আগামী নির্বাচনে শ্রমিকরা চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের প্রত্যাখ্যান করবে : মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম
৩০ অক্টোবর ২০২৫ ১৮:০৬
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরের ভারপ্রাপ্ত আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বাংলাদেশের গতিপথ পাল্টে দেবে। এ নির্বাচনে শ্রমিক-জনতা ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে নতুন ইতিহাস রচনা করবে। আগামী দিনে তারা দখলদার, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের প্রত্যাখ্যান করে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচিত করবে। গত শনিবার (২৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগরের পতেঙ্গা থানা আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। থানা সভাপতি মো. মইন উদ্দিনের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক ও নগর সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চট্টগ্রাম-১১ আসনের প্রার্থী মো. শফিউল আলম।
মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, বিগত ৫৪ বছরে শ্রমিকরা সর্বক্ষেত্রে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। শ্রমিকদের রক্ত ঘামে এদেশ পরিচালিত হলেও তাদের ন্যূনতম মূল্যায়ন করা হয়নি। নামকাওয়াস্তে তাদের মজুরি দেওয়া হলেও বিনিময়ে কয়েকগুণ খাটিয়ে নেওয়া হয়েছে। শ্রমিকদের পরিশ্রমের ফসল তুলেছে কতিপয় মালিক ও রাষ্ট্রক্ষমতার সুবিধাভোগীরা। তারা শ্রমিকদের ব্যবহার করে নিজেদের জীবনমান উন্নতি করেছে।
এস এম লুৎফর রহমান বলেন, অগণিত শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। প্রতাপশালী স্বৈরাচার সরকার তার দলবল নিয়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। দেশের নির্যাতিত নিপীড়িত মানুষ বিপ্লব পরবর্তীতে নতুন বাংলাদেশ নিয়ে আশান্বিত হয়েছে। শ্রমিকরা আশা করছে, বিপ্লবের পর তারা একটি জন আকাক্সক্ষার বাংলাদেশ পাবে। একজন নারী তার সতীত্ব নিয়ে নিরাপদে বসবাস করবে। শ্রমিকরা আশা করেছে, শিল্প কলকারখানায় এতদিন তারা যে অধিকার বঞ্চিত ছিল, সেই অধিকার ফিরে পাবে।
তিনি বলেন, চট্টগ্রামে প্যাসিফিক জিন্সের বৃহৎ ফ্যাক্টরিতে শ্রমিকদের মাঝে বিরোধ সৃষ্টি করে বন্ধ করতে বাধ্য করেছিল। আমরা মালিকদের সাথে কথা বলে ২৯ হাজার শ্রমিকের রুটি রুজি চালু করেছি। শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন দেশপ্রেমিক শ্রমিক সংগঠন। সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মুহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, চট্টগ্রাম-১১ আসন মূলত শ্রমিকদের আসন। নগরের সংখ্যাগরিষ্ঠ শ্রমজীবী মানুষ এ আসনে বসবাস করে। আমি বিশ্বাস করি, অধিকার বঞ্চিত এ বিশাল জনগোষ্ঠী আগামী নির্বাচনে তাদের প্রার্থী চূড়ান্ত করতে ভুল করবে না। শ্রমিকরা জানে, কারা তাদের টাকা ও অর্থ সম্পদ মেরে খায়। শ্রমিকরা আরও জানে, শহরের টেম্পুস্ট্যান্ড, বাসস্ট্যান্ড কারা দখলে নিয়েছে। কার লোকজন বিগত সরকারের দখলদারদের ন্যায় নতুন করে দখলদারি শুরু করেছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।