ইসির আইন-বিধি সংশোধন প্রস্তাব চূড়ান্ত : স্থানীয় সরকার নির্বাচন করতে পারবে না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা
২২ জুলাই ২০২৬ ১৫:০৮
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সংশোধিত নতুন আইন-বিধি অনুযায়ী বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। এ ছাড়া দ্বৈত নাগরিক, ঋণখেলাপির জামিনদার, বিলখেলাপি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধারদের ভোটে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে স্থানীয় সরকার আইন ও বিধিমালার চূড়ান্ত সংশোধনের প্রস্তাবে।।
ইসির প্রস্তাবে স্থানীয় সরকার আইনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় সশস্ত্র বাহিনীকে অন্তর্ভুক্ত করার কথাও বলা হয়েছে। এই প্রস্তাবে সরকারের চূড়ান্ত অনুমোদন মিললে জাতীয় সংসদের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করতে পারবে তারা।
গত ২১ জুলাই মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে ১২তম কমিশন সভা শেষে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, আইন সংশোধনের বিষয়গুলো আমরা এখন স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রস্তাব আকারে পাঠাব। তারা উপযুক্ত মনে করলে ব্যবস্থা নেবে।
যেসব সংশোধনী আনছে ইসি
স্থানীয় নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় সশস্ত্র বাহিনীকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নির্বাচনে অংশগ্রহণে অযোগ্য ঘোষণা, ঋণখেলাপির বিষয়ে দুটি ক্ষেত্র রয়েছে। একটি হচ্ছে বন্ধকদাতা এবং অন্যটি জামিনদার। পাশাপাশি ইউটিলিটি বিলখেলাপি, যেমন– বিদ্যুৎ বিল, ভূমি কর, ওয়াসার বিল। দ্বৈত নাগরিকত্বধারীদেরও নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই। সংবিধানেও এ বিষয়ে একটি সীমাবদ্ধতা দেওয়া আছে।
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক
সভায় ১৫ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নবায়নের বিষয়টি প্রত্যেক নাগরিকের জন্য বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে অনলাইন ফরমে কী কী তথ্য থাকতে হবে, সে বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়। নবায়নের ক্ষেত্রে পরিবারের সবার এনআইডির তথ্যও দিতে হবে। এ ছাড়া এনআইডি স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কী কী তথ্য দিতে হবে, সেটাও ঠিক করা হয়। উভয় সেবার ক্ষেত্রেই ইসি আবেদন ফি নির্ধারণ করে দিয়েছে।