আজকের পত্রিকা: ‘কৌশল পাল্টাচ্ছে জাল টাকার কারবারিরা’
১৭ মে ২০২৬ ১১:২২
আজ রোববার ১৭ মে ২০২৬।
‘কৌশল পাল্টাচ্ছে জাল টাকার কারবারিরা‘ মানবজমিন পত্রিকার একটি শিরোনাম।
এ খবরে বলা হয়েছে, আসন্ন কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে সক্রিয় হচ্ছে জাল টাকার কারবারিরা।
ঈদকে সামনে রেখে পোশাক কেনা থেকে শুরু করে পশু কেনার প্রস্তুতিও নিয়েছেন অনেকে।
কারণ দুই ঈদকে ঘিরে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের হাতে কম বেশি টাকার আনাগোনা থাকে।
এ সময়টা গ্রাম থেকে শুরু করে শহরের বাজারে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি ব্যবসা-বাণিজ্য হয়।
এ ছাড়া কোরবানি ঈদে পশুর হাটে শতকোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়।
আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জাল টাকা বাজারে ছড়ানোর পাঁয়তারা করছে জাল টাকার কারবারিরা।
ইতিমধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে জাল টাকার কারবারিরা ধরা পড়েছে।
তাদের কাছ থেকে ঈদ বাজারে জাল টাকা নিয়ে পাঁয়তারার কথা জানতে পেরেছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।
এ খবরে বলা হয়েছে, এর পরে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
জাল কারবারের সঙ্গে আগে থেকে যারা জড়িত ছিলেন তাদেরকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। কারণ ইতিমধ্যে যারা গ্রেপ্তার হয়ে জেল থেকে জামিনে বের হয়েছেন তারা আবার একই কারবারে জড়িয়েছেন।
‘এপ্রিলে ট্রেজারি বিলের মাধ্যমে ৪৬ হাজার কোটি টাকা নিয়েছে সরকার‘এটি বণিক বার্তা পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।
এ খবরে বলা হয়েছে, ট্রেজারি বিলের মাধ্যমে গত এপ্রিলে ৪৬ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে সরকার।
এই অর্থের বড় অংশই আবার ব্যয় হয়েছে এর আগে ট্রেজারি বিলের মাধ্যমে নেয়া ঋণ পরিশোধে।
মূলত কাঙ্ক্ষিত হারে রাজস্ব আহরণ না হওয়ায় সরকারকে ট্রেজারি বিলের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে ঋণের টাকা পরিশোধ করতে হচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে খবরটিতে।
তাছাড়া অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে সরকারি ব্যয়ের গতি বাড়ার কারণেও এ সময় সরকারের ঋণ গ্রহণের পরিমাণ বেড়ে যায়।
তবে দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে ব্যয় মেটাতে ঋণ করার পুরনো কৌশল থেকে বের হয়ে আসার তাগিদ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুসারে, এ বছরের মার্চে সরকার ট্রেজারি বিলের মাধ্যমে ৩৩ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিল।
এক মাসের ব্যবধানে গত এপ্রিলে ট্রেজারি বিলের মাধ্যমে সরকারের নেয়া অর্থের পরিমাণ ৩৯ শতাংশ বেড়ে ৪৬ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।
এর মধ্যে ৩২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা এর আগে ইস্যু করা ট্রেজারি বিলের দায় পরিশোধে ব্যয় হয়েছে।
ফলে এপ্রিলে ট্রেজারি বিলের মাধ্যমে সরকারের নেয়া নিট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ২০০ কোটি টাকায়।
‘হামের মৃত্যুর গতি ছাড়াল করোনাকে’ আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।
এ খবরে বলা হয়েছে, মাত্র ৬২ দিনে সংক্রামক রোগ হাম ও এর উপসর্গে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা সাড়ে চারশ ছাড়িয়ে গেছে।
