আ’লীগ নিষিদ্ধে সোচ্চার দেশ


২৭ মার্চ ২০২৫ ১৬:১৪

॥ সৈয়দ খালিদ হোসেন ॥
জুলাই গণঅভ্যুত্থান ঠেকাতে ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি চালিয়ে গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল ও দলটির রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে দেশজুড়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। ক্ষমতায় থাকাকালে আওয়ামী লীগ দেশের অসংখ্য মানুষকে গুম করেছে। গুম হওয়া ব্যক্তিদের বছরের পর বছর আয়নাঘরে বন্দি করে রেখেছে। ওই বন্দিদশা থেকে কেউ কেউ মুক্তি পেলেও অনেকের এখনো হদিস মিলছে না। বিনাবিচারে হাজার হাজার মানুষকে খুন করা হয়েছে। বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিকে নিঃশেষ করে দিতে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল-জুলুমসহ করা হয়েছে অবর্ণনীয় নির্যাতন। এসব অপকর্মে আওয়ামী লীগের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে পুরো দেশ। যার ফলে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে দলটির শীর্ষনেতা শেখ হাসিনাকে। সম্প্রতি রিফাইন্ড বা পরিশোধিত আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক মাঠে আনা নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা শুরু হওয়ায় দলটির নিবন্ধন বাতিলসহ তাদের রাজনীতি নিষিদ্ধে সোচ্চার হয়ে ওঠে দেশের প্রতিটি ক্যাম্পাসসহ রাজপথ।
ঢাবিতে ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে টানা আন্দোলন
আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) অবস্থান কর্মসূচি পালন শুরু করে ‘বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ’ নামে একটি সংগঠন। সংগঠনটি প্রথমে টানা ২৪ ঘণ্টা ঢাবি ক্যাম্পাসে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়লে পরবর্তীতে সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত কর্মসূচির সময় নির্ধারণ করা হয়। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব ফজলুর রহমানের সঙ্গে কথা হয় এ প্রতিবেদকের। তিনি জানান, টানা অবস্থান কর্মসূচি পালন করার কারণে সংগঠনের অনেক সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এ কারণে ২২ মার্চ থেকে অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। তবে এপ্রিলে দেশজুড়ে কর্মসূচি দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানান এ ছাত্রনেতা। তিনি জানান, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ।
আ’লীগের নির্বাচন ও রাজনীতি প্রশ্নে সিদ্ধান্ত নেবেন আদালত
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বিএনপি বিশ্বাস করে, আওয়ামী লীগকে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদের অধীনে বিচারের সম্মুখীন করা উচিত। কিন্তু আওয়ামী লীগ নির্বাচন করতে পারবে কিনা, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে পারবে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত আদালত নেবেন।’ সালাহউদ্দিন একইসঙ্গে সরকারকে অভিযুক্ত করে বলেন, প্রাথমিকভাবে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনার জন্য আইনি সংশোধনের পরিকল্পনা করা হলেও পরে সরকার তা থেকে সরে এসেছে। বিএনপির মতে, বাংলাদেশের জনগণ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের ‘ফ্যাসিবাদী রাজনীতি’কে প্রত্যাখ্যান করেছে। আওয়ামী লীগ তাদের অপরাধের জন্য অনুশোচনা প্রকাশ করেনি বা ক্ষমা চায়নি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সরাসরি এ বিষয়ে কথা না বললেও, তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সতর্ক করে বলেছেন, আগের সরকারের পলাতক সহযোগীদের রাজনৈতিক পুনর্বাসনের সুযোগ যেন না দেওয়া হয়।
পুনর্বাসন জনগণ মেনে নেবে না
আওয়ামী লীগের রাজনীতি প্রসঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান গত ২১ মার্চ নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করেন। ওই পোস্টে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন জনগণ মেনে নেবে না’। তিনি পোস্টে লেখেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সর্বস্তরের জনগণকে সংযত, সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থেকে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানাই। বাংলাদেশ এখন ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁক অতিক্রম করছে। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনের পর ২৪-এর ৩৬ জুলাই আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের একান্ত মেহেরবানিতে উপহার হিসেবে পেয়েছি। এজন্য মহান রবের দরবারে অসংখ্য-অসংখ্য শুকরিয়া। তিনি বলেন, এ সময় দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য পতিত ফ্যাসিবাদীরা দেশের ভেতরে এবং বাইরে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। বাংলাদেশের নির্যাতিত ১৮ কোটি মানুষের দাবি, গণহত্যাকারীদের বিচার, ২৪-এর শহীদ পরিবারগুলোর পুনর্বাসন, আহত এবং পঙ্গু অসংখ্য ছাত্র, তরুণ, যুবক ও মুক্তিকামী মানুষের সুচিকিৎসা একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে ১৫ বছরের সৃষ্ট জঞ্জালগুলোর মৌলিক সংস্কার সাধন করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণ অগ্রাধিকার ভিত্তিতেই গণহত্যার বিচারটাই দেখতে চায়। এর বাইরে অন্য কিছু ভাবার কোনো সুযোগ নেই। আমরা সর্বস্তরের জনগণকে সংযত, সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থেকে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানাই।
আ’লীগের নিবন্ধন বাতিল ও রাজনীতি নিষিদ্ধ চায় এনসিপি
আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিষিদ্ধ ও নিবন্ধন বাতিল চায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটিকে নিষিদ্ধের দাবিতে সারা দেশে বিক্ষোভ চলমান রাখার ঘোষণা দিয়েছেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। গত ২১ মার্চ রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসসিপিপ্রধান বলেন, গণহত্যাকারী ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার চলাকালীন আওয়ামী লীগ ও সব সহযোগী সংগঠনের রাজনৈতিক কার্যক্রমকে নিষিদ্ধ করতে হবে। এ মাফিয়া গোষ্ঠীর রাজনীতিতে ফেরানোর যেকোনো প্রচেষ্টাকে এনসিপি প্রতিহত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করছে। তিনি আরও বলেন, এনসিপি মনে করে, বিচারের কার্যক্রম দৃশ্যমান হতে হবে। আত্মপ্রকাশের পর থেকে আমরা দ্ব্যর্থহীনভাবে বলেছি, দায় স্বীকার, অনুশোচনা-পাপমোচন ব্যতীত আওয়ামী লীগের দল হিসেবে ক্রিয়াশীল থাকার যেকোনো ধরনের তৎপরতা ফ্যাসিজম পুনর্বাসনের শামিল।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে মনে রাখতে হবে, আওয়ামী লীগ কোনো গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক দল নয়। বরং এটি একটি ফ্যাসিবাদী দল। নির্বাচনের ভোটের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের পরাজয় ঘটেনি। দল হিসেবে আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণহত্যা চালিয়েছে। ফলে বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী বাংলাদেশ থেকে উৎখাত হয়েছে। আওয়ামী লীগ এ মুহূর্তে গণতান্ত্রিক ফ্রেমওয়ার্কের বাইরে অবস্থান করছে। আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে দেওয়ার যেকোনো ধরনের আলোচনা এনসিপি দৃঢ়তার সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করে। আওয়ামী লীগ দল এবং মতাদর্শের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জনগণ ৩৬ জুলাই মতামত জানিয়ে দিয়েছে। দল মতাদর্শ হিসেবে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের রাজনীতি করার সব অধিকার হারিয়েছে। গণহত্যাকারী ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার চলাকালীন আওয়ামী লীগ ও সব সহযোগী সংগঠনের রাজনৈতিক কার্যক্রমকে নিষিদ্ধ করতে হবে। আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যের বিষয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগ কর্তৃক সংঘটিত পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড, আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ড, গুম, ক্রসফায়ার, ভোট ডাকাতিসহ জুলাই হত্যকাণ্ডের বিচারের কার্যকর অগ্রগতির দৃশ্যমান হওয়ার আগে রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল পদ থেকে এ ধরনের মন্তব্য অনাকাক্সিক্ষত।
আ’লীগ নিষিদ্ধ চায় শহীদ পরিবার
গত ২৪ মার্চ সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংগঠন ‘জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি’। মানববন্ধনে শহীদ পরিবারের সদস্যরা বিগত ১৬ বছরে ফ্যাসিবাদী শাসনের সময় সব গুম, হত্যা, খুনের বিচার দাবি করেন। পাশাপাশি জুলাইয়ের হত্যার বিচার ত্বরান্বিত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি প্রদানের কথা জানায়। শহীদ পরিবারের সদস্যরা বলেন, কোনোভাবে আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে রাখা যাবে না। কোনো দল বা গোষ্ঠী যদি আঁতাত করার মাধ্যমে ওই দলকে ফেরাতে চায় তবে তারা দেশের শত্রু। মানববন্ধন থেকে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবি তোলা হয়।
বিচারের মাধ্যমে আ’লীগ নিষিদ্ধের দাবি
গত ২২ মার্চ শনিবার শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এক সমাবেশের আয়োজন করে। ওই সমাবেশে অংশ নিয়ে এনসিপি দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ‘আমরা কোনো নির্বাহী আদেশে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ চাই না। আওয়ামী লীগ যত গণহত্যা করেছে, যত গুম করেছে, যত অপরাধ করেছে, তার বিচার করেই দলটিকে নিষিদ্ধ করার দাবি করেছি।’ হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘পৃথিবীতে কোথাও এমন নজির নেই, যারা গণঅভ্যুথানের মধ্য দিয়ে পালিয়ে যায় তাদের আবার নির্বাচনের সুযোগ করে দেয়। কোনো আওয়ামী লীগকে বাংলার মাটিতে পুনর্বাসন করা হবে না বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘ভারতীয় আধিপত্যবাদ আর বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না।’
দেশজুড়ে সমাবেশ বিক্ষোভ অব্যাহত
এনসিপি সদস্য সচিব আখতার হোসেন আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধে সারা দেশ থেকে ঢাকামুখী হয়ে আরেকটি গণঅভ্যুত্থানের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেন, শরীরে একবিন্দু রক্ত থাকতে আওয়ামী লীগকে রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না। গত ২২ মার্চ দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে এক সমাবেশে ‘ওয়ারিঅরস অব জুলাই’ প্ল্যাটফর্ম থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
এছাড়া আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ও গণহত্যার বিচার দাবিতে ঢাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ। আহতদের সমাবেশে হাত হারানো আতিকুল গাজী বলেন, আওয়ামী লীগকে কোনোভাবে পুনর্বাসন করা যাবে না। যদি করতে হয় আমার হাত ফিরিয়ে দিতে হবে। দুই হাজার শহীদের জীবন এবং ত্রিশ হাজার আহতকে সুস্থ করে দিতে হবে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন কোনোভাবেই করতে দেব না। অন্তর্বর্তী সরকারকে বলব, যেভাবেই হোক হাসিনাকে দেশে এনে ফাঁসিতে ঝোলান, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করুন।
আহত মাকসুদুর রহমান বলেন, দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, ’২৪-এর অভ্যুত্থানের পরও যোদ্ধাদের আবার মাঠে নামতে হচ্ছে। অথচ সেই খুনি হাসিনার বিচার এখনো হলো না। অবিলম্বে আপনারা সাবধান হন, নইলে জুলাই যোদ্ধারা আবার আপনাদের বিরুদ্ধে রাজপথে নেমে আসবে।
ওয়ারিঅরস অব জুলাইয়ের আহ্বায়ক আবু বকর সিদ্দিক বলেন, একটি অভ্যুত্থান হয়েছে কিন্তু বাংলাদেশের প্রত্যেকটা সেক্টরে খুনি হাসিনার দোসররা নানা ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। দুই হাজার লাশ এবং হাজারো আহতের অঙ্গহানির ওপর রাষ্ট্র দাঁড়িয়ে আছে। অবিলম্বে খুনি হাসিনার বিচার নিশ্চিত করতে হবে। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। গত ২২ মার্চ বিকেলে ঢাবির রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ। আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও বিচারের দাবিতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মশাল মিছিল ও সমাবেশ করেছে এনসিপি। গত ২৩ মার্চ রাত ১০টায় দলটির মোহাম্মদপুর জোনের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এছাড়া দেশের প্রায় সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, বিভাগীয় শহর, জেলা শহর, উপজেলা ও পৌর শহরে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে।

রুশ বোমারু বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৬
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৮:০৩