আমাদের কন্যাশিশু আছিয়া
২৭ মার্চ ২০২৫ ১৬:৩৭
॥ শহীদ সিরাজী ॥
‘আছিয়া’! আমাদের ১৮ কোটির দেশের একজন কন্যাশিশু! নির্যাতনে বুকভরা কান্না নিয়ে এবং বিবেকবান দেশবাসীকে কাঁদিয়ে সে চলে গেছে ওপারের সুন্দর জীবনে। ভয়ানক হৃদয়বিদারক ঘটনা। ফেসবুকের পাতায় আর জাতীয় দৈনিকে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে এ খবর। এরপর সকলে পাঠ করেছেন ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’।
কে এই আছিয়া। প্রতিদিনই যার নাম ছাপা হচ্ছে দৈনিকের পাতায়। সেই আছিয়াকে চেনে না এমন কেউ আছে নাকি? দুর্ভাগ্যজনক হলেও ভাইরাল এ মেয়েটি আর নেই! গত ৫ মার্চ থেকে এক সপ্তাহ মৃত্যুর সাথে লড়াই করে পাড়ি জমিয়েছে না ফেরার দেশে। যে শিশুটি কিছুই বুঝেনি তারই এমন অকাল মৃত্যু! দুর্ভাগ্য আছিয়ার নয়, দুর্ভাগ্য আমাদের। যে সমাজে আছিয়ার মতো শিশু নির্মমভাবে ধর্ষণের শিকার হয়। সে সমাজের মানুষ কেবল চোখ মেলে দেখে আর হা-হুতাশ করে দায়িত্ব পালন করে। শিশুটি কবরবাসী হয়েছে, কিন্তু তার রেপিস্ট এখনো পর্যন্ত শাস্তি পাইনি।
কী এমন সেই ঘটনা!
সে ঘটনা এতটাই নির্মম, এতটাই পাশবিক, এতটাই লোমহর্ষক যে, তা কোনো ভাষারই বর্ণমালায় লেখা হোক না কেন, কিছুতেই তা সঠিকভাবে প্রকাশ করা সম্ভব হবে না।
গত ৫ মার্চ রাত ১০টার দিকে খাবার খেয়ে বড় বোন ও তার স্বামীর সঙ্গে একই কক্ষে ঘুমিয়ে ছিল শিশুটি। রাত আড়াইটার দিকে বড় বোন ঘুম থেকে জেগে দেখেন, ছোট বোন পাশে নেই, মেঝেতে পড়ে আছে। এভাবে কেন শুয়ে আছে- জানতে চাইলে শিশুটি বড় বোনকে জানায়, তার বিশেষ অঙ্গ জ্বালা-পোড়া হচ্ছে। বড় বোন মনে করে, শিশুটি ঘুমের মধ্যে হয়তো ভুল বকছে। সকাল ৬টায় আবার বোনকে সে তার যৌনাঙ্গে জ্বালা-পোড়ার কথা বলে। কারণ জিজ্ঞাসা করলে বলে, তার বাবা (শ্বশুর) তার মুখ চেপে ধরে তার কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করেন। সে চিৎকার করতে গেলে তার গলা চেপে ধরা হয়। পরে তাকে আবার বোনের কক্ষের মেঝেতে ফেলে রেখে যায়। কী নির্মমতা?
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শিশুটি আরও অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রতিবেশীদের সহায়তায় মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে গিয়ে মেয়েটিকে জিনে ধরেছে বলে চিকিৎসকদের জানান। তবে চিকিৎসক ও অন্যরা বিষয়টি টের পেলে শাশুড়ি হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান।
আন্দোলন
ঘটনা জানাজানি হলে শুরু হয় আন্দোলন।
মাগুরায় ‘আছিয়া’র ধর্ষণ ও নিপীড়নের প্রতিবাদে সেদিন থেকেই আন্দোলনে কাঁপছে সারা দেশ। প্রতিবাদ জানাতে প্রথমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মধ্যরাতেই নেমে আসেন রাস্তায়, বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। মাত্র আট বছরের শিশুকে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবিসহ নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার বিচারের দাবি জানান। এ সময় তারা ধর্ষকদের সর্বোচ্চ বিচার দাবি করে।
শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নয়, যোগ দেয় দেশের অন্যান্য খ্যাতনামা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। (স্টার অনলাইন রিপোর্ট ; রোববার মার্চ ৯, ২০২৫) ।
সারা দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ জেলা-উপজেলায় ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষও প্রতিবাদ সমাবেশ করতে থাকে। ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুততম সময়ে অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানানো হয়। কোথাও ‘ধর্ষণবিরোধী মঞ্চ তৈরি করে, কোথাও মুখে লাল কাপড় বেঁধে মৌন মিছিল করে। আবার কোথাওবা প্রতিবাদ সমাবেশ, প্রতিবাদ মিছিল করা হয়। কোথাও কোথাও করা হয় মানববন্ধন।
এই যে আন্দোলন, প্রতিবাদ হচ্ছে; এতে কিছু কি লাভ হবে? হয়তো রেপিস্ট শাস্তি পেলেও পেতে পারে, কিন্তু ভিকটিম কী ফিরে পাবে তার জীবন? নাকি সমাজ থেকে বন্ধ হয়ে যাবে এ ধরনের ধর্ষণ! যেদেশে ধর্ষণের বিষবৃক্ষ রোপণ করে তাকে সযতনে বড় করা হয়, সেদেশে এ ধরনের ধর্ষণ ফল তো ধরবেই ।
পত্রিকার রিপোর্ট
‘সাতক্ষীরা প্রতিদিন’ ১৪ মার্চ ২০২৫ রিপোর্ট করেছে ধর্ষণের শিকার ৪৩ হাজার নারী শিশু।
পতিত স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের সময়ে শেষ ছয় বছরেই ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৭ হাজার শিশুসহ প্রায় ৪৩ হাজারের বেশি নারী। এ সময়ে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ১ লাখ ৩৭ হাজার নারী। অপহরণের শিকার হয়েছেন ২৮ হাজার ৪৮ নারী ও শিশু।
ধর্ষণ যখন মহামারি
সব ভয়ংকর ভয়ংকর ঘটনা ঘটছে এদেশে। ধর্ষণ থেকে রেহায় পাচ্ছে না ৬ মাসের শিশু থেকে ৮০ বছরের বৃদ্ধাও। প্রক্ষাগৃহে যেমন মহাসমারহে চললে সিনেমা তেমনই দেশের ট্রেনে, বাসে, লঞ্চে ও সর্বত্রই মহাসমারোহে এখন চলছে ধর্ষণ, কখনো গণধর্ষণ।
বিস্ময়কর ব্যাপার জাতির মগজকে ভয়ংকর পশুত্বের পোকা এমন ভাবে খেয়েছে যে; ধর্ষণের মতো ভয়ংকর মহামরি থেকে এখন এমনকি রক্ষা পাচ্ছে না ভাই থেকে বোন, শিক্ষক থেকে ছাত্রী, ছাত্র থেকে শিক্ষিকা, পুলিশ থেকে বিচারপ্রার্থী নারী।
কোথায় ধর্ষণ হচ্ছে না এখন! চিকিৎসা নিতে গিয়ে নারী ধর্ষিতা হচ্ছে। ভোট না দেওয়ায় জনসম্মুখে ধর্ষিত হয়েছে নারী ভোটার। ত্রাণ নিতেও হয়েছে ধর্ষিতা। এমন ন্যক্কারজজনক ঘটনা ছেলে-মেয়ের সামনে মাকে, ভাইয়ের সামনে বোনকে, স্বামীর সামনে স্ত্রীকে, মায়ের সামনে মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছে। এই সোনার দেশে কী ভয়ংকর চিত্র!
দায়ী কে
এক্ষেত্রে ফ্যাসিস্ট হাসিনার সরকারই ছিল এমন বিষবৃক্ষের ভয়ংকর চাষি। তাদের পুলিশের তথ্যেই সে প্রমাণ পাওয়া যায়।
পুলিশ সদর দপ্তর বলছে, গত পাঁচ বছরে দেশে ধর্ষণের ঘটনাগুলো ছিল উদ্বেগজনক। ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ৫ বছরে দেশে ধর্ষণের ঘটনায় ৩৪ হাজার ৪৭০টি মামলা করা হয়েছে। এ সময়ে থানায় করা মামলার মধ্যে পুলিশ ৬১০০ ধর্ষণের মামলা তদন্ত শেষে ৯০০০ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে। আরো অনেক মামলার তদন্ত প্রক্রিয়াধীন আছে।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত (বিগত ৬ বছরে) ৪৩ হাজার ৪৭২টি ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। এ সময় নারী নির্যাতনের ঘটনায় মামলা হয়েছে ১৭ হাজার ৫৭১টি।
ছাত্রলীগের হাতে যত ধর্ষণ
সকলের নিশ্চয়ই মনে আছে ২০২৪-এর ৩ ফেব্রুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিরাগত এক দম্পতিকে ডেকে এনে স্বামীকে আটকে রেখে তার স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। এ অভিযুক্তরা আর কেউ ছিল না, ছিল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ছাত্রলীগ ক্যাডাররা।
এছাড়া ২০২০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে তার সম্মুখেই স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। আর নৃশংস এ ঘটনায় জড়িত ছিল ছাত্রলীগের সক্রিয় ছয় কর্মী।
তাছাড়া এ বাংলাদেশে জঘন্যতম ইতিহাস হয়ে আছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা। ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতা জসিমউদ্দিন মানিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০০তম নারী ধর্ষণের উৎসব পালন করেছিল। কে ছিল সেই মানিক? সেই সোনার ছেলে আর কেউ নয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক।
ধানের শীষে ভোট দেয়ার কারণে লক্ষ্মীপুরে সন্তানের জননীকে ধর্ষণ করে আওয়ামী ক্যাডাররা।
এছাড়া রয়েছে ছাত্রলীগের আরও কত ধর্ষণকাহিনী, যার কিছু আছে ইতিহাসের পাতায় লেখা আর কিছু রয়েছে ভুক্তভোগীদের হৃদয়ের পাতাতে, যা কখনোই হয়তো আত্মপ্রকাশ করবে না।
ধর্ষণ কেমন অপরাধ?
ধর্ষণ কোনো ছোট-খাটো অপরাধ নয়। সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য মারাত্মক হুমকি এক জঘন্য অপরাধ। এর শাস্তিও অত্যন্ত কঠোর।
ধর্ষণে বহুমাত্রিক অপরাধ সংঘটিত হয়। কমপক্ষে তিন ধরনের অপরাধ সংঘটিত হয়। তা হলো ১. ব্যভিচার, ২ বল প্রয়োগ ও ভীতি প্রদর্শন, ৩ সম্ভ্রম লুণ্ঠন।
এ তিনটিই পৃথক পৃথক শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ধর্ষণে যেহেতু এ তিনটি অপরাধের সমন্বয় ঘটে, তাই বলার অপেক্ষা রাখে না যে ধর্ষণ কতটা গুরুতর অপরাধ।
জঘন্য এ অপরাধ দমন করা সমাজ রাষ্ট্রের জন্য আবশ্যকীয়। দমন করা না গেলে সমাজের শান্তি, শৃঙ্খলা ও স্থিতি মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হবে বিশেষ করে নারীর জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠবে। ইসলামী আইনে ধর্ষণের শাস্তি জীবন কঠোর অমার্জনীয় তেমন অপরিহার্য।
নিজেদের মূল্যায়ন কীভাবে করবেন?
সর্বশেষ ধর্ষিত ছোট্ট শিশু আছিয়া। বাংলাদেশে ধর্ষণের ইতিহাসে সর্বশেষ নাম। একটা দুর্ভাগ্যের পোস্টার! কী জঘন্যতম নৃশংস ঘটনা। এ জঘন্য ঘটনাটি নিজেদের অবস্থান থেকে আমরা কীভাবে মূল্যায়ন করবো?
আমরা কী দাবি করি না যে, আমরা একটি স্বাধীন-সার্বভৌম সভ্য দেশের নাগরিক? নিশ্চয়ই! এমন একটি দেশে এমন জঘন্য বর্বরোচিত ঘটনা ঘটেছে এর জন্য কাকে দায়ী করবো? এখানে স্মরণ রাখা দরকার; এ দেশ সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিমদের বাস। আর ইসলামে ধর্ষণ জঘন্যতম অপরাধ। সংবিধানেও আমরা ভরসা রাখছি আল্লাহর উপরে।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে কেবল সেই ধর্ষক একাই কি এর জন্য দায়ী? সমাজ কিংবা রাষ্ট্র কি এর দায়ভার থেকে মুক্ত? এদেশে হাজার হাজার ধর্ষণ হয়েছে, নারী নির্যাতনের মতো ঘটনা ঘটছে। দেশ বা রাষ্ট্র তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নিয়েছে? কি শাস্তি দিয়েছে? যদি যথাযথ শাস্তি দেয়া হতো, তাহলে এমন ঘটনা কী ঘটতো?
তৎকালীন আরবে সমাজ ব্যবস্থা ছিল জাহেলিয়াতের। নবীজির আগমনের পরে যে রাষ্ট্র ব্যবস্থা তিনি দিয়েছিলেন; তার ফলে অন্যান্য অপরাধের পাশাপাশি এ ধর্ষণও সম্পূর্ণরূপে নির্মূল হয়েছিল। ইতিহাস ও সমাজবিজ্ঞানের বলছে এটার কারণ ছিল ইসলামী আইন এবং তার কঠোর প্রয়োগ।
প্রাসঙ্গিক উদাহরণ
সম্প্রতি সৌভাগ্য হয়েছে আমার ইউরোপ ভ্রমণের। সেখানে দেখেছি, কোনো ইভটিজিং কিংবা নারী নির্যাতনের মতো ঘটনা ঘটে না। আরো জোর দিয়ে বলা যায়, ঘটতে পারে না। কারণ জিজ্ঞাসা করতেই তারা জানালেন, নারীদের ব্যাপারে এখানে আইন খুবই কঠোর। কোনো নারী যদি কখনো কোনো পুরুষের ওপরে এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ করে, তা তাহলে সে পুরুষের লাইফ শেষ। সে চাকরি হারাবে, গুনতে হবে জরিমানা আর জেলে পচে মরতে হবে। এ ব্যাপার কেউ রেহাই পায়নি, রেহাই পাবে না। এমন কঠোর আইনের কারণে সেখানে নারী নির্যাতন, ধর্ষণ; এমনকি ইভটিজিংয়ের মতো ঘটনাও ঘটে না।
আমরা সভ্য নাগরিকরা এটা কীভাবে মেনে নিতে পারি যে, আমাদের সন্তানরা ধর্ষণের শিকার হবে, নির্যাতিত হবে? এ ব্যাপারে আমাদের সকলকে শুধু সোচ্চার হলেই হবে না শুধু মিটিং মিছিল স্লোগান দিলে হবে না বরং আইন করে কঠোর হাতে দমন করতে হবে।
আরো একটি বিষয় লক্ষণীয় : ছোট্ট শিশু আছিয়ার ধর্ষণ থেকে আমাদের চোখ, বিবেকবোধ খুলে যাওয়ার কথা। কোনো নারী; সে শিশু হোক কিংবা বৃদ্ধা; কেউ নিরাপদ নয়। যেমন নিরাপত্তা পাইনি আছিয়া তার নিকট আত্মীয় থেকেও। এখানে দেবর-ভাবী কিংবা শালি-দুলাভাই তো সাক্ষাৎ মৃত্যুর মত। যে কথা ইসলামে বলা হয়েছে। এ জঘন্য কালচার বদলাতে হবে। যার যার অবস্থান থেকে সচেতন হয়ে বিষবৃক্ষের শেকড় কাটতে হবে।
বাঁচতে হলে প্রতিষেধক নিতে হবে। কঠোরভাবে যদি পর্দা আইন মানা হয়, যদি সমাজ থেকে যৌনতা ছড়িয়ে দেওয়ার সব অলিগলি, রাজপথ বন্ধ করা হয়, তাহলেই কেবল এ ধরনের জঘন্য অপরাধ থেকে দেশ ও জাতি নিরাপদ হবে। এখন সময় এসেছে; ৩৬ জুলাই বিপ্লবের সরকারকে সেই পথেই হেঁটে দেশ ও জাতিকে বাঁচাতে হবে।
আইনে ধর্ষণের শাস্তি যেমন কঠোর অমার্জনীয় তেমন অপরিহার্য।
লেখক : কবি, সম্পাদক, মাসিক সৃজনধারা ।