অন্য জমির ফসল

আজকের পত্রিকা: ‘সংসদে আলোচনা করে জনরায় পরিবর্তন করা যায় না’

সোনার বাংলা অনলাইন
১৮ মার্চ ২০২৬ ১৩:০৫

পত্রিকা

আজ বুধবার ১৮ মার্চ  ২০২৬ ।  দৈনিক সংগ্রামের শিরোনাম,‘সংসদে আলোচনা করে জনরায় পরিবর্তন করা যায় না’। প্রতিবেদক মিয়া হোসেন এ প্রতিবেদনে লিখেছেন,‘সংবিধান সংশোধন আর সংবিধান সংস্কার এক বিষয় নয়। সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দুই তৃতীয়াংশ সদস্যদের সমর্থনে সংবিধান সংশোধন করা যাবে। কিন্তু মূলনীতি পরিবর্তন করা যাবে না। মূলনীতি পরিবর্তন করে সংবিধান সংস্কার করার জন্যই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ গণভোটের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত জনরায় সংসদ বাস্তবায়ন করতে বাধ্য। সংসদে আলোচনা করে জনরায় পরিবর্তন করা যাবে না। আলোচনার নামে সময়ক্ষেপন না করে দ্রুত সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন আইনজ্ঞরা। অন্যথায় ৯০দিন অতিবাহিত হলে সংস্কার পরিষদের শপথ নেয়ারও সুযোগ থাকবে না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইতোমধ্যে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের কয়েকটি ধারা লঙ্ঘন হয়েছে। জুলাই সনদের ৮ নাম্বার ধারায় শপথের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু সরকার দলীয় সংসদ সদস্যরা এ শপথ গ্রহণ করেননি। অপরদিকে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হওয়ার ত্রিশ পঞ্চিকা দিবসের মধ্যে সংসদ আহবান করার বিধান থাকলেও তা করা হয়নি। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের ১০ নম্বর ধারাও লঙ্ঘন হয়েছে। অথচ একই আদেশে মাধ্যমে অনুষ্ঠিত গণভোটে হ্যাঁ জয়যুক্ত হলে পরিষদ আহ্বানের একশ’ আশি কার্য দিবসের মধ্যে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করার নির্দেশনা রয়েছে।

গত রোববার জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা জামায়াতের আমীর শফিকুর রহমান সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহবান করার জন্য উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, অর্ডারে পরিষ্কার বলা আছে, যে পদ্ধতিতে সংসদের প্রথম অধিবেশন ডাকা হবে, একই পদ্ধতিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভাও ডাকতে হবে। কিন্তু এখনো ডাকা হয়নি।

জবাবে সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আইনমন্ত্রী কোন কথা বলেননি। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জবাব দিয়েছেন। তিনি বিরোধী দলীয় নেতার এ প্রস্তাব বিধি অনুযায়ী নোটিশ দিলে আলোচনা হতে পারে। আর এ অধিবেশনে ১৩৩টি অধ্যাদেশ পাস করতে হবে, সময় কম, পরের অধিবেশন বাজেট অধিবেশন হবে। আর তিনি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশটিকেই অসাংবিধানিক আদেশ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। আবার বলেছেন, তিনি জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবেন। কিন্তু সেটি সাংবিধানিকভাবে হতে হবে।

এসব বিষয়ে আইনজ্ঞরা বলছেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অবশ্যই সংবিধান অনুযায়ী হয়েছে। আর গণভোটের মাধ্যমে জনগণ রায় দিয়েছেন। এটি সংসদ বাস্তবায়ন করতে বাধ্য। সরকার দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়ে সংবিধান সংশোধন করতে পারবে কিন্তু সংস্কার করতে পারবে না। কেননা সংবিধানের মূলনীতি পরিবর্তনের ক্ষমতা সংসদকে দেয়া হয়নি। সংবিধানের ৭খ তে এবিষয়ে নিষেধাজ্ঞা দেয়া আছে। এ ক্ষমতা দেয়া হয়েছে জনগণের গণভোটকে। আর এ গণভোটের মাধ্যমে জনগণ সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন করার জন্য সংসদ সদস্যদেরকে ক্ষমতা দিয়েছেন।

এ বিষয়ে আদেশের ৭ ধারায় বলা হয়েছে, (১) গণভোটে উপস্থাপিত প্রশ্নের উত্তরে প্রদত্ত সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে (হ্যাঁ) সূচক হইলে,-(ক) এই আদেশ জারির অব্যবহিত পর অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিগণের সমন্বয়ে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হইবে, যাহা সংবিধান সংস্কার বিষয়ে সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবে; (খ) উক্ত নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ একইসাথে জাতীয় সংসদের সদস্য হিসাবে এবং এই আদেশ অনুসারে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবেন; (গ) পরিষদ উহার প্রথম অধিবেশন শুরুর তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) কার্য দিবসের মধ্যে জুলাই জাতীয় সনদ এবং গণভোটের ফলাফল অনুসারে সংবিধান সংস্কার সম্পন্ন করিবে এবং তাহা সম্পন্ন করিবার পর পরিষদের কার্যক্রম সমাপ্ত হইবে। (২) পরিষদের কার্যধারায় অংশগ্রহণের সময় নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ পরিষদ সদস্য হিসাবে অভিহিত হইবেন। (৩) এই আদেশের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, পরিষদ ইহার অধিবেশন আহ্বান ও মুলতবি, সংবিধান সংস্কার বিষয়ক প্রস্তাব উত্থাপনের পদ্ধতি, উক্ত প্রস্তাব বিবেচনা ও গ্রহণ এবং অন্য সকল বিষয়ে কার্যপ্রণালী নির্ধারণ করিবে।

এ বিষয়ে সংবিধান বিশেষজ্ঞ ব্যারিস্টার এ এসএম শাহরিয়ার কবির দৈনিক সংগ্রামকে বলেন, দুটি ভোট হয়েছে। ভোটের পর দু’টি শপথ নিতে হবে। ৯০ দিনের মধ্যে শপথ না নিলে সংসদ সদস্য পদ থাকে না। আর তখন সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যও হতে পারবে না। গণভোটের মাধ্যমে জনগণ সার্বভৌম ক্ষমতার প্রয়োগ করেছে। এটা সংসদকে বাস্তবায়ন করতে হবে। এটি নিয়ে সংসদে আলোচনার প্রয়োজন নেই।

তিনি বলেন, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ত্রিশ দিনের মধ্যে সংবিধান পরিষদের সংস্কার অধিবেশন আহবান করতে হবে। কিন্তু তারা তা করেননি। শপথ নেয়ার কথা শপথ নেননি। এখন সংসদে এ বিষয়ে আলোচনার কথা বলছেন। মূলত আলোচনার মাধ্যমে সময় ক্ষেপণ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছেন না।

তিনি আরো বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ছাড়া সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার করা যাবে না। কেননা সংবিধানের ৭খ তে মূলনীতি সংশোধনের ক্ষমতা সংসদকে দেয়া হয়নি। এটি একমাত্র গণভোটের মাধ্যমেই সম্ভব। আর এ কারণেই গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করে সংবিধান সংস্কার করতে হবে। আর এ কাজটি করতে হবে সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুর ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে।

এদিকে সরকার যদি গণভোটের মাধ্যমে প্রদত্ত জনরায় বাস্তবায়ন না করে তাহলে বিরোধী দল রাজপথে আন্দোলনে যেতে পারে। এমনটি আভাস পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে সৃষ্ট সংকটের সমাধান জাতীয় সংসদের ভেতরে হোক, এমনটা চায় বিরোধী দল। তবে সংসদের ভেতরে এর সমাধান না হলে রাজপথে নামবো।

এ বিষয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বিএনপি একসময় গণভোটের পক্ষে প্রচার চালালেও এখন দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে সেটিকে অবজ্ঞা করার চেষ্টা করছে।’

নাহিদ বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানই বর্তমান সংস্কার প্রক্রিয়া, অন্তর্বর্তী সরকার এবং এই নির্বাচনের মূল ভিত্তি ও বৈধতা। সব বিষয় শুধু সংবিধানের ব্যাখ্যা দিয়ে বোঝানো সম্ভব নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

খবরে বলা হচ্ছে, ঈদুল ফিতর সামনে রেখে রাজধানী ঢাকা থেকে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে সড়ক, রেল ও নৌপথে। সড়কে গাড়ির জট ও হালকা যানজট মাড়িয়ে বলা চলে স্বস্তিতে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরছেন ঘরমুখো মানুষ।

তবে মঙ্গলবার থেকে সড়কে গাড়ির চাপ বাড়ার পাশাপাশি যানজটও বাড়ছে বলে যুগান্তরের সারা দেশের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন। এদিকে এবার ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে ঈদুল ফিতরের আগের ৩ দিন এবং পরবর্তী ৩ দিন অর্থাৎ ১৭ থেকে ২৩শে মার্চ পর্যন্ত মহাসড়কে ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও লরি চলাচল বন্ধ থাকবে।

ঈদ উদযাপন উপলক্ষ্যে গণপরিবহন চলাচল সংক্রান্ত বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার একথা জানানো হয়েছে। তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য, পচনশীল দ্রব্য, গার্মেন্টসামগ্রী, ওষুধ, সার ও জ্বালানি বহনকারী যানবাহনগুলো এর আওতামুক্ত থাকবে।

হরমুজ প্রণালি নিয়ে আরও বিপাকে পড়তে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই প্রণালি খুলে দিতে সাহায্য চাওয়ার পর তা নাকচ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এছাড়া ঈদুল ফিতর সামনে রেখে রাজধানী ঢাকা থেকে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে সড়ক, রেল ও নৌপথে। ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকাগুলোতে এসব খবর গুরুত্ব পেয়েছে।

খবরে বলা হচ্ছে, কূটনৈতিক ও সামরিক দুভাবেই যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইরানের পাশে আছে চীন। এই যুদ্ধকে চীন একদিকে একটি রাজনৈতিক উত্তেজনা হিসেবে অন্যদিকে একটি সামরিক হুমকি হিসেবে দেখছে।

চীনের পক্ষ থেকে এর আগে স্পষ্টভাবেই বলা হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র ‘যুদ্ধে আসক্ত’। দেশটির ২৫০ বছরের ইতিহাসে মাত্র ১৬ বছর শান্তিপূর্ণ ছিল।

বেইজিং মনে করে, যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্টভাবে একটি বৈশ্বিক হুমকি। যুদ্ধক্ষেত্রের বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে, চীন ইরানে যুদ্ধের নিয়মও বদলে দিয়েছে। ইরানের সঙ্গে মিলে চীন একটি দাবার ছক সাজিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে।

ইরান এখন চীনের বাইদু নেভিগেশন স্যাটেলাইট সিস্টেম বা জিএনএসএসের সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে যুক্ত। জিএনএসএস হলো চীনের নিজস্ব জিপিএসের মতো একটি নেভিগেশন ব্যবস্থা। যা পৃথিবীর যে কোনো জায়গায় কোনো কিছুর অবস্থান, গতি ও সময় নির্ধারণ করতে সাহায্য করে।

এই জিএনএসএসের মাধ্যমে ইরান এখন যে কোনো লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুলভাবে হামলা চালাচ্ছে।

খবরে বলা হচ্ছে, ইরান যুদ্ধের আঁচ লেগেছে লেবাননেও। ইসরায়েল দেশটিতে ক্রমাগত হামলা চালাচ্ছে। এমন যুদ্ধ পরিস্থিতিতে শত শত বাংলাদেশি অভিবাসী কর্মী সেখানে কাজ ও বাসস্থান হারিয়েছেন।

দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে অনেক বাংলাদেশি এখন বৃষ্টি আর ঠাণ্ডার মধ্যে খোলা আকাশের নিচে ঝুঁকির মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তাদের অনেকেই নারী।

কেউ কেউ যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন তা বোমা হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। বাকি পড়েছে বেতন, হাতে নেই কাজ। তার ওপর আছে মিসাইল কিংবা বিমান হামলার ভয়।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘাত বৃত্তে লেবানন জড়িয়ে পড়ার পর থেকে সেখানে ঘরবাড়ি ও কর্মসংস্থান হারিয়েছেন দেশটির কয়েক লাখ নাগরিক এবং সেখানে বসবাস করা অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মী। যুদ্ধবিধ্বস্ত লেবাননে বর্তমানে প্রায় এক লাখ বাংলাদেশি অবস্থান করছেন।

‘যুদ্ধ বন্ধে ইউরোপের চাপ’ আজকের পত্রিকার শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, হরমুজ প্রণালি নিয়ে আরও বিপাকে পড়তে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই প্রণালি খুলে দিতে সাহায্য চাওয়ার পর তা নাকচ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। উল্টো যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে তারা।

এ ছাড়া জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই সংকটের সামরিক নয়, কূটনৈতিক সমাধান জরুরি। এদিকে দেশের ভেতরেও চাপ বাড়ছে ।

যুদ্ধের বিরোধিতা করে মার্কিন ন্যাশনাল কাউন্টার টেররিজম সেন্টারের প্রধান পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি ট্রাম্পকে এই যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।

ইরানে হামলার জেরে বন্ধ হয়ে গেছে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল। এতে বাড়ছে তেলের দাম।

তবে পরিস্থিতি সামলাতে কিংবা এই প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল শুরু করতে প্রথমে চীন , দক্ষিণ কোরিয়া , জাপান , ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের সাহায্য চান ট্রাম্প।

এরপর গত সোমবার বৈঠক করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো। তবে এর আগেই ইউরোপের দেশ জার্মানি, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও গ্রিস জানিয়ে দেয়, তারা এই যুদ্ধে জড়াবে না। এ ছাড়া নেটোর ঘনিষ্ঠ মিত্র অস্ট্রেলিয়াও একই সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্সের (ডিজিএফআই) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ কায়সার রশিদ চৌধুরীর সম্প্রতিক নয়াদিল্লি সফর আপাতদৃষ্টিতে একটি নিয়মিত নিরাপত্তা সংলাপের অংশ বলেই মনে হতে পারে।

কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ার বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় এই সফরের তাৎপর্য অনেক গভীর। এমন এক সময়ে এই সফর অনুষ্ঠিত হলো, যখন গত দুই বছরের টানাপড়েনের পর বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক আবার নতুন করে গুছিয়ে নেয়ার চেষ্টা চলছে।

অনেকের মতে, এটি হতে পারে দুই দেশের মধ্যে নীরব কূটনীতির মাধ্যমে সম্পর্ক পুনর্গঠনের সূচনা।

গত দুই দশকে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক দক্ষিণ এশিয়ায় তুলনামূলকভাবে একটি স্থিতিশীল ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল।

বিশেষ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময় দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা, বাণিজ্য, যোগাযোগ ও জ্বালানি খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছিল।

কিন্তু ২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশের নাটকীয় রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এই সম্পর্ক হঠাৎ করেই নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়।

‘জুলাইযোদ্ধা নাম ভাঙিয়ে এইসব!’ কালের কণ্ঠের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, জুলাইযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে প্রবল গণ-আন্দোলন গড়ে তুলে খুব অল্প সময়েই দেশে অপশাসনের পতন ঘটিয়েছেন; রাজনৈতিক পটপরিবর্তন করেছেন। তাঁদের এই তুমুল আন্দোলনের ফাঁকেই এক শ্রেণির সুবিধাবাদী মানুষ জুলাইযোদ্ধার মুখোশ পরে চালিয়ে গেছে নজিরবিহীন অপকর্ম।

এ রকমই একজনের খোঁজ মিলেছে রাজশাহীতে। তাঁর দুষ্কর্মের অনুসন্ধান করতে নেমে কালের কণ্ঠ এমন সব তথ্য পেয়েছে, যা জেনে পাঠকমাত্রই চমকে উঠবেন।

জুলাইযোদ্ধা নামধারী এই ব্যক্তির নাম গোলাম রাব্বানী। তিনি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের সাংবাদিক।

২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট থেকে তাঁকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিল-মিটিংয়ে সক্রিয় ভূমিকায় দেখা গেছে। এ সংক্রান্ত ভিডিও ফুটেজও সংগ্রহ করা হয়েছে।

তখন থেকেই নিজেকে জুলাইযোদ্ধা পরিচয় দিয়ে প্রভাব-প্রতিপত্তি দেখিয়ে চলেছেন এই সাংবাদিক। তবে অনুসন্ধান বলছে, আরো আগে থেকেই সাংবাদিকতার প্রভাব খাটিয়ে এই গোলাম রাব্বানী নানা অপকর্ম চালিয়ে আসছেন।

‘সরকারের কার্যক্রম আশা জাগানিয়া, কিছু ক্ষেত্রে উদ্বেগজনক’ প্রথম আলোর শিরোনাম।

এতে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিএনপি সরকার গঠন করে গত ১৭শে ফেব্রুয়ারি। সরকারের এক মাস হতে চলেছে। এ সময়ে সরকারের কার্যক্রম কেমন ছিল, তা নিয়ে অভিমত লিখেছেন দেশের তিন বিশিষ্ট নাগরিক।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান মনে করেন. সরকারের কার্যক্রম মূল্যায়নের জন্য এক মাস খুবই অপ্রতুল সময়। এবারের সরকারের ক্ষেত্রে সেটা একেবারেই ভিন্ন।

এফবিবিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি এ কে আজাদের মতে, সরকারের শুরুটা মন্দ নয়, তবে সরকারি খাতে অপচয় রোধ করতে হবে।

তিনি মনে করেন, সরকারের সামনে নানা চ্যালেঞ্জ আছে। তারপরও এক মাসে যেসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তার ভিত্তিতে বলা যায়, শুরুটা মন্দ নয়। সরকারের নেওয়া কর্মসূচিগুলোর মধ্যে খাল খননের উদ্যোগটি বেশ ভালো।

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুনের মতে, বিএনপি তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে অর্থনীতি ও অর্থনৈতিক সংস্কার নিয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব ও পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছিল।

ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই বিএনপি সরকার এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেয় এবং দ্রুত কাজ শুরু করে। বিশেষ করে তাদের প্রতিশ্রুত কর্মসূচি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দ্রুত দেওয়া শুরু হয়েছে। এতে বোঝা যায়, সরকার এ বিষয়ে আগেই প্রস্তুতি নিয়েছিল।

‘SCRAPPING OF LOTTERY SYSTEM: A return to the old admission rat race?‘ বা ‌লটারি ব্যবস্থা বাতিল: পুরোনো ভর্তির ইঁদুর দৌড়ের প্রত্যাবর্তন? ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, গত রোববার সংসদে এক সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেন, সরকার স্কুল ভর্তির জন্য বিদ্যমান লটারি পদ্ধতি পর্যালোচনা করবে। তিনি যুক্তি দেন যে লটারি একটি যৌক্তিক পদ্ধতি নয়।

তিনি বলেন, ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া ভর্তির জন্য একটি নতুন কাঠামো চূড়ান্ত করার আগে সরকার অভিভাবক, শিক্ষা বিশেষজ্ঞ এবং সংসদ সদস্যসহ অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শ করতে চায়।

নিউ এইজের শিরোনাম ‘People start streaming out of capital for Eid’ অর্থাৎ ঈদের ছুটিতে রাজধানী ছাড়ছে মানুষ।

খবরে বলা হচ্ছে, মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া সপ্তাহব্যাপী ঈদুল ফিতরের ছুটির প্রথম দিনে রাজধানীসহ প্রধান শহরগুলো থেকে মানুষ বাড়ি যেতে শুরু করেছে। এর মধ্যে বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং গণপরিবহন সংকট নিয়ে অভিযোগ উঠেছে।

বাস পরিচালনার সঙ্গে জড়িত কিছু কর্মীর অভিযোগ, জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে ঈদে তারা কম বাস চালাচ্ছেন। ফলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতে হচ্ছে।

কম খরচে যাতায়াতের জন্য অনেক যাত্রীকে অন্যান্য যানবাহন এমনকি পণ্যবাহী গাড়ির জন্যও অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।

ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু, ঢাকা-রংপুর, ঢাকা-রাজশাহী, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে এবং নগরবাড়ি-বগুড়াসহ সারা দেশের প্রায় সব প্রধান মহাসড়কে গতকাল যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল।

তবে সন্ধ্যা থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী থেকে বাইপাস এলাকা পর্যন্ত এবং গাজীপুরের চন্দনায় যানজট দেখা যায়। সন্ধ্যার পর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যাত্রাবাড়ী থেকে সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা পর্যন্তও যানজট দেখা যায়।

খবরে বলা হচ্ছে, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে পাঠানো যুক্তরাষ্ট্রের সাথে উত্তেজনা কমানো বা যুদ্ধবিরতির সব প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন।

গতকাল মঙ্গলবার রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে ইরানি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে। তেহরানের পক্ষ থেকে সাফ জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে ‘হাঁটু গেড়ে না বসানো’ পর্যন্ত কোনো ধরনের আপস বা শান্তি আলোচনা হবে না।

এদিকে ইরান ও মার্কিন-ইসরাইল যুদ্ধ তৃতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে, যা এখন এক ভয়াবহ ও অনিশ্চিত মোড় নিয়েছে।

যুদ্ধের তীব্রতা বাড়িয়ে ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ দাবি করেছেন, মঙ্গলবার রাতভর বিমান হামলায় ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তাপ্রধান আলী লারিজানি এবং আধা সামরিক বাহিনী ‘বাসিজ’-এর প্রধান গোলাম রেজা সোলেইমানি নিহত হয়েছেন। এই দাবি সত্য হলে এটি হবে তেহরানের জন্য আরেকটি বড় আঘাত।

আজকের পত্রিকা:

সম্পর্কিত খবর