পল্লবী বিহারি ক্যাম্পে সন্ত্রাসী হামলা

মিথ্যা মামলায় ন্যাপ নেতা নেয়াজ আহমদ গ্রেফতার


৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৮:৫৫

স্টাফ রিপোর্টার: ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি বাংলাদেশের (ন্যাপ বাংলাদেশ) মহাসচিব এবং বাংলাদেশি বিহারি পুনর্বাসন সংসদের (বিবিআরএ) উপদেষ্টা নেয়াজ আহমদ খানকে মিথ্যা মামলায় গত ২৯ আগস্ট শনিবার গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
স্থানীয় সাধারণ মানুষ জানায়, মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের বিহারি ক্যাম্পের কেউ মারা গেলে গোসল করানো নিয়ে বিপাকে পড়তে হয়। বিষয়টি সমাধানে ক্যাম্পের ময়লা ফেলার একটি পরিত্যক্ত জায়গা পরিষ্কার করে মৃতদের গোসলখানা তৈরির উদ্যোগ নেয় স্থানীয় বিহারি বাসিন্দারা। ব্যক্তিগত আর্থিক জোগানে সেখানে দেয়ালও তৈরি করা হয়। কিন্তু স্থানীয় বিএনপিপন্থি লোকজন কেউ কেউ সেখানে পানির পাম্প করার উসিলায় কাজ বন্ধ করতে চায়। অথচ পাশেই পানির পাম্প থাকায় সেখানে এর প্রয়োজন নেই বলে এলাকাবাসী গোসলখানার পক্ষেই শক্ত অবস্থান নেন।
এ ঘটনায় গত ২১ আগস্ট উসকানিদাতা বিএনপির লোকেরা বাইরে থেকে সেখানে কাজে বাধা দেয়। একপর্যায়ে তিনটি মোটরসাইকেলে বিএনপির সন্ত্রাসীরা এসে ফাঁকা গুলি ছোড়ে হ্রাস সৃষ্টি করে। পরে বিহারি ক্যাম্পের সাধারণ লোকেরা সেখানে শক্ত অবস্থান নিলে বিএনপির সন্ত্রাসীরা অস্ত্র নিয়ে মহড়া করে সেখানে জড়ো হন। একপর্যায়ে তারা সাধারণ বিহারিদের ওপর হামলা চালায়। এতে ২৫-৩০ জন সাধারণ বাসিন্দা আহত হয় এবং নির্মাণাধীন স্থাপনাটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
জানা গেছে, হামলার সময় সেখানে পুলিশ থাকলেও এ ব্যাপারে বিএনপি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। আহত বিহারিরা থানায় গেলেও তাদের মামলা নেওয়া হয়নি। উল্টো পুলিশ ও সন্ত্রাসীদের দুটি মিথ্যা মামলায় ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি বাংলাদেশ এবং বিহারি পুনর্বাসন সংসদের উপদেষ্টা নেয়াজ আহমদ খানকে গ্রেফতার করা হয়। মামলায় জড়ানো হয় আহত সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় জামায়াত নেতাদের নামও।
এ ঘটনায় ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য কর্নেল (অব.) আব্দুল বাতেন তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, এ এলাকার উন্নয়ন কাজে বিএনপির লোকেরা বাধা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করছে। পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেন তিনি। অবিলম্বে তিনি বিশিষ্ট সমাজসেবক এবং রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব নেয়াজ আহমদ খানের মুক্তি এবং আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিতের দাবি জানান।