নাগরিকের আমানত তাদের কাছে পৌঁছে দেয়া জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব – মাহফুজা হান্নান এমপি


৪ জুন ২০২৬ ১১:০২

সিলেট সংবাদদাতা : জাতীয় সংসদ সদস্য ও জামায়াতের মহিলা বিভাগের কেন্দ্রীয় ইউনিট সদস্য অধ্যাপিকা মাহফুজা সিদ্দিকা হান্নান এমপি বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী একটি কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছে। রাষ্ট্র প্রদত্ত জনগণের আমানত তাদের কাছে পৌঁছে দিতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে গরিব ও দুস্থদের মাঝে সরকার থেকে বরাদ্দকৃত অর্থ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তুলে দেয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হয়েছে। জনগণের কল্যাণে কাজ করাই জামায়াতের মূল লক্ষ্য। কারণ জামায়াত মানবতার কল্যাণ সাধন করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে চায়। জনগণের আমানত তাদের হাতে পৌঁছে দিতে চায়। আজকের এই অর্থ সহায়তা তারই প্রমাণ। গত ২৬ মে মঙ্গলবার সকালে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে গরিব ও দুস্থ মানুষের মাঝে সরকারি বরাদ্দকৃত নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যাপিকা মাহফুজা সিদ্দিকা হান্নান বলেন, আমার সংসদীয় এলাকা হচ্ছে সিলেটের ৬টি আসন। প্রয়োজনের তুলনায় বরাদ্দ খুবই অপ্রতুল। তবুও কিছু মানুষের মাঝে এই অনুদান তুলে দিতে পেরে আমি আনন্দিত। আমরা এমন একটি রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যে রাষ্ট্রে ধনী ও গরিবের মধ্যে কোনো বৈষম্য থাকবে না। ঘুষ-দুর্নীতি, খুন, গুম, ধর্ষণ, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজি থাকবে না। মানুষ নির্বিঘ্নে ও শান্তিতে বসবাস করতে পারবে। এজন্য জামায়াত ক্ষমতায় পাঠানোর বিকল্প নেই। জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং মহানগর সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহজাহান আলীর পরিচালনায় সিলেট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে সরকারি অর্থ সহায়তা বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সিলেট মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. নুরুল ইসলাম বাবুল, মহিলা জামায়াতের সিলেট অঞ্চল সেক্রেটারি সাহিমা খানম হ্যাপি, মহানগর মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি ফৌজিয়া রহমান শিউলী ও মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জাহেদুর রহমান চৌধুরী। এছাড়া অনুষ্ঠানে সিলেট মহানগর মহিলা জামায়াতের দায়িত্বশীলারা উপস্থিত ছিলেন।
মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর গণতান্ত্রিক সরকারের আমলেও দেশের মানুষ ভালো নেই। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতিতে জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। মাদকসেবীর হাতে র‌্যাব সদস্যকেও জীবন দিতে হচ্ছে।