তিন রাজ্যে হিন্দুত্ববাদীরা
৭ মে ২০২৬ ০৯:২২
‘মুখ্যমন্ত্রী’ মমতার ইস্তফায় না, ভারতে সাংবিধানিক সংকট?
॥ মুহাম্মদ আল্-হেলাল ॥
ভারতের বিধানসভা নির্বাচনে ৩টিতে বিজেপির জয়। একটি রাজ্যে ইউডিএফ এবং অন্যটিতে টিভিকে জয়লাভ করে। বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম রাজ্যে বিজেপি এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পদুচেরিতে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট জয়লাভ করেছে। অন্যদিকে কেরালায় কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোট ইউডিএফ জয়লাভ করে।
এপ্রিল ২০২৬-এ ভারতের ৪টি রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, তামিলনাড়ু, কেরালা ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পদুচেরিতে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে। আসাম, তামিলনাড়ু, পদুচেরি ও কেরালায় গত ৯ এপ্রিল হয়েছিল ভোটগ্রহণ। পশ্চিমবঙ্গে ভোটগ্রহণ হয়েছে দুদিন ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৫২ আসনে এবং ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ১৪২ আসনে। নির্বাচনের ফলাফলে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
পশ্চিমবঙ্গ : রাজ্যে ভোটার তালিকা নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রভাবিত বিধানসভা নির্বাচনে নজিরবিহীন নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে ভারতের কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপি। রাজ্যের ২৯৪ বিধানসভা আসনের ২০৭ টিতে বিজয়ী হয়েছে দলটি। বিপরীতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস জয়ী হয়েছে ৮০টি আসনে। সিপিএম ১, কংগ্রেস ২ এবং অন্যান্য ৩টি। প্রথমবারের মতো রাজ্যটিতে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিজেপি। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন হয় ১৪৮ বিধানসভা আসন। চব্বিশ পরগনা জেলার ফলতা আসনের ভোটগণনা হয়নি। সেখানে পুনর্নির্বাচন হবে। বিজেপির জয়ে সংখ্যালঘু; বিশেষ করে মুসলিমদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজ আসন ভবানীপুরে প্রধান প্রতিপক্ষ ভারতