সাবেক এমপি প্রিন্সিপাল মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর ইন্তিকাল
১৩ জুন ২০২৬ ১১:৫৮
সিলেট জেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর, সংগঠনের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সাবেক সদস্য এবং সিলেট-৫ (কানাইঘাট-জকিগঞ্জ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন প্রিন্সিপাল মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী আজ ১৩ জুন ২০২৬, শনিবার রাত ১:৪০ মিনিটে সিলেট ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তিকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ১ পুত্র, ৪ কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
আজ শনিবার বিকেল ৪:০০ টায় কানাইঘাট তালবাড়ি জামিয়া ইসলামিয়া ইউসুফিয়া ফাজিল মাদ্রাসা মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে তালবাড়ি এলাকায় পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে ধর্মীয় মর্যাদায় দাফন করা হবে।
আমীরে জামায়াতের শোকবাণী
প্রিন্সিপাল মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর ইন্তিকালে গভীর শোক প্রকাশ করে জাতীয় সংসদের মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি আজ ১৩ জুন এক শোকবাণী প্রদান করেছেন।
প্রদত্ত শোকবাণীতে তিনি বলেন, “প্রিন্সিপাল মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর ইন্তিকালে আমরা ইসলামী আন্দোলনের একজন নিবেদিতপ্রাণ ও মুখলিস দাঈকে হারালাম। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল বিশেষ করে সিলেট অঞ্চলে ইসলামী আন্দোলনের প্রচার, প্রসার এবং সংগঠনকে মজবুত ও গতিশীল করার পেছনে তাঁর অবদান অবিস্মরণীয়। তিনি নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে সংগঠনের আদর্শকে সিলেটের সর্বস্তরের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছেন। আমি তাঁর ইন্তিকালে গভীর শোক প্রকাশ করছি।”
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, “মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী একজন জনপ্রিয় ও জনবান্ধব জনপ্রতিনিধি হিসেবে ব্যাপক সমাদৃত ছিলেন। সংসদ সদস্য থাকাকালীন তিনি তাঁর নির্বাচনী এলাকা কানাইঘাট ও জকিগঞ্জের রাস্তাঘাট, স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, মসজিদ, মন্দির, ক্লাব ও পাঠাগারসহ অবহেলিত অঞ্চলের অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। অসাম্প্রদায়িক ও উদার ব্যক্তিত্বের কারণে তিনি দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও শ্রদ্ধেয় নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।”
মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, “আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা তাঁকে ক্ষমা ও রহম করুন এবং তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন। তাঁর গুনাহখাতাগুলোকে ক্ষমা করে দিয়ে নেকিতে পরিণত করুন। কবর থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রত্যেকটি মঞ্জিলকে তাঁর জন্য সহজ, আরামদায়ক ও কল্যাণময় করে দিন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁকে জান্নাতে উচ্চ মাকাম দান করুন এবং তাঁর শোকাহত পরিবার-পরিজনদেরকে এ শোক সহ্য করার তাওফিক দান করুন।”- প্রেসবিজ্ঞপ্তি,তারিখঃ ১৩ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