রমজান সামনে রেখে সক্রিয় সিন্ডিকেট

তেল চাল ছোলা মুরগিসহ নিত্যপণ্য মূল্যে অস্থিরতা


২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১৪:৪৭

॥ সাইদুর রহমান রুমী ॥
আসন্ন রমজানেও সিন্ডিকেটের কবলে অনেক নিত্যপণ্যের বাজার। এ বছর ইংরেজি মাসের সাথে রমজান মাসও প্রায় একই সময়ে শুরু হচ্ছে। অনে বেড়ে যায়। এ মাসে বাজারের কিছু নিত্যপণ্যের চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। এ সুযোগটি কাজে লাগিয়ে একশ্রেণির ব্যবসায়ী নিত্যপণ্যের মজুদদারি এবং কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছে। তেল, চাল, ছোলা, মুরগিসহ অনেক পণ্যের দামেই ইতোমধ্যে অস্থিরতা শুরু হয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পণ্যের কোনো সংকট না থাকার কথা বললেও বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ভোজ্যতেলে ব্যাপক কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে। অন্যদিকে চিঁড়া-মুড়ি, ছোলা-বুট, ফলমূল, সবজি, মাছ-গোশত, মুরগি, ডিমসহ রমজানে চাহিদাসম্পন্ন পণ্যগুলোর দামও বাড়তে শুরু করেছে।
ভোজ্যতেলে তেলেসমাতি : রমজান সামনে রেখে বাজারে তেল নিয়ে শুরু হয়েছে তেলেসমাতি কারবার। বিশ্ববাজারে দাম নিম্নমুখী থাকার কারণে বিগত কয়েক মাসে বিপুল আমদানির পরও ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ক্রেতাদের জিম্মি করছে। এক বছরের ব্যবধানে প্রায় চার লাখ টনের বেশি ভোজ্যতল আমদানি হলেও বাজারে এর প্রভাব নেই। উল্টো ৬ থেকে ৭টি কোম্পানি তেলের বাজার ঘিরে কারসাজি অব্যাহত রেখেছে। প্রতিষ্ঠানগুলো জোটবদ্ধ হয়ে চার মাস ধরে সরবরাহ কমিয়ে তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেছে। এতে প্রায় বাজারশূন্য হয়ে পড়ছে বোতলজাত সয়াবিন তেল। ফলে রমজানে সয়াবিন তেলের বড় সংকট হতে পারেÑ এমন শঙ্কা প্রকাশ করছেন ক্রেতারা। তাদের মতে, সরকারিভাবে দাম বাড়াতেই প্রতিষ্ঠানগুলো ক্রেতাদের জিম্মি করছে।
এদিকে দেখা গেছে, পাঁচ থেকে ছয় দোকান ঘুরেও এক-দুই লিটারের বোতলজাত তেল পেলেও তা বোতলের গায়ের দামের চেয়ে বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে। এক লিটারের বোতলের গায়ে সরকার নির্ধারিত মূল্য ১৭৫ টাকা লিখা থাকলেও কিনতে হচ্ছে ১৯০-১৯৫ টাকায়। পাঁচ লিটারের বোতলের গায়ে ৮৫০ টাকা লিখা থাকলেও নেয়া হচ্ছে ৯২০-৯৩০ টাকা। এ পরিস্থিতিতে আরও এক ধাপ এগিয়ে অসাধু খুচরা বিক্রেতারা। তারা লিটারে ২৫ টাকা বাড়তি লাভের আশায় বোতল খুলে ড্রামে ঢেলে খুচরা বিক্রি করছেন। দাম রাখছেন ২০০-২১০ টাকা লিটারে। তবে খোলা সয়াবিন তেলের সরকার নির্ধারিত মূল্য ১৫৭ টাকা।
অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনাকারী বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন বলেছে, বছরে দেশে ভোজ্যতেলের চাহিদা ২৩ থেকে ২৪ লাখ টন। এর মধ্যে রমজানেই চাহিদা ৩ লাখ টন। দেশে ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এ বছরের ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত আমদানি হয়েছে ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৫৪৮ টন। এছাড়া দেশীয়ভাবে উৎপাদন করা হয় ২ লাখ ৫০ হাজার টন। আর আমদানি পর্যায়ে এখনো পাইপলাইনে আছে ৮ লাখ ১২ হাজার ৫৬৫ টন। অর্থাৎ দেশীয় বাৎসরিক চাহিদার প্রায় ৪/৫ লাখ টন বেশি সয়াবিন আমদানি হলেও বাজারে সংকট দেখানো হচ্ছে। আবার আন্তর্জাতিক বাজারেও এ বছর মূল্য নিম্নমুখী।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার দোকান ঘুরে দেখা গেছে, পর্যাপ্ত তেল দেখা গেলেও দোকানিরা বলছেন, তেলের সংকট চলছে। ডিলার পর্যায় থেকে মিলছে না পর্যাপ্ত।
রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আল্লাহর দান স্টোরের বিক্রেতা জানান, ভোজ্যতেলের বাজারে এখনো অস্থিরতা চলছে। রোজার আগে আরেক দফা দাম বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তাও মিলছে না পর্যাপ্ত তেল। যেখানে ১০ কার্টন বোতলজাত তেল প্রয়োজন, সেখানে মিলছে মাত্র ১টি। তাও সঙ্গে কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে ডাল-আটা ও সুজির মতো পণ্য।
এটিকে রোজার আগে সিন্ডিকেটের নতুন কৌশল দাবি করে ভোক্তারা বলছেন, বাজারে পর্যাপ্ত তেল রয়েছে। তবে রোজায় দাম বাড়ানোর জন্য ইচ্ছে করে মজুদ করছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের এ সিন্ডিকেট না ভাঙতে পারলে রোজায় সাধারণ মানুষকে কষ্ট ভোগ করতে হবে। সরকারি মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করে সিন্ডিকেটগুলো শনাক্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীর অভিযোগ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের দিকে। তারা বলছেন, সরকারি সংস্থা শুধু ছোট-মাঝারি ডিলার- দোকানিদের জরিমানা করে দায় এড়াচ্ছে। অথচ কোনো মিলে গিয়ে তদারকি কিংবা জরিমানা করছে না। ডিলার এবং দোকানিরা জানান, কোম্পানিগুলো তাদের জানিয়েছে, তাদের হাতে মজুদ কম। তেলের জাহাজ দেশের পথে, আসলে দাম কমতে পারে। অর্থাৎ আমদানিকারকরা কৃত্রিম সংকট তৈরির জন্য বোতলজাত তেল মজুদ করছেন। রমজান সামনে রেখে তারা সংকট দেখিয়ে সরকারকে চাপে ফেলে দাম বাড়ানোর কৌশলে হাঁটছেন। গত জানুয়ারিতেই আমদানিকারকরা ট্যারিফ কমিশনে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেন। তবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় রমজানে দাম বাড়বে না বলে সাফ জানিয়ে দেয়। এরপর থেকেই ভোজ্যতেল নিয়ে ভেলকি শুরু করে তারা। খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীর কথার সত্যতা মেলে দুই মাস আগের ভোজ্যতেল-কাণ্ডের ঘটনায়। গত ৯ ডিসেম্বর লিটারে ৮ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাজারে বোতলজাত তেলে ভরে যায় বাজার।
চাল ছোলা মুরগি গোশতের দামও ঊর্ধমুখী
এ বছর ছোলা আমদানি বেড়েছে। বিশ্ববাজারে দামও পড়তির দিকে। কিন্তু স্থানীয় পর্যায়ে প্রভাব নেই। বরং রোজায় বাড়তি মুনাফা লুটতে অনেকে ছোলার মজুদ করেছেন। বছরের ব্যবধানে দাম বেড়েছে কেজিতে ২০ টাকা। দোকানিরা দোষ চাপাচ্ছেন পাইকারদের ওপর। আর পাইকাররা বলছেন, ভোক্তার পকেট কাটছেন খুচরা দোকানিরা। গত নভেম্বরে ১ টন ছোলা আমদানি করতে দরকার হতো ৮০০ থেকে ৯০০ ডলার। আর এখন ৬৫০ থেকে ৭০০ ডলার দিয়ে ১ টন ছোলা আমদানি করা হচ্ছে। রাজস্ব পরিশোধ, ব্যবসার খরচ ও মুনাফা বিবেচনায় নিলে ১ কেজি ছোলার দাম হওয়ার কথা সর্বোচ্চ ৮৫ খেকে ৯০ টাকা। কিন্তু পাইকারি পর্যায়ে সেই ছোলা বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১০৫ টাকায়। খুচরা দোকানে দাম পড়ছে ১২০ টাকা।
রোজায় ছোলার চাহিদা বাড়ে। বিষয়টি বিবেচনায় রেখে, অনেকে ছোলার বাজারে মজুদ গড়ে তুলছেন। রাজধানীর মৌলভীবাজারে পাইকারি পর্যায়ে সাধারণ মানের ছোলার দাম ৯৫ টাকা আর ভালো মানের ছোলা ১০০ থেকে ১০৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অথচ গত বছর রোজার সময় প্রতি টন ৬৮০ ডলার দরে আমদানি করা ছোলা খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায়। পর্যাপ্ত আমদানি হলেও খুচরা দোকানে দামে প্রভাব পড়েনি। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা দরে। পাইকারি পর্যায়ে বাড়তি দামকে দুষছেন দোকানিরা। ক্রেতারা বলছেন, ছোলার দাম বেড়েই চলছে। বাজারে তদারকি না থাকার সুযোগ নিচ্ছেন অনেক ব্যবসায়ী। রোজার মাসে ছোলার চাহিদা ৭০ হাজার টন।
গত বছর রোজার আগে সিন্ডিকেট করে চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছিল ব্যবসায়ীরা। এবার সেই প্রবণতা শুরু হয়েছে দুই মাস আগে থেকেই। বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে প্রতি কেজি মিনিকেট ৮০-৮৪ টাকা, আটাইশ ৫৮-৬০ টাকা, মোটা স্বর্ণা ৫২-৫৬ টাকা, নাজিরশাইল ৭৬-৮৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি কেজি পোলাওর চাল বিক্রি হচ্ছে ১১৬-১১৮ টাকায়। রাজধানীর প্রগতি সরণী ইনসাফ রাইচ এজেন্সির বিক্রেতা বলেন, চালের দাম কমেনি। বস্তায় সামান্য কিছু কমলেও সেটি নগণ্য। মিল পর্যায়ে তদারকি নেই। এখানে তদারকি না বাড়ালে সামনে দাম আরও বাড়তে পারে।
রোজা আসন্ন, তাই মুরগির বাজারও চড়া। কেজিতে ১০-১৫ টাকা বেড়ে গেছে ব্রয়লার মুরগির দাম। বিক্রি হচ্ছে ২১০ থেকে ২২০ টাকায়। আর প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ৩২০-৩৪০ টাকা, দেশি মুরগি ৫৫০-৬০০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৪০ টাকা ও লাল লেয়ার বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকায়। আর জাতভেদে প্রতি পিস হাঁস বিক্রি হচ্ছে ৭০০-৮৫০ টাকায়। হঠাৎ করে মুরগির এ দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছেন ক্রেতারা। হাতিরপুল এলাকার মুরগি ব্যবসায়ী হাসেম জানান, রোজা এবং এতদিনের পিকনিক উপলক্ষে মুরগির চাহিদা বেড়ে গেছে। তাছাড়া বিয়ে-শাদি চলছে। যার প্রভাবে বাজার সামান্য চড়া।
এদিকে রোজা উপলক্ষে চাহিদা বেড়েছে গরুর গোশতেরও। এতে কোনো কোনো বাজারে কেজি ৫০ টাকা বেড়েছে। বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি গরুর গোশত বিক্রি হচ্ছে ৭৫০-৮৫০ টাকায়। এছাড়া প্রতি কেজি খাসির গোশত ১ হাজার ৫০ টাকা থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা ও ছাগলের গোশত বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার টাকায়।
তবে স্থিতিশীল রয়েছে ডিমের দাম। প্রতি ডজন লাল ডিম ১৩০-১৩৫ টাকা ও সাদা ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়। আর প্রতি ডজন হাঁসের ডিম ২৩৫-২৪০ টাকা ও দেশি মুরগির ডিম ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রমজান ও সরবরাহ সংকট দাবি করে নতুন করে বাড়ছে লেবুর দাম। বর্তমানে আকার ও জাতভেদে প্রতি ডজন লেবু বিক্রি হচ্ছে ১৩০-১৮০ টাকা পর্যন্ত।
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের লেবু ব্যবসায়ী রইস বলেন, চাহিদার তুলনায় বাজারে লেবুর সরবরাহ কম। এছাড়া সামনে রমজান। সব মিলিয়ে বাজার চড়েছে। রোজার মধ্যে দাম আরও বাড়তে পারে
সংশ্লিষ্টরা কী বলছেন
বাংলাদেশ পাইকারি ভোজ্যতেল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বলেন, তিন মাস ধরেই সংকট। আমদানিকারকদের দাবি অনুযায়ী, চার দিনের মধ্যে পরিশোধন করে বাজারে বোতলজাত তেল সরবরাহ করা সম্ভব বলে আমি মনে করি না।
ট্যারিফ কমিশনের তথ্য বলছে, সবচেয়ে বেশি ভোজ্যতেল উৎপাদন সক্ষমতা টিকে গ্রুপের। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিদিন সাড়ে ৭ হাজার টন তেল পরিশোধন করতে পারে। এরপর রয়েছে সিটি গ্রুপ। তাদের দৈনিক পরিশোধন ক্ষমতা সাড়ে ৩ হাজার টন। মেঘনা গ্রুপ দিনে পরিশোধন করতে পারে ২ হাজার ৪০০ টন। এভাবে ১২ প্রতিষ্ঠান ভোজ্য তেল মার্কেট নিয়ন্ত্রণ করে।
এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক টিকে গ্রুপের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, আমাদের জাহাজ আসার কথা ছিল জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে অথচ এখনো আসেনি। ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে এসেছে। এগুলো পরিশোধন চলছে, বাজারে শিগগিরই চলে আসবে।
দেশে সরকার বদল হলেও সিন্ডিকেট ভাঙা সম্ভব হয়নি বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদ ও সংশ্লিষ্টরা। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় মুষ্টিমেয় কিছু ব্যবসায়ীর কাছে বাজার ব্যবস্থাপনা পুরোপুরি জিম্মি ছিল। সরকার বদলের পরও সেই জিম্মিদশা থেকে মুক্তি মেলেনি ভোক্তার। এটি খুবই হতাশার। তবে রাতারাতি এসব ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণ করাও অসম্ভব। কারণ সরকার কিছুদিন বেশি কঠোর হয়ে দেখেছে এসব আমদানীকারকরা পরিস্থিতি আরো নাজুক করে দেয়।
বাণিজ্য সচিব বলেন, ‘বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নিয়মিত বাজার তদারকি করছে। রমজান সামনে রেখে আরও নিবিড় তদারকি চলবে। যে পরিমাণ আমদানি হচ্ছে এক সপ্তাহের মধ্যে স্বাভাবিক হয়ে যাবে। তাছাড়া আমদানি বাড়াতে সহজে অর্থায়ন করা হবে ব্যবসায়ীদের। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, সিন্ডিকেট রয়ে গেছে আগের মতোই।’ সমস্যার শিকড় মূলত এখানেই। আমাদের দেশে নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির একটি অন্যতম কারণ হলো অবৈধ মজুদ সিন্ডিকেট। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার এগুলো পুষে রেখেছিল।
কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন বলেন, সংকটের কোনো কারণ নেই। আমরা বিগত বছরে দেখেছি দেশে ৫ থেকে ৬টি কোম্পানি তেলসহ প্রায় ভোগ্যপণ্য নিয়ন্ত্রণ করেছিল। তারাই রোজা ঘিরে এমন কারসাজি করছে।