গত কয়েক দশকে এত অল্প সময়ে সংক্রামক কোনো রোগে এত বেশি শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
বিশ্বেই সম্পূর্ণ নতুন রোগ করোনা সংক্রমণের শুরুর প্রথম নয় সপ্তাহে(৬৩ দিন) দেশে মৃত্যু হয়েছিল প্রায় সোয়া তিনশ মানুষের।
সম্ভাব্য প্রাণঘাতী রোগ ডেঙ্গুতেও এত কম সময়ে মৃত্যুহারের এমন দ্রুত বৃদ্ধি বা তীব্রতা দেখা যায়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে এই খবরে।
রোগতত্ত্ববিদেরা বলছেন, করোনা, ডেঙ্গু ও হামের প্রকৃতি ভিন্ন হলেও স্বল্প সময়ে হামে মৃত্যুর এই দ্রুত বৃদ্ধি সংক্রমণের তুলনামূলকভাবে বেশ উঁচু গতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
দেশে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়।
মার্চে এসে অতি সংক্রামক এই রোগের বিস্তার আরও বাড়তে থাকে।
সরকার ১৫ই মার্চ থেকে প্রতিদিন হালনাগাদকৃত হামের তথ্য প্রকাশ করছে।
যেখানে নিশ্চিত রোগী, উপসর্গজনিত রোগী ও
মৃত্যুর হিসাব দেওয়া হচ্ছে।
তবে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, সরকারি হিসাবের বাইরে সারা দেশে আরও অনেক মৃত্যু ও রোগী থাকতে পারে, যা আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যানে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। বিশেষ করে অনগ্রসর ও প্রত্যন্ত এলাকায়।
‘রাজনীতির নামে একটি মহল বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে‘ নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রথম পাতার একটি শিরোনাম।
চাঁদপুরের বিভিন্ন সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেছেন।
এ খবরে বলা হয়েছে, দেশে একটি মহল রাজনীতির নামে ‘বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে’ উল্লেখ করে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেন, “রাজনীতির নামে যদি কেউ বিভ্রান্ত সৃষ্টি করতে চায়, রাজনীতির নামে যদি কেউ অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায়, আপনারা কি বসে থাকবেন? আমরা কেউ বসে থাকব না।”
শনিবার বিকেলে চাঁদপুর সরকারি কলেজ মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের এই অনুষ্ঠান হয়।
চাঁদপুর ছাড়াও আরো ২০টি জেলায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
‘২৩ শতাংশ হত্যা মামলার প্রমাণ পাওয়া যায়নি‘ সমকাল পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।
এ খবরে বলা হয়েছে, দেশে খুনের মতো গুরুতর অপরাধের ঘটনায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় সাজানো ও মিথ্যা মামলা দায়েরের মতো ঘটনা ঘটছে।
কাউকে হয়রানি বা সামাজিকভাবে হেয় করা, অর্থ আদায়, রাজনৈতিক বিরোধ ও শত্রুতাবশত এসব মামলা করা হয়, চলে ‘মামলা বাণিজ্য’।
প্রচলিত আইনে মিথ্যা মামলা ও মিথ্যা সাক্ষ্য- দুটোই ফৌজদারি অপরাধ।
এ জন্য শাস্তির বিধান থাকলেও এই প্রবণতা বন্ধ হচ্ছে না।
পক্ষান্তরে, কেউ ন্যায়বিচার পেতে মামলা করলেও সাক্ষ্য, আলামতের অভাবে অভিযোগ প্রমাণ করা যায় না।
পুলিশ সপ্তাহের শেষ দিন গত বুধবার অপরাধবিষয়ক সম্মেলনে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) হত্যা মামলা তদন্তের চিত্র উঠে এসেছে।
এতে দেখা গেছে, ১০ বছরে পিবিআই সাত হাজার ৪২৭টি হত্যা মামলার তদন্ত করেছে। জেনারেল রেজিস্ট্রার বা জিআর হিসেবে এসব মামলার এজাহার (এফআইআর) সরাসরি থানায় করা হয়েছিল।
সংস্থাটির তদন্ত করা ২২ দশমিক ৭১ শতাংশ হত্যা মামলায় প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
বিপরীতে খুন বা ইচ্ছাকৃত হত্যার ঘটনায় চার হাজার ১৭৫টি মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা অনুযায়ী পিবিআই চার্জশিট দাখিল করেছে।
চব্বিশের জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় এক কিশোর গুরুতর আহত হয়েছেন দাবি করে মামলা করেছেন তার বাবা।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, তার ছেলের শরীরে ৩৫ থেকে ৪০টি গুলি লেগেছিল।
এ খবরে বলা হয়েছে, আহত হওয়াতো দূরের কথা ওই কিশোর ঘটনাস্থলেই ছিলেন না।
অথচ এই অভিযোগে অনেক মানুষকে হয়রানি ও টাকা লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে বলে খবরটিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
‘ক্যাম্পাসে ভয়ের সংস্কৃতি যেন আর না আসে‘ প্রথম আলো পত্রিকার একটি শিরোনাম।
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক এক আলোচনায় বলেছে, ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠার অন্যতম উপাদান ছিল ভয়ের সংস্কৃতি।
এই সংস্কৃতির সূতিকাগার ছিল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসগুলো।
আবাসিক হলে গণরুম-গেস্টরুম সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ভিন্নমত দমন করা হতো ক্যাম্পাসগুলোতে।
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক বলছে, ফ্যাসিবাদী সেই ভয়কে প্রতিরোধ করেই বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার আকাঙ্ক্ষা গড়ে উঠেছিল জুলাইয়ে।
কিন্তু বর্তমান বাস্তবতা হচ্ছে শেখ হাসিনার পলায়ন পর্ব শেষে জুলাইয়ের ঐক্য নানাভাবে বিনষ্ট হয়েছে, যার ঢেউ ক্যাম্পাসগুলোতে এসেও লেগেছে।
শনিবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ‘অভ্যুত্থান-উত্তর বিশ্ববিদ্যালয়: সাম্প্রতিক বাস্তবতা’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় নিজেদের মূল্যায়ন তুলে ধরেছে সংগঠনটি।
নিপীড়নের পুনরাবৃত্তি শুরু হয়েছে এবং প্রতিরোধের শক্তি বিভক্ত ও দুর্বল হয়েছে বলে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসগুলোর বর্তমান বাস্তবতা সম্পর্কে মূল্যায়ন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক।
‘রিফর্মস টাইড টু ওয়ান পয়েন্ট সেভেন বিলিয়ন ওয়ার্ল্ড ব্যাংক লোনস:গভর্নমেন্ট মুলস চেঞ্জিং ব্যাংক মার্জার ক্লজ‘ ইংরেজি পত্রিকা দ্য ডেইলি স্টারের একটি শিরোনাম।
এর অর্থ ‘বিশ্বব্যাংক এক দশমিক সাত বিলিয়ন ডলার ঋণ দেওয়ার শর্তে সংস্কার কথা বলেছে, সরকার ব্যাংক একীভূতকরণ ধারা পরিবর্তনের কথা ভাবছে’।
এ খবরে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাংকের তিনটি ঋণ কর্মসূচির আওতায় এক দশমিক সাত বিলিয়ন ডলার পাওয়ার শর্ত হিসেবে সরকার বড় ধরনের আর্থিক ও প্রশাসনিক সংস্কারের কথা বিবেচনা করছে।
এর মধ্যে ‘ব্যাংক রেজোলিউশন অ্যাক্ট’ থেকে একটি বিতর্কিত ধারা বাদ দেওয়ার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ খবরে বলা হয়েছে, এই শর্তগুলো নিয়ে ওয়াশিংটন ডি.সি. এবং ঢাকায় বেশ কয়েক দফা আলোচনা হয়েছে।
একইসঙ্গে, এই মাসেই বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিনিধি দল আলোচনার জন্য ঢাকা সফর করেছে।
বাজেট সহায়তার জন্য ৫০০ মিলিয়ন ডলার ঋণের একটি প্রধান শর্ত হলো, ‘ব্যাংক রেজোলিউশন অ্যাক্ট, ২০২৬’ এর ১৮ (ক) ধারাটি বাতিল করা।
