বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বে নতুন নিরাপত্তা সংকট
৬ আগস্ট ২০২৬ ১০:৩০
সতর্ক নজর দরকার সরকারের
॥ ফারাহ মাসুম ॥
পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং এর সংলগ্ন স্ট্র্যাটেজিক ট্রানজিট জোন নামে পরিচিত বাংলাদেশ-মিয়ানমার-ভারতের ত্রি-দেশীয় সীমান্ত অঞ্চলটি বর্তমানে একটি অত্যন্ত জটিল নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সমীকরণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
এই অঞ্চলের পুরো ভূরাজনৈতিক চিত্র এবং বিভিন্ন পক্ষের ভূমিকা বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এক জটিল পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামে (খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান) ঐতিহাসিক আঞ্চলিক সশস্ত্র দলগুলোর (যেমন: পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি ও ইউপিডিএফ) দ্বন্দ্বের পাশাপাশি নতুন নতুন সশস্ত্র গোষ্ঠীর আবির্ভাব ঘটেছে।
বান্দরবান সীমান্তবর্তী দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের ব্যাংক ডাকাতি, অস্ত্র লুণ্ঠন ও সশস্ত্র তৎপরতা পাহাড়ের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে নতুনভাবে ঝুঁকিতে ফেলেছে।
সীমান্ত দিয়ে অস্ত্র ও মাদক চোরাচালান : মিয়ানমারের চলমান গৃহযুদ্ধ এবং প্রশাসনিক শূন্যতার সুযোগে দুর্গম সীমান্ত দিয়ে ক্ষুদ্র অস্ত্র ও মাদকের (ইয়াবা, আইস) প্রবেশ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।
সীমান্তসংলগ্ন সংঘাতের কারণে মিয়ানমার থেকে নতুন করে শরণার্থী ও বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অনুপ্রবেশ ঘটছে, যা স্থানীয় জনসংখ্যা ও নিরাপত্তায় চাপ সৃষ্টি করছে।
আরাকান আর্মির ভূমিকা ও প্রভাব
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জান্তা বাহিনীকে কোণঠাসা করে অং সান সু চির সমর্থক বা জাতিগত বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে আরাকান আর্মি প্রায় পুরো রাখাইনের ওপর তাদের ডি-ফ্যাক্টো নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। বাংলাদেশের বান্দরবান ও কক্সবাজার সীমান্তসংলগ্ন রাখাইন অংশের একক নিয়ন্ত্রণে এখন আরাকান আর্মি। বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি) ও নৌপথের নিরাপত্তা বজায় রাখতে জান্তা সরকারের পরিবর্তে এখন নন-স্টেট অ্যাক্টর ‘আরাকান আর্মি’র সাথে কার্যকর যোগাযোগ ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।
আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে থাকা রাখাইনে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন কীভাবে হবে, সে বিষয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে, যা বাংলাদেশের কক্সবাজার-বান্দরবান অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত।
ভারত ও মিয়ানমারের অবস্থান এবং কৌশল
দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগস্থলে এই অঞ্চলের কারণে ভারতের বিশেষ কৌশলগত স্বার্থ জড়িত। ভারতের মিজোরাম রাজ্যকে রাখাইনের সিতওয়ে বন্দরের সঙ্গে যুক্ত করতে কালাদান প্রজেক্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাখাইনে আরাকান আর্মির আধিপত্য বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারত এখন আরাকান আর্মির সাথেও অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ বজায় রাখছে- যাতে তাদের এই অবকাঠামোগত বিনিয়োগ নিরাপদ থাকে।
ভারতের মণিপুর ও মিজোরামের জাতিগত অস্থিরতার সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রামের কুকি-চিন ও মিয়ানমারের চিন রাজ্যের জাতিগত সম্পর্কের নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে। সীমান্ত সংঘাত যেন ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নতুন কোনো বিচ্ছিন্নতাবাদী হাওয়া না দেয়, সেজন্য ভারত এই সীমান্তে কড়া নজরদারি ও ‘ফ্রি মুভমেন্ট রেজিম’ সীমিত করার পথে হেঁটেছে।
চীন ও ‘বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন’ অর্থনৈতিক করিডোর
চীনের জন্য রাখাইন রাজ্য ও বঙ্গোপসাগর একটি অতি-গুরুত্বপূর্ণ জিও-স্ট্র্যাটেজিক পথ। চীন ভারত মহাসাগরে সরাসরি প্রবেশাধিকার পেতে মিয়ানমারের কিয়াকফিউ গভীর সমুদ্রবন্দর এবং গ্যাস বা তেল পাইপলাইনের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।
চীন কৌশলগতভাবে মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মি- উভয় পক্ষের সাথেই সম্পর্ক রেখে তাদের অর্থনৈতিক প্রকল্পগুলো টিকিয়ে রাখছে।
এই অঞ্চলে ভারত-চীনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা, ভারতের অনীহা এবং মিয়ানমারের স্থায়ী সংঘাতের কারণে এই আঞ্চলিক অর্থনৈতিক করিডোর বাস্তবায়ন স্থবির হয়ে পড়েছে। তবে চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের (বিআরআই) আওতায় বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে পৃথকভাবে চীনের প্রভাব উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির অভূতপূর্ব সামরিক জয় এবং সীমান্তসংলগ্ন এলাকাগুলোর একক নিয়ন্ত্রণ অর্জন রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ একটি নতুন এবং জটিল ভূরাজনৈতিক মোড়ে দাঁড় করিয়েছে।
গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ মিয়ানমার সামরিক জান্তা এবং চীনের মাধ্যমে যে দ্বিপক্ষীয় ও ত্রিপক্ষীয় প্রত্যাবর্তন প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছিল, রাখাইনে আরাকান আর্মির ডি-ফ্যাক্টো শাসন প্রতিষ্ঠার পর তা কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে।
আরাকান আর্মির এই উত্থান রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনকে নানা উপায়ে প্রভাবিত করছে।
পূর্বে রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন সম্পর্কিত আলোচনা হতো বাংলাদেশ সরকার ও মিয়ানমারের কেন্দ্রীয় জান্তা সরকারের মধ্যে। কিন্তু বর্তমানে উত্তর রাখাইন ও বাংলাদেশ সীমান্তসংলগ্ন প্রায় ৮০%-৯০% এলাকা আরাকান আর্মির সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে।
জান্তা সরকারের এখন রাখাইনে জমি হস্তান্তর বা নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মতো প্রশাসনিক ও সামরিক ক্ষমতা নেই। ফলে জান্তার সাথে চুক্তি করে প্রত্যাবর্তন শুরু করা বাস্তবসম্মত নয়, যতক্ষণ না আরাকান আর্মি সরাসরি সেই প্রক্রিয়াকে সম্মতি ও নিরাপত্তা দেয়।
রাখাইনে স্থানীয় বৌদ্ধ জনগোষ্ঠী (যাদের প্রতিনিধিত্ব করে আরাকান আর্মি) এবং মুসলিম রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মধ্যে ঐতিহাসিক সামাজিক ও রাজনৈতিক বিভেদ রয়েছে।
সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় জান্তা বাহিনী জোরপূর্বক রোহিঙ্গাদের আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে যুদ্ধে ব্যবহার করার চেষ্টা করে; অন্যদিকে আরাকান আর্মির বিরুদ্ধেও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে।
এর ফলে উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যে অবিশ্বাসের প্রাচীর আরও গভীর হয়েছে, যা সাধারণ রোহিঙ্গাদের নিজ ভিটায় ফেরার সুরক্ষাকে অনিশ্চিত করে তুলেছে। রোহিঙ্গারা দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় নাগরিকত্বের দাবিতে লড়াই করছে।
আরাকান আর্মি রাখাইনে নিজস্ব শাসনকাঠামো বা সরকার গড়ে তুলছে। তারা রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দেবে নাকি কেবল ‘রাখাইন রাজ্যের বাসিন্দা’ হিসেবে সীমিত অধিকার দেবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
পূর্ণাঙ্গ নাগরিকত্ব ও নিরাপত্তার গ্যারান্টি ছাড়া কক্সবাজারের ক্যাম্পগুলো থেকে রোহিঙ্গারা স্বেচ্ছায় ফিরে যেতে রাজি হচ্ছে না।
প্রত্যাবর্তন তো দূরের কথা, আরাকান আর্মি ও জান্তা বাহিনীর সশস্ত্র সংঘাতের ফলে রাখাইনে ব্যাপক খাদ্য সংকট ও নিরাপত্তার অভাব দেখা দেওয়ায় হাজার হাজার নতুন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে। এটি উল্টো প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়াকে কয়েক ধাপ পিছিয়ে দিয়েছে।
বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে যেকোনো ‘নন-স্টেট অ্যাক্টর’ বা বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সাথে আনুষ্ঠানিক চুক্তি করতে আইনগত ও কূটনৈতিক জটিলতার মুখোমুখি হয়।
পরিবর্তিত বাস্তবতায় বাংলাদেশ আরাকান আর্মির সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ বা নিরাপত্তা চ্যানেলে আলোচনা চালাতে বাধ্য হচ্ছে।
চীন ও ভারত উভয় দেশই তাদের স্বার্থে (যেমন: কালাদান প্রজেক্ট ও সিএইচইসি) আরাকান আর্মির সাথে সম্পর্ক বজায় রাখছে। ফলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনের আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টিতেও আরাকান আর্মিকে এখন একটি মূল পক্ষ হিসেবে দেখতে হচ্ছে।
আরাকান আর্মির উত্থান রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে একটি ‘নতুন বাস্তবতা’ এনে দিয়েছে। জান্তা সরকারের সাথে আলোচনা করে রোহিঙ্গা ফেরানোর পুরনো মডেল এখন আর কাজ করবে না। টেকসই ও নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে হলে মিয়ানমার কেন্দ্রীয় সরকারের পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে ক্ষমতায় থাকা আরাকান আর্মি, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং রোহিঙ্গা নেতাদের সমন্বয়ে একটি বহুমুখী ও আঞ্চলিক সমঝোতায় পৌঁছানো জরুরি।
পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং সংলগ্ন ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে (বিশেষ করে মিজোরাম ও মণিপুর) কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) বা ‘বম পার্টি’র সশস্ত্র তৎপরতা বাংলাদেশ ও ভারতের জন্য একটি স্পর্শকাতর এবং দ্বিমুখী নিরাপত্তা সংকটের জন্ম দিয়েছে।
কুকি-চিন, বম, জো, মিজো এবং ম বংসের নৃগোষ্ঠীগত ও সামাজিক শিকড় সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমার- এই তিন দেশেই বিস্তৃত। এই ট্রাই-জংশনে কেএনএফের উত্থান মোকাবিলায় ঢাকা ও নতুন দিল্লির যার যার মতো নিরাপত্তা উদ্বেগ রয়েছে।
বাংলাদেশের নিরাপত্তা প্রতিক্রিয়া
বাংলাদেশ সরকার এবং যৌথ নিরাপত্তা বাহিনী কেএমএফকে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্য একটি বড় হুমকি হিসেবে দেখেছে।
পার্বত্য বান্দরবান ও পার্শ্ববর্তী দুর্গম অঞ্চলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিজিবি এবং র্যাবের সমন্বয়ে ব্যাপক চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। কেএনএফের আস্তানা ও প্রশিক্ষণ ক্যাম্প ধ্বংস করতে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
কেএনএফের আস্তানায় সমতলের উগ্রবাদী গোষ্ঠী অর্থের বিনিময়ে প্রশিক্ষণ নিচ্ছিল- এমন তথ্য প্রকাশের পর অভিযান আরও জোরদার করা হয়।
মিয়ানমার ও ভারতের মিজোরাম সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকাগুলোয় নজরদারি বাড়াতে নতুন সীমান্তচৌকি (বিওপি) স্থাপন এবং অতিরিক্ত অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে।
একদিকে কঠোর দমন-পীড়ন; অন্যদিকে শান্তি প্রতিষ্ঠা কমিটির মাধ্যমে বম জনগোষ্ঠী ও কেএনএফকে মূলধারায় ফেরানোর সামাজিক আলোচনার চেষ্টা চালানো হয়েছে।
ভারতের নিরাপত্তা প্রতিক্রিয়া
ভারতের জন্য কেএনএফ সংকটের দুটি দিক রয়েছে- একদিকে নিজেদের মণিপুর ও মিজোরামের জাতিগত স্থিতিশীলতা রক্ষা অন্যদিকে বাংলাদেশের সাথে নিরাপত্তা সহযোগিতা অব্যাহত রাখা।
মিজোরাম সীমান্ত দিয়ে কেএনএফ ক্যাডারদের অনুপ্রবেশ, অবৈধ অস্ত্র পাচার এবং রসদ সরবরাহ বন্ধে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) সীমান্তে কড়াকড়ি আরোপ করেছে।
কেএনএফের সঙ্গে বাংলাদেশ বাহিনীর সংঘাতের ফলে বাংলাদেশ থেকে কয়েক হাজার বম/কুকি জনগোষ্ঠী ভারতে (মিজোরাম) আশ্রয় নেয়। মিজোরাম সরকার জাতিগত আত্মীয়তার কারণে তাদের মানবিক সহায়তা দিলেও ভারত সরকার এ বিষয়ে সতর্ক অবস্থান বজায় রেখেছে- যেন এটি স্থায়ী আশ্রয়ে রূপ না নেয়।
ভারতের মণিপুরে মেইতেই ও কুকি-জো গোষ্ঠীর মধ্যকার চলমান জাতিগত সংঘাতের প্রেক্ষাপটে কেএনএফের সক্রিয়তা ভারতে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। ফলে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ক্রস-বর্ডার কুকি নেটওয়ার্কগুলোর ওপর কড়া নজরদারি রাখছে।
সীমান্তে যৌথভাবে বিচ্ছিন্নতাবাদ দমনে বাংলাদেশ ও ভারতের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো নিয়মিত তথ্য আদান-প্রদান করছে।
বাংলাদেশ ও ভারত উভয় দেশই নীতিগতভাবে ‘সীমান্তে কোনো বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীকে’ আশ্রয়-প্রশ্রয় না দেওয়ার কথা বলছে। কিন্তু দেশটির মিডিয়া ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা চট্টগ্রামকে বিচ্ছিন্ন করার হুমকিও দিেেয়ছে বিভিন্ন সময়।
কেএনএফ সংকট মোকাবিলায় উভয় দেশের নিরাপত্তা প্রতিক্রিয়া ছিল সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং একইসাথে এই সংকট যেন পুরো পার্বত্য অঞ্চলে নতুন করে দীর্ঘমেয়াদি অস্থিরতা তৈরি না করে, সেদিকে সতর্ক নজর রাখা। কিন্তু আরাকান আর্মির সাথে ভারতের যেকোনো নিরাপত্তা সমীকরণ বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে।