ব্যক্তির চেয়ে দল বড় দলের চেয়ে দেশ বড়


২৭ নভেম্বর ২০২৫ ১৬:০৩

॥ একেএম রফিকুন্নবী ॥
মহান আল্লাহ তায়ালা আদম আ.-কে ব্যক্তি হিসেবেই তৈরি করেছেন। সাথে সহযোগিতার জন্য বিবি হাওয়াকে তৈরি করেছেন। এ দুজন দুনিয়ায় এসে আরব ভূমিতে ঘর-সংসার করেছেন, ছেলেমেয়ে হয়েছে। তাদের নিয়ে সমাজ গড়েছেন। দেশ গড়েছেন। সবই মহান আল্লাহর নির্দেশিত পথ ও মতের ওপরই সমাজ ও দেশ গড়ার কাজ করেছেন। যুগে যুগে নবী-রাসূলগণ দুনিয়ায় তাদের সময়ের উম্মতদের পরিচালনা করেছেন আল্লাহর সরাসরি অহির মাধ্যমে। শেষ নবী মুহাম্মদ সা. তাঁর ওপর নাজিল হওয়া কুরআনের বিধিমালা অনুযায়ী মক্কায় ১৩ বছর এবং মদিনায় ১০ বছর সমাজ ও দেশ পরিচালনা করেছেন।
দেশ গঠনের জন্য যেমন ব্যক্তির প্রভাব এবং তার যোগ্যতা খুবই প্রয়োজন। সাথে সাথে সমাজ গঠনের জন্য ব্যক্তির সমষ্টি দলের প্রয়োজন হয়। আবার দলের কর্মকাণ্ড সমন্বয়ে দেশ গঠনের যাবতীয় কাজ পরিচালনা করেই জনগণের ভালো করার উদ্যোগ নেয়। আমরা যদি বর্তমানে আমাদের প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশের কথায় আসি, তবে দেখতে পাব গত ৫৪ বছরে আমরা ব্যক্তি, দল ও দেশ আমাদের জনগণের উন্নতি ও অগ্রগতি সঠিকভাবে পাইনি।
দেশের জন্মের সময় থেকেই মরহুম শেখ মুজিবুর রহমান দেশ পরিচালনা করতে ব্যক্তি ইমেজ দলের কর্মকাণ্ডে দেশ গঠনে, অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারেনি, যা সবার জন্যই দুঃখজনক। ব্যক্তি ও দলের একক প্রভাব অন্যায়ভাবে প্রয়োগ করে একদলীয় শাসন কায়েম করে ‘বাকশাল’ করেন। সব দল ও মতের তোয়াক্কা না করে সবার মত ও পথ বন্ধ করে দিয়ে শেখ মুজিব ব্যক্তি ও তার দল বাদ দিয়ে একদলীয় ‘বাকশাল’ করেন। মতপ্রকাশের সব পথ বন্ধ করে দিয়ে মাত্র ৪টি পত্রিকা রেখে বাকশালের প্রচার-প্রোপাগান্ডার জন্য উন্মুক্ত রাখেন।
জনগণ কিন্তু পাকিস্তান থেকে দুঃখ-দুর্দশা, পাওয়া না পাওয়ার বৈষম্য দূর করার জন্য স্বাধীন হয়ে বাকশাল কায়েমের জন্য প্রথমেই ধাক্কা খায়। মানুষ কোনোমতেই ধরাবাঁধা নিয়ম মেনে নিতে পারছিল না। ব্যক্তি মুজিবুর রহমান দলীয় সব নিয়মকানুন একদলীয় কায়দায় বাকশাল কায়েম করে দেশের সাধারণ মানুষের ধ্যান-ধারণার বিরুদ্ধে এগোতে গিয়ে মানুষের প্রতি তাদের মতামতের তোয়াক্কা না করে যে দল ও দেশ গড়তে উদ্যোগ নেন, তা মানুষ প্রত্যাখ্যান করে। সাধারণ মানুষকে সর্বক্ষেত্রে জাতি বাকশাল থেকে মুক্ত হয়ে স্বস্তির নিশ্বাস নেয়; এমনকি আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদেরও কোনো শোক পালন করতে দেখা যায়নি। তাই ব্যক্তি, দল ও দেশের ভালো না করতে পারলে দুনিয়া-আখিরাত সবই চলে যায় অতল গহ্বরে।
অনেক চড়াই-উৎরাইয়ের মাধ্যমে তখন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসেন। তার দল ছিল না, কিন্তু সাধারণ জনগণের ভাষা বুঝে আল্লাহর প্রতি ঈমান রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ঘোষণা জনগণকে উদ্বুদ্ধ করে। তৎকালীন প্রভাবশালী ডান-বাম নেতাদের সমন্বয়ে দেশ চালানোর উদ্যোগ নেন। ভারতে পরবাসী হাসিনাকে বাংলাদেশে আসার সুযোগ করে দেন। পরিস্থিতি অনুকূল না হয়ে প্রতিকূলতার দিকে এগিয়ে যায়। অল্পদিনের ব্যবধানে জিয়া চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে কিছু বিপথগামী সেনাসদস্যের গুলিতে নিহত হন। দেশ আবার অস্থিতিশীলতার মধ্যে পড়ে যায়। বিচারপতি আসদুস সাত্তার ক্ষমতায় বসেন।
এরপর সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতার মসনদে বসে পড়েন সেনাপ্রধান এরশাদ। তার কোনো দল ছিল না। ক্ষমতার বলে বলীয়ান হয়ে জাতীয় পার্টি নামে দল গঠন করেন। ক্ষমতায় থাকেন ৯ বছর। কাজও করেন দেশের জন্য। জনতার ক্ষোভ আর আন্দোলনে তার পতন হয়। কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে নির্বাচনে পরে বেগম জিয়া ক্ষমতায় আসেন। জামায়াতে সাথে জোট করে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করে। ৫ বছর পর ক্ষমতা ছাড়ার সময়টা সুখকর ছিল না। সেনাপ্রধান মইনউদ্দিন খপ্পরে পড়ে দেশ আবার অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যায়। ফখরুদ্দিন সাহেবের নেতৃত্বে মইনউদ্দিনের সহযোগিতায় সরকার কায়েম করে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনে ২০০৮ সালে। যেহেতু হাসিনা ভারতের অনুগত। ভারতও সুযোগ বুঝে সবটাই নিয়ে নেয়ার উদ্যোগ নেয়। শেখ হাসিনাকে নামেমাত্র ক্ষমতায় রেখে ‘র’য়ের পরামর্শে ভারতের বুদ্ধি ও লোকবল বাংলাদেশে কাজকর্মে লেগে যায়। ভারতের স্বার্থেই সড়ক, নদী, রেল যোগাযোগ তাদের উপযোগী করে গড়ে তোলে।
এ দেশের মানুষ পূর্ব থেকেই ভারতবিরোধী। তাই সুযোগ খুঁজতে থাকে ভারতবিরোধী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করে দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তন আনা যায় কিনা? ইতোমধ্যে শেখ হাসিনা দেশের ইসলামপ্রিয় লোকদের বিভিন্নভাবে খুন, গুম, হত্যা, নির্যাতনের জাঁতাকলে নিষ্পেষণ করতে থাকে। জামায়াতের সাবেক আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, আবদুল কাদের মোল্লা, কামারুজ্জামান, মীর কাসেম আলীকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসি দেয়। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে একই কায়দায় ফাঁসি দেয়। জনগণ অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে। শেখ হাসিনা ব্যক্তি, দল ও দেশকে পৈতৃক সম্পদ মনে করে একাই ফ্যাসিস্টে পরিণত হয়। দেশের টাকা বিদেশে পাঠানোর সব পথ খুলে দেয়। ফলে এস আলম, সালমান এফ রহমানসহ অনেকেই হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে অবৈধভাবে পাচার করে বাংলাদেশকে দেউলিয়া বানিয়ে ফেলে। ব্যাংকগুলো খালি করে টাকা বিদেশে পাচার করে। ফলে এখন ব্যাংকগুলো আর চলতে পারছে না।
এমনি সময় ছাত্ররা তাদের কোটা সংস্কার আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ফ্যাসিস্ট হাসিনা ব্যক্তি, দল ও দেশকে তার ব্যক্তিমালিকানায় নিয়ে ভারতের বুদ্ধিতে ছাত্র-জনতার দাবি অগ্রাহ্য করে দমননীতি চালাতে থাকে। একপর্যায়ে সামরিক ও বেসামরিক শক্তির সহায়তায় শত শত মানুষকে দিনে-দুপুরে গুলি করে হত্যা করে, হাজার হাজার ছাত্র-জনতাকে আহত ও পঙ্গু করে দেয়। ছাত্র-জনতাও আর ঘরে বসে থাকেত পারেনি। কোটা আন্দোলন পরিণত হয় ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে তাড়ানোর আন্দোলনে। এ দেশের মানুষ অন্যায়কে মেনে নিতে পারে না। অন্যায়ের বিরুদ্ধে যত আন্দোলন হয়েছে, সব আন্দোলনে ছাত্র-জনতা ঝাঁপিয়ে পড়েছে। আমাদেরও ঢাকা শহরে গত ৫৪ বছরে আন্দোলনে শরিক হওয়ার সুযোগ হয়েছে। গত ৫ আগস্ট ছেলেসহ হাসিনার জেলখানায় ছিলাম। হাসিনা পালানোর পর জামায়াত-শিবিরের লোকেরা দলে দলে জেল থেকে মুক্ত হয়। এভাবে হাসিনা তার নিজের দলের ও দেশের ক্ষতি করে এখন তার দাদার দেশে নতজানু হয়ে পরবাসী হয়ে জীবনযাপন করছে। ইতোমধ্যে তার গড়া আদালতেই ফাঁসির আদেশ হয়েছে। আমরা ফাঁসি কার্যকর দেখতে চাই।
দেশ গড়তে হলে যেমন নেতার ব্যক্তিগত যোগ্যতা, দলের কার্যকারিতা এবং দেশ চালানোর শক্তি ও সামর্থ্য একান্ত জড়িত। হাসিনা তাড়ানোর আন্দোলনে যেভাবে জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা মাঠে-ময়দানে সরব ছিল, এখনো তারা দেশের ছাত্র-জনতার পাশে দাঁড়িয়েছে। ইতোমধ্যেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ ডাকসু নির্বাচনে শিবিরের অভূতপূর্ব সাফল্য এসেছে। এমনিভাবে জাকসু, চাকসু ও রাসকুতেও শিবির-সমর্থিত প্যানেল জিতে তাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, আবাসিক সুবিধা, ক্যান্টিনে খাবার মান, লেখাপড়ার পরিবেশ গঠনে ভূমিকা রেখে চলেছে। দেশের ছাত্র-জনতা ভাবতে শুরু করেছে এরাই দেশের জন্য ভালো এবং যোগ্য।
যারা এতদিন বড় দল বলে প্রচার করতো, এলাকায় পানের দোকান থেকে শহর-বন্দর সব জায়গায় চাঁদাবাজির সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে, জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে, ইনশাআল্লাহ।
জামায়াতে ইসলামী দেশের অন্যান্য ইসলামী ও স্বৈরাচারবিরোধী ব্যক্তি ও দলকে সাথে নিয়ে রাজনীতি শুরু করেছে। কয়েকদিন পূর্বে চট্টগ্রামের নেছারাবাদে আলেম সমাজের উদ্দেশে আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান আবেগঘন বক্তৃতা দিয়েছেন। আবার গত ২৩ নভেম্বর রোববার চীন-মৈত্রী হলে আলেমদের আরেক সমাবেশে যুগোপযোগী বক্তৃতায় দেশের আলেম-ইমামদের মনের কথা বলে সমাজ পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছেন। তাই ব্যক্তি, দল ও দেশ গঠনের জন্য যা যা দরকার, জামায়াতে ইসলামীর হাতে তা রয়েছে। মহান আল্লাহর ইচ্ছায় জামায়াতে ইসলামী দেশের অভ্যন্তরে ৩০০ আসনে সৎ, যোগ্য ও দুর্নীতিমুক্ত প্রার্থী দিয়ে সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান ইতোমধ্যেই বিদেশি কূটনীতিকদের সাথে দেশের বর্তমান অবস্থা এবং নির্বাচনসহ আর্থিক উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
অন্যদিকে জুলাই সনদের জন্য গণভোট আদায়ে ৮ দলসহ সবাইকে নিয়ে বিভাগীয় শহরে মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছে। নির্বাচন কমিন ইতোমধ্যেই বলেছে, সংসদ ও গণভোট একই দিনে করা চ্যালেঞ্জ। আমরাও তাই মনে করি, জুলাই সনদের ব্যাপারে কোনো ভেদাভেদ না রেখে সংসদ নির্বাচনের পূর্বেই সহজভাবে হ্যাঁ-না গণভোট আয়োজন করতে হবে। দুবার নির্বাচনে টাকার কথা এখানে মোটেই প্রযোজ্য নয়। কারণ দেশের জন্যই তো টাকা খরচ। আর প্রধান উপদেষ্টা ইতোমধ্যেই বলেছেন, জুলাই সনদ আগামী ১০০ বছরের জন্য আমাদের দিকনির্দেশনা। তাই আর বিলম্ব না করে কথিত বড় দলের কথা বাদ দিয়ে অনতিবিলম্বে গণভোটের আয়োজন করা হোক। দেশের মিডিয়াগুলোয়ও গণভোটের আয়োজন সময়ের দাবি বলে মন্তব্য করেছে। জুলাই বিপ্লবে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতার প্রাণের দাবি বলে মন্তব্য করছে। শহীদ ও আহতদের দাবি গণভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদের আইনগত ভিত্তি দেয়া। জাতীয় নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে হলে গণভোট ডিসেম্বরের মধ্যেই করে ফেলতে হবে। সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে বিলম্ব না করে অতিসত্বর ভোটের তারিখ নির্ধারণ করা এবং সে অনুযায়ী ছাত্র-জনতাকে প্রচার চালাতে উদ্বুদ্ধ করা।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতীয় ক্রান্তিকালে দেশের হাল ধরেছেন। ৮৫ বছর বয়সেও তিনি দেশ থেকে দেশান্তরে চষে বেড়াচ্ছেন দেশের উন্নতি-অগ্রগতির জন্য। তাই গণভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদ পাস করার পর এর ভিত্তিতে ফেব্রুয়ারি-২০২৬ সালে জাতীয় নির্বাচন করার উদ্যোগ নিতে হবে। এ ব্যাপারে যেসব দল ঘটা করে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই সনদ স্বাক্ষর করেছে, তাদের সহযোগিতায়ই জুলাই সনদ গণভোটে পাস করাতে হবে। কারণ দেশের মালিক জনগণ। সুপ্রিম অথরিটি। হাসিনা পালানোর সময় দেশের সংবিধান তার আঁচলে বেঁধে নিয়ে গেছে। তাই জুলাই সনদের ভিত্তিতেই আগামী জাতীয় নির্বাচন করতে হবে। জামায়াতে ইসলামীসহ ৮ দল মিলে একদিকে যেমন ব্যক্তি ভালোমানের যোগ হয়েছে, তেমনি ৮ দল দলীয়ভাবেও জনগণের আস্থার কাছে পৌঁছে গেছে। এখন দেশ গড়ার কাজ। আমার জানা মতে, দেশের উত্তরে পঞ্চগড় থেকে শুরু করে দক্ষিণে খুলনা ও টেকনাফ পর্যন্ত জনগণের যে সাড়া দেখছি, তাতে মনে হচ্ছে মহান আল্লাহ তায়ালা ৯২% মুসলমানের দেশে ইসলামকেই ক্ষমতায় আনবেন। কোনো দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ, মানিলন্ডারিংয়ের সাথে জড়িত বা আয়ের সাথে ব্যয়ের মিল নেই তাদের জনগণ ভোট দেবে না।
ছাত্র-জনতার জুলাই বিপ্লবের ধারাবাহিকতায় যেমন ছাত্ররা ডাকসু, জাকসু, চাকসু ও রাকসুতে সৎ, যোগ্য ইসলামী ধারার ছাত্রছাত্রীদের নেতা বানাতে সক্ষম হয়েছে। তাই দেশের আপামর জনতা ৫৪ বছরের গ্লানি মুছে ফেলে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে সৎ, যোগ্য, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ে তোলার কাজে ঐক্যবদ্ধভাবে সাড়া দেবেন। আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান বজ্রকণ্ঠে বলেছেন, আমরা স্বৈরাচার তাড়িয়েছি, এখন সমাজকে দুর্নীতিমুক্ত করব, ইনশাআল্লাহ। আবার বলতে চাই, ব্যক্তি, দল এবং দেশ। দেশের উন্নতি-অগ্রগতি দুর্নীতিমুক্ত করেই আমরা আমাদের দায়িত্ব পাল করব, ইনশআল্লাহ।
লেখক : সাবেক সিনেট সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।