সাবেক এমপি প্রিন্সিপাল মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর দাফন সম্পন্ন
২০ জুন ২০২৬ ১২:১৮
সিলেট জেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর, সংগঠনের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সাবেক সদস্য এবং সিলেট-৫ (কানাইঘাট-জকিগঞ্জ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, প্রখ্যাত আলেমেদীন প্রিন্সিপাল মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ ও তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন আমীরে জামায়াত ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
গত ১৩ জুন শনিবার শোকবাণীতে তিনি বলেন, প্রিন্সিপাল মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর ইন্তেকালে আমরা ইসলামী আন্দোলনের একজন নিবেদিতপ্রাণ ও মুখলিস দাঈকে হারালাম। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল; বিশেষ করে সিলেট অঞ্চলে ইসলামী আন্দোলনের প্রচার, প্রসার এবং সংগঠনকে মজবুত ও গতিশীল করার পেছনে তাঁর অবদান অবিস্মরণীয়। তিনি নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে সংগঠনের আদর্শকে সিলেটের সর্বস্তরের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছেন। আমি তার ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করছি।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী একজন জনপ্রিয় ও জনবান্ধব জনপ্রতিনিধি হিসেবে ব্যাপক সমাদৃত ছিলেন। সংসদ সদস্য থাকাকালীন তিনি তাঁর নির্বাচনী এলাকা কানাইঘাট ও জকিগঞ্জের রাস্তাঘাট, স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, মসজিদ, মন্দির, ক্লাব ও পাঠাগারসহ অবহেলিত অঞ্চলের অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। অসাম্প্রদায়িক ও উদার ব্যক্তিত্বের কারণে তিনি দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও শ্রদ্ধেয় নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
ফরিদ উদ্দিন গত ১৩ জুন শনিবার রাত ১:৪০ মিনিটে সিলেটের ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। এদিন বিকেলে কানাইঘাট তালবাড়ী জামিয়া ইসলামিয়া ইউসুফিয়া ফাজিল মাদরাসা মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজা শেষে তালবাড়ী এলাকায় পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ১ পুত্র, ৪ কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।