আজকের পত্রিকা:স্বপ্ন যখন মরণফাঁদ
২২ মে ২০২৬ ১১:৩৮
আজ শুক্রবার ২২ মে ২০২৬।
দেশ রূপান্তরের প্রধান খবর— স্বপ্ন যখন মরণফাঁদ।
এই খবরে বলা হয়েছে, অনেকে বিভিন্ন এজেন্সি ও দালালের মাধ্যমে বেশি বেতনের চাকরি, উন্নত জীবনের প্রলোভনে মানব পাচারকারীর খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত হচ্ছেন। আবার অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার চেষ্টায় সাগরে অনেকের সলিল সমাধি হচ্ছে।
এ অবস্থায় মানবপাচার প্রতিরোধব্যবস্থা নতুন করে সাজাচ্ছে প্রশাসন। ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে কঠোর আইন। নিয়ন্ত্রণে আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চলছে দফায় দফায় বৈঠক। প্রস্তুত হচ্ছে পাচারকারীদের তালিকা।
এসব ঘটনার সঙ্গে ট্রাভেল এজেন্সির যোগসাজশ থাকায় তাদের বিরুদ্ধে সরকার হার্ডলাইনে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ২ হাজার ৪৯২টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে নজরদারিতে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এর মধ্যে পাচারকারীদের তালিকা প্রায় প্রস্তুত করে এনেছে পুলিশের দুটি বিশেষ ইউনিট। বিশেষ করে গুরুতর অভিযোগ থাকা এজেন্সিগুলোতে বাড়তি নজর দিচ্ছে পুলিশ।
এছাড়া, এজেন্সিগুলোর মালিকদের রাজনৈতিক মতাদর্শও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী বলেছেন, মানবপাচার প্রতিরোধে আমরা কঠোর হচ্ছি। দোষীদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে নতুন আইন তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি মানবপাচারকারীদের ব্যাংক হিসাবও তলবের প্রক্রিয়া চলছে। এর সঙ্গে জড়িত ট্রাভেল এজেন্সির বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। কাউকে ছাড় না দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সমকালের প্রধান খবর— চার মাসে ১১৮ কন্যাশিশু ধর্ষণের শিকার, খুন ১৭।
এই খবরে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন জায়গায় সাম্প্রতিক সময়ে কন্যাশিশুদের ধর্ষণ ও ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা বেড়েছে। এতে শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ, উঠছে প্রশ্ন।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য বলছে, গত পহেলা জানুয়ারি থেকে ২০ মে পর্যন্ত ১১৮ শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ধর্ষণচেষ্টার শিকার হয়েছে ৪৬ শিশু। ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয়েছে ১৪ শিশু এবং ধর্ষণচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে হত্যা করা হয়েছে তিন শিশুকে। ধর্ষণের শিকার দুই শিশু আত্মহত্যা করেছে।
এছাড়া, বিভিন্ন ঘটনায় জানুয়ারি থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত ১১৫ শিশু খুন হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ের ধর্ষণ ও হত্যার পাঁচটি ঘটনা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সবকটিতে শিশুরা প্রতিবেশী, আত্মীয় কিংবা ঘনিষ্ঠজনের শিকার হয়েছে।
বিশেষজ্ঞ ও মানবাধিকারকর্মীদের মতে, এসব ঘটনার পেছনে শুধু ব্যক্তিগত অপরাধ প্রবণতা নয়; দীর্ঘদিনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অবক্ষয় দায়ী। মাদকাসক্তির বিস্তার, বিকৃত, অনলাইন কনটেন্টের সহজলভ্যতা, পরিবার ও শিক্ষা ব্যবস্থায় নৈতিক শিক্ষার ঘাটতি এবং অপরাধ করে পার পাওয়ার প্রবণতা এ পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে।
তাদের মতে, শিশু নির্যাতন ও হত্যার মামলাগুলোর বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হওয়ায় অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়ার শঙ্কায় থাকে।
এই খবরে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে গতকাল পর্যন্ত দেশে হাম ও উপসর্গে মৃত্যু হয়েছে ৪৮৮ জনের। যা বিশ্বে ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত হামে সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা।
একই সময়কালে হাম ও উপসর্গে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে সুদানে। সেখানে মারা গেছে ৩৭১ জন। অথচ মার্চ পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যায় বাংলাদেশের চেয়ে দুই ধাপ এগিয়ে ছিল সুদান।
হাম ও উপসর্গে এই বছর মৃত্যুতে বিশ্বে তৃতীয় অবস্থানে আছে পাকিস্তান। দেশটিতে হামে অন্তত ৭১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বহু দেশে নতুন করে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার মতো উন্নত দেশগুলোতেও হাম ফিরে আসার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে মৃত্যুর সংখ্যার আধিক্যের কারণে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশকে ঘিরে।
আক্রান্তের তুলনায় বাংলাদেশে মৃত্যুহার বেশি হওয়ার পেছনে একাধিক কারণ কাজ করছে বলে মনে করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
যার মধ্যে রয়েছে নিয়মিত টিকাদানে ঘাটতি, দীর্ঘদিন এমআর (হাম-রুবেলা) ক্যাম্পেইন বন্ধ থাকা, শিশুদের অপুষ্টি, দেরিতে হাসপাতালে আসা এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে স্বাস্থ্যসেবার সীমিত সুযোগ। বিশেষ করে পাঁচ বছরের কম বয়সী অপুষ্ট শিশুরা হামের জটিলতায় দ্রুত নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্ট ও মস্তিষ্কের প্রদাহে আক্রান্ত হচ্ছে।
দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— State enterprises bleed Tk 88,200cr every year: WB study; অর্থাৎ রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো বছরে লোকসান গুণছে ৮৮ হাজার ২০০ কোটি টাকা: বিশ্বব্যাংকের গবেষণা।
এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিবছর প্রায় ৮৮ হাজার ২০০ কোটি টাকা লোকসান গুণছে। এসব প্রতিষ্ঠানে সরকারি কোষাগার থেকে এই ব্যয়ের প্রভাব অন্যতম বড় আর্থিক ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে বলে বিশ্বব্যাংকের গবেষণায় উঠে এসেছে।
বিপিসি, চট্টগ্রাম বন্দর, বিটিআরসি ও বেবিচকের মতো কয়েকটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান সীমিত মুনাফা অর্জন করে। কিন্তু বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোর অধিকাংশই হয় খুবই কম মুনাফা অথবা লোকসান করে।
আর্থিক ক্ষতির সবচেয়ে বড় উৎস হলো জ্বালানি খাত; যেখানে পিডিবি, পেট্রোবাংলা ও বিআরইবি মোট লোকসানের ৯০ শতাংশেরও বেশির জন্য দায়ী।
প্রতিযোগিতামূলক বাজার কাঠামোতে কাজ করলেও অধিকাংশ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান লোকসান করে; যেখানে বিকাশমান বেসরকারি খাত বিদ্যমান।
সমীক্ষাটিতে টিসিবি বন্ধ করে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। যেটিকে বড় অপচয়কারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখা হয়েছে এবং দরিদ্র মানুষের কাছে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে এর কার্যকারিতা নিয়ে বিতর্কের কথা বলা হয়।
পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সহায়তায় প্রস্তুতকৃত এই গবেষণায় বলা হয়েছে, স্বাধীনতার ৫৩ বছর পর এবং একটি সমৃদ্ধ বেসরকারি খাতের প্রেক্ষাপটে টিসিবির প্রয়োজনীয়তা সুস্পষ্ট নয়। এমনকি শক্তিশালী ও প্রাণবন্ত সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির বিকল্প হতে পারে না টিসিবি।
সংবাদের প্রধান খবর— আবাসিক-বাণিজ্যিক-শিল্প: সব খাতে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব, অংশীজনদের আপত্তি।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ও সঞ্চালন চার্জ বাড়ানোর প্রস্তাবের পরদিন খুচরা পর্যায়ে আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্পসহ সব খাতে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে সংশ্লিষ্ট সরকারি কোম্পানিগুলো।
খুচরা গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৬ থেকে প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব এসেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২১ মে) ঢাকার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আয়োজিত দ্বিতীয় দিনের গণশুনানিতে ৬টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি এই প্রস্তাব তুলে ধরে।
পাইকারি পর্যায়ে যদি বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়, তাহলে সেই বর্ধিত খরচও গ্রাহক পর্যায়ে যুক্ত করার যৌথ আবেদন জানায় প্রতিষ্ঠানগুলো।
গণশুনানিতে শুধু দাম বাড়ানোর প্রস্তাবই আসেনি, বরং গ্রাহকশ্রেণি পুনর্নির্ধারণ, প্রি-পেইড মিটারে নতুন ধরনের চার্জ আরোপ, বেসরকারি হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বাণিজ্যিক ট্যারিফের আওতায় আনা এবং শিল্প গ্রাহকদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টির মতো একাধিক প্রস্তাব সামনে এসেছে।
বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলোর এসব প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছেন গণশুনানিতে অংশ নেওয়া ভোক্তা অধিকার সংগঠন, রাজনৈতিক, ব্যবসায়ী ও শিল্প সংগঠনের নেতারা।
দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রথম পাতার খবর— For first time, a Ctg court sentences S Alam to 5 months’ jail; অর্থাৎ প্রথমবারের মতো চট্টগ্রামের একটি আদালত এস আলমকে পাঁচ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে।
এই খবরে বলা হয়েছে, চট্টগ্রামে ইসলামী ব্যাংকের খাতুনগঞ্জ কর্পোরেট শাখার ৮৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকা খেলাপি ঋণ আদায়ের মামলায় এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তার পরিবারের সদস্যসহ ১১ জন দায়িকের বিরুদ্ধে পাঁচ মাসের দেওয়ানি সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের অর্থ ঋণ আদালত-১ এর বিচারক (যুগ্ম জেলা জজ) মো. হেলাল উদ্দিন এই আদেশ দেন।
ব্যাংকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়, এই ঋণের বিপরীতে কোনো স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক ছিল না। এছাড়া ডিক্রি জারির পরও দায়িকদের মালিকানাধীন কোনো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির সন্ধান পাওয়া যায়নি। ঋণের টাকা আদায়ে অন্য কোনো কার্যকর উপায় না থাকায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩-এর ৩৪ ধারা অনুযায়ী দায়িকদের দেওয়ানি কারাদণ্ডের আবেদন জানায়।
আদালত শুনানি শেষে আজ তাদের বিরুদ্ধে পাঁচ মাসের সাজা পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।
নয়া দিগন্তের প্রধান খবর— পশ্চিমবঙ্গে সিএএ কার্যকর ও ‘বাংলাদেশী ফেরতের’ ঘোষণা।
এতে বলা হয়েছে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নতুন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসে সিএএ কার্যকর এবং ২০২৪ সালের ৩১শে ডিসেম্বরের পর ভারতে প্রবেশকারীদের ‘অবৈধ বাংলাদেশি’ হিসেবে ফেরত পাঠানো হবে।
পশ্চিমবঙ্গের নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, এটি নিছক প্রশাসনিক বা নির্বাচনী ঘোষণা নয়। দক্ষিণ এশিয়ার বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় এই সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়তে পারে সীমান্ত নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব রাজনীতি, ভারতীয় ফেডারেল কাঠামো, আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য এবং বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ওপরও।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পশ্চিমবঙ্গে সিএএ বাস্তবায়নকে কেবল অভ্যন্তরীণ রাজনীতির আলোকে দেখলে বিষয়টির গভীরতা বোঝা যাবে না।
এটি একদিকে ভারতের অভ্যন্তরীণ আদর্শিক পুনর্গঠনের অংশ, অন্যদিকে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা কৌশলের সম্প্রসারণ। একই সাথে বাংলাদেশ, চীন এবং উত্তর-পূর্ব ভারতকে ঘিরে দিল্লির বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক পরিকল্পনার সাথেও এর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।
আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম— এবার দল গোছাতে উদ্যোগী বিএনপি।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকার গঠনের পর এবার দল গোছাতে ও গতিশীল করতে উদ্যোগ নিচ্ছে বিএনপি।
এর অংশ হিসেবে চলতি বছর দলের জাতীয় কাউন্সিল এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর কমিটি পুনর্গঠন করার আভাস পাওয়া গেছে।
দলটির নেতারা বলছেন, বিএনপির অধিকাংশ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ ও আংশিক কমিটি দিয়ে চলছে বলে পদপ্রত্যাশী নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। কমিটি পুনর্গঠনের আভাসে সেই হতাশা কাটছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্র পরিচালনার পাশাপাশি বিএনপি যদি দ্রুততম সময়ে তরুণ ও যোগ্যদের হাতে সংগঠনের দায়িত্ব তুলে দিতে পারে, তবে দলে নতুন গতি সঞ্চার হবে এবং প্রতিপক্ষের অপপ্রচার মোকাবেলা করা সহজ হবে।
প্রথম আলোর প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— পল্লবীর সেই শিশুর মা-বাবার সঙ্গে দেখা করলেন প্রধানমন্ত্রী।
এই খবরে বলা হয়েছে, রাজধানীর পল্লবীতে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার আট বছরের শিশুটির পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে তার বাসায় গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে ঢাকার পল্লবী এলাকায় শিশুটির পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শিশুটির পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। দ্রুত এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর একটি ভবনের তিনতলার একটি ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা গত বুধবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিভিন্ন দল ও সংগঠন ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়ে আসছে।
নিউ এইজের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— Opposition parties say SC secretariat abolition attack on judiciary; অর্থাৎ বিরোধী দলগুলো বলছে, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্তি বিচার বিভাগের ওপর আক্রমণ।
এই খবরে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্তির বিরোধিতা করে তা পুনর্বহালে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি)।
এর মধ্যে জামায়াতের নেতারা বলেছেন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্তি বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর একটি আঘাত।
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করার প্রতিবাদে গতকাল বৃহস্পতিবার জামায়াত তাদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
যেখানে দলটির কেন্দ্রীয় নেতা ও আইনজীবী শিশির মনির বলেছেন, এই বিলুপ্তি বিচার বিভাগের ওপর প্রতিষ্ঠিত আস্থা ও বিশ্বাসকে নষ্ট করে দেবে। সচিবালয় বিলুপ্ত করার দিনটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য ‘কালো দিন’ হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
উল্লেখ্য, গত ১৯শে মে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে সরকার এবং সেখানকার ১৫ কর্মকর্তাকে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত করা হয়।