এই ধারাটি বহাল থাকলে একীভূত হওয়া পাঁচটি ইসলামী ব্যাংকের সাবেক মালিকরা পুনরায় ব্যাংকগুলোর নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার সুযোগ পেতেন।
এছাড়া, বিশ্বব্যাংক জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নীতি নির্ধারণ এবং তা বাস্তবায়নের কাজ দুটিকে আইনগতভাবে আলাদা করার জন্যও চাপ দিয়েছে বলে খবরটিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
‘বাঙালি সংস্কৃতির ওপর মরণাঘাত‘ কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।
এ খবরে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ওপর ধারাবাহিকভাবে যে হামলা করা হয়েছে সেটি তুলে ধরা হয়েছে।
২০২৪ সালের পাঁচই অগাস্ট থেকেই ছায়ানট, উদীচীসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, জাদুঘর, ভাস্কর্য ও প্রতিষ্ঠানে হামলা শুরু হয় বলে এ খবরে তুলে ধরা হয়েছে।
নাট্যজন মামুনুর রশীদ বলেন, “ইউনূসের শাসনামলে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে বর্বরোচিত হামলা হয়েছে। এসব হামলাকে পরিকল্পিত আক্রমণ মনে করি। এসব শুধু স্থাপনার ওপর নয়, বরং বাংলাদেশের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের ওপরও আঘাত।”
“দেশের শিল্প-সংস্কৃতির প্রতীকগুলোকে পরিকল্পিতভাবে টার্গেট করা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে” বলেন মি. রশীদ।
‘কওমি মাদ্রাসাস কন্টিনিউ টু রিমেইন আউট অব গভর্নমেন্ট রাডার‘ ইংরেজি নিউএইজ পত্রিকার এই শিরোনামের অর্থ ‘সরকারি নজরদারির বাইরেই থেকে যাচ্ছে কওমি মাদ্রাসাগুলো’।
এ খবরে বলা হয়েছে, কওমি মাদ্রাসাগুলোকে নিয়ম-নীতির আওতায় আনার সরকারি প্রচেষ্টা বারবার ব্যর্থ হওয়ায় দেশে এ ধরনের মাদ্রাসার সংখ্যা ব্যাঙের ছাতার মতো বাড়ছে। আর এটি বিভিন্ন উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
প্রবীণ শিক্ষাবিদ ও গবেষকদের মতে, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, শিক্ষা এবং মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সরকারের উচিত এই মাদ্রাসাগুলোকে একটি নিয়মনীতির আওতায় আনা।
তারা আরো বলছেন, সরকার এই মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের দেখভালের দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার কারণে প্রায়ই মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তারা।
সম্প্রতি, সরকার কওমি মাদ্রাসার শিক্ষাব্যবস্থাকে একটি মানদণ্ডে আনার উদ্যোগ নিয়েছে।
তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এর ফলাফল কবে নাগাদ দৃশ্যমান হবে সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত নন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ ব্যুরো অব এডুকেশনাল ইনফরমেশন অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিকস এর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালের একটি জরিপ অনুযায়ী, সেসময় দেশে ১৩ হাজার ৯০২টি কওমি মাদ্রাসা ছিল।
সেখানে ১৩ লাখ ৯৮ হাজার ২৫২ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছিল।
বর্তমানে, কওমি মাদ্রাসার ছয়টি বোর্ডের একটি ‘বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ’ এর অধীনেই প্রায় ৩০ হাজার কওমি মাদ্রাসা রয়েছে বলে জানিয়েছেন এই বোর্ডের সহকারী মহাপরিচালক ইসমাইল হোসেন।