১৯৭০ নির্বাচন : আ’লীগ ভোট পেয়েছিল মাত্র ৩৭ শতাংশ


১৪ আগস্ট ২০২৫ ১৫:০৬

॥ সরদার আবদুর রহমান ॥
তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে আওয়ামী লীগ প্রথম নির্বাচনী অভিজ্ঞতার স্বাদ পায় যুক্তফ্রন্টের সঙ্গে জোটবদ্ধ নির্বাচনে। আর এককভাবে সেটি লাভ করে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে। একটি ‘মিথ’ প্রচলিত আছে যে, সত্তরের এ নির্বাচন আওয়ামী লীগকে এককভাবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে তুলে দেয়। কিন্তু সেটি কি তাদের জনপ্রিয়তা প্রমাণের মাপকাঠি আদৌ ছিল? উত্তর হলো, না। কেননা এটি একদিকে যেমন ছিল ত্রুটিপূর্ণ, তেমনি জনগণের একটি বৃহদাংশের ভোট প্রদান করা থেকে বিরত থাকায় সর্বসম্মত রায়ও ছিল না।
নির্বাচনের চিত্র
‘বাংলাদেশ’ নামের স্বাধীন একটি দেশের জন্মের সূচনা হয়েছিল এ নির্বাচনের ফলাফলের জেরে। পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সেই নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী ক্ষমতা হস্তান্তরের পরিবর্তে অগণতান্ত্রিক পথে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সমস্যার সমাধানে চেষ্টা করার পরিণতির ফল দাঁড়ায় সশস্ত্র সংঘাত, যা পাকিস্তানের দুই অংশকে পৃথক করে ফেলে।
ইতিহাসের তথ্যমতে, ইয়াহিয়া খানের সামরিক শাসনামলে ১৯৭০ সালে পাকিস্তানে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পূর্ব পাকিস্তানে ১৯৭০ সালের অক্টোবরে নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও বন্যার কারণে ডিসেম্বর পর্যন্ত পিছিয়ে যায়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ১৯৭১-এর জানুয়ারি পর্যন্ত পিছিয়ে যায়। নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তান অংশের ভোটার ছিল ৩ কোটি ১২ লাখ ১১ হাজার। প্রদত্ত ভোটের হার ছিল শতকরা ৫৫ ভাগ। জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে আওয়ামী লীগ পায় প্রদত্ত ভোটের শতকরা ৭৫ ভাগ। ১৬২টি আসনের মধ্যে ১৬০টি লাভ করে তারা। অবশিষ্ট ২টি আসনের মধ্যে ১টি পান পিডিপির নুরুল আমিন এবং অপরটি পান পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা রাজা ত্রিদিব রায়। পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৭০ ভাগ ভোট এবং ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৮৮টি লাভ করে। অবশিষ্ট ১২টি আসনের মধ্যে পিডিপি ২টি, মস্কোপন্থী ন্যাপ ১টি, জামায়াতে ইসলামী ১টি ও নির্দলীয় প্রার্থীগণ পান ৮টি আসন।
নির্বাচন পরিস্থিতি
আওয়ামীপন্থি বুদ্ধিজীবী ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানের বিশ্লেষকরা এ নির্বাচনকে ‘অত্যন্ত সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়’ বলে সার্টিফিকেট দিয়ে থাকেন। কেননা এতে তাদের ‘বিজয়’ প্রদর্শিত হয়। অথচ অন্য প্রতিটি ক্ষেত্রেই তারা পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর চৌদ্দগোষ্ঠী উদ্ধার করতো দিনরাত সমানে। তাদের শাসনকে শোষণ আর বঞ্চনা, নির্যাতন আর নিপীড়নের বর্ণনা দিয়ে ভরপুর করে রাখা হতো রাজনৈতিক বয়ানকে। ফলে এ নিয়ে তাদের দ্বিচারিতা ছিল সুস্পষ্ট।
অন্যদিকে এ নির্বাচন নিয়ে বিশেষত আওয়ামী লীগের ডঙ্কা বাজতো খুবই উচ্চ নিনাদে। প্রচারে আর রাজনীতির মাঠ দখলে সর্বশক্তি নিয়োগ করেছিল তারা। ময়দানে সৃষ্টি করেছিল প্রচারের মহাসুনামি। আর প্রতিপক্ষ দল; বিশেষত ইসলামপন্থিদের জনসভা ও মিছিলে হামলা করে হত্যা আর জখমের প্লাবন সৃষ্টি করা হয়। আওয়ামী লীগের এ অবস্থা সৃষ্টির কারণে বামপন্থি; বিশেষত ভাসানীপন্থিরা দক্ষিণাঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের উসিলায় নির্বাচন বর্জন করে। এসব কারণে নির্বাচন অনেকটা একতরফা হয়ে পড়ে। এর মধ্যেও জামায়াতসহ ইসলামপন্থি দলগুলো প্রবল ধৈর্য নিয়ে নির্বাচনী ময়দানে স্থির থাকে। যেহেতু পূর্ব পাকিস্তানের অন্যতম রাজনৈতিক দল ভাসানীসহ একাংশ নির্বাচন বয়কট করে, সেই ফাঁকা মাঠে ১৬২টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ১৬০টি আসন লাভ করে। বলা হয়ে থাকে, মওলানা ভাসানী প্রকারান্তরে আওয়ামী লীগকে ওয়াকওভার প্রদান করেন।
আওয়ামী লীগের প্রাপ্তি
সত্তরের এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রাপ্তি কী? বিপুল ভোট? বাঁধভাঙা জনপ্রিয়তা? কিন্তু নির্বাচনে ভোটের পরিসংখ্যান কী বলে? বলা হয়, তখনকার পূর্ব পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি। এর মধ্যে ভোটার ছিল ৩ কোটি ১২ লাখ ১১ হাজার। প্রদত্ত ভোটের হার ছিল শতকরা ৫৫ ভাগ। জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে আওয়ামী লীগ পায় প্রদত্ত ভোটের শতকরা ৭৫ ভাগ। বিশ্লেষণ করলে কি দেখা যায়?
একে তো মোট জনসংখ্যার অর্ধেকেরও কম হলো মোট ভোটার সংখ্যা। তার ওপর ভোট পড়লো অর্ধেকের কিছু বেশি- ১ কোটি ৭১ লাখ ৬৬ হাজার। ভোট দিতে যায়নি ১ কোটি ৪০ লাখ ৪৫ হাজার মানুষ। প্রদত্ত এ ভোটের মধ্যে আওয়ামী লীগ পেলো ১ কোটি ২০ লাখ ২৬ হাজার ভোট। অর্থাৎ ৩ কোটি ১২ লাখ ১১ হাজার ভোটের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশের সমর্থন পেলো তারা। আর মোট জনসংখ্যার ভিত্তিতে এ প্রতিনিধিত্বের হার মাত্র এক-সপ্তমাংশ! এটি ছিল পূর্ব পাকিস্তানের হিসেবে। আর সমগ্র পাকিস্তানের গড় হিসেবে আওয়ামী লীগের প্রাপ্তি ছিল ৪০ ভাগেরও কম তথা মাত্র ৩৭ শতাংশ।
যেহেতু আসন প্রাপ্তিকেই গরিষ্ঠতার ভিত্তি মনে করা হয় সে হিসেবে সন্দেহ নেই যে, আওয়ামী লীগ পাকিস্তানের শাসনক্ষমতার ন্যায্য হকদার ছিল। যে কারণে তৎকালীন বিরোধী রাজনীতির মানুষেরাও তাদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের দাবি জানিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তী সময়গুলো পাকিস্তানের ‘অখণ্ডতা’ বজায় রাখা না রাখার প্রশ্নে পরিস্থিতি সংঘাতের রূপ নেয় এবং পূর্ব পাকিস্তানের ওপর বিপর্যয় নেমে আসে।
কারচুপি ও জাল ভোট
