সংবাদপত্রের পাতা থেকে


১২ আগস্ট ২০২৬ ১৯:১৩

জুলাই অভ্যুত্থানের চূড়ান্ত মাস আগস্ট। চব্বিশের ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতন ঘটিয়ে চূড়ান্ত জয় পায় বিপ্লবীরা। এ মাসটি নানাভাবে ঘটনাবহুল, অন্তর্বর্তী সরকারও গঠিত হয় এ মাসে। জুলাইকে জাগরুক রাখতে মাসের শুরু থেকে নানা কর্মসূচি পালন করে রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলো, যা খবরের পাতায় স্থান পায় ফলাও করে। এছাড়া চলমান সংকট, পররাষ্ট্রনীতি, এসএসপির ফল প্রকাশ, জ্বালানি ও অর্থনৈতিক সংকট নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন, দেশের স্বাস্থ্য খাতের বেহাল দশা নিয়ে দেশের জাতীয় দৈনিকগুলো গুরুত্বসহকারে খবর প্রকাশ করেছে।
গত ১২ আগস্ট বণিক বার্তা ‘কিছুদিন স্থিতিশীল থাকলেও এখন বাড়ছে প্রধান প্রধান ভোগ্যপণ্যের দাম’ শিরোনামে পত্রিকার প্রধান খবর প্রকাশ করেছে। লিখেছে, চলতি অর্থবছরের বাজেটে ৬০টি নিত্যপণ্যের আমদানিতে উৎসে কর ও অগ্রিম আয়কর কমানো হয়। এতে জুনের শেষার্ধ ও জুলাইয়ে দেশের পাইকারি বাজারে নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল ছিল। তবে বিরূপ আবহাওয়া, জ্বালানি সংকটে পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার অস্থিরতায় আগস্টের শুরু থেকেই পাইকারিতে প্রধান প্রধান ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়তে শুরু করেছে। পাইকারিতে দাম বাড়ার প্রভাব দেশব্যাপী খুচরা বাজারেও পড়ছে।
চলতি বছরের জুনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণায় চাল, গম, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনি ও ভোজ্যতেলের মতো প্রায় ৬০টি নিত্যপণ্যের উৎসে ও অগ্রিম কর সর্বোচ্চ ৫ থেকে কমিয়ে দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়। অগ্রিম কর নিয়ম অনুযায়ী ব্যবসায়ীরা একপর্যায়ে ফেরত পান। কিন্তু দেশে বিদ্যমান ব্যবসায়িক চর্চার প্রেক্ষাপটে সেটি বাস্তবে পণ্য বিক্রি হওয়ার পর পরই ফেরত আসে না। বরং ব্যবসায়ীদের প্রদেয় বিভিন্ন শুল্ক-করের সঙ্গে সমন্বয় হয়।
সম্প্রতি দেশে জ্বালনি সংকট তীব্র হয়েছে। জনমনে এ নিয়ে অসন্তোষও দেখা দিয়েছে। দৈনিক ইত্তেফাক গত ১২ আগস্ট ‘জ্বালানি সংকটে দেশে রেকর্ড লোডশেডিং’ শিরোনামে প্রধান খবর প্রকাশ করেছে। এতে বলেছে, দেশে আমদানিসহ স্থাপিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ২৯ হাজার মেগাওয়াট। কিন্তু সক্ষমতার অর্ধেক চাহিদা উঠলেই সামাল দিতে পারছে না বিদ্যুৎ খাত। মূলত গ্যাস ঘাটতি, পায়রা ও আদানির কেন্দ্র থেকে উৎপাদন কমে যাওয়া এবং ব্যয়বহুল তেলচালিত কেন্দ্র পর্যাপ্ত পরিমাণে চালানোর মতো আর্থিক সক্ষমতার অভাব থাকায় বিদ্যুতের উৎপাদন ও সরবরাহে বড় ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এর ফলে সারা দেশেই লোডশেডিং চলছে। সবচেয়ে বেশি লোডশেডিং হচ্ছে গ্রামাঞ্চলে। বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হওয়ার কারণে বিদ্যুতের চাহিদা কিছু কম। গরম বাড়লে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি আরো নাজুক হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির এই যুগে গোটা বিশ্বে চলছে চিপ তৈরির কাঁচামালের তীব্র হাহাকার। আর ঠিক এই সময়েই বাংলাদেশকে আশার আলো দেখাচ্ছে দেশের প্রধান নদনদীগুলোর তলদেশে জমে থাকা কোটি কোটি টন বালু। ভূতাত্ত্বিকদের মতে, প্রমত্তা পদ্মা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র আর তিস্তার বুকে জমে থাকা বালুরাশি শুধুই পলি নয়; এটি বাংলাদেশের আগামী দিনের অর্থনৈতিক রূপান্তরের সবচেয়ে বড় কাঁচামাল হতে পারে। সঠিক রোডম্যাপ, আধুনিক গবেষণা ও নীতি সহায়তার মেলবন্ধন ঘটলে তৈরি পোশাক শিল্পের পর সেমিকন্ডাক্টরই হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের অর্থনীতি বদলের মূল চালিকাশক্তি।
দৈনিক মানবজমিন গত ১২ আগস্ট ‘ইউপি দিয়ে শুরু হচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন’ শিরোনামের প্রধান খবরে বলেছে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। এরপর পর্যায়ক্রমে পৌরসভা, সিটি করপোরেশন, উপজেলা ও জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। চলতি বছরের ডিসেম্বর বা আগামী বছরের জানুয়ারি থেকেই এই নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। এমন লক্ষ্য নিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশনও প্রস্তুতি নিচ্ছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মানবজমিনকে জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে। পর্যায়ক্রমে সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ করা হবে। এ বছরের শেষ বা আগামী বছরের শুরুতেই এই প্রক্রিয়া শুরু হবে। নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, ৩১ জুলাই পর্যন্ত নিবন্ধিত ভোটারদের নিয়ে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। এই তালিকা দিয়েই স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করা হবে। কমিশন এখন এই প্রক্রিয়া নিয়ে এগোচ্ছে। ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করে প্রকাশ করতে কিছুটা সময় লাগবে। এরপরই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার প্রক্রিয়া শুরু হবে। এছাড়া সারা দেশে নির্বাচনের আয়োজনের জন্য যে সরঞ্জাম তা প্রস্তুতেও কিছুটা সময় লাগবে। এসব কারণে নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হতে আসছে ডিসেম্বর বা আগামী বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনে চলতি অর্থবছরের বাজেটে বরাদ্দও রাখা হয়েছে। আগের মতো এই নির্বাচনগুলো ধাপে ধাপে করা হবে বলে ইসি সূত্র জানিয়েছে।
দৈনিক আমার দেশ গত ১২ আগস্ট ‘বিনিয়োগ ছাড়াই বন্দরে কর্তৃত্ব পাচ্ছে ডিপি ওয়ার্ল্ড’ শিরোনামে প্রধান খবর ছেপেছে। এতে পত্রিকাটি লিখেছে, বড় কোনো বিনিয়োগ ছাড়াই চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে আধুনিক ও লাভজনক নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে। আরব আমিরাতভিত্তিক বন্দর ও লজিস্টিকস কোম্পানি দুবাই পোর্টস ওয়ার্ল্ডের (ডিপি ওয়ার্ল্ড) কাছে টার্মিনালটির কর্তৃত্ব দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ প্রক্রিয়ায় সরকারের পক্ষে কাজ করছে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) কর্তৃপক্ষ।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দেশের সবচেয়ে আধুনিক এই টার্মিনালটি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত। এনসিটির মূল অবকাঠামোয় ব্যয় হয়েছে ৭৩৭ কোটি টাকা। পরবর্তী সময়ে টার্মিনালের ব্যাকআপ সুবিধা ও কনটেইনার হ্যান্ডলিং সরঞ্জাম কেনায় আরো বিপুল অর্থ ব্যয় করে বন্দর কর্তৃপক্ষ। সব মিলিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত এনসিটিতে সরকারি বিনিয়োগ প্রায় ২৭১২ কোটি টাকা।
দৈনিক নয়া দিগন্ত গত ১২ আগস্ট ‘এবার দোভাল-গোর বৈঠক সমীকরণ নিয়ে নজর সবার’ শিরোনামের খবরে বলেছে, নয়াদিল্লিতে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল ও ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোরের বৈঠক ঘিরে দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর প্রকাশ্যে আসা তথ্যানুযায়ী, আলোচনার মূল বিষয় ছিল ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সম্পর্ক এবং দুই দেশের সহযোগিতা আরো গভীর করা। তবে বৈঠকের নির্দিষ্ট এজেন্ডা বা কোনো গোপন সমঝোতার বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি বলে জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
বৈঠকের তাৎপর্য অবশ্য শুধু দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সময়কাল বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক পুনর্গঠনের চেষ্টা, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে ঢাকার চাপ এবং একই সময়ে দক্ষিণ এশিয়ায় চীন-ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে দোভাল-গোর বৈঠকটি আঞ্চলিক পর্যবেক্ষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। এই বৈঠক অনুষ্ঠানের সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী দিল্লিতে ছিলেন। তবে তিনি এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কি না, তা জানা যায়নি।
দৈনিক ইনকিলাব গত ১২ আগস্ট ‘দেশে ফের গ্যাস সংকট’ শিরোনামের খবরে বলেছে, বৈরী আবহাওয়ায় জাহাজ থেকে টার্মিনালে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় দেশে ফের গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে সেখানে বিকল মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জি টার্মিনালটিও পুরোদমে সচল হয়নি। এতে সংকট আরও বেড়েছে। গ্যাস সংকটের কারণে শিল্প কারখানায় উৎপাদন বিঘ্নিত হচ্ছে, গৃহস্থালি থেকে শুরু করে সিএনজি টার্মিনাল সর্বত্রই গ্যাসের চাপ কমে গেছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, আবহাওয়ার কিছুটা উন্নতি হতেই কার্গো থেকে এলএনজি সরবরাহ শুরু হলে গ্যাস সরবরাহ বাড়বে।
দৈনিক প্রথম আলো গত ১২ আগস্ট ‘গাফিলতি তাদের, হামে মৃত্যু শিশুদের’ শিরোনামে প্রধান খবর প্রকাশ করেছে। লিখেছে, দেশে বহু বছর ধরে হাম নিয়ন্ত্রণেই ছিল। হামে শিশুর মৃত্যু হয়েছেÑ এমন খবর ছিল বিরল। এ বছর কেন বিপর্যয় তৈরি করল, দায় কাদের, তা নিয়ে তিন মাস ধরে অনুসন্ধান করেছে প্রথম আলো। সরকারের নথিপত্র সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে কথা বলে দেখা গেছে, হাম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেছে গাফিলতির কারণে।
হামের ঝুঁকিকে অগ্রাধিকার না দেওয়া, টাইফয়েডের টিকাদান কর্মসূচির জন্য হাম-রুবেলার ক্যাম্পেইন বারবার পেছানো, কয়েক বছর ধরে প্রয়োজনের তুলনায় কম টিকা কেনা এবং ঝুঁকির তথ্য যথাসময়ে বিশ্লেষণ না করার মধ্য দিয়ে সংকটটি ধীরে ধীরে তৈরি হয়েছে।
এ ব্যর্থতার দায় কোনো একটি সরকার বা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্যায়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) পাশাপাশি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও ইউনিসেফের সমন্বয়হীনতা, ভুল অগ্রাধিকার ও প্রশাসনিক জটিলতা পরিস্থিতিকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিয়েছে।
যুগান্তর গত ১২ আগস্ট ‘সেই পুরোনো বৃত্তেই পুলিশ’ শিরোনামে প্রধান খবর ছেপেছে। এতে বলেছে, আওয়ামী লীগের শাসনামলে পুলিশের নিয়োগ থেকে শুরু করে পদোন্নতি, বদলি ও মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন-সব ক্ষেত্রেই ছিল বিতর্ক। পুলিশের হাতে সাধারণ মানুষ ও বিরোধীদলের অসংখ্য নেতাকর্মী হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগও ছিল অহরহ। বাহিনীর কিছু সদস্য ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদক দিয়ে নির্দোষ মানুষকে ফাঁসানোসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়েছিল। সেসময় পুলিশের একটি বড় অংশ ক্ষমতাসীন দলের ক্যাডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিল।
তবে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ঢেলে সাজানো হয়েছে পুলিশকে, আনা হয়েছে নেতৃত্বে পরিবর্তন। অনেক পুলিশ কর্মকর্তাকে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতারও করা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছেÑ এত কিছুর পরও কতটা বদলেছে পুলিশ?
গত ১১ আগস্ট দৈনিক নয়া দিগন্ত ‘সম্পর্ক স্বাভাবিকের নেপথ্য তৎপরতা’ শিরোনামে প্রথম পৃষ্ঠায় খবর ছেপেছে। এর হ্যাঙ্গারে লেখা হয়েছে ‘ঢাকায় ‘র’ প্রধান পরাগ জৈন, প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে বৈঠকের পরই দিল্লি ফেরত’। এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার তৎপরতার মধ্যেই ঢাকায় এলেন ভারতের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং-‘র’-এর প্রধান পরাগ জৈন। ডিরেক্টর জেনারেল, ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স জেনারেলের (ডিজিএফআই) আমন্ত্রণে চার সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়ে রোববার ঢাকায় আসেন তিনি। সোমবার বাংলাদেশের প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. এ কে এম শামসুল ইসলামের সাথে বৈঠকের পরই দিল্লি ফিরে যান।
সফরের আনুষ্ঠানিক তথ্যানুযায়ী, ৯ আগস্ট বেলা ২টা ৫৬ মিনিটে ভারতের নয়াদিল্লি থেকে এয়ার ইন্ডিয়ার এআই-২৩৭ ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান পরাগ জৈনসহ চার সদস্যের প্রতিনিধিদল। ডিজিএফআইয়ের ব্যবস্থাপনায় তারা ঢাকার র‌্যাডিসন ব্লু হোটেলে অবস্থান করেন।
পরদিন ১০ আগস্ট বেলা ১১টা ১৫ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত গুলশান-২-এর ৮৬ নম্বর সড়কের ৬/এ নম্বর বাসভবনে প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টার সাথে বৈঠক করেন পরাগ জৈন। তার সাথে ছিলেন অশ্বিন মুকুন্দ কোটনিস, রাহুল নেগি ও শৈবল রায় চৌধুরী।
গ্রন্থনা- আবু জায়েদ আনসারী