ড. ওবায়দুল্লাহ আদর্শিক সাহিত্য-সংস্কৃতির প্রচারে নিরলস পরিশ্রম করেছেন – মিয়া গোলাম পরওয়ার
১৪ মে ২০২৬ ০৯:৫৭
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, সুস্থধারার সাহিত্য-সাংস্কৃতিক আন্দোলনের বহুমুখী প্রতিভাধর ব্যক্তিত্ব লেখক, গীতিকার ও গবেষক ড. আ. জ. ম. ওবায়েদুল্লাহ। জীবনের পুরো সময়টাই তিনি আদর্শিক সাহিত্য-সংস্কৃতির প্রচারে নিরলস পরিশ্রম করেছেন। তার ইন্তেকালে গোটা জাতি একজন স্বপ্নচারী গুণী সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও শিক্ষানুরাগীকে হারিয়েছে। সাহিত্য-সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তার শূন্যতা কখনো পূরণ হওয়ার নয়। দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের প্রতিষ্ঠাকালীন কেন্দ্রীয় সভাপতি ড. ওবোয়েদুল্লাহর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দুয়া অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
গত ১২ মে মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম মিলনায়তন এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দেশীয়র অফিস সম্পাদক মনিরুল ইসলামের কুরআন তেলাওয়াত ও দেশীয়র সেক্রেটারি জেনারেল ড. মনোয়ারুল ইসলামের সঞ্চালনায় এ স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার। কেন্দ্রীয় সাহিত্য সংস্কৃতি কমিটির সভাপতি এডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে দেশবরেণ্য গুণী সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক সংগঠক, শিল্পী অতিথি ছিলেন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম, দেশীয়’র অন্যতম উপদেষ্টা দেলোয়ার হোসেন, গীতিকার-সুরকার তাফাজ্জল হোসাইন খান, কবি মোশাররফ হোসেন খান, কবি সোলায়মান আহসান, বাংলাদেশ চারুশিল্পী পরিষদের সভাপতি ইব্রাহীম মণ্ডল, কবি ও গবেষক অধ্যাপক ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ, লেখক ও মোটিভেশনাল স্পিকার ড. আহসান হাবীব ইমরোজ, বাংলাদেশ কালচারাল একাডেমির সভাপতি আবেদুর রহমান, নাট্যকার ডা. আবু হেনা আবিদ জাফর, এডভোকেট পারভেজ হোসেন, মরহুম ড. ওবায়েদুল্লাহর বড় ছেলে উমার মুসান্না।
এপ্রিলে সড়কে ঝরেছে ৫১০ প্রাণ
এখানে ১৩৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৩৭ জন নিহত ও ২৬৩ জন আহত হয়েছে। সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা হয়েছে ময়মনসিংহ বিভাগে ১৭টি। দুর্ঘটনায় ১৮ জন নিহত ও ৬৪ জন আহত হয়েছে। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির দুর্ঘটনা মনিটরিং সেল গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণে এই তথ্য পেয়েছে। প্রকৃত হতাহতের ঘটনা আরও বাড়তে পারে।
সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, পরিবহন সেক্টর পরিচালনার পদ্ধতি আপাদমস্তক সংস্কার জরুরি। আমলাতন্ত্রের পরিবর্তে দেশি-বিদেশি পরিবহন বিশেষজ্ঞদের নিয়ন্ত্রণে পরিবহন সেক্টর পরিচালনা করা গেলে পরিবহনে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, মানুষের যাতায়াতের দুর্ভোগ নিরসন, প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষের মৃত্যুর মিছিল থামানো সম্ভম হবে। তাই নতুন সরকারকে পুরোনো পরিবহন পরিচালনা পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে আসার অনুরোধ করছি।