কলঙ্কমুক্তি : পলাতক বিচারকদের বিচার
২০ মার্চ ২০২৫ ১৩:০০
॥ জামশেদ মেহ্দী॥
গত বছরের ৫ আগস্টের পর, অর্থাৎ জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের পরিসমাপ্তির পর সারা দেশে গণতন্ত্র, মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং মানবাধিকার সুরক্ষার স্বাধীনতার সুবাতাস বইছে। একটি গণঅভ্যুত্থান বা গণবিপ্লবের গর্ভ থেকে ড. ইউনূস সরকারের জন্ম হলেও গত সাড়ে ৭ মাস হলো এ সরকার রাজনৈতিক কারণে কারো বিরুদ্ধে কোনোরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। অবশ্য তাই বলে কেউ যদি বলতে চান যে আওয়ামী লীগ এবং তার দোসরদের স্বাধীনতা কোথায়? তার উত্তরে শুধু একটি কথাই বলা যায়Ñ গত ৫ আগস্ট কোনো রাজনৈতিক দল বা জোট নয়, বাংলাদেশের ১৭ কোটি ৪০ লাখ মানুষ ঘর থেকে বের হয়ে শেখ হাসিনাকে দেশ থেকে বিতাড়িত করেছেন। ৫ আগস্টের পর হাজার হাজার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, আওয়ামী ব্যবসায়ী প্রমুখ স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে গেছেন। আত্মগোপন বলতে বোঝায় প্রধানত ভারতে আশ্রয়গ্রহণ।
দিল্লির সাংবাদিক গৌতম লাহিড়ী বলেছেন, এ পর্যন্ত ভারতে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৪৫ হাজার নেতাকর্মী বৈধ বা অবৈধ পথে ভারতে এসেছেন। এদের ৯০ শতাংশই আশ্রয় নিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গে। অবশিষ্ট ১০ শতাংশের মধ্যে অধিকাংশই আশ্রয় নিয়েছেন ত্রিপুরায়। আর অবশিষ্টরা আশ্রয় নিয়েছেন আসামে। তবে দিল্লিতে কর্মরত বাংলাদেশের দুটি দৈনিক পত্রিকার প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, দিল্লিতেও কিছু কিছু বাংলাদেশিকে দেখা যাচ্ছেÑ যাদের সাথে কথা বলে জানা যাচ্ছে, তারা প্রাণভয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। এই যে ৪৫ হাজার পলাতক বাংলাদেশি, তারা কিন্তু পুলিশের ভয়ে দেশান্তরী হননি। তারা দেশান্তরী হয়েছেন জনগণের ভয়ে। কলকাতায় আশ্রয় নেওয়া অনেক বাংলাদেশি খোলাখুলি বলেছেন, বাংলাদেশে তাদের দেখলে জনগণ মারধর করবেন। এ চিত্র থেকেই বোঝা যায়, স্বাধীনতার যে সুবাতাস এখন বাংলাদেশে বইছে, সেই সুবাতাস ঐসব বাংলাদেশির জন্য নয়, যারা মাত্র ২১ দিনে দেড় হাজার মানুষকে হত্যা করেছে, ২৬ হাজার মানুষকে আহত করেছে, দেড় হাজার মানুষের অঙ্গহানি করেছে এবং অন্তত ৫০০ মানুষের দৃষ্টিশক্তি কেড়ে নিয়েছে। এদের সরকার যদি কিছু নাও বলে তাহলেও জনগণ ছাড়বে না।
জুলুমবাজির অবসান ঘটাচ্ছে ধীরে ধীরে। আওয়ামী লীগ সরকার অন্তত ২ লাখ রাজনৈতিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অন্তত ৬০ লাখ মামলা দায়ের করেছিল। এদের একটি অংশকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। অবশিষ্টরা গত ১৫ বছর পলাতক জীবন যাপন করেছেন। পলাতক সময়ে যাপিত জীবন ছিল চরম দুর্বিষহ। ৫ আগস্ট দেশ দ্বিতীয়বার স্বাধীন হলে পলাতক মানুষ আন্ডারগ্রাউন্ড থেকে বেরিয়ে আসেন। এখন তারা খোলা আকাশের নিচে প্রকৃতির নির্মল বাতাসের স্বাদ গ্রহণ করছেন। অনেকের মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। অনেকে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা মামলা থেকে বেকসুর খালাস পেয়েছেন।
এ সরকার রাজবন্দি এবং রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ব্যাপারে যে কতখানি উদার, তার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হলেন বিএনপির অবিসংবাদিত নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। দেশ দ্বিতীয়বার স্বাধীন হওয়ার পর সরকার প্রথম যে কাজটি করে সেটি হলো বেগম জিয়ার প্রায় সব মামলা নির্বাহী আদেশে প্রত্যাহার করা। এ সাড়ে ৭ মাসে সরকার অনেক বড় বড় নেতাসহ অনেকের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনা কর্তৃক গৃহীত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বাতিল করেছে। একজন সুপরিচিত রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে ৯ বছর আগে মামলা করা হয়েছে। কিন্তু ৯ বছরেও কোনো চার্জশিট দেওয়া হয়নি। আড়াই বছর পর তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। এরই মধ্যে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যেতে চান। কিন্তু আওয়ামী সরকার ৭ বছর পর্যন্ত তার পাসপোর্ট আটকে রাখে। এ সরকার এসে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তার পাসপোর্ট ফেরত দেয়।
প্রায় সব রাজনৈতিক দল ও নেতার প্রতি এমন উদার মনোভাব দেখালেও কতিপয় ব্যক্তি আছেন, যারা শেখ হাসিনার আমলে গুরুদণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন। এদের অনেকে দেশের বাইরে রয়েছেন। এরা দেশে ফিরতে পারছেন না। কারণ তাদের দণ্ডাদেশ এখনো বহাল রয়েছে। এখন যদি তারা দেশে ফেরেন, তাহলে ঐ দণ্ডাদেশ মোতাবেক তাদের দেশে ফেরামাত্রই গ্রেফতার করা হবে। এদের ব্যাপারে সরকার এবং বিচার বিভাগকে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা গ্রহণ করতে হবে। বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানসহ অনেকের মামলা নিষ্পত্তি করতে গিয়ে সরকার এবং আদালত দেখেছেন, ইনসাফের নামে তাদের ওপর ঘোরতর বেইনসাফি করা হয়েছে। বিজ্ঞ আইনজীবী এবং প্রাজ্ঞ ব্যক্তিদের অনেকের মতে, এ বেইনসাফি তাদের ক্ষেত্রেও করা হয়েছে, যাদের যুদ্ধাপরাধের বিচারের নামে প্রহসনের বিচার করে দুনিয়া থেকে চিরতরে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার পর এটি দিনের আলোর মতো পরিষ্কার হয়ে গেছে, যে এসব মামলা অসৎ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে করা হয়েছিল এবং এর মাধ্যমে শেখ হাসিনা তারা জিঘাংসাবৃত্তি চরিতার্থ করেছেন। ১৯৮১ সালে দেশে ফেরার আগে শেখ হাসিনা বিবিসির তৎকালীন বাংলা বিভাগের পরিচালক মরহুম সিরাজুর রহমানকে বলেছিলেন, তিনি বাংলাদেশে যাচ্ছেন তার পিতৃ হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য। তার এ উক্তির পেপার কাটিং অনেকের কাছেই মজুদ রয়েছে।
সাম্প্রতিককালে ভার্চুয়ালমাধ্যমে বেশ কয়েকজন দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত, কিন্তু বিদেশে অবস্থানকারী বিশিষ্ট ব্যক্তির সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে। শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনামলে এ ধরনের সাক্ষাৎকার নেওয়ার চেষ্টা কল্পনারও অতীত ছিল। কারণ কেউ যদি এ ধরনের ইন্টারভিউ নেওয়ার চেষ্টা করতেন, তাহলে পরদিন তার বাসায় গিয়ে হাজির হতো র্যাব অথবা ডিবি। তারপর কপালে জুটত আয়নাঘর। ড. ইউনূসের আমলে সেই ভয় কেটে গেছে। এখন ভার্চুয়ালমাধ্যমে যাদের ইন্টারভিউ নেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- কর্নেল (অব.) ডালিম, যিনি মেজর ডালিম নামেই সমধিক পরিচিত। আরো সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, কর্নেল (অব.) আব্দুর রশিদ, কর্নেল (অব.) শাহরিয়ার, মেজর (বরখাস্ত) জিয়াউল হকের। এছাড়া বিডিআর ম্যাসাকারে যাদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে এবং যারা গ্রেফতার এড়াবার জন্য বিদেশ চলে গেছেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন কর্নেল (অব.) মুস্তাফিজ, ক্যাপ্টেন শাহনাজ জাহান, মিসেস তানভির আহমেদ প্রমুখ। আরো একজনের ইন্টারভিউ নেওয়া হয়েছে- তিনি হলেন- ব্রিগেডিয়ার (অব.) হাসান নাসির। তবে ব্রিগেডিয়ার নাসির তার ইন্টারভিউটি স্বদেশ থেকে নাকি বিদেশ থেকে দিয়েছেন, সেটি পরিষ্কার বোঝা যায়নি।
ওপরে যাদের নাম উল্লেখ করা হলো, তাদের প্রত্যেকে তাদের ইন্টারভিউতে অনেক অজানা কিন্তু চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। মেজর জিয়াউল হককে অন্তত ৩টি অভিযোগে ৩ দফা মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। মেজর জিয়াউল হক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ছিলেন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি সেনাবাহিনীর সোর্ড অব অনার পাওয়া অফিসার। মেজর জিয়াউল হক দাবি করেছেন, তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছিল, সবগুলোই ডাহা মিথ্যা। তিনি যদি সুযোগ পান, তাহলে আদালতে দাঁড়াতে প্রস্তুত আছেন এবং তার, নির্দোষিতার অকাট্য প্রমাণ হাজির করবেন। আরেকজন সোর্ড অব অনার পাওয়া অফিসার হলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর মরহুম অধ্যাপক গোলাম আযমের পুত্র ব্রিগেডিয়ার (অব.) আব্দুল্লাহিল আমান আযমী। তাকে ৮ বছর আয়নাঘরের গুমখানার অন্ধ প্রকোষ্টে বন্দি রাখা হয়েছিল।
মাওলানা আবুল কালাম আজাদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছেন সুপরিচিত ইউটিউবার কনক সরোয়ার। সুদীর্ঘ সাক্ষাৎকারে মাওলানা আজাদ দাবি করেছেন, তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বর্ণে বর্ণে মিথ্যা। এ ইন্টারভিউয়ের সাথে একটি তথ্যচিত্রও দেখানো হয়। ঐ তথ্যচিত্রে সাংবাদিক মাওলানা আজাদের গ্রামে যান। তিনি অসংখ্য লোকের সাথে কথা বলেন। তারা সকলেই বলেছেন, মাওলানা সাহেব কোনো অপরাধ করা তো দূরের কথা, তিনি বরং একাধিক মুক্তিযোদ্ধাকে বিপদের সময় আশ্রয় দিয়েছেন।
মেজর ডালিমও তার ইন্টারভিউয়ে অনেক অজানা তথ্য দিয়েছেন। শেখ মুজিবের মামলায় তার মৃত্যুদণ্ড হয়েছে। কিন্তু ইতোমধ্যেই একাধিক পত্রপত্রিকায় প্রশ্ন তোলা হয়েছে- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট যে ঘটনা ঘটেছিল, সেটি কি হত্যাকাণ্ড ছিল? নাকি রক্তাক্ত সামরিক অভ্যুত্থান? এ ব্যাপারে দৈনিক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের সাথে যুক্ত অনেক গ্রন্থের প্রণেতা গবেষক মহিউদ্দিনের একটি মন্তব্য আমরা নিচে তুলে ধরছি। ডেইলি স্টারে ৮ কলামজুড়ে প্রকাশিত ঐ ইন্টারভিউয়ে শেখ মুজিবের পতন সম্পর্কে মহিউদ্দিন বলেন, There was no scope for any change of power through elections. When there is no option to change a Government, people either accept it or stage a coup. That is what happened. In August 1975, we witnessed a coup through which the regime changed. Sheikh Mujib had left no other options. (Daily Star, January 25, Page 9). বঙ্গানুবাদ: নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনের কোনো সুযোগ ছিল না। যখন সরকার পরিবর্তনের কোনো সুযোগ থাকে না, তখন জনগণ হয় সেই সরকারকে গ্রহণ করে, অথবা একটি সামরিক অভ্যুত্থান ঘটায়। আমরা দেখেছি তেমন একটি অভ্যুত্থান, যার মাধ্যমে সরকারের পরিবর্তন ঘটেছিল। শেখ মুজিব আর কোনো বিকল্প রাখেননি। (ডেইলি স্টার, জানুয়ারি ২৫, পৃষ্ঠা ৯)। এ একই কথা দৈনিক প্রথম আলোর প্রথমা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত পুস্তক, ‘বেলা অবেলা’তেও লেখা হয়েছে। বইটির লেখক জনাব মহিউদ্দিন।
আমরা এখানে মাত্র দু-তিনটি উদাহরণ দিলাম। ওপরে যেসব ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের প্রত্যেকের ইন্টারভিউয়ে অজানা কিন্তু আলোড়ন সৃষ্টিকারী তথ্য দেওয়া হয়েছে।
যুদ্ধাপরাধের বিচার সম্পর্কে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারের মন্তব্যটি এখানে প্রণিধানযোগ্য। তিনি বলেছেন, শেখ মুজিবের আমলে যুদ্ধাপরাধের জন্য যে তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছিল তাতে যুদ্ধাপরাধের সঙ্গে জামায়াতের কারো সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। যে কারণে শেখ মুজিব নিজেই সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তি দিয়েছিলেন এবং আত্মসমর্পণকারী পাকিস্তানি সৈন্যদের পাকিস্তানে ফেরত পাঠিয়ে ওই সমস্যার সমাধান করে গিয়েছেন। জামায়াতের সাবেক আমীর অধ্যাপক গোলাম আযম সুপ্রিম কোর্টে মামলা করে নির্দোষ প্রমাণ হয়েই তিনি তার নাগরিকত্ব ফিরে পেয়েছেন।
জামায়াত সেক্রেটারি বলেন, শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চ বানিয়ে বিচারপতিদের ভয় দেখিয়ে যে বিচার করা হয়েছে, তা ছিল বিচারের নামে একটি প্রহসন। তার প্রমাণ স্কাইপ কেলেঙ্কারি, সাবেক বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বক্তব্য, মাওলানা সাঈদীর মামলার সাক্ষী সুখরঞ্জন বালির বক্তব্য। এমনকি ব্রিটিশ সুপ্রিম কোর্টে হাসিনা সরকারের ওই বিচার গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। এ থেকেই প্রমাণ হয়, ১৯৭১ সালে জামায়াত নেতাদের যুদ্ধাপরাধের সহযোগী হওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
কৃত অপকর্মের জন্য অর্থাৎ স্বৈরাচারের দোসর হওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্টের যেসব বিচারপতি জনতার রুদ্ররোষ থেকে প্রাণভয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন, তাদের করা বিচার এবং বিচারের রায় অবশ্যই এ মুক্ত-স্বাধীন বাংলায় প্রশ্নবিদ্ধ। তাই বস্তুনিষ্ঠতার স্বার্থে ঐসব দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে দেশে ফিরে যদি বর্তমান সুপ্রিম কোর্টে পুনর্বিচারের আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হয়, তাহলে দেশ অনেক অবিচার ও বেইনসাফির কলঙ্ক থেকে মুক্ত হবে বলে সৎ ও ন্যায়পরায়ণ বুদ্ধিজীবীরা মনে করেন।