দেয়াল ভাঙতেই হবে

প্রিন্ট ভার্সন
৯ এপ্রিল ২০২৬ ১০:০৪

॥ হারুন ইবনে শাহাদাত ॥
মানুষের সঙ্কটে যারা মানুষের পাশে দাঁড়ায়, তারাই প্রকৃত মানুষ। এমন প্রকৃত মানুষরাই রাজনৈতিক দল ও মানবাধিকার সংগঠনে যোগ দেন। কারণ রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী এবং মানবাধিকার কর্মীদের জীবনের ব্রতই হলো- পরের কারণে নিজেকে উৎসর্গ করা। যে স্বাধীন দেশে এমন মানুষ নেতৃত্বের আসনে থাকেন, সেই দেশ তত সমৃদ্ধ ও উন্নত। যেমন- বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের কাছাকাছি সময়ে স্বাধীন হওয়া সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া এখন উন্নত দেশের তালিকায়।
দুঃখজনক হলেও সত্য, যতবার এদেশের মানুষ স্বাধীনতা লাভ করেছে, তত বেশি দেশের রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়ন বেড়েছে। মানবতাবোধ ও ইনসাফের দর্শন থেকে দূরে সরে গেছে- ইতিহাস পর্যালোচনা করে বিশ্লেষকরা এমন মন্তব্য করেছেন।
ইতিহাস কী বলে
ইতিহাসের পাতার দিকে তাকালে দেখা যায়, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে যারা নেতৃত্ব দিয়েছেন, তারা হাসিমুখে নিঃশেষে সর্বস্ব দিয়েছেন। কিন্তু ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট তাদের স্বাধীনতা আন্দোলনের ফসল ব্রিটিশদের তাড়িয়ে পাওয়া পাকিস্তানের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে উঠলো ছলেবলে কৌশলে ক্ষমতা দখলে রাখার অভিযোগ। শুরু হলো আবার স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম। ১৯৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর পৃথিবীর মানচিত্রে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় বিস্মিত করলো বিশ্বকে। স্বাধীন দেশের রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের চরিত্র বদলে গেল। অবস্থা এমন হলো যে, গোটা দেশটা যেন তাদের বাপ-দাদার তালুক। চিন্তাবিদ ও রাজনীতি বিশ্লেষক বদরুদ্দীন উমরের ভাষায়, ‘১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে রাজধানী ঢাকাসহ দেশজুড়ে শুরু হলো অনিয়ন্ত্রিত লুটপাট। প্রত্যেক ক্ষমতাসীন শ্রেণিই রাষ্ট্রক্ষমতার জোরে নিজের অর্থনৈতিক ভিত্তি গঠন ও মজবুত করে থাকে। বাঙালিরা স্বাধীনতা লাভের পর সেটাই শুরু করলো। কিন্তু তাদের সাথে তো উৎপাদনের কোনো সম্পর্ক ছিল না। কাজেই শোষণের মাধ্যমে উৎপাদনের একটা অংশ আত্মসাৎ করে ধন-সম্পদ অর্জনের পথ তাদের জন্য খোলা ছিল না। যে পথ তাদের জন্য প্রশস্তভাবে উন্মুক্ত হলো তাতে উৎপাদনের কোনো স্থান ছিল না। কাজেই উৎপাদনের মাধ্যমে নয়, উৎপাদিত বিদ্যমান ধন-সম্পদ লুণ্ঠন করেই শুরু হলো তাদের নিজেদের অর্থনৈতিক ভিত্তি নির্মাণ। স্বাধীন বাংলাদেশ সেই অবস্থায় লুণ্ঠনের এক নৈরাজ্যিক পরিস্থিতির মধ্যে নিক্ষিপ্ত হলো।
