দিনাজপুরের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে সবজি চাষে বিপ্লব


৫ জুলাই ২০২৫ ০৮:২৬

বিরামপুর (দিনাজপুর) সংবাদদাতা : দিনাজপুরের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় উপজেলাগুলোয় সবজি চাষে বিপ্লব ঘটেছে। জেলার প্রধান চাষাবাদ ধান কিন্তু পূর্বাঞ্চলীয় উপজেলা বিরামপুর, ফুলবাড়ী, নবাবগঞ্জ, হাকিমপুর, ঘোড়াঘাট উপজেলার প্রধান চাষাবাদ আমন ধান। দ্বিতীয় ইরি-বোরো, তৃতীয় স্থানে রয়েছে শাকসবজির চাষ। আলু, পেঁয়াজ, রসুন, মরিচ, পটোল, বেগুন, ঝিঙা, টমেটো, সিম, ঢ্যাড়শ কপিসহ বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি চাষে লাভজনক হওয়ায় চাষিরা ঝুঁকে পড়েছে শাকসবজির চাষে। এ অঞ্চলে সারা বছর শাক সবজি চাষ হলেও শীতকালে শাকসবজি চাষ হয় বেশি। বাজারে পাওয়া যায় আলুসহ বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। উৎপাদিত টাটকা শাকসবজি স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে পাইকাররা কিনে নিয়ে যায় জেলা শহরে। এ বছর আলু, বেগুন, পটোল, বাঁধাকপি, ফুলকপি, মরিচ, পেঁয়াজ, ঢ্যাঁড়শ, কচুরলতি চাষিদের অধিক লাভ দেখিয়েছে। ফলে দিন দিন চাষিদের শাকসবজি চাষে আগ্রহী করে তুলেছে।
পলি জমিতে শাকসবজির চাষ বেশি হলেও বিভিন্ন প্রকারের জমিতে ব্যাপক পরিচর্যার মাধ্যমে শাকসবজি চাষ করেছেন চাষিরা। উপজেলার বহু কৃষক সবজি চাষ করে এখন স্বাবলম্বী হয়েছেন। শাকসবজি চাষে বিরামপুর উপজেলায় অনেক চাষি সফলতায় সাক্ষ্য রেখেছেন।
চলতি মৌসুমে চণ্ডিপুর গ্রামের আব্দুল মজিদ বারি-১ জাতের কচুরলতি চাষ করেছেন। তিনি ২০ শতক জমিতে দেড় লাখ টাকার কচুরলতি বিক্রি করেছেন। চক বসন্তপুর গ্রামের কৃষক মুস্তাক আহমেদ ৮ শতক জমিতে মোট ১০ হাজার টাকা খরচ করে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার ঢ্যাঁড়শ বিক্রি করে ভাগ্যের পরিবর্তন করেছেন। পস্তমপুর গ্রামের কৃষক সাইফুল ইসলাম ১৬ শতক জমিতে ৩ হাজার টাকা খরচ করে ৪০ হাজার টাকা ঢ্যাঁড়শ বিক্রি করেছেন। তারা জানান, ঢ্যাঁড়শ চাষে খরচ কম, লাভ বেশি। ঝিঙা ১০ শতক জমিতে ৪০ হাজার টাকা খরচ করে প্রায় ১ লাখ টাকা বিক্রি করেন চক বসন্ত গ্রামের মোস্তাক।