বিভিন্ন স্তরের অংশীজনদের সম্মানে ইফতার মাহফিলে ডা. শফিকুর রহমান

যৌক্তিক সময়ের মধ্যে সংস্কার শেষ করে দ্রুত নির্বাচন দিন


২০ মার্চ ২০২৫ ১৩:০৭

গত ১৫ মার্চ শনিবার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিভিন্ন স্তরের অংশীজনদের সম্মানে এক ইফতার মাহফিলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানসহ নেতৃবৃন্দ

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে যৌক্তিক সময়ের মধ্যে সংস্কার শেষ করে দ্রুত নির্বাচন দেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। যৌক্তিক সময় বলতে সংস্কারের জন্য যতটুকু সময় প্রয়োজন, তার বেশি নয়। ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের কবল থেকে মুক্ত পরিবেশে ইফতার মাহফিলে উপস্থিত হতে পেরে মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি, আলহামদুলিল্লাহ। আমাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে এ ইফতার মাহফিলে যারা শরিক হয়েছেন, আমি তাদের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি এবং দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ কামনা করছি। আপনাদের ধন্যবাদ জানানোর কোনো ভাষা আমি খুঁজে পাচ্ছি না। আমি সম্মানের সাথে স্মরণ করছি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে যারা জীবন দিয়েছেন ও আহত হয়েছেন, তাদের। মহান রাব্বুল আলামিন নিহতদের শহীদ হিসেবে কবুল করুন ও আহতদের দ্রুত সুস্থতা দান করুন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান জাতীয় নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ, পেশাজীবী, শিক্ষাবিদ, কবি-সাহিত্যিক, ডাক্তার, সাংবাদিক, গবেষক, ব্যবসায়ী ও সমাজের বিভিন্ন স্তরের অংশীজনদের সম্মানে গত ১৫ মার্চ শনিবার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক ইফতার মাহফিলে এসব কথা বলেছেন। ইফতার মাহফিলের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবং পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫৪ বছর কেটে গেছে, বহুবার ক্ষমতার হাতবদল হয়েছে, যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে আমরা দেশকে স্বাধীন করেছিলাম তা আজও পূরণ হয়নি। কেন পূরণ হয়নি, তা বিশ্লেষণের অবকাশ নেই। আমাদের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি মেলাতে পারছি না। যারাই ক্ষমতায় গেছে, তারাই নিজেদের ভাগ্য গড়েছে। দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। স্বাধীনতার পর থেকে এ দেশে অস্থিরতা চলে আসছে। জুলুম-নির্যাতন কখনোই বন্ধ হয়নি। জাতি অন্ধকার থেকে মুক্তি পায়নি। মাগুরার ৮ বছরের একটি অবুঝ শিশুকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে, এটা অত্যন্ত লজ্জা ও বেদনার। আমরা তার জানমাল ও ইজ্জতের নিরাপত্তা দিতে পারিনি। এটা জাতির জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। রাষ্ট্র যদি মানুষকে উপযুক্ত শিক্ষা দিতে পারে, তাহলেই মানুষ প্রকৃত মানুষ হতে পারে। আমাদের দেশে শিক্ষিত লোকের অভাব নেই। কিন্তু প্রকৃত শিক্ষার অভাব রয়েছে। প্রকৃত শিক্ষার অভাবে মানুষ সত্যিকার মানুষ হতে পারছে না। দোয়া করি, এ জাতিকে যেন আমরা প্রকৃত নৈতিক শিক্ষা দিতে পারি। শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। সেই মেরদণ্ড যদি শক্ত না হয়, তাহলে সেই জাতি কীভাবে শক্ত হবে। এজন্য জাতিকে নৈতিক শিক্ষা দিতে হবে। তাহলেই জাতি শক্তিশালী হবে।
ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, জামায়াতের শীর্ষ ৫ নেতাকে বিচারের নামে প্রহসন করে হত্যা করা হয়েছে। আরও ৬ নেতাকে কারাগারে বন্দি রেখে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুবরণ করতে বাধ্য করেছে।
তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পরে জাতি মুক্তি পেয়েছে। জেলখানা থেকে অনেকেই মুক্তি পেয়েছেন। কিন্তু আমাদের প্রিয় নেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম মিথ্যা মামলায় এখনো জেলখানায় অমানবিক যন্ত্রণা ভোগ করছেন। অবিলম্বে তাকে মুক্তি দেয়া হোক। আর যেন আইনের মারপ্যাঁচে তাকে বন্দি করে রাখা না হয়। আমাদের আজহারুল ইসলাম ভাইকে অবিলম্বে আমাদের মাঝে যেন ফিরিয়ে দেওয়া হয়- এ কামনা করি।
বিগত জালেম সরকার অনেকের হাত-পা ভেঙে দিয়েছে। চোখ তুলে ফেলেছে। বাড়ি থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে। অনেকের ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, তারা সবসময় আমাদের দেশ ছাড়ার হুমকি দিতো। কিন্তু আমরা দেশ ছেড়ে চলে যাইনি, যাবও না। কারণ আমরা বাংলাদেশকে ভালোবাসি। আওয়ামী লীগ দেশকে জুলুম-নির্যাতন আর জাহেলিয়াতের অন্ধকারে ডুবিয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। দেশে জনগণ চায় আওয়ামী জাহেলিয়াত আর ফিরে না আসুক।
এ ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাস, বিএনপি নেতা সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র এডভোকেট জয়নাল আবেদীন, খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমীর মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমীর মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মুনির হোসাইন কাসেমী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ ইউনুস আহমদ, কৃষক শ্রমিক জনতা পার্টির সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান, বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের নেতা মাওলানা মুনতাসিম বিল্লাহ মাদানী, জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ, জাগপার চেয়ারম্যান রাশেদ প্রধান, ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গাণি, লেবার পার্টির সভাপতি ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক আন্দোলনের চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, এনপিপির চেয়ারম্যান এডভোকেট ফরহাদুজ্জামান ফরহাদ, সারোয়ার কামাল আজিজি, আমীর নেজামে ইসলাম পার্টি, কল্যাণ পার্টির মহাসচিব আবু হানিফ, আজিজুল হক আজিজ হবিগঞ্জী, হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মুসাবিন ইজহার, মাওলানা আবু তাহের জিহাদী, আমীর, ইসলামী কানুন বাস্তবায়ন কমিটি, মুফতি ফয়জুল্লাহ আশরাফী, মহাসচিব, ইসলামী কানুন বাস্তবায়ন পরিষদ, মাওলানা শায়েখ কামাল উদ্দীন জাফরী, বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ, মাওলানা মোসাদ্দেক বিল্লাহ মাদানী, প্রেসিডিয়াম সদস্য, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, অধ্যাপক ড. আহমদ আব্দুল কাদের, মহাসচিব, খেলাফত মজলিস, মাওলানা আবু জাফর কাসেমী, আমীর, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, মুফতি ফখরুল ইসলাম, মহাসচিব, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের নেতা অধ্যাপক মাওলানা আশরাফ আলী আকন, মাওলানা এনামুল হক মুসা, মহাসচিব, বাংলাদেশ আইম্মা পরিষদ, পীরজাদা মাও নেসারুল হক, সভাপতি, জাতীয়তাবাদী ওলামা দল, মুফতি ইজহারুল হক, চেয়ারম্যান, ইসলামী ঐক্যজোট একাংশ, মুফতি ইয়ামিন, মহাসচিব, জনসেবা আন্দোলন, বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মুফতি মাওলানা কাজী ইব্রাহিম, বিশিষ্ট আলেমেদীন মাওলানা মুফাজ্জল হোসেন খান, মাওলানা তাওহিদুল আনোয়ার, পরিচালক, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, মুফতি সাঈদ আহমাদ মোজাদ্দেদী, চেয়ারম্যান, শরীয়াহ সুপারভাইজার কমিটি, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কাজী হারুন, ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোরশেদুল হক ও পরিচালক আবদুল জলিল, বিশিষ্ট সাংবাদিক দৈনিক সংগ্রামের সাবেক সম্পাদক আবুল আসাদ, দৈনিক সংগ্রামের সম্পাদক আযম মীর শাহীদুল আহসান, মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, দৈনিক ইনকিলাবের সম্পাদক বাহাউদ্দিন, দৈনিক যুগান্তর সম্পাদক আবদুল হাই শিকদার, দি নিউনেশন সম্পাদক মোস্তফা কামাল মজুমদার, দৈনিক নয়া দিগন্তের সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিন ও নির্বাহী সম্পাদক মাসুমুর রহমান খলিলী, কালবেলা সম্পাদক সন্তোষ শর্মা, সাপ্তাহিক সোনার বাংলার বার্তা সম্পাদক ফেরদৌস আহমদ ভূইয়া ও চিফ রিপোর্টার হারুন ইবনে শাহাদাত, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, সাবেক সেক্রেটারি সরদার ফরিদ, দৈনিক সংগ্রামের বার্তা সম্পাদক সা’দাত হোসাইন,প্রধান-প্রতিবেদক সামছুল আরেফিন, মানবতা বিরোধী অপরাধ ট্রাইবুনালের অতিরিক্ত চিফ প্রসিকিউটর মিজানুর রহমান, সাবেক সচিব ড. মিয়া মুহাম্মাদ আইয়ুব, সাবেক সচিব ফজলুর রহমান, কর্নেল আইয়ুবুর রহমান, পেট্রোবাংলার এমডি কামারুজ্জামান, কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল হক, ইবনে সিনা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু নাসের মুহাম্মাদ আব্দুজ্জাহের, কৃষিবিদ কামাল উদ্দিন, বারির সাবেক মহাসচিব কৃষিবিদ ড. শহিদুল ইসলাম, বিএলআরআইয়ের সাবেক পরিচালক ড. মুহাম্মাদ জাহাঙ্গীর আলম, বিজেডিএসের সাবেক ডিজি ড. আবদুল জব্বার, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. এমএ হান্নান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. আবদুল লতিফ মাসুম, সাপ্তাহিক সোনার বাংলার চেয়ারম্যান একেএম রফিকুন্নবী, কৃষিবিদ সমিতির সভাপতি আসাদুজ্জামান রিন্টু। কবি সাহিত্যিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কবি আল মুজাহিদী, মোশাররফ হোসেন খান, হাসান আলীমসহ দেশের নবীন-প্রবীণ একঝাঁক কবি ও কথাসাহিত্যিক।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এবং নায়েবে আমীর ও সাবেক এমপি মাওলানা আ ন ম শামসুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, সাবেক এমপি হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা আবদুল হালিম, এডভোকেট মোয়াযম হোসাইন হেলাল ও এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়ার বিভাগের সেক্রেটারি এডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য আব্দুর রব, সাইফুল আলম খান মিলন ও মোবারক হোসাইন, জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর নূরুল ইসলাম বুলবুল ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এডভোকেট জসিম উদ্দিন সরকার, এডভোকেট মশিউল আলম, ড. মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানী, চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর সাবেক এমপি শাজাহান চৌধুরী, গাজীপুর মহানগরী আমীর অধ্যাপক মো. জামাল উদ্দিন, কুমিল্লা মহানগরীর আমীর কাজী দ্বীন মুহাম্মাদ, ঢাকা দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মোহম্মদ রেজাউল করিম, কেন্দ্রীয় অফিস সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুস সাত্তার, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
শহীদ আবু সাঈদের দুই ভাই রমজান আলী ও আলী হোসেন এবং জামায়াত-শিবিরের শহীদ ও মাজলুম নেতাদের পরিবারের সদস্য এবং ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের বেশ কয়েকটি শহীদ পরিবারের সদস্যগণ ইফতার মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন। মহাগ্রন্থ আল কুরআন থেকে তেলাওয়াতের মাধ্যমে ইফতার মাহফিল শুরু হয়। ইফতারির পূর্ব মুহূর্তে আমীরে জামায়াত মাহফিলে উপস্থিত সবাইকে নিয়ে দেশ ও জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে আল্লাহর নিকট দোয়া করেন। অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পীরা ইসলামী সঙ্গীত পরিবেশন করেন।