অন্য জমির ফসল

আজকের পত্রিকা: স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষক


১২ জুলাই ২০২৬ ১৯:৪৪

পত্রিকা

আজ ১২ জুলাই রোববার।  যুগান্তর পত্রিকার খবর- প্রার্থী হতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষক স্থানীয় সরকার নির্বাচনে

এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্বক্ষণিক শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা স্বপদে থেকে নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।

তাদের কেউ নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে চাকরি ছাড়তে হবে। সিটি করপোরেশন, পৌরসভা এবং জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ আইনে এ বিধানসহ এক গুচ্ছ সংশোধনী আনতে সরকারকে প্রস্তাবনা পাঠানোর চিন্তা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রস্তাবে অন্য সংশোধনীগুলোর মধ্যে রয়েছে-জাতীয় সংসদের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হিসাবে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েনের ক্ষমতা ইসির হাতে দেওয়া।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক চার্জশিটভুক্ত ব্যক্তিদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা। ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের অংশীদার ও পরিচালকদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ না দেওয়া।

নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠন এবং আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘন করলে সাজা বাড়ানো। ইসির নির্ভরযোগ্য সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

টাইমস অফ বাংলাদেশ পত্রিকার খবর- Flood catastrophe: No dry ground even for the dead অর্থাৎ বন্যায় বিপর্যস্ত দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল, মরদেহ দাফনের জন্যও মিলছে না শুকনো জমি

টানা বৃষ্টি, পাহাড়ধস এবং উজানের ঢলে দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভয়াবহ মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে।

বিশেষ করে চট্টগ্রাম বিভাগের বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় লাখো মানুষ খাবার, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ ও আশ্রয়ের সংকটে পড়েছেন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সাতটি জেলায় বন্যায় অন্তত ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে কক্সবাজারে ২৩ জন, চট্টগ্রামে ৮ জন, বান্দরবানে ৬ জন এবং রাঙ্গামাটিতে ২ জন মারা গেছেন। প্রায় ৯ লাখ ২৮ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। শুধু চট্টগ্রাম জেলাতেই প্রায় সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি। অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ঘরবাড়ি, দোকান, কৃষিজমি ও সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বহু পরিবার কয়েক দিন ধরে রান্নাও করতে পারছে না। বন্যার ভয়াবহতায় কোথাও বৃদ্ধ বাবাকে কাঁধে করে নিরাপদ স্থানে নিতে হয়েছে, আবার কোথাও দুই বছরের এক শিশুর মরদেহ দাফনের জন্যও শুকনো জমি পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক এলাকায় এখনো পর্যাপ্ত ত্রাণ পৌঁছেনি। বণিক বার্তা পত্রিকার সংবাদ – চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে বন্যা-পাহাড়ধসে প্রাণহানি ৪৪

টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল, সিলেট এবং পার্বত্য এলাকায় ভয়াবহ বন্যা ও পাহাড়ধসে অন্তত ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ৩৩ জন, আর এখনো চারজন নিখোঁজ রয়েছেন।

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বন্যায় প্রায় ১ হাজার ৬৭৮ হেক্টর কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আর্থিক ক্ষতি ২৪৫ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। ভেঙে পড়েছে কয়ারবিল ও লেমশীখালী সংযোগ সেতু, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিভিন্ন সড়ক। দুর্গত মানুষের জন্য ৩ হাজার ৩১৩টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, যেখানে আশ্রয় নিয়েছেন ১৭ হাজার ৭৪৯ জন।

সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে কক্সবাজার জেলায়। এছাড়া চট্টগ্রাম, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও মৌলভীবাজারেও বন্যা ও পাহাড়ধসে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার খবর- Curbing maternal death: Successful ‘Kapasia model’ falling apart অর্থাৎ মাতৃমৃত্যু কমানোর ‘কাপাসিয়া মডেল’ ভেঙে পড়ছে, বাড়ছে উদ্বেগ।

একসময় মাতৃমৃত্যু কমানোর সফল উদাহরণ হিসেবে পরিচিত গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার ‘মাতৃমৃত্যুমুক্ত মডেল’ এখন কার্যকারিতা হারাচ্ছে। অর্থায়ন ও নজরদারির ঘাটতি, জনবল সংকট এবং ওষুধের অভাবে গর্ভবতী নারীরা প্রয়োজনীয় সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

গত বছরের অক্টোবরে প্রসবব্যথা ওঠার পর ২০ বছর বয়সী অন্তঃসত্ত্বা ফারজানা আক্তারের পরিবার রাতে কাছাকাছি সরকারি হাসপাতালে জরুরি সেবা না পাওয়ায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে যাওয়ার পথে অটোরিকশাতেই সন্তানের জন্ম হয়। পরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণকে স্বাভাবিক মনে করে তাঁকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। কিছুক্ষণ পরই তাঁর মৃত্যু হয়।

২০১৭ সালে সরকার ও জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (UNFPA)-এর সহায়তায় চালু হওয়া এই উদ্যোগে কাপাসিয়ায় মাতৃমৃত্যুর সংখ্যা ২০১৭ সালের ৮ জন থেকে ২০২১ সালে নেমে আসে ১ জনে। সফল এই মডেলটি দেশের ১০০টি উপজেলায় চালুর পরিকল্পনা ছিল এবং আন্তর্জাতিকভাবেও প্রশংসা পেয়েছিল।

তবে ২০২৪ সালে স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি খাতের কর্মসূচির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অর্থায়ন ও প্রয়োজনীয় সহায়তা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে এখন জনবল সংকট, ওষুধের ঘাটতি এবং দুর্বল তদারকির কারণে এই সফল উদ্যোগটি ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ছে।

কালের কণ্ঠ পত্রিকার খবর- বৃষ্টি-বন্যায় কৃষকের সর্বনাশ। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে দেশের আট জেলায় ১৯ হাজার ৮৬৯ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কৃষি বিভাগ গত ৬ জুলাই থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত ক্ষতির এই হিসাব দিয়েছে।

স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তাদের মতে, এটি প্রাথমিক ক্ষয়ক্ষতির তালিকা। পানি পুরোপুরি নেমে গেলে চূড়ান্ত ক্ষতির পরিমাণ আরো স্পষ্ট হবে।

এদিকে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। তালিকা তৈরির কাজ শেষ হলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে সরকার।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, বন্যায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দেশের উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল। গতকাল শনিবার বৃহত্তর চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কা রয়েছে। গতকাল ছয় জেলায় চার নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে ছিল।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, কৃষি খাতে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোর তালিকায় রয়েছে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সুনামগঞ্জ, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, সিরাজগঞ্জ ও হবিগঞ্জ।

নয়া দিগন্ত পত্রিকার খবর আমানতকারীদের ঠকিয়ে ঋণে উচ্চ সুদ আদায়। খবরে বলা হয়েছে, আমানতকারীদের প্রাপ্য মুনাফা নিশ্চিত করা এবং ঋণের ব্যয় যৌক্তিক সীমার মধ্যে রাখতে ঋণ ও আমানতের সুদহারের ব্যবধান (স্প্রেড) সর্বোচ্চ ৪ শতাংশে সীমাবদ্ধ রাখার স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের।

তবে এই নীতিমালার তোয়াক্কা করছে না দেশের সরকারি, বেসরকারি ও বিদেশী মালিকানাধীন অন্তত ৪০টি ব্যাংক।

আমানতের ওপর নামমাত্র সুদ দিয়ে গ্রাহকদের বঞ্চিত করলেও ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে চড়া সুদ আদায় করছে তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেশে কার্যরত ৯টি বিদেশী ব্যাংকের গড় সুদ ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৮.১২ শতাংশ।

এই ব্যাংকগুলো আমানতকারীদের গড়ে মাত্র ১.৯৬ শতাংশ সুদ দিলেও ঋণ বিতরণের সময় আদায় করছে গড়ে ১০.৩৬ শতাংশ।

বিদেশী ব্যাংকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় ব্যবধান দেখা গেছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে।

ব্যাংকটি আমানতের বিপরীতে গড়ে মাত্র ০.৬২ শতাংশ সুদ প্রদান করে, অথচ একই অর্থ ঋণে বিতরণ করে আদায় করছে গড়ে ১০.৩০ শতাংশ।

ফলে ব্যাংকটির সুদহারের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৯.৬৮ শতাংশ- যা দেশের পুরো ব্যাংকিং খাতের মধ্যে সর্বোচ্চ।

দেশ রূপান্তর পত্রিকার খবর- কোরবানির পলিব্যাগেও অভিনব জালিয়াতি। খবরে বলা হয়েছে, প্রতি বছর কোরবানি দেওয়ার পর পশুর বর্জ্য শহরের অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ে।

পরিবেশ সুরক্ষায় সেই বর্জ্যরে সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্য বিশাল কর্মযজ্ঞের আয়োজন করে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন।

তবে গেল কোরবানির ঈদে তাদের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় মোটেও সন্তুষ্ট ছিলেন না নগরবাসী।

অভিযোগ উঠেছে, বিগত কয়েক বছরের মধ্যে রাজধানীতে এত বাজে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা দেখা যায়নি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেও বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ হন।

অব্যবস্থাপনার দায়ে কয়েকজন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে অব্যবস্থাপনার পেছনের কারণ খোঁজ করেনি সিটি করপোরেশন।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, শুধু দায়িত্ব পালনে অবহেলা নয়, এবারের কোরবানিতে পশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উপকরণ কেনাকাটায় কোটি টাকার অনিয়ম-দুর্নীতিও হয়েছে।

কৌশলে নয়ছয় করা হয়েছে বিপুল অর্থ।

প্রথম আলো পত্রিকা খবর- বন্যা ৭ জেলায়, মৃত্যু ৪৪ জনের

অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে ক্ষয়ক্ষতি এবং ত্রাণ সরবরাহ নিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ১১ জুলাইয়ের দৈনিক প্রতিবেদন বলছে, গতকাল শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের সাতটি জেলা—খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ বন্যাকবলিত হয়েছে। বন্যাপ্লাবিত হয়েছে এসব জেলার ৫৮টি উপজেলা।

বন্যা, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৪। আহত হয়েছেন ৩৯ জন। বন্যায় পানিবন্দী পরিবারের সংখ্যা ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন মানুষ।

দেশে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে চট্টগ্রাম অঞ্চলে ৪ জুলাই থেকে ভারী বর্ষণ শুরু হয়। গত এক সপ্তাহে চট্টগ্রাম অঞ্চলে বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় ১ হাজার ১৬৯ মিলিমিটার। গত মঙ্গলবার সর্বোচ্চ ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।

চট্টগ্রামের পর সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জেও বন্যা শুরু হয়।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দৈনিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে ১ হাজার ১৩১টি। সেসব আশ্রয়কেন্দ্রে ৪৪ হাজার ৪৫৭ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন সাত জেলার ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন মানুষ। হবিগঞ্জ, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, মৌলভীবাজার এই সাত জেলা বন্যার কবলে পড়েছে।

শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ প্রতিবেদন বলেছে, এসব জেলার ৫৮টি উপজেলার ৩৮৬ ইউনিয়ন ও ১১টি পৌরসভা প্লাবিত হয়েছে।

সাত জেলায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮ পরিবার।

স্টাফ রিপোর্টার হবিগঞ্জ থেকে জানান, কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে হবিগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত প্রায় ৯টার দিকে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের কালিগঞ্জ এলাকায় খোয়াই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে বন্যার পানি প্রবেশ করে।

এতে অন্তত ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েন। এরপর পানির প্রবল চাপে প্লাবিত হতে থাকে গ্রামের পর গ্রাম।

নিউ এইজ পত্রিকার খবর- Bangladesh struggles to stay 2nd in RMG export as rivals gain অর্থাৎ পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ, তবে কমছে বৈশ্বিক বাজারে অংশীদারিত্ব।

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালেও তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানিতে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। তবে টানা তৃতীয় বছরের মতো বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব কমেছে।

২০২৫ সালে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৩৮ দশমিক ৮২ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় সামান্য বেশি।

কিন্তু বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের অংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৭৬ শতাংশে। ২০২৪ সালে এটি ছিল ৬ দশমিক ৯ শতাংশ, ২০২৩ সালে ৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ এবং ২০২২ সালে ৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

রপ্তানিকারকদের মতে, চীন থেকে ব্যবসা অন্য দেশে সরলেও সেই সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারছে না বাংলাদেশ।

বিদ্যুৎ সংকট, বন্দরের অদক্ষতা, উচ্চ ঋণ ব্যয় এবং মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির অভাব দেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতাকে দুর্বল করে দিচ্ছে।

ফলে দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রাখলেও প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর চাপ ক্রমেই বাড়ছে।

আজকের পত্রিকা:

সম্পর্কিত খবর