এই লুণ্ঠনের প্রথম লক্ষ্যবস্তু হলো পাকিস্তানি এবং অবাঙালিদের সম্পত্তি। তাদের জমিজমা, বাড়িঘর, গাড়ি, আসবাবপত্র, নগদ টাকাকড়ি থেকে নিয়ে সবকিছুই লুণ্ঠিত হতে থাকলো। কিন্তু শুধু অবাঙালিই নয়, অনেক বাঙালিকে পাকিস্তানিদের দালাল আখ্যা দিয়ে তাদের ধন সম্পত্তিও একইভাবে লুটপাট করা হলো। লুণ্ঠনজীবী দুর্বৃত্তরা এভাবেই বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর মুহূর্ত থেকেই পরিণত হলো দেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শক্তিতে। যে পদ্ধতিতে এরা ধন-সম্পদের অধিকারী হয়ে নতুন শাসক শ্রেণির ভিত্তি স্থাপন করলো, এটা যে শ্রেণি হিসেবে তাদের চরিত্রও গঠন করবে এটাই স্বাভাবিক।’ (সূত্র: জ্ঞানতাপস আব্দুর রাজ্জাক গুণিজন বক্তৃতামালা ‘স্বাধীন বাংলাদেশে আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিক পরিবর্তনের ধারা’-২০ মে, ২০১৭ জাতীয় জাদুঘর প্রধান মিলনায়তন)।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে তারাও এ বিস্ময়কর বিষয়টি খুঁজে পেয়েছেন। এদেশে এমন কিছু মানুষ আছেন, যাদের দেহ, মস্তিষ্ক, মন, মনন ও চিন্তায় শিকড় গেড়ে বসেছে দুর্বৃত্তায়ন। তারা দাসত্বের শিকলবন্দি থেকেও ভোগেই খুশি। রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুট, জনগণের আমানতের খেয়ানত করার লাইসেন্স লাভ করকেই তারা রাজনৈতিক দলে যোগ দেন। তাই এদেশের প্রকৃত শত্রু তারা, ভারত-আমেরিকা নয়। ভারতীয় ও আমেরিকানের টোপগেলা স্বদেশীয় এ শ্রেণির শঙ্করদের রাজনীতিতে প্রাধান্যই মূল সমস্যা। তাদের ‘খাই খাইয়ের’ কারণেই দেশের ‘নাই নাই’ দুরবস্থা কাটছে না।
অথচ দেশের রাজনীতির ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, তিতুমীর, ফকির মজনু শাহ থেকে নিয়ে নবাব স্যার সুলিমুল্লাহ, ওয়াজেদ আলী খান পন্নী, হাজী মুহাম্মদ মহসীন, নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী, নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানীসহ দেশের জমিদার ইস্পাহানী পরিবার, রণাদা প্রসাদ সাহার মতো ব্যবসায়ীরা তাদের আয়ের বড় অংশ জনকল্যাণে ব্যয় করেছেন। যার সুফল এখন পর্যন্ত জনগণ পাচ্ছে। তিতুমীর, ফকির মজনু শাহ থেকে নিয়ে নবাব স্যার সুলিমুল্লাহ, ওয়াজেদ আলী খান পন্নী, হাজী মুহাম্মদ মহসীন, নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী, নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানীর রাজনীতির লক্ষ্য ছিলো জনগণের কল্যাণ। দুঃখজনক হলেও সত্য, বর্তমানে বাংলাদেশে ‘রাজনীতি বিনা পুঁজির সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা’Ñ এমন ধারণা জনমনে বদ্ধমূল হয়েছে।
অথচ ওপরে উল্লেখিত রাজনীতিবিদরা মানবকল্যাণের জন্য রাজনীতি করেছেন। তারা দেশ ও জনগণের প্রয়োজনে নিজেদের জমিদারির জমি ও সম্পদ বিক্রি করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ অনেক জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান ও মুসলিম লীগের মতো একটি রাজনৈতিক দলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা নবাব স্যার সলিমুল্লাহর ‘দরিয়া-ই-নূর’ (আলোর সমুদ্র) হীরা ঋণের দায়ে আজও সোনালী ব্যাংকের ভল্টে জামানত হিসেবে জমা আছে। এটিকে বিখ্যাত কোহিনূর হীরার ‘সহোদর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ‘দরিয়া-ই-নূর’ বিশ্বের অন্যতম বিরল ও মূল্যবান ২৬ ক্যারেটের একটি টেবিল-কাট গোলাপি হীরা। ১৮৫২ সালে নবাব পরিবারের খাজা আলিমুল্লাহ এটি ব্রিটিশদের কাছ থেকে কিনেছিলেন।
এমন মহতি রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের হাতে আবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব এলে দেশ এগিয়ে যাবে। এর জন্য প্রয়োজন নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত। সেই নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের জন্যই এদেশের ছাত্র-জনতা ২০২৪-এর ৩৬ জুলাই জীবন দিয়েছেন। তাদের রক্তঋণ পরিশোধ করতে দেশের মানুষ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার পক্ষে ব্যাপকভাবে গণভোটে হ্যাঁর পক্ষে ভোট দিয়েছে। কিন্তু ‘সোনাই সরদার’দের কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না। এ সত্য অস্বীকার করার উপায় নেই।
বস্তির সোনাই সরদাররা রাজনীতিরতে এসে হোয়াইট টাইগার (সাদা বাঘ) এ পরিণত হয়। তারা জনগণকে পদানত করে রাষ্ট্রকে বাপদাদার তালুক মনে করে। তাদের কারণেই যে দেশ সুস্থধারার রাজনীতিতে ফিরতে পারছে নাÑ এ সত্য জুলাইসংগ্রামী তরুণদের কাছেও দিবালোকের মতো পরিষ্কার। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জাকসু) জিএস মাজহারুল ইসলাম মনে করেন, ভোগবাদী দখলদারিত্বের রাজনীতি যারা জিইয়ে রাখতে চায়, তারাই গণভোটের বিরোধিতা করছে। গণভোট বাস্তবায়িত হলে খাসমহাল, জলমহাল, খাসজমি, বাসট্যান্ড, হাটবাজার স্বল্পমূল্যে, কোথাও কোথাও বিনামূল্যে ইজারার নামে দখল করে রাখতে পারবে না। টেন্ডারবাজি-চাঁদাবাজি করা যাবে না, খুন- গুম করার অবাধ সুযোগ বন্ধ হবে। তাই তারা জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে।
পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, বিএনপি নেতা কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফজলুর রহমানসহ যারা বলছেন, বিরোধীদল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর চেয়ে আওয়ামী লীগ ভালো, তাই আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ না করে ফিরিয়ে এনে বিরোধীদল করতে হবে। তাদের এমন মনে করার কারণও ‘ওলটপালট করে দে মা- লুটে-পুটে খাই বা ‘এলোমেলো করে দে- মা লুটেপুটে খাই’। অর্থাৎ তাদের মনেও সোনাই সরদারের মতো একই স্বপ্ন।
সোনাই সরদার ও হোয়াইট টাইগারমুক্ত রাজনীতি
দেশে স্থিতিশীলতা ফেরাতে প্রয়োজন সোনাই সরদার ও হোয়াইট টাইগারমুক্ত রাজনীতি। কথাসাহিত্যিক আতা সরকারের ভাষায় ‘সোনাই সরদাররা বস্তি থেকে রাজনীতির আলাদিনের চেরাগের ছোঁয়ায় চলে যাচ্ছেন জাতীয় সংসদ, মন্ত্রিপরিষদে। তারপর আঙুল ফুলে কলা গাছে পরিণত হচ্ছেন।’ তিনি তার বিখ্যাত উপন্যাস ‘সোনাই সরদারের ঢাকা অভিযান’-এ বিষয়টি চমৎকারভাবে তুলে ধরেছেন। আতা সরকারের ৫ বছর পর ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ লেখক অরবিন্দ আদিগা (Aravind Adiga)-‘দ্য হোয়াইট টাইগার’ (The White Tiger) উপন্যাসে এমন নাই নাই থেকে খাই খাই এ পরিণত হওয়া ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদের চরিত্র তুলে ধরেছেন। জনপ্রিয় এ ইংরেজি উপন্যাসটি ২০০৮ সালে প্রকাশিত হয়। ওই বছরই বিখ্যাত ম্যান বুকার পুরস্কার (Man Booker Prize) জয় করে। এ মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশের এই সময়ের রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদের সম্পর্কে জেনেছে বিশ্ববাসী। তাদের বিশ্বাস খুবই নেতিবাচক।
এ নেতিবাচক বিশ্বাসকে মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য কাজ করছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দুর্বৃত্তায়নের কবল থেকে মুক্ত করে দেশে একটি ইনসাফভিত্তিক ন্যায়ের ধারা প্রতিষ্ঠায় জামায়াতের নেতা-কর্মীরা ঐকবদ্ধ। তারা যেকোনো মূল্যে এ দেয়াল ভাঙতে বদ্ধপরিকর।
এ দেয়াল ভাঙতে হবে
বাংলাদেশ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের দেশ। ইসলামের শিক্ষা মানবতার কল্যাণ। জাকাত, দান, খয়রাত, সাদকা, ফিতরাকে উৎসাহিত করে। পবিত্র কুরআনে দান-খয়রাত সংক্রান্ত আয়াতের সংখ্যা শতাধিক। রাসূল সা.-এর জীবন ও পবিত্র হাদীসে রয়েছে এ-সংক্রান্ত অনেক দৃষ্টান্ত ও নির্দেশ। তারপরও সরকার, আমলা, রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও ক্ষমতার প্রভাবে লুটপাট আর খাই খাইয়ের কবলে পড়ে ন্যায়-ইনসাফ বঞ্চিত হয়ে দিন দিন নিঃস্ব হচ্ছে সাধারণ মানুষ। দুর্নীতির সিঁড়ি বেয়ে তরতর করে দুর্বৃত্তরা ওপরে উঠে যাচ্ছে।
অথচ আজ যারা বিশ্বব্যাপী নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাদের দিকে তাকালে দেখা যায় উল্টো চিত্র। যেমন: বিল গেটস তার জীবদ্দশায় এবং মৃত্যুর পর তার মোট সম্পত্তির ৯৯ শতাংশ (প্রায় সবটুকু) মানব কল্যাণে, বিশেষ করে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে দান করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। ২০৪৫ সালের মধ্যে তিনি তার ‘বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে এই বিপুল অর্থ দান সম্পন্ন করবেন।
এদিকে এদেশের ধনীদের সেবামূলক প্রতিষ্ঠান; যেমন- হাসপাতাল, স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও এত ব্যয়বহুল যে, তা সাধারণের সাধ্যের বাইরে।
এ দেয়াল ভাঙার কাজ করছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। তাই সকল শ্রেণির দুর্বৃত্ত একজোট হয়েছে। তারা একযোগে মাঠে নেমেছে ন্যায়-ইনসাফের পক্ষের এ কাফেলার অগ্রযাত্রা থামাতে। এ প্রসঙ্গে সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে যেসব মনগড়া, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হয়, তা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে জনমনে নেতিবাচক মনোভাব সৃষ্টির অপচেষ্টা ও ষড়যন্ত্রের অংশ। ন্যূনতম নৈতিকতাপরিপন্থী এ অপকর্মে জড়িতরা দেশ ও জনগণের শত্রু। অথচ আজ এ কথা দিবালোকের মতো সত্য, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি সুসংগঠিত, আদর্শবাদী ও শৃঙ্খলাপূর্ণ ইসলামী রাজনৈতিক দল। শত বিরোধিতার পরও জামায়াতের নীতি-আদর্শ, শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা যেকোনো বিবেকবান মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য বলেই প্রমাণ হয়েছে এবং হচ্ছে।

হারুন ইবনে শাহাদাত

সম্পর্কিত খবর