকার) বেমালুম ভুলে গেছে। উটপাখির মতো বালুতে মুখ লুকিয়ে ভাবছেন, জনগণ সব ভুলে গেছে। কিন্তু না তারা (জনগণ) কিছুই ভুলে যায়নি।
জনগণের প্রতিনিধি বিরোধীদল সচেতন-সজাগ আছে। জনগণকে সাথে নিয়ে তারা আছে আন্দোলনের মাঠে। জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান জনগণের কণ্ঠস্বর হিসেবে দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেছেন, ‘জান দেব, তবুও জুলাই দেব না।’
‘জান দেব, তবুও জুলাই দেব না’
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন আলোচনা ও দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে জুলাই বিপ্লবের চেতনা ও শহীদদের আত্মত্যাগের প্রসঙ্গ তুলে ধরে দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করে একাধিকবার বলেছেন, ‘জান দেব, তবুও জুলাই দেব না’। তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক সমাবেশ, প্রতিনিধি সম্মেলন ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহীদ পরিবারগুলোর উদ্দেশে আয়োজিত সভায় বক্তব্য রাখার সময় দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের অর্জনকে যেকোনো মূল্যে রক্ষা করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতার রক্তে অর্জিত অধিকার অক্ষুণ্ন রাখার আহ্বান জানিয়ে জনগণের উদ্দেশে তিনি বলেন, দেশের মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যে জুলাই বিপ্লব ঘটিয়েছে, সেই অর্জনকে নস্যাৎ হতে দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে জীবন উৎসর্গ করা হবে, কিন্তু জুলাইয়ের চেতনা বিকিয়ে দেওয়া হবে না।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার গত ২৪ আগস্ট সোমবার দেশের শীর্ষস্থানীয় সব দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকদের সাথে মতবিনিময়ের পর গণভোটের রায় বাস্তবায়নের প্রশ্নে সরকার কোনো গড়িমসি করলে ১১ দলীয় ঐক্য ও জামায়াতে ইসলামী কোনো ধরনের ছাড় দেবে না বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে যে রায় দিয়েছে, তা বাস্তবায়নের চেয়ে এই মুহূর্তে বড় কোনো ইস্যু নেই। সংসদ ব্যর্থ হলে জনগণের কাছেই ফিরে যাবে জামায়াত। জুলাই সনদের ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকার গড়িমসি করছে। আইনমন্ত্রী গণভোটের চারটি বিষয়ের মধ্যে সাড়ে তিনটিতে একমত হলেও বাকি অর্ধেক ইস্যুতে আপত্তি করায় সংকট তৈরি হয়েছে। জনগণের ঐতিহাসিক রায় বাস্তবায়নে ‘তিল পরিমাণ ছাড়’ দেওয়া হবে না।”
জামায়াতের সংসদীয় ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বিরোধীদল মানেই সরকারের সবকিছুর বিরোধিতা নয়। জনকল্যাণমূলক কাজে সরকারকে সহযোগিতা এবং জনস্বার্থবিরোধী কাজে গঠনমূলক প্রতিবাদই ১১ দলীয় ঐক্যের নীতি। অতীতের সহিংস ও অস্থিতিশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক ধারায় রাজনীতি করতে চান তারা।’
তাই দাবি আদায়ে সারা দেশের বিভাগীয় মহানগরীতে লংমার্চ এবং রাজধানী ঢাকায় মহাসমাবেশ ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় ঐক্য। তাদের এ কর্মসূচি হবে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ। এ কর্মসূচি ঘিরে কোনো শঙ্কা নেই।
৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ
আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ দিয়ে গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক জোরালো দাবি শুরু করবে।
গত ২৪ আগস্ট সোমবার সন্ধ্যায় মিয়া গোলাম পরওয়ারের নেতৃত্বে ১১ দলীয় ঐক্যের একটি প্রতিনিধিদল পুলিশ সদর দপ্তরে পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎ শেষে পুলিশ সদর দপ্তরের সামনে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। এ সময় এক প্রশ্নের উত্তরে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘না, না; অবগত (করা)। অনুমতির তো কোনো প্রশ্ন নেই। রাজনৈতিক কর্মসূচির কোনো অনুমতির প্রশ্ন নেই। আমরা ইনফর্ম করব। আর আমরা কোনো আশঙ্কাবোধ করছি না। নিরাপত্তার জন্য নয়, কোথায় কখন কর্মসূচি হবে, তা জানাতেই তারা আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, সারা দেশে চারটি রুটে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ হবে। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ দিয়ে এ কর্মসূচি শুরু হবে। পথসভাসহ লংমার্চ কোথা থেকে শুরু হয়ে কোথায় শেষ হবে, তার বিস্তারিত সূচি লিখিতভাবে পুলিশকে জানানো হয়েছে।
গোলাম পরওয়ার বলেন, লংমার্চের প্রধান দাবি গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন। এছাড়া দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও সার সংকট, আইনশৃঙ্খলার অবনতিসহ বিভিন্ন জনদুর্ভোগের মতো বিষয়গুলোর সমাধান দাবির মধ্যে রয়েছে। এ সময় প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় হুইপ রফিকুল ইসলাম খান ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও এমপি সাইফুল আলম খান মিলন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব আতাউল্লাহ আমীন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান এবং বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমীর মাওলানা আবদুল মাজেদ আতহারী প্রমুখ। এ দাবি পূরণে ইতোমধ্যেই জামায়াতে ইসলামী এবং তার নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক কর্মসূচি মাঠে আছেন। জাতীয় সংসদেও জোরালো ভূমিকা পালন করেছেন।
সরকার জনগণকে দেয়া ওয়াদা ভুলে গেছে। তাদের চেতনা জাগ্রত করতেই জামায়াতে ইসলামীর এ কর্মসূচি বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। কারণ সরকার ক্ষমতার চেয়ারে বসে অনেক ক্ষেত্রেই সবকিছু ভুলে যাওয়ার ভান করছে, নয়তো ভুলে গেছে। বিরোধীদলের অভিযোগ, তারা বিমাতাসুলভ আচরণ করছে।
সরকার বিমাতাসুলভ আচরণ করছে
মিয়া গোলাম পরওয়ার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সংসদে বিরোধীদলের সদস্যদের সঙ্গে সরকার ‘বিমাতাসুলভ আচরণ’ করা হচ্ছে। উন্নয়ন বরাদ্দ ও বণ্টন, সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ, আইন প্রণয়ন এবং জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশ গ্রহণের ক্ষেত্রে বিরোধীদলের অধিকার ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। বিরোধীদল জনগণের ভাষা পড়ে তা সরকারের সামনে তুলে ধরছে। এটি বিরোধীদলের একটি দায়িত্ব। ৭০ শতাংশ জনগণ যে রায় দিয়েছে, তা বাস্তবায়নে জনগণের পাশে ১১ দল আছে এবং থাকবে।
সংবিধান সংস্কার ও গণরায়ের দাবিতে অনড়
গণভোটের মাধ্যমে জনগণের দেওয়া রায়ের আলোকে দ্রুত সংবিধান সংস্কারের দাবিতে তারা অনড়। জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণভোটে দেশের অধিকাংশ মানুষ যে ম্যান্ডেট দিয়েছে, তার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। যারা গণভোট ও জনগণের মতামতকে তোয়াক্কা করে না, তারা গণতন্ত্রের শত্রু। গণভোটের গণরায় মানতে সরকারকে বাধ্য করা হবে।’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বৈষম্যহীন রাষ্ট্র ও গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার যে আকাক্সক্ষা নিয়ে জুলাই বিপ্লব হয়েছিল, তা বাস্তবায়নে কোনো আপস করা হবে না। সরকারকে বুঝতে হবে যে জনগণের রায়ের বাইরে গিয়ে টিকে থাকা সম্ভব নয়।’
এনসিপি প্রধান এবং সংসদে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘সংবিধান সংস্কারের মাধ্যমে রাষ্ট্রযন্ত্রকে দুর্নীতি ও স্বৈরাচারী কাঠামোর প্রভাবমুক্ত করতে হবে। গণভোটের রায়কে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা বিরোধী ১১ দলের মৌলিক দাবি।’
খেলাফত মজলিসের আমীর আল্লামা মামুনুল হক বলেন, ‘সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক দলগুলো আজ এক টেবিলে। রাজপথের আন্দোলনের মধ্য দিয়েই এই দাবি আদায় হবে।’
এলডিপির প্রধান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর এই মোর্চা কোনো ক্ষমতা দখলের নয়, বরং দেশকে একটি গণতান্ত্রিক স্থায়ী রাজনৈতিক কাঠামোর ওপর দাঁড় করানোর উদ্যোগ।’
আসলে বিরোধীদলের নেতাদের বক্তব্যে জনগণের কণ্ঠেরই প্রতিধ্বনি শোনা যাচ্ছে।
জনগণের কণ্ঠেরই প্রতিধ্বনি
রাজধানী ঢাকার আরিফুল ইসলাম নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, “নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম যে হারে বাড়ছে, তাতে সাধারণ মানুষের সংসার চালানো দায়। আমরা ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে ভোট দিয়েছি। সরকার তা বাস্তবায়ন করছে না। তাই বিরোধীদলের আন্দোলনে আমাদের সমর্থন না করে উপায় নেই। তবে বিরোধীদলগুলোর কর্মসূচি যেন জনদুর্ভোগ বাড়িয়ে না তোলে এবং এর মাধ্যমে দ্রুত বাজার স্থিতিশীল হয়, সেটাই আমরা চাই।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতামত চলমান রাজনৈতিক সংকট এবং জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্যের এই আন্দোলনকে কীভাবে দেখছেন জানতে চাইলে অধ্যাপক আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘গণভোটের গণরায় মানা এবং সংবিধান সংস্কারের দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক। ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষায় প্রধান বিরোধীদল হিসেবে জামায়াত ও সমমনা ১১টি দলের একত্রিত হয়ে কর্মসূচি ঘোষণা মাঠের রাজনীতিকে নতুন করে চাঙ্গা করেছে।’
গবেষক ও রাষ্ট্রচিন্তক ড. মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘রাজপথে আন্দোলনের পাশাপাশি আলোচনার দুয়ার খোলা রাখা প্রয়োজন। সংসদীয় বিরোধীদল ও সমমনা ফ্রন্টগুলো যদি একযোগে চাপ সৃষ্টি রাখতে পারে, তবে রাষ্ট্র সংস্কারের প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে।’
১১ দলীয় ঐক্যের প্রধান সমন্বয়ক ও সাবেক এমপি ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, গণভোটের রায় অনুযায়ী দ্রুত সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না হওয়া পর্যন্ত রোডমার্চ ও মহাসমাবেশসহ ধারাবাহিক কর্মসূচি নিয়ে ১১ দল মাঠে থাকবে