কানাডাতে পশ্চিম আফ্রিকার ঘানার মুসলিম কম্যুনিটি
১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৩:০৫

জুমান্তা আফ্রিকান মুসলিম এসোসিয়েশন প্রেসিডেন্ট হাজী নূরউদ্দীন হোসাইন।
অভিবাসী G-SEVE মানে যাতে সাত তারকার উন্নত দেশ কানাডার মাটিতে সারা দুনিয়ার বিচিত্র মানুষের দেখা মেলে। আমার নতুন গবেষণা পুস্তক মুসলিম মাইনরিটি অব কানাডার তথ্য সংগ্রহে বিগত কয়েক বছর যাবত আমি কানাডার বিভিন্ন ইথনিক মুসলিম জনগোষ্ঠীর মাঝে বিচরণ শুরু করি এবং তারই অংশ হিসেবেZUMUNTA AFRICA MUSLIM ASSOCIATION OF CANADA-এর দফতর এবং তাদের ইসলামিক সেন্টার ভিজিট করি। ZUMUNTA শব্দটি আফ্রিকার অন্যতম HAUSA ভাষা থেকে নেওয়া। যার অনেক অর্থ। যেমন ফেলোশীপ, রিলেশনশীপ, ফেরেনশীপ, আর কিংনশীপ। ঘানা পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ। যেখানে প্রায় সাত মিলিয়ন মানে সত্তুর লাখ মুসলিম বসবাস করেন। অভিবাসী কানাডীয় আইনের বদৌলতে ঘানার অনেক নাগরিক কানাডায় বসবাস করেন। আমি যখন ঘানার কানাডা প্রবাসী মুসলিমদের যার কাজ ভিজিট করি তখন তারা আমাকে ওদের একটি অনুষ্ঠানে হাজির হতে বিশেষভাবে দাওয়াত দেয় এবং ঐ দাওয়াত পেয়ে আমি এবং আমাদের তানজানিয়ান কানাডিয়ান ইমাম আবদুল ফাত্তাহকে নিয়ে ৮ আগস্ট ওদের ইসলামকি সেন্টারে যাই। কানাডার টরন্টো মহানগরীর অর্থ ইর্ক এলাকায় অবস্থিত সেন্টারে ঘানার টরন্টো প্রবাসী মুসলিম নারী-পুরুষের উপস্থিতি ছিল প্রায় তিন শতাধিক। অনুষ্ঠানে আমেরিকার ডেটরয়েট শহর থেকে আগত আমেকিান ঘানার নাগরিক শেখ ড. বশীর বক্তব্য রাখেন। স্বাগত ভাষণ দেন জুমান্তা আফ্রিকান মুসলিম এসোসিয়েশনের বর্তমান প্রেসিডেন্ট হাজী নূরউদ্দীন হোসাইন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাবেক সভাপতি হাজী জুবায়ের জুলুম।

অনুষ্ঠানে ঐতিহ্যবাহী আফ্রিকান পোষাকে ঘানাবাসী
ঘানার কানাডীয় মুসলিম কম্যুনিটি তাদের ঐতিহ্যবাহী আফ্রিকান পোশাক পড়ে অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন। কানাডাতে সর্বপ্রথম ১৯৬০ সালের দিকে ঘানার মুসলিম শিক্ষার্থীগণ আগমন করে। সেই থেকে এখন দিনে দিনে কানাডাতে ঘানার মুসলিম সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বর্তমানে বৃহত্তর টরন্টো মহানগরে প্রায় আঠারো হাজার মুসলিম বসবাস করছেন। আগস্ট ১১, ২০২৬।