সংবাদপত্রের পাতা থেকে
১ নভেম্বর ২০২৪ ১৭:৫০
॥ আহমদ আজিজ॥
দল নিষিদ্ধ নিয়ে দোটানা
দৈনিক আজকের পত্রিকার ৩০ অক্টোবরের প্রধান শিরোনাম, দল নিষিদ্ধ নিয়ে দোটানা। খবরে বলা হয়, ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ করার পর ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগসহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করা হতে পারে বলে গুঞ্জন চলছে বেশ কিছুদিন ধরেই। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলনসহ রাজনৈতিক কয়েকটি পক্ষ এ দাবিতে সরব, মাঠেও নেমেছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগসহ ১১টি দলের কর্মকাণ্ড চালানোর অনুমতি না দিতে গত ২৮ অক্টোবর সোমবার হাইকোর্টে রিট করেন ছাত্র-আন্দোলনের নেতারা। এতে দল নিষিদ্ধের আলোচনা আরও জোর পায়। কিন্তু ২৪ ঘণ্টা না যেতেই বদলে গেল এ নিয়ে আইন-আদালত করার উদ্যোগ। গত ২৯ অক্টোবর মঙ্গলবার হাইকোর্টে রিট প্রত্যাহারের কথা জানান আবেদনকারীদের আইনজীবী। এরপর আদালত রিট আবেদন উত্থাপিত হয়নি বলে খারিজ করে দেন। এ অবস্থায় সূত্র বলছে, আওয়ামী লীগকে কর্মসূচি পালনের ক্ষেত্রে বাধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও সেখান থেকে হয়তো আপাতত সরে এসেছে সরকার। আওয়ামী লীগের মতো বৃহৎ একটি দলকে নিষিদ্ধ করা হলে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে, তা মোকাবিলা করা নিয়ে সংশয় রয়েছে। একই সঙ্গে বিএনপিসহ বেশকিছু রাজনৈতিক দল বিষয়টিতে আপত্তি জানিয়ে আসছে শুরু থেকেই। সব দিক বিবেচনায় রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করা নিয়ে সরকার দোটানায় রয়েছে।
দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকা ৩০ অক্টোবর প্রধান শিরোনাম করেছে, অর্থনীতিতে শৃঙ্খলা-স্থিতিশীলতা জরুরি। খবরে বলা হয়, শেখ হাসিনা ভারতে পলায়নের পর বর্তমান অন্তর্র্বর্তী সরকার ভঙ্গুর অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার চ্যালেঞ্জে পড়েছে। নানা প্রক্রিয়ায় সে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশ এগিয়ে চললেও ষড়যন্ত্র থেমে নেই। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূসের ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি আশার আলো দেখাচ্ছে। ড. ইউনূস ক্যারিশমায় আগামী কয়েক মাসের মধ্যে দেশের অর্থনীতিতে যুক্ত হতে চলেছে প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক সহায়তা। এ সহায়তা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে কয়েক বিলিয়ন ডলার বাড়িয়ে দেবে।
দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকার ৩০ অক্টোবরের প্রধান শিরোনাম, শুরু হলো নির্বাচনের অভিযাত্রা। খবরে বলা হয়, নির্বাচন কমিশন (ইসি) পুনর্গঠনের জন্য অনুসন্ধান বা সার্চ কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে দেশে নির্বাচনী অভিযাত্রা শুরু হয়ে গেছে। গত ২৯ অক্টোবর মঙ্গলবার সকালে এ কমিটি গঠনের আগাম খবর জানিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, “আমাদের সরকারের নির্বাচনমুখী প্রক্রিয়া গ্রহণ করার যে কাজ, সেটা শুরু হয়ে গেছে। আপনারা বলতে পারেন নির্বাচনমুখী যাত্রা শুরু হয়ে গেছে”। জানা যায়, সার্চ কমিটির প্রধান করা হয়েছে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে। আর সদস্য পদে থাকছেন হাইকোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান। আইন অনুযায়ী, প্রধান বিচারপতি সার্চ কমিটির জন্য আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি এবং হাইকোর্টের একজন জ্যেষ্ঠ বিচারপতিকে মনোনীত করবেন। এছাড়া সার্চ কমিটিতে পদাধিকারবলে সদস্য হবেন মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মো. নুরুল ইসলাম, সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান মোবাশ্বের মোনেম এবং রাষ্ট্রপতির মনোনীত একজন নারীসহ দুজন বিশিষ্ট নাগরিক। এ বিষয়ে পিএসসির সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক জিন্নাতুননেসা তাহমিদা বেগম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সি আর আবরারকে দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে বলে আলোচনা রয়েছে। অধ্যাপক নজরুল বলেন, আজ-কালের মধ্যে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।
দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম, জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচারে সহায়তা করবে জাতিসংঘ। খবরে বলা হয়, জুলাই গণহত্যায় জড়িতদের স্বচ্ছ বিচারের বিষয়ে জাতিসংঘ বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে উল্লেখ করে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক বলেছেন, জুলাই গণহত্যার বিষয়ে জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধান মিশন কাজ করছে। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছি। জেনেভায় আমাদের প্রধান কার্যালয় পুরো বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে। গত ২৯ অক্টোবর মঙ্গলবার সচিবালয়ে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের সাথে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও পরবর্তী সময়ে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের সময় নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ, নৃশংসতা ও হত্যার ঘটনাগুলো স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় থেকে পাঠানো একটি তথ্যানুসন্ধান মিশন গত ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশে কাজ করছে। তথ্যানুসন্ধান মিশন ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশের ঘটনাপ্রবাহ তদন্ত করছে। মিশনটি সত্য উদ্ঘাটন, দায়দায়িত্ব চিহ্নিতকরণ, মানবাধিকার লঙ্ঘনের মূল কারণ বিশ্লেষণ এবং এ ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি রোধে বাংলাদেশ সরকারের কাছে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ করবে।
চার বিসিএসে ‘ছাত্রলীগ ক্যাডার’ খুঁজছে সরকার
দৈনিক সমকালের ২৯ অক্টোবরের প্রধান শিরোনাম, শেষ চার বিসিএসে ‘ছাত্রলীগ ক্যাডার’ খুঁজছে সরকার। প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘ছাত্রলীগ ক্যাডার’ খুঁজতে শেষ চারটি বিসিএসের পুরো প্রক্রিয়া পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিশেষ করে রাজনৈতিক বিবেচনায় কাউকে লিখিত বা মৌখিক পরীক্ষায় কোনো ‘বিশেষ সুবিধা’ দেওয়া হয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হবে। তথ্য যাচাইয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সরকারি কর্ম কমিশনকেই (পিএসসি)।
তারা এরই মধ্যে এ বিষয়ে কাজও শুরু করেছে। নতুন করে তথ্য যাচাইয়ের খবরে উৎকণ্ঠায় আছেন ৪৩তম বিসিএস টপকে যাওয়া ২ হাজার ৬৪ প্রার্থী। সর্বশেষ তিন বিসিএস, অর্থাৎ ৪৪ থেকে ৪৬তমের প্রিলিমিনারি, লিখিত বা মৌখিক পরীক্ষা দিয়ে অপেক্ষায় থাকা প্রার্থীদের মনেও ভর করেছে হতাশা।
এর বাইরে আরও ছয়টি বিসিএসের মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া পুলিশ ক্যাডারের কর্মকর্তাদের আট ধরনের তথ্য সংগ্রহ করে তা যাচাইয়ের কাজও শুরু হয়েছে। বিসিএসের সেই ব্যাচগুলো হলোÑ ২৮, ৩৫, ৩৬, ৩৭, ৪০ ও ৪১তম। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মী বিসিএস পরীক্ষায় নানাভাবে পিএসসির ‘বিশেষ সুবিধা’ পেয়েছেন বলে জোরালো অভিযোগ আছে। বিশেষ করে পুলিশ ও প্রশাসন ক্যাডারে তাদের ‘অনুপ্রবেশ’ ঘটেছে বলে বিএনপি সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করে।
পিএসসি সূত্র জানায়, শেষ চারটি বিসিএসের মধ্যে ৪৩তমের নিয়োগ প্রক্রিয়া গত ১৫ অক্টোবর শেষ হয়েছে। সেদিন ২ হাজার ৬৪ জনকে নিয়োগ দিয়ে গেজেট প্রকাশ করা হয়। তাদের আগামী ১৭ নভেম্বর চাকরিতে যোগ দিতে বলা হয়েছিল। তবে গত ২৮ অক্টোবর সোমবার এক প্রজ্ঞাপনে তাদের যোগ দেওয়ার সময় প্রায় দেড় মাস পিছিয়ে আগামী ১ জানুয়ারি নির্ধারণ করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। ৪৪তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা অর্ধেক নেওয়া হয়েছে।
বাকিদের মৌখিক আটকে আছে। ৪৫তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হলেও এখনো ফল প্রকাশ হয়নি। আর ৪৬তম বিসিএসের বাছাই পরীক্ষার (প্রিলিমিনারি) ফল প্রকাশিত হয়েছে। এরই মধ্যে পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যপদে এসেছে রদবদল।
সাধারণত প্রতি বছরের নভেম্বরে বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত পাঁচটি বিসিএস এই ধারাতেই হয়েছে। সে হিসাবে আগামী নভেম্বরে ৪৭তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হওয়ার কথা। ৪৭তমের মাধ্যমে বিভিন্ন বিভাগে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। বাড়তেও পারে এ সংখ্যা।
এই বিসিএসের মাধ্যমে সরকার ২৫ ক্যাডারে ৩ হাজার ৪৭৮ জনকে নিয়োগ দিতে পারবে। স্বাস্থ্য ক্যাডারে সর্বোচ্চ ১ হাজার ১৮১ জন সহকারী সার্জন নিয়োগের সম্ভাবনা আছে। এছাড়া শিক্ষা ক্যাডারে ৯৩৮, প্রশাসনে ২০০, পুলিশে ১০০, কাস্টমসে ৫০, আনসারে ৫০, ট্যাক্সে ৫০ এবং পররাষ্ট্র, বন, রেল, কৃষি, মৎস্যসহ অন্যান্য ক্যাডারে ৯৫১ জন নিয়োগ হতে পারে। তবে নন-ক্যাডার পদের সংখ্যা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।
‘২ লাখ কোটি টাকা সরিয়েছেন শেখ হাসিনার সহযোগীরা!’Ñ এটি দৈনিক ইত্তেফাকের ২৯ অক্টোবরের প্রধান শিরোনাম। খবরে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশাসনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ধনকুবের ও ব্যবসায়ীরা প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সহায়তায় ব্যাংক খাত থেকে ১৭ বিলিয়ন ডলার পাচার করেছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে (এফটি) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘সবল ব্যাংকগুলো দখলে নিতে হাসিনার ঘনিষ্ঠদের সাহায্য করেছে ডিজিএফআই। যে কোনো আন্তর্জাতিক মানদণ্ডেই এটি সবচেয়ে বড় এবং সর্বোচ্চ ব্যাংক ডাকাতি। এ মাত্রায় আর কোথাও ব্যাংক লুটপাটের ঘটনা ঘটেনি। আর এর পেছনে ছিল রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা।’ দেশ থেকে যে অর্থ দুবাই, সিঙ্গাপুর বা অন্যান্য স্থানে পাচার করে নিজেদের আয়ত্তে রেখেছেন, তা উদ্ধারের চেষ্টায় আন্তর্জাতিক আইনি প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করা হবে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, দেশের চলতি অর্থবছরের বাজেটের আকার ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা। গভর্নর যে পরিমাণ অর্থের কথা উল্লেখ করেছেন, তার পরিমাণ এ বাজেটের ২৫ শতাংশের সমান।
‘পাচারের অর্থ ফেরাতে কাজ শুরু’Ñ এটি দৈনিক নয়া দিগন্তের ২৯ অক্টোরের প্রধান শিরোনাম। খবরে বলা হয়, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা দেশ থেকে ১ হাজার ৭০০ কোটি ডলার সরিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। স্থানীয় মুদ্রায় যা প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা।
দৈনিক বণিক বার্তার ২৯ অক্টোবরের প্রধান শিরোনাম, ‘শীতের তিন মাসে বাড়ে স্বর্ণ চোরাচালান’। প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বর্ণের আন্তর্জাতিক বাজারে দ্বিতীয় বৃহত্তম ভোক্তা দেশ ভারত। প্রতিবেশী দেশটিতে স্বর্ণের বার্ষিক চাহিদা অন্তত ১ হাজার টন। বিশেষ করে বিয়েসহ নানা উৎসবের মৌসুম হওয়ায় শীতকালে সবচেয়ে বেশি স্বর্ণের চাহিদা তৈরি হয়। কিন্তু উচ্চমাত্রায় শুল্ক আরোপিত থাকায় এ চাহিদা পূরণের জন্য দেশটির ব্যবসায়ীদের বৈধপথে স্বর্ণ আমদানিতে খরচ পড়ে অনেক বেশি।
বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপা নিয়ে দৈনিক আজকের পত্রিকার ২৯ অক্টোবরের প্রধান শিরোনাম ‘শুরুতে দেরি, শেষ নিয়ে শঙ্কা’। খবরে বলা হয়, নতুন বছর শুরু হতে বাকি মাত্র দুই মাস। বছরের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই দিতে হলে এ সময়ের মধ্যে ছাপানোর কাজ এবং পাঠানো সম্পন্ন করতে হবে বিনা মূল্যের ৪০ কোটির বেশি পাঠ্যবই। অথচ এখনো চলছে বই ছাপার দরপত্র প্রক্রিয়া, পাণ্ডুলিপি সংশোধন ও পরিমার্জনের কাজ। কিছু বইয়ের প্রচ্ছদে ও কিছু বইয়ের ভেতরে জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের গ্রাফিতি (দেয়ালচিত্র) যুক্ত হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, দুই মাসে ৪০ কোটির বেশি পাঠ্যবই ছাপানোর সক্ষমতা দেশের মুদ্রণ ব্যবসায়ীদের নেই। এছাড়া এ সময়ে চাহিদামতো মানের এত কাগজ পাওয়া নিয়েও সংকট হতে পারে। গত শনিবার থেকে পাণ্ডুলিপির সিডি দেওয়া হচ্ছে মুদ্রণপ্রতিষ্ঠানকে। তাই আগামী ১ জানুয়ারির আগে সব বই মাঠপর্যায়ে পৌঁছানো ও বিতরণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।