এই শোক, এই ক্ষতি অপূরণীয়: মির্জা ফখরুল
৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ ১০:২৪
‘এ খবর নিয়ে আপনাদের সামনে কখনো দাঁড়াতে হবে ভাবিনি। আমরা আশা করেছিলাম, তিনি আবারো সুস্থ হয়ে দেশবাসীর কাছে ফিরে আসবেন। আপনারা শুনেছেন, আজ সকাল ৬টায় গণতন্ত্রের মা, আমাদের অভিভাবক, আমাদের জাতির অভিভাবক আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। শুধু দেশেরই নয়, বিশ্বের গণতন্ত্রের ইতিহাসে এক বিশাল শূন্যতা সৃষ্টি হলো।‘ সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘এই শোক, এই ক্ষতি অপূরণীয়, যা এই জাতি কখনও পূরণ করতে পারবে না।’ মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির পক্ষ থেকে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে একটা বিশাল শূন্যতা সৃষ্টি হলো বলে মন্তব্য করেছে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটা বিশাল শূন্যতা সৃষ্টি হলো। শুধু তাই নয়, পৃথিবীর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে একটা বিশাল শূন্যতা সৃষ্টি হলো।’ তিনি বলেন, ‘এ খবর নিয়ে আপনাদের সামনে কখনো দাঁড়াতে হবে ভাবিনি। আমরা আশা করেছিলাম, তিনি আবারো সুস্থ হয়ে দেশবাসীর কাছে ফিরে আসবেন। আপনারা শুনেছেন, আজ সকাল ৬টায় গণতন্ত্রের মা, আমাদের অভিভাবক, আমাদের জাতির অভিভাবক আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। শুধু দেশেরই নয়, বিশ্বের গণতন্ত্রের ইতিহাসে এক বিশাল শূন্যতা সৃষ্টি হলো।‘ বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘যে নেত্রী তার সারাটা জীবন জনগণের জন্য, কল্যাণের জন্য তার সমগ্র জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন, সেই নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের মাঝে নেই। আমরা যারা তার রাজনৈতিক কর্মী এবং সহকর্মী, আমরা এটা ভাবতেও পারি না।’
সাংবাদিকদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের অনুমতিক্রমে আমরা দলীয় কিছু কর্মসূচি নিয়েছি। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফোন করেছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, আজ সকাল ১০টা বা সাড়ে ১০টার দিকে স্পেশাল ক্যাবিনেট মিটিং করবেন। সেই ক্যাবিনেট মিটিংয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার যে শেষ কাজগুলো, তার জানাজা, তার দাফন, তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা, তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেয়া— এই বিষয়গুলো নিয়ে তারা দশটা-সাড়ে দশটায় একটা সভা করবেন। এরপর আমরা পুরো জিনিসটাকে কো-অর্ডিনেট করে সেটা আপনাদেরকে আবার জানাবো।’
এই ক্ষতি অপূরণীয়: মির্জা ফখরুল এই শোক কল্যাণের জন্য তার সমগ্র জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন