সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি জমির উদ্দিন সরকারের ইন্তেকাল
১২ জুলাই ২০২৬ ১৫:৩৩
প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতাসহ বিভিন্ন মহলের শোক
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার, ৫২’র ভাষাসৈনিক, সাবেক মন্ত্রী ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার ইন্তেকালে উপমহাদেশের রাজনীতির ইতিহাসের একটি উজ্জ্বল নক্ষত্রের পতন হলো, যে শূন্যতা কোন দিন পূরণ হবে না, মনে করেন, রাজনীতি বিশ্রেষকরা।
সুপ্রিম কোর্টের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রোববার ভোর ৪টা ১৯ মিনিটের দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন।
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। তিনি ১৯৩১ সালের ১ ডিসেম্বর পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার নয়াবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
জমির উদ্দিন সরকারের সহধর্মিণী নূর আখতার ২০২৩ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি এক কন্যা ও দুই পুত্রসন্তান রেখে গেছেন। তাঁর পুত্র ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
জমির উদ্দিন সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ও এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ১৯৬১ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে যান। সেখানে লন্ডনের লিংকনস ইন থেকে ‘ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল’ ডিগ্রি লাভ করেন।
দেশে ফিরে তিনি আইন পেশায় যুক্ত হন। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সংবিধান, দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনের একজন খ্যাতিমান বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ২০০১ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে ২০০৯ সালের ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অষ্টম জাতীয় সংসদের স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই তিনি দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
বিভিন্ন সময়ে তিনি গণপূর্ত ও নগর উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, ভূমি প্রতিমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার, ৫২’র ভাষা আন্দোলনের সৈনিক ও বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির এক প্রজ্ঞাবান, অভিজ্ঞ, সৎ ও নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিত্ব। সুদীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে তিনি সততা, প্রজ্ঞা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে তিনি শিক্ষামন্ত্রী, ভূমি প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবং গণপূর্ত ও নগর উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পালন করেছেন।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে সুসংহত করা, সংসদীয় সংস্কৃতির বিকাশ এবং জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের অবদান জাতি চিরকাল গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।’
জমির উদ্দিন সরকার আজীবন বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আদর্শে অবিচল ছিলেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি দলের দীর্ঘ সংগ্রাম, প্রতিকূলতা ও দুঃসময়ের কোনো পর্যায়েই, কোনো পরিস্থিতিতেই আদর্শচ্যুত হননি। রাজনৈতিক দমন-পীড়ন ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি নিষ্ঠা, প্রজ্ঞা ও দৃঢ়তার সঙ্গে দলীয় জাতীয়তাবাদী আদর্শকে সমুন্নত রেখেছেন।’
বিগত দীর্ঘ ১৭ বছরের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে মরহুমের বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং মানুষের মৌলিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তাঁর অবিস্মরণীয় অবদান বিএনপি’র ইতিহাসে যেমন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে থাকবে, তেমনি দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায়ও এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে থাকবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে দেশ একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ, দক্ষ সংসদীয় ব্যক্তিত্ব এবং সত্যিকারের দেশপ্রেমিককে হারাল। তাঁর আদর্শ, প্রজ্ঞা, সততা ও কর্মময় জীবন আগামী প্রজন্মের রাজনীতিকদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত ও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।’
প্রধানমন্ত্রী মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে মরহুমের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করার জন্য প্রার্থনা করেন। একই সঙ্গে তিনি মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও অসংখ্য গুণগ্রাহীর প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের ইন্তিকালে বিরোধীদলীয় নেতার শোক প্রকাশ
জাতীয় সংসদের মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান ১২ জুলাই এক শোক বার্তায় বলেন, “১২ জুলাই রবিবার ভোর ৪টা ১৯ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাংলাদেশের সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার, সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ইন্তিকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আমি তাঁর ইন্তিকালে গভীর শোক, বেদনা ও দুঃখ প্রকাশ করছি।”
শোকবার্তায় ডা. শফিকুর রহমান মরহুমের বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের কথা স্মরণ করে বলেন, “বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন একজন দেশবরেণ্য ও খ্যাতিমান সিনিয়র আইনজীবী। একই সাথে একজন পরিচ্ছন্ন ও দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ হিসেবে দীর্ঘদিন অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে তিনি তাঁর পেশাগত ও রাজনৈতিক দায়িত্ব পালন করেছেন।”
তিনি আরও বলেন, “জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দলমত নির্বিশেষে তিনি সবার কাছে সমাদৃত ও শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন। বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দসহ রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার ব্যক্তিদের প্রতি তিনি অত্যন্ত সহানুভূতিশীল ছিলেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তিনি বিভিন্ন সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আইনি ও রাজনৈতিক পরামর্শ দিয়েছেন।”
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মহানুভবতার কথা উল্লেখ করে আমীরে জামায়াত বলেন, “বিভিন্ন সময়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দের আইনি লড়াইয়ে তিনি অন্যতম প্রধান আইনজীবী হিসেবে আদালতে দাঁড়িয়েছেন। অত্যন্ত সংকটের সময়েও তিনি কোনো ধরনের পারিশ্রমিক বা ফি গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি সবসময় বলতেন, ‘নিপীড়িত ও মজলুম মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমার নৈতিক দায়িত্ব।’ তাঁর এই নিঃস্বার্থ অবদান ও আইনি সহযোগিতা আমরা সবসময় কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করব।”
ডা. শফিকুর রহমান মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা করে বলেন, “আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁর সকল মানবিক ভুলত্রুটি ক্ষমা করে দিয়ে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউসের মেহমান হিসেবে কবুল করুন। একই সাথে তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, অনুসারী ও সহকর্মীদের এই অপূরণীয় ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এবং ধৈর্য ধারণ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।”
সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে স্পিকারের শোক
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার, ৫২’র ভাষা আন্দোলনের সৈনিক, সাবেক মন্ত্রী ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারে মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।
রোববার এক শোক বার্তায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি দুঃখ প্রকাশ ও গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ১৯৩১ সালের ১ ডিসেম্বর পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার নয়াবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১২ জুলাই ভোরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর।
জমির উদ্দিন সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ও এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ১৯৬১ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে যান। সেখানে লন্ডনের লিংকনস ইন থেকে ‘ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল’ ডিগ্রি লাভ করেন।
দেশে ফিরে তিনি আইন পেশায় যুক্ত হন। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সংবিধান, দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনের একজন খ্যাতিমান বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ২০০১ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে ২০০৯ সালের ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অষ্টম জাতীয় সংসদের স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই তিনি দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
বিভিন্ন সময়ে তিনি গণপূর্ত ও নগর উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, ভূমি প্রতিমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে প্রধান বিচারপতির শোক
সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধান বিচারপতি তাঁর নিজের এবং সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতি ও সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পক্ষে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন। গতকাল ১২ জুলাই ভোর ৪ টা ১৯ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন।
সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে তথ্যমন্ত্রীর শোক
সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার, ৫২’র ভাষা আন্দোলনের সৈনিক, সাবেক মন্ত্রী, সুপ্রিম কোর্ট বারের সিনিয়র আইনজীবী ও বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। রোববার এক শোকবার্তায় তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার দেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। তার সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি সততা, প্রজ্ঞা ও নিষ্ঠার সঙ্গে বিভিন্ন জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।’ জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যু এক অপূরণীয় ক্ষতি। জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে এবং দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় তিনি যে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখে গেছেন, জাতি তা সব সময় শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
তথ্যমন্ত্রী শোকবার্তায় মরহুম ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। -The weekly Sonarbangla Desk
প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলীয় নেতা শোক সংবাদ সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি জমির উদ্দিন সরকারের ইন্তেকাল