আওয়ামী লীগের দাপট তুঙ্গে থাকায় এবং নির্বাচনে বিজয়ের জোয়ারে নির্বাচনের বিশ্লেষণ চাপা পড়ে যায়। তাছাড়া তখনকার সীমিতসংখ্যক গণমাধ্যমও এ বিশ্লেষণ করার সুযোগ পায়নি। যেটুকু ছিল তাও একতরফা। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ব্যাপক কারচুপি ও জাল ভোট প্রদানের বিষয়টি চাপা পড়ে যায়। পরবর্তীকালের ইতিহাসের বিশ্লেষকরা জানান, ১৯৭০-এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক কারচুপি ও জাল ভোটের মাধ্যমে জয়ী হয়। এ তথ্যও প্রকাশ পায় যে, একেকজন একশ’-দেড়শ’ পর্যন্ত ব্যালটে সিল মারার ‘সৌভাগ্য’ অর্জন করে, যা গর্বের সঙ্গে প্রচার করা হয়।
সে সময়ের সক্রিয় একজন রাজনৈতিক কর্মী বিশিষ্ট গবেষক মাহবুব সিদ্দিকী জানান, ‘আপনাকে বলে রাখি সেই ভোটেও কিন্তু আওয়ামী লীগ কারচুপি করেছে। ধরুন, একটা কেন্দ্র তারা চিহ্নিত করেছে। সেই কেন্দ্রের কোন মেয়েটি শ্বশুর বাড়িতে আছে, কেউ মারা গেছেন বা বিদেশে আছেন, কে বাইরে লেখাপড়া করছেন এবং কে ভোট দিতে আসেনি- এগুলো সব তালিকা করে সেই ভোটগুলো আগেই বাক্সে ভরে দিয়েছে। এগুলো বিভিন্ন সেন্টারে হয়েছে।’
তিনি উল্লেখ করেন, “আমরা তখন যুবক। আমি নিজেও ’৬৯-এর আন্দোলনে এ শহরের একটি ছাত্র সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলাম। সামনের কাতারে থেকে ১১ দফা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছি। ইলেকশনের আমরা যাকে ‘জোয়ার’ বলি, সেই সময় মুসলিম লীগ আস্তে আস্তে তাদের কার্যকলাপ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের একটা স্লোগান ছিল সেটি জাতীয়তাবাদী একটি স্লোগান। তারা বাঙালি এবং তারা তা প্রচার করতে সক্ষম হয়েছিল।
বলা হতো, এ দেশের যত সম্পদ ছিল সব পশ্চিম পাকিস্তানিরা লুটপাট করে নিয়ে যাচ্ছে। প্রকৃত অর্থে সেটি সঠিক ছিল না। এটাকে তারা অতিরঞ্জিত করেছে, আমরা জনগণ তা বিশ্বাস করেছি। যে কারণে একটি জোয়ার তুলতে পেরেছিল। কিন্তু ভোটের জোয়ার তো ওঠেনি। আমরা জানি সেই সময়ে নির্বাচনে শতকরা ৫৫ ভাগ মানুষ এসে ভোট দিলেন। এত জোয়ারের পরও কেন অর্ধেক লোক ভোট দিলেন? বাস্তবতা তো এটাই। মানুষ ৫৫ ভাগ ভোট দিলো। তার মধ্যে তারা কত পার্সেন্ট ভোট পেল সেটি বিবেচনার বিষয়। এখন যেটি অতিরিক্ত প্রচার করা হচ্ছে যে, তখন একটি জোয়ার এসেছিল সেই জোয়ার গোটা বাঙালি জাতি একত্রিত হয়েছিল। এই বিষয়টি ঠিক তা নয়। জানতে হবে এবং আমাদের মাথায় রাখতে হবে সেই সময় মওলানা ভাসানী এ নির্বাচনটি বয়কট করেছিলেন। যে দুর্ভিক্ষে লাখো মানুষ মারা গিয়েছিলেন এবং ইয়াহিয়া খানের দেয়া যে নির্বাচনটি ওনার পছন্দ হয়নি। একটি বড় জনগোষ্ঠী এ নির্বাচনে বিমুখ ছিলেন। এটিও আমাদের মাথায় রাখতে হবে। কিন্তু তারপরে এদেশে যে নির্বাচন হয়েছে বিশেষ করে ১৯৭৮-এর পর থেকে এবং ১৯৯১, এরপরে যে নির্বাচন ২০০১ পর্যন্ত। বিশেষ করে স্বাধীনতার পর ৯০, ৯১ এবং ২০০১ সালের নির্বাচন এ নির্বাচনগুলোই সর্বজন স্বীকৃত ও ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল।”
নির্বাচনের পটভূমি কী ছিল?
সত্তরের নির্বাচনের পটভূমি কী ছিল, সেটিও বিবেচনায় নেওয়া দরকার বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। আর জনগণের একটি বড় অংশের নির্বাচন বিমুখ হওয়ার বিষয়টিও এখান থেকে উঠে আসতে পারে।
এ কথা সকলের জানা যে, সেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষিত ‘লিগ্যাল ফ্রেমওয়ার্ক’-এর অধীনে, যা প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান জারি করেন। ‘দেশের জন্য একটি নতুন শাসনতন্ত্র প্রণয়ন’ বিষয়ে উক্ত আইন কাঠামোতে নিম্নরূপ দিকনির্দেশনা ছিল:
‘এক. পাকিস্তান হবে একটি ফেডারেল প্রজাতন্ত্র- যার নাম হবে ইসলামী প্রজাতন্ত্র পাকিস্তান।
দুই. পাকিস্তান সৃষ্টির বুনিয়াদ ইসলামী আদর্শ সংরক্ষিত থাকবে। রাষ্ট্রপ্রধান হবেন একজন মুসলিম।
তিন. গণতন্ত্রের মূলনীতি অনুসারে এবং জনসংখ্যার ভিত্তিতে নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর জাতীয় পরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদগুলোর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
চার. আইনগত, প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকার ও প্রাদেশিক সরকারগুলোর মধ্যে এমনভাবে বণ্টিত হবে- যাতে প্রদেশগুলো সর্বাধিক আইনগত, প্রশাসনিক ও আর্থিক অধিকার ভোগ করতে পারে। আবার অন্যদিকে কেন্দ্রীয় সরকার যাতে আইনগত, প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক বিষয়াবলী পরিচালনায় এবং রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় যথেষ্ট শক্তিশালী হয়, তার ব্যবস্থা থাকতে হবে।
পাঁচ. পাকিস্তানের সকল অঞ্চলের মানুষ জাতীয় সকল কর্মকাণ্ডে পূর্ণভাবে অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং একটি প্রদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যকার অর্থনৈতিকসহ সকল বৈষম্যের অবসান নিশ্চিত করতে হবে।’
ঘোষিত এ ‘লিগ্যাল ফ্রেমওয়ার্ক’ মেনে নিয়েই দলগুলো নিজস্ব নির্বাচনী মেনিফেস্টো নিয়ে নির্বাচনে নেমে পড়ে। শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ‘ছয় দফা’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জনমত সৃষ্টির জন্য মাঠ চষে বেড়াতে থাকেন। তবে এ নিয়ে যে বিপুল দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ছিল, তা প্রমাণিত হয় মাঠের ‘জোয়ার’ ভোটের বাক্সে ‘বন্যা’ সৃষ্টি করতে না পারা। মানুষ ‘লিগ্যাল ফ্রেমওয়ার্ক’-এর পক্ষে যাবে নাকি তার বিপক্ষে অবস্থান নেবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারছিল না। অনেকেই ছিলেন বিভ্রান্তিতে। ফলে এ কথা বলাই যায় যে, প্রায় অর্ধেক ভোটারই ভোট কেন্দ্রে যাওয়া থেকে বিরত থাকেন।
নির্বাচনকে কলুষিত করা আওয়ামী বৈশিষ্ট্য
কেবল সত্তরের নির্বাচন নয়- আওয়ামী বৈশিষ্ট্যই হলো নির্বাচনকে কলুষিত করা এবং যেকোনো প্রকারে ক্ষমতায় যাওয়া। যার প্রমাণ পাওয়া যায় ১৯৭৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আয়োজিত নির্বাচনসমূহে- যেগুলোয় আওয়ামী লীগ ‘বিজয়ী’ হয় বলে ঘোষণা করা হয়। আর এভাবেই তারা ‘ফ্যাসিবাদ’-এর তকমা চিরস্থায়ী করে নিতে পেরেছে বলে বিশ্লেষরা মনে করেন। ২০২৪-এর জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান সেই ফ্যাসিবাদকে চিরতরে বিদায় করেছে বলে জাতি আশা করতে পারে।