উত্তরবঙ্গে ভোটবিপ্লব করবে জামায়াত

৭২ আসনের ৫০টিতে জয়ের সম্ভাবনা


২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:৫৯

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান ফাইল ছবি

॥ আবু জায়েদ আনসারী ॥
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে এক নতুন উদ্দীপনায় ভাসছে দেশ। ভোটের প্রচারে সরগরম হয়ে উঠেছে নগর-বন্দর। রাজনৈতিক দলের প্রধানসহ নেতাকর্মীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশবাসী স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ গড়ার তীব্র আকাক্সক্ষা নিয়ে ১২ ফেব্রুয়ারির প্রতীক্ষায়। তরুণ প্রজন্মের আকাক্সিক্ষত বন্দোবস্তের নতুন ভোরের সূচনা হবে এ দিন।
এবারের নির্বাচনে অতীতের সকল সমীকরণকে বদলে দেবে, যা এমন আভাস তরুণ প্রজন্মের মাঝে পরিলক্ষিত হচ্ছে বিগত ছাত্র সংসদ নির্বাচনের ফলাফলে। ৫ কোটি তরুণ প্রজন্মের ভোটার প্রভাবক হবে এবারের নির্বাচনে। এছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোর নিজস্ব কর্মসূচি ও কর্মকাণ্ড প্রভাব ফেলছে জনমনে। চব্বিশের বিপ্লবোত্তর আধিপত্যবাদমুক্ত, সন্ত্রাস, দুনীতি ও চাঁদাবাজমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার মানুষের প্রত্যাশা এবারের ভোটে প্রতিফলিত হবে বলে মনে করছেন নির্বাচন বিশ্লেষকরা।
দেশের পরিবর্তিত বাস্তবতায় উত্তরজনপদের ভোটাররা জাতীয় নির্বাচনে নির্ণায়ক ভূমিকা রাখবে। নাটকীয় ফল পেতে পারে জাতি। উত্তরের দুটি বিভাগ রংপুর ও রাজশাহীতে এবার রাজনৈতিক দলগুলোর নানা সমীকরণ রয়েছে। আওয়ামী লীগশূন্য মাঠে ও স্বৈরাচার এরশাদের জাতীয় পার্টির নাজুক অবস্থা এমন আবহের সৃষ্টি করেছে। এই জনপদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী অতীতে খুব ভালো না করলেও সকল সমীকরণকে উল্টে দেবে, যা বিভিন্ন জরিপেও আভাস দিয়েছে। রংপুর বিভাগে ৩৩ ও রাজশাহী বিভাগের ৩৯টি আসনের সিংহভাগে জামায়াতের জয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক বোদ্ধারা মনে করছেন। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, রংপুর বিভাগে জামায়াত সাংগঠনিকভাবে বেশ গোছালো ও মজবুত। একই সঙ্গে চব্বিশের বিপ্লবের সূতিকাগার রংপুর। শহীদ আবু সাঈদের শাহাদাত বিপ্লবকে ত্বরান্বিত করেছে। এছাড়া আওয়ামী লীগের যারা সাধারণ ভোটার, তাদের মাঝেও দেশের প্রতি ইতিবাচক দলকে সমর্থন করার প্রবণতা রয়েছে, যা অপ্রকাশ্য।
চলতি জানুয়ারির দ্বিতীয়ার্ধে জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমানের উত্তরবঙ্গ সফর এবং উত্তরাঞ্চলকে নিয়ে তার দেয়া বক্তব্যে যে সম্ভাবনা ও দলীয় নীতির কথা উঠে এসেছে, তা সাধারণ মানুষ, তরুণ প্রজন্ম, সুশীল সমাজ, খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ; এমনকি বিরোধী শিবিরের চিন্তাশীলদের মাঝেও প্রভাব ফেলেছে। যে সকল ভোটার নির্বাচনে নিজের অবস্থান নির্ধারণ করতে পারেনি এখনো, তাদের মাঝে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন আমীরে জামায়াত। কারণ হিসেবে বিশ্লেষকরা বলছেন, ডা. শফিকুর রহমানের গঠনমূলক পরিকল্পনা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, সামাজিক স্থিতিশীলতা, তারুণ্যবান্ধব প্রকল্প, আঞ্চলিক উন্নয়নে পরিকল্পনা এসব বিবেচনায় নেবে ভোটারদের বড় অংশ। প্রবাসীদের পোস্টাল ব্যালটে দেয়া ভোট জামায়াতের দখলে থাকবে এবং সারা দেশে ইতিবাচক ইমেজ রয়েছে, সেটিকে ধরে রাখতে পারলে ভালো ফল করবে বলেও তাদের মত।
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. শামসুজ্জোহা বলেন, নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে নির্বাচনী পরিবেশ খারাপ বা সহিংসতা বাড়তে পারে। তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমানের সফরে দেয়া উন্নয়নমূলক নানা প্রতিশ্রুতিসংবলিত বক্তব্য বেশ সাড়া ফেলেছে। আমরা গ্রাম-গঞ্জে এই প্রভাব দেখি, শহরাঞ্চলেও আছে, তবে তারা প্রকাশ করছেন না। এখন পর্যন্ত নির্বাচনী পরিবেশ যা আছে, তাতে রংপুর বিভাগে অন্তত ২০টি আসন পেতে পারে জামায়াত জোট। তবে এটি বাড়তে পারে। কারণ যারা সরাসরি বিএনপি বা জামায়াতের রাজনীতি করেন না বা একসময় আওয়ামী লীগকে ভোট দিতেন, তাদের অনেকে প্রকাশ্যে ধানের শীষকে সমর্থন করলেও তাদের বড় একটি অংশ দাঁড়িপাল্লাকে ভোট দিতে পারেন। তবে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, বিত্তশালী অনেক প্রার্থী রয়েছেন, যারা ভোটের আগে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে প্রশাসনকে ম্যানেজ করতে পারে।
কারো কারো মতে, রংপুর বিভাগের ৩৩টি সংসদীয় আসনের মধ্যে অন্তত ২৫-২৭টি আসন পেতে পারে জামায়াত জোট। জামায়াতের মাঠপর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতাদের বক্তব্যেও এমন আশার কথা শোনা গেছে। তবে তারা বলছেন, কেমন নির্বাচন (নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন) হয়, তার ওপর নির্ভর করবে ফলাফল। এ বিভাগের আটটি জেলা পঞ্চগড়ে ২টি, ঠাকুরগাঁওয়ে ৩টি, দিনাজপুরে ৬টি, নীফামারীতে ৪টি, লালমনিরহাটে ৩টি, কুড়িগ্রামে ৪টি, রংপুরে ৬টি ও গাইবান্ধার ৫টি আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, বিএনপি, জাতীয় নাগরিক পার্টি, জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন বামপন্থী রাজনৈতিক দল, রাজনৈতিক জোট ও স্বতন্ত্র মিলে মোট ২৩৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে নারী ৯ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ১ জন।
অন্যদিকে রাজশাহী বিভাগের ৩৯টি আসনেও জামায়াত ও বিএনপির হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। এ বিভাগের কয়েকটি জেলায় জামায়াতের শক্ত অবস্থান রয়েছে। দলটির কয়েকজন সিনিয়র নেতা এসব জেলা থেকে অতীতে নির্বাচিতও হয়েছেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ভূমিধস জয় হয়েছে, যা জাতীয় রাজনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। এ ইমেজকে কাজে লাগাচ্ছে জামায়াত। একইভাবে দলের নেতাকর্মীদের ওপর জুলুম, নির্যাতন, বিএনপি, ছাত্রদল ও তাদের অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের কিছু নেতাকর্মী দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজির কারণে ইমেজ সংকটের সৃষ্টি হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের ভূমিকার কারণে এখনো লেভেলপ্লেয়িং ফিল্ড রয়েছে বলে মনে করেন রাজনীতি বিশ্লেষকরা। নির্বাচনী আবহ জামায়াতের দিকে ঝুঁকে আছে, ক্ষণে ক্ষণে পরিবর্তন হচ্ছে এমনটাই বলছেন অনেকে। সারা দেশে প্রচার নিয়ে কিছু সহিংস ঘটনা, জামায়াতের নারী কর্মীদের হেনস্তা, প্রার্থীদের ওপর বিএনপি ও ছাত্রদল কর্মীদের হামলা দলটির ইমেজকে ক্ষুণ্ন করছে, যা জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা ও তাদের নির্বাচনী ঐক্যের প্রতীকগুলোর প্রতি জনসমর্থন বাড়াচ্ছে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক আখতারুজ্জামান মজুমদার বলেন, রাজশাহী অঞ্চলের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ভূমিকার কারণে এখন পর্যন্ত সহনশীল পর্যায়ে আছে নির্বাচনী পরিবেশ। এ অঞ্চলে জামায়াত জনপ্রিয়তায় বেশ এগিয়েছে। কারণ জামায়াতের বেশকিছু নীরব ভোটার আছে। এছাড়া জুলাই অভ্যুত্থানের পর তরুণ ভোটাররা একটি ফ্যাক্টর। কারণ পুরনো ভোটারদের ২০ থেকে ২০ শতাংশ মারা গেছেন, যারা ২০০৮ সালের আগের নির্বাচনে ভোট দিয়েছিল। সেক্ষেত্রে নতুন ভোটার ৩০-৩৫ শতাংশ। আর তরুণদের ঝোঁক জামায়াতের দিকেই বেশি। আর ২০০১ সালের পর দেশে বিশ্বাসযোগ্য বা গ্রহণযোগ্য কোনো নির্বাচন হয়নি। সেক্ষেত্রে অতীত নির্বাচনের পরিসংখ্যান ধরে কোনো জরিপ সঠিক হবে না। রাজশাহী জেলায় জামায়াত ও বিএনপি ৫০ শতাংশ করে আসন পেতে পারে। আর এই বিভাগের অন্যান্য জেলায় জামায়াত আরো ভালো করতে পারে। তবে আপাতত মাঠের হিসাব অনুযায়ী, রাজশাহী বিভাগে সামগ্রিকভাবে জামায়াত ও বিএনপি সমান সমান আসনে জয় পেতে পারে বলে ধরে নেয়া যায়।
এবারের নির্বাচনে রাজশাহী বিভাগের বগুড়ায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান, রাজশাহীতে জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমানসহ দলগুলোর কেন্দ্রীয় ও হেভিওয়েট অনেক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সারা দেশের ভোটারদের আগ্রহের জায়গায় পরিণত হয়েছে উত্তরের এসব জনপদ। এসব আসনে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী সমতল মাঠ নিশ্চিত করাও ইসির জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন অনেকে। তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব করা ও চব্বিশের অভ্যুত্থানের অগ্রনায়ক তরুণদের দল এনসিপি ও অন্যান্য সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে জামায়াতের নির্বাচনী ঐক্য করায় মাঠের সুবিধা পুরোপুরি পাচ্ছে জামায়াত। ফলে এ বিভাগেও বড় সাফল্য পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম সরকার বলেন, এনসিপির সাথে জামায়াত জোট করায় তাদের সম্ভাবনা বেড়েছে। আর বিএনপিও রাজশাহী বিভাগে তাদের আগের ধারাবাহিকতা ধরে রাখবে বলে মনে হয়। চব্বিশের অভ্যুত্থানের পর তরুণ প্রজন্ম দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ চায়, পেশিশক্তির বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান। দেশে ৫ কোটি তরুণ ভোটার, তারা নির্বাচনে বড় প্রভাবক হবে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য এখন পর্যন্ত লেভেলপ্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে পেরেছে। আশা করি, আমাদের একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে পারবে। আমরা চাই বিএনপি বা জামায়াত যেই সরকারে যাক সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক ধারার জন্য দেশে একটি শক্তিশালী বিরোধী দল থাকা দরকার।
রাজশাহী বিভাগের চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩টি, রাজশাহীতে ৬টি, নাটোরে ৩টি, নওগাঁয় ৬টি, বগুড়ায় ৭টি, সিরাজগঞ্জে ৬টি ও পাবনায় ৫টি আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, বিএনপি, এনসিপি, জাতীয় পার্টিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মিলে মোট ১৯২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
গত ২১ জানুয়ারি প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেয়ার পর নির্বাচনী প্রচারে নেমেছে সব দল ও প্রার্থীরা। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ২২ জানুয়ারি সিলেটে শাহজালালের মাজার জেয়ারতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক প্রচারে নামেন। অন্যদিকে একই দিনে জামায়াতের আমীর ঢাকার মিরপুরে নিজের নির্বাচনী আসনে জনসভার মাধ্যমে প্রচারে নামেন। এরপর তিনি উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে চব্বিশের বিপ্লবের সিপাহসালার শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত ও সিরিজ জনসভা করেন। রাজনৈতিক দলের প্রধান হিসেবে তাদের বক্তব্য ভোটারদের আস্থা ও বিশ্বাসকে দৃঢ় করছে। আমীরে জামায়াত উত্তরবঙ্গ সফর শেষ করে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা বিভাগের আটটি জেলা সফর করেছেন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একই দিনে গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এদিন ভোটারদের জন্য একটু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। কারণ প্রান্তিক ও সাধারণ ভোটারদের দুটির পার্থক্য বোঝানো ও যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। জামায়াত গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে প্রচার চালাচ্ছে। বিএনপি ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে কথা বললেও দলটি প্রচার চালাচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে, যা জুলাই স্পিরিটকে ধারণ না করার বহিঃপ্রকাশ।
দেশের রাজনীতি সচেতন ও জামায়াতের শুভাকাক্সক্ষীরা মনে করেন সারা দেশে জামায়াতের প্রার্থীদের যে ইমেজ রয়েছে। জামায়াতের প্রতি মানুষের যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখতে আরও সতর্ক থাকলে ভালো ফল সম্ভব। অনলাইন ও সামাজিকমাধ্যম জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এবারের নির্বাচনে আধিপত্যবাদ ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়া, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ইতিবাচক রাজনীতির সূচনা নিশ্চিতে যে দল বা প্রার্থী ভূমিকা রাখবে, তারাই ভাসমান বা সিদ্ধান্ত নেয়নি এমন ভোটারদের কাছে টানতে সক্ষম হবে। উত্তরবঙ্গের দুই বিভাগে জামায়াত যদি ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে ৫০টি বা তার অধিক আসন ঘরে তুলতে পারে, তাহলে সরকার গঠনের পথ সুগম হবে। তবে তা নির্ভর করছে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে নেতাকর্মীদের টিকে থাকা, সাইবার বুলিং, প্রোপাগান্ডা মোকাবিলা ও ইমেজকে অক্ষুণ্ন রেখে ভোটারদের কেন্দ্রে যাওয়া নিশ্চিত করার ওপর।