চরফ্যাশনে কাবিখা, কাবিটা ও টিআর প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও লুটপাটের অভিযোগ
৭ আগস্ট ২০২৫ ১৪:৫৯
চরফ্যাশন (ভোলা) সংবাদদাতা : ভোলার চরফ্যাশনে কাবিখা, কাবিটা ও টিআর প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রকল্প কাগজে-কলমে কাজ দেখালেও বাস্তবে তার কোনো চিহ্ন নেই। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চারফ্যাশন উপজেলায় গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কর্মসূচির আওতায় ৩ কোটি ৫৭ লাখ ৯ হাজার ৫৭৪ টাকার বিপরীতে ৭৪ টি প্রকল্প বরাদ্দ করা হয়। গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ টিআর কর্মসূচির আওতায় ২ কোটি ৬৮ লাখ ৭৩ হাজার ৫০৮ টাকার বিপরীতে ৮৫টি প্রকল্প বরাদ্দ করা হয়। অপরদিকে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কাবিখা কর্মসূচির আওতায় ২৫৫.০৬৮৪ মেট্রিক টন গম এর বিপরীতে ২৯টি প্রকল্প বরাদ্দ করা হয়। এসব প্রকল্পে মোট বরাদ্দ ছিল প্রায় ৮ কোটি টাকা। তবে ৫০ লাখ টাকারও কাজ হয়নি।
এ বিষয়ে প্রকল্পের সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার রসনা শারমিন মিথি এ প্রতিবেদককে জানান, প্রকল্পের কাজের অনিয়মের বিষয়ে আমার নিকট অভিযোগ এসেছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন এলাকায় মানব বন্ধনের খবর আমি শুনেছি। আমি অভিযোগগুলো যথাযথভাবে তদন্ত করব এবং প্রকল্প গুলো সরেজমিন পরিদর্শনপূর্বক যে সকল কাজ হয়নি, তা করার জন্য ঠিকাদারকে বলবো, অন্যথায় এসব লুটেরাদের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। এসব প্রকল্পে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, মসজিদের ইমাম ও মন্দিরের পুরোহিতকে পিআইসির সভাপতি করার বিধান থাকলেও এ বরাদ্দের বিষয়ে অনেকেই জানেন না বলে জানিয়েছেন এ প্রতিবেদককে। প্রকল্প শুরুর সাথে সাথে প্রকল্প কমিটি ও প্রকল্প বাস্তবায়নে বরাদ্দকৃত টাকার বিবরণসহ সাইনবোর্ড লাগানোর কথা থাকলেও কোথাও দেখা মেলেনি সাইনবোর্ডের।
চরফ্যাশন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জি এম ওয়ালিউল ইসলাম বলেন, প্রকল্পগুলোর কাজ সম্পন্ন না করে কেউ কেউ টাকা উত্তোলনের খবর আমি শুনেছি। আমি ইউএনও স্যারের সাথে আলাপ করে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেব।