ডাকসু, জাকসু, জকসু রাকসু ও চাকসুতে নির্বাচনী হাওয়া


২৯ আগস্ট ২০২৫ ১২:৪৯

সোনার বাংলা রিপোর্ট: ৩৬ জুলাই বিপ্লবের পর দেশে শুরু হয়েছে নির্বাচনের প্রস্তুতি। জাতীয় নির্বাচনের আগেই ডাকসুসহ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গত ২৬ আগস্ট মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়েছে। ডাকসুতে এবার প্রার্থী ৪৭১ জন। এর মধ্যে ছাত্রী ৬২ জন। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টায় ভোট গ্রহণ শুরু হবে। আগামী ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রার্থীরা প্রচার চালাতে পারবেন। ভোটের দিন ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে সেনাবাহিনী।
সর্বশেষ ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত ডাকসু ছাড়া গত দুই দশকে দেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়নি ছাত্র সংসদ নির্বাচন। এবার শুধু ডাকসুই নয়, আলোচনায় আছে জাকসু (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়), জকসু (জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) ও চাকসু (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়) নির্বাচনের জন্য প্রস্তত।
ডাকসুতে তিন স্তরের নিরাপত্তা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের আট ভোটকেন্দ্রে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
এর মধ্যে প্রথম স্তরে থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসি সদস্য ও প্রক্টরিয়াল টিম। দ্বিতীয় স্তরে পুলিশ বাহিনী মোতায়েন থাকবে।
তৃতীয় স্তরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতটি প্রবেশমুখে সেনাবাহিনী ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে অবস্থান করবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। প্রয়োজন অনুযায়ী সেনাবাহিনী ক্যাম্পাসে প্রবেশ করবে এবং ভোট শেষে ফলাফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত ভোটকেন্দ্র কর্ডন করে রাখবেন সেনাসদস্যরা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ডাকসু নির্বাচনের প্রার্থীদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক সভায় এসব কথা জানিয়েছেন ডাকসু নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা শিক্ষক-কর্মকর্তারা। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেও বিষয়গুলোর উল্লেখ রয়েছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের বরাত দিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তারা জানান, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। ইতোমধ্যে টহল টিমসহ সংশ্লিষ্ট শাখাগুলো সক্রিয় রয়েছে। নির্বাচনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোয় বহিরাগতদের প্রবেশ নিষেধ রাখার পাশাপাশি ভোটারদের জন্য অতিরিক্ত বাস ট্রিপ দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচনের সাত দিন আগে থেকে আবাসিক হলে কোনো বহিরাগত থাকতে পারবে না। নিয়মিত টহল পরিচালনার মাধ্যমে এ ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে। তবে ছাত্রীদের হলগুলোয় কখনোই বহিরাগতরা থাকতে পারেন না। নির্বাচনের আগের দিন ৮ সেপ্টেম্বর ও নির্বাচনের দিন ৯ সেপ্টেম্বর মেট্রোরেলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন বন্ধ থাকবে। নির্বাচনের দিন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পুরোপুরি সিলগালা থাকবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে এতে।
এছাড়া বৈধ শিক্ষার্থী, অনুমোদিত সাংবাদিক ও নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা ছাড়া অন্য কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না বলেও ২৬ আগস্ট অনুষ্ঠিত বৈঠকে জানানো হয়েছে। একই সাথে যেসব শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের বাইরে থাকেন, তাদের ভোট দেওয়ার জন্য বিভিন্ন রুটে বাসের অতিরিক্ত ট্রিপের ব্যবস্থা করা হবে। এসব বাস নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করতে পুলিশের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে। সভায় নিরাপত্তা সংক্রান্ত এসব সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো প্রার্থী দ্বিমত পোষণ করেননি বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। যদিও বাস্তবে সেটি দেখা যাচ্ছে না। ভোটার ও প্রার্থীদের সঙ্গে আলোচনা না করে সেনা মোতায়েনের বিরোধিতা করেছেন প্রার্থীরা। ‘আলোচনা ও সবার মতামত না নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন সিদ্ধান্তের আমরা নিন্দা জানাই। আমরা দাবি জানাচ্ছিÑ যেন সিদ্ধান্তটি দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়,’ বিবিসি বাংলাকে বলেন স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য প্যানেলের ভিপি পদপ্রার্থী উমামা ফাতেমা।
জাকসু
দীর্ঘ ৩৩ বছর পর আগামী ১১ সেপ্টেম্বর জাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনের খসড়া প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ২০ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ১৭ জন প্রার্থী রয়েছেন। গত ২৬ আগস্ট সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরোনো প্রশাসনিক ভবনের সিনেট হলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জাকসু নির্বাচন কমিশনের সদস্য সচিব অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম। তিনি জানান, মোট জমা পড়া ২৭৬টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে যাচাই-বাছাইয়ে ২০টি বাদ পড়েছে। তবে কাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে, সেটি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জাকসু নির্বাচনের খসড়া প্রার্থী তালিকায় সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ২০ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ১৭ জন, সহ-সাধারণ সম্পাদক (নারী) পদে ৯ জন, সহ-সাধারণ সম্পাদক (পুরুষ) পদে ২১ জনের নাম রয়েছে। এছাড়া শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক পদে ১৩ জন, পরিবেশ ও প্রকৃতি সংরক্ষণবিষয়ক সম্পাদক পদে ১৩ জন, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে ৯ জন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে ৯ জন, সহসাংস্কৃতিক সম্পাদক ১১ জন, নাট্য সম্পাদক পদে ৭ জন, ক্রীড়া সম্পাদক পদে ৫ জন, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক (নারী) পদে ৬ জন, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক (পুরুষ) পদে ৬ জন, তথ্যপ্রযুক্তি ও গ্রন্থাগার সম্পাদক পদে ১৪ জন, সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক পদে ১৪ জন, সহ-সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক (নারী) পদে ৫ জন, সহ-সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক (পুরুষ) পদে ৯ জন, স্বাস্থ্য ও খাদ্যনিরাপত্তা-বিষয়ক সম্পাদক পদে ১২ জন, পরিবহন ও যোগাযোগ সম্পাদক পদে ৭ জন প্রার্থী হয়েছেন।
কার্যকরী সদস্যপদে ছাত্রীদের জন্য নির্ধারিত ৩টি পদের বিপরীতে ১৭ জন এবং কার্যকরী সদস্যপদে ছাত্রদের জন্য নির্ধারিত ৩টি পদের বিপরীতে ৩২ জন প্রার্থী হয়েছেন।
প্রার্থিতা বাতিলের বিষয়ে জাকসু নির্বাচন কমিশনের সদস্য সচিব অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, জাকসু নির্বাচনের জন্য যে ২৭৬টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল, তার মধ্যে ২০টি বাতিল হয়েছে। যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে, তাদের কারও কারও পরীক্ষা ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে, ফলে তারা ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন। এর বাইরে মনোনয়নপত্রে রেজিস্ট্রেশন নম্বরসহ বেশ কিছু ভ্রান্ত তথ্যের জন্য কয়েকজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।
জকসু
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে জকসু সংবিধির প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০২তম বিশেষ সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। গত ২৬ আগস্ট মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটা থেকে রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত অনলাইনে বিশেষ এ সিন্ডিকেট সভা হয়। তবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলছেন, তাদের অপর দাবি পূরণ না হওয়ায় ও জকসুর বিষয়ে সুস্পষ্ট বার্তা তাদের হাতে না আসায় অবস্থান কর্মসূচি চলবে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জকসু) শেকড় জগন্নাথ কলেজের সময় থেকে। তখন থেকেই ছাত্রদের অধিকার রক্ষা, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম ও নেতৃত্ব বিকাশে ছাত্র সংসদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতো। ২০০৫ সালে কলেজটি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হলেও আর কোনো নির্বাচন হয়নি, ফলে দীর্ঘ সময় ধরে নির্বাচিত ছাত্র নেতৃত্ব অনুপস্থিত। বর্তমানে প্রশাসন আবারও নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোমধ্যে খসড়া আচরণবিধি ও ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে পূর্ণকালীন ও ২৬ বছরের কম বয়সি শিক্ষার্থীরা ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন। শিক্ষার্থীরা এ নির্বাচনের মাধ্যমে বহুল প্রতীক্ষিত গণতান্ত্রিক প্রতিনিধিত্ব ফিরে পাওয়ার আশায় থাকলেও ন্যায়সংগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে শঙ্কাও রয়েছে।
চাকসু
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সর্বশেষ পাওয়া খবরে গত ২৭ আগস্ট) জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট)। গত বুধবার (২৭ আগস্ট) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন চাকসু নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মনির উদ্দিন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৬ সালে এবং ১৯৭০ সালে প্রথম চাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং সর্বশেষ নির্বাচন হয়েছিল ১৯৯০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি।
রাকসু
গত ২৮ জুলাই রাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে কমিশন। তফসিল অনুসারে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। তবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-(রাকসু) নির্বাচনের মনোনয়নপত্র উত্তোলন ও জমার সময় পাঁচ দিন বাড়ানো হয়েছে; ফলে নির্বাচনের তারিখ পেছাচ্ছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। গত ২৬ আগস্ট মঙ্গলবার বিকাল পৌনে ৫টার দিকে রাকসু কোষাধ্যক্ষের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক এফ নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, নির্বাচন ঘিরে কয়েকটি পরিবর্তন আসছে। সেগুলো হলো- ভোটকেন্দ্র আবাসিক ভবনের পরিবর্তে একাডেমিক ভবনে স্থানান্তর, সাইবার সেল গঠন এবং ভোটার তালিকায় ছবি সংযুক্ত করা। প্রধান নির্বাচন কমিশনার নজরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পরিবর্তন, ডোপ টেস্টে অধিক সময় লাগাসহ বিভিন্ন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আমরা সভায় বসেছিলাম। আমাদের সভা শেষে ভোটগ্রহণের তারিখ জানানো হবে।’ প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা ভোটার তালিকায় সংযুক্ত করার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের তফসিল ঘোষণার পর এই শিক্ষার্থীরা ভর্তি হয়েছে। তাই গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।’ সংশোধিত তফসিল অনুযায়ী, ২৬ অগাস্ট পর্যন্ত মনোনয়নপত্র বিতরণের কথা থাকলেও তা পাঁচ দিন পিছিয়ে যাওয়ায় ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম তুলতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। রাকসু ও সিনেটে ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র রাকসুর কোষাধ্যক্ষের কার্যালয় থেকে এবং হল সংসদ নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র সংশ্লিষ্ট হলের প্রশাসনিক কার্যালয়ের রিটার্নিং কর্মকর্তাদের থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা যাবে।
অন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয়ও ছাত্র সংসদ নির্বাচনের জোর দাবি উঠেছে।
বিগত আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের সময় ছাত্রলীগ ছাড়া অন্য ছাত্র সংগঠনগুলো কার্যত নিষিদ্ধ ছিলো। তাই কেউ নির্বাচনের দাবি তুলতে পারেনি। এখন গণতেন্ত্রর উত্তরণের প্রক্রিয়া হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচন শুরুর এ প্রক্রিয়াকে স্বাগত জানিয়েছেন রাজনীতি বিশ্লেষকরা।