আজকের পত্রিকা: ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় নিয়ে সরকারের অবস্থান পরিবর্তন’
২০ মে ২০২৬ ১০:৩৬
আজ বুধবার ২০ মে ২০২৬।
নিউ এইজের শিরোনাম ‘Govt backtracks on Supreme Court secretariat’ অর্থাৎ ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় নিয়ে সরকারের অবস্থান পরিবর্তন’।
খবরে বলা হচ্ছে, সুপ্রিম কোর্টের অধীনে বিচার বিভাগের জন্য একটি পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি থেকে সরে এসেছে সরকার।
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্তির অংশ হিসেবে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ের সাবেক সচিব এবং ১৪ জন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত করেছে। একই সঙ্গে সচিবালয়ের কার্যালয়টি বন্ধ করে দিয়েছে।
গত ৯ ই এপ্রিল পাস হওয়া ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (বিলোপ) বিল, ২০২৬’-এর অধীনে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সংযুক্তিগুলো করা হয়েছে।
এর আগে, সচিবালয় বিলুপ্ত হওয়ার পর হাইকোর্ট বিভাগের ১৯ জন কর্মচারীকে হাইকোর্ট রেজিস্ট্রিতে ফেরত পাঠানো হয়েছিল।
অথচ বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে সুপ্রিম কোর্টের অধীনে বিচার বিভাগের জন্য একটি পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা এবং সংবিধান অনুযায়ী বিচারপতি নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছিল।
এবার ঈদযাত্রায় ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের সাতটি মহাসড়কে কমপক্ষে ৯৪টি স্থানে যানজটের আশঙ্কা রয়েছে। সিলেট সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফ’র মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। দুবাইয়ে এক চক্রের কাছে বাংলাদেশি নারীরা জিম্মি। ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্রে আজ এসব খবর গুরুত্ব পেয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর পড়ুন।
‘ঈদযাত্রায় ভোগাবে যানজট!’ কালের কণ্ঠের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, ঈদুল আজহা উপলক্ষে এবার ঢাকা থেকেই কমপক্ষে এক কোটি যাত্রী দেশের বিভিন্ন স্থানে যাবে। তবে ঈদে যাত্রীদের প্রায় ৮৫ শতাংশই মহাসড়ক ব্যবহার করে। এবার ঈদযাত্রায় ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের সাতটি মহাসড়কে কমপক্ষে ৯৪টি স্থানে যানজটের আশঙ্কা রয়েছে। মহাসড়ক পুলিশ, পরিবহন সমিতিসহ সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিকল হয়ে পড়া, পশুবাহী গাড়ির সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের চলাচলে ব্যবস্থাপনার অভাব, মহাসড়কে পশুর হাট বসানো ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ না হওয়া এবং ভাঙাচোরা অংশ মেরামত না হওয়ায় এসব মহাসড়কে যানজটের শঙ্কা রয়েছে।
সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, যানজট নিরসনে ব্যবস্থাপনা জোরদার ও সমন্বয় বাড়ানো না হলে যানজট থেকে রেহাই মিলবে না। ঈদুল আজহায় যান চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে এরই মধ্যে সরকার সব সংস্থার প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে সভা করেছে। সমন্বিত ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। তদারকিও বাড়ানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমন্বয়ে সামান্য ঘাটতির কারণে যানজটের মতো সমস্যা বাড়তে পারে।
‘সিলেট সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ গোলাগুলি, সতর্ক’ মানবজমিনের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, সিলেট সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফ’র মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার বিকালে গোয়াইনঘাট উপজেলার সোনাহাট সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর সীমান্তে সতর্ক রয়েছে বিজিবি জওয়ানরা। এ ঘটনায় সীমান্ত এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
বিজিবি জানিয়েছে- সোমবার বিকালে সোনাহাট সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ সীমান্তের দিকে গুলি ছুড়লে বিজিবি তাৎক্ষণিকভাবে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে পাল্টা গুলি করে।
এ সময় দু’দেশের সীমান্তরক্ষীদের মধ্যে গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। তবে রাতে সীমান্তের পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল বলে জানিয়েছেন ৪৮ বিজিবি’র কর্মকর্তারা।
সিলেট সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ সালাহ্উদ্দীন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন- বিএসএফ বাংলাদেশ সীমান্তে কোনো কারণ ছাড়াই অহেতুক গুলি ছোঁড়ার পর পরই সীমান্তের দায়িত্বে থাকা বিজিবি পাল্টা গুলি ছোঁড়ে জবাব দিয়েছে।
‘দুবাইয়ে এক চক্রের কাছে জিম্মি ১৪ বাংলাদেশি নারী’ সমকালের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, দুবাইয়ে এক চক্রের কাছে বাংলাদেশি নারীরা জিম্মি। ঢাকার অদূরে কেরানীগঞ্জের বাসিন্দা রুপালির (ছদ্মনাম) মাধ্যমে দুবাইয়ে বাংলাদেশি তরুণী পাচার চক্রের খোঁজ সামনে এসেছে।
দুবাইয়ে যেখানে রুপালি ছিলেন, সেখানে একই চক্রের কাছে জিম্মি আছেন বাংলাদেশি ১৪ তরুণী। তাদের উদ্ধারে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের সহায়তা চাইবে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
এরই মধ্যে বিষয়টি নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পুলিশের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ পুলিশের যোগাযোগ হয়েছে। রুপালি তাঁর জীবনের দুর্বিষহ বর্ণনা তুলে ধরে রাজধানীর বিমানবন্দর থানায় মামলা করেছেন।
গত ১৪ই মে রুপালিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় গ্রেপ্তার করা হয় পাচারকারী দলের অন্যতম সদস্য আব্দুল হান্নানকে।
পাসপোর্ট ও বেতন বাবদ পাওনা ১৬ লাখ টাকা পরিশোধ করার প্রলোভন দেখিয়ে ওই দিন রুপালিকে আবার দুবাইয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল।
‘হাওরে চালের ক্ষতি ২ লাখ টন, দাম বাড়ছে’ প্রথম আলোর শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, হাওরে বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ক্ষতির পরিমাণ চালের হিসাবে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ লাখ ১৪ হাজার মেট্রিক টন। যা বোরো মৌসুমের মোট উৎপাদনের ১ শতাংশের মতো। কিন্তু বাজারে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। চালের দাম আবার বাড়ছে।
পুরান ঢাকার বাবুবাজার, মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট ও কারওয়ান বাজারের পাইকারি দোকানে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত তিন-চার দিনে চালের দাম কেজিতে ২ থেকে ৫ টাকা বেড়েছে। খুচরায় এখনো এর প্রভাব পড়েনি।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, বোরো দেশের চাল উৎপাদনের প্রধান মৌসুম। এ মৌসুমের শুরুতে সাধারণত চালের দাম কমে। এবারও কমছিল। তবে কমার ধারা স্থায়ী হয়নি। দাম আবার বেড়ে যাচ্ছে।
২০১৭ সালেও বৃষ্টি, আগাম বন্যা ও ভারত থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে হাওরে ফসল তলিয়ে গিয়েছিল। তখন চালের দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের বার্ষিক প্রতিবেদন (২০১৭) বলছে, ওই বছর বোরো মৌসুমে চালের ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল ২০ লাখ টন।
‘ব্যবসা-বাণিজ্যে মন্দা, চাপে রাজস্ব আহরণ’ বণিক বার্তার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা সংকুচিত হওয়ায় সামগ্রিক ভোগব্যয় কমেছে। এর প্রভাবে ব্যবসা-বাণিজ্যেও স্থবির ভাব দেখা দিয়েছে। বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি ইতিহাসে সর্বনিম্ন পর্যায়ে।
চলতি মূলধন সংকটে উদ্যোক্তারা ব্যবসা পরিচালনার দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতেই হিমশিম খাচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত অনেক কোম্পানির আয় ও মুনাফা কমে গেছে। একই সঙ্গে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে সরকারের রাজস্ব আহরণেও।
চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) আমদানি শুল্ক ও মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) থেকে সরকারের রাজস্ব আয় গত বছরের শেষ প্রান্তিকের (অক্টোবর-ডিসেম্বর) তুলনায় কমেছে।
অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, ব্যবসা-বাণিজ্যে মন্দা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে আগামী দিনগুলোতে রাজস্ব আহরণ বাড়াতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ কাঙ্ক্ষিত ফল দেবে না।
‘কমছে মাতৃদুগ্ধ পান ভুগছে শিশুরা’ আজকের পত্রিকার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, ‘মাতৃদুগ্ধের বিকল্প নেই’ –এটি বিশেষ করে নবজাতক এবং ছয় মাসের কম বয়সী শিশুদের বাবা-মায়েদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যবার্তা। মায়ের দুধ থেকে শিশু প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও প্রাথমিক রোগ প্রতিরোধক্ষমতা অর্জন করে।
কিন্তু দেশে ছোট শিশুদের একচেটিয়া মাতৃদুগ্ধ পানের হার সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কমেছে বলে বিভিন্ন পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে। এই পতন শিশুর প্রাথমিক রোগ প্রতিরোধক্ষমতা এবং পুষ্টিগত সুরক্ষায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
হামের মতো প্রতিরোধযোগ্য সংক্রামক রোগের বিস্তারেও এটি সহায়ক ভূমিকা রাখছে বলে মত দিয়েছেন শিশুবিশেষজ্ঞ এবং রোগতত্ত্ব ও পুষ্টিবিদেরা।
ইউনিসেফের সহায়তায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) পরিচালিত ২০২৫ সালের মাল্টিক্লাস্টার ইনডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে ( এমআইসিএস) নামের জরিপে শিশু ও নবজাতক খাদ্যসংক্রান্ত ফলাফলে দেখা যায়, দেশে জন্মের এক ঘণ্টার মধ্যে নবজাতককে মাতৃদুগ্ধ পান করানো শুরুর হার মাত্র ৩০ শতাংশ।
শূন্য থেকে ৫ মাস বয়সী শিশুদের মধ্যে একচেটিয়া মাতৃদুগ্ধ পানের হারও মাত্র ৫৭ শতাংশ।
‘পশ্চিমবঙ্গে সরকার বদল : বক্তব্যে অস্বস্তি, সম্পর্কের অগ্রগতি দোলাচলে’ যুগান্তরের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক প্রায় তলানিতে গিয়েছিল। তবে নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এলে এই সম্পর্ককে নতুন করে এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি ছিল ঢাকা ও দিল্লির।
বিএনপি সরকার গঠনের আগে ও পরে এর বহিঃপ্রকাশও দেখা গেছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের শুরু থেকেই বাংলাদেশ বিষয়ে নানা নেতিবাচক ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করেন বিজেপির প্রার্থী ও বর্তমানে রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
তিনি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের ঘোষণা, অবৈধ ভারতীয়দের বাংলাদেশে পুশব্যাকসহ নানা ইস্যুতে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন। এমন পরিস্থিতিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট করতে বাধ্য হন।
পশ্চিমবঙ্গ নেতাদের একের পর উসকানিমূলক বক্তব্যে একপর্যায়ে মুখ খোলেন বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সীমান্তে গুলি করে বাংলাদেশিদের হত্যার ঘটনায় তিনি তীব্র নিন্দা জানান।
দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম ‘New med college despite struggles of older ones’ অর্থাৎ ‘পুরোনোগুলো ধুঁকছে, তবুও নতুন মেডিকেল কলেজের অনুমতি।’
খবরে বলা হচ্ছে, সরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে শিক্ষক ও অবকাঠামোর তীব্র সংকটের মধ্যেই একটি সরকারি মেডিকেল কলেজের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। পাশাপাশি আরও সাতটি প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা চলছে।
বিদ্যমান সরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে, বিশেষ করে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রতিষ্ঠিত কলেজগুলোতে জনবলের সংকট চলছে। এ কারণে গত বছর ১৪টি কলেজে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আসন কমিয়ে দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার।
এমন প্রেক্ষাপটে, গত ১৪ই মে ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এর ফলে সরকারি মেডিকেল কলেজের মোট সংখ্যা ৩৮-এ দাঁড়িয়েছে।
স্বাস্থ্যসচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী স্বাক্ষরিত আদেশে অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। যার অর্থ কলেজ কর্তৃপক্ষ আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি শুরু করার অনুমতি পেয়েছে।
তবে, এই অনুমোদন প্রক্রিয়ায় অন্তর্বর্তী সরকারে সময়ে গঠিত স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের সুপারিশগুলোকে উপেক্ষা করা হয়েছে।
‘কোরবানির বাজারে স্বস্তি, আছে শঙ্কাও’ নয়াদিগন্তের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরার প্রেক্ষাপটে এবার পবিত্র ঈদুল আজহাকে ঘিরে কোরবানির পশুর বাজারে নতুন আশাবাদ তৈরি হয়েছে।
আগামী ২৮ শে মে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন পশুর হাটে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। খামারগুলোতে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, কয়েক বছর পর আবারো দেশে কোরবানির সংখ্যা কোটির ঘরে ফিরতে পারে।
তবে এই আশার মাঝেও বাজারজুড়ে বড় ধরনের শঙ্কা রয়েছে। পশুখাদ্য, শ্রমিক, বিদ্যুৎ, পরিবহন, ওষুধ ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ এখন খামারিদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।
খামারিদের আশঙ্কা- ন্যায্যমূল্য না পেলে আবারো বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়তে হবে। অন্যদিকে সাধারণ ক্রেতারাও চিন্তায় আছেন, শেষ পর্যন্ত কোরবানির পশুর দাম কোথায় গিয়ে ঠেকে। বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি গরুর দাম এবার আরো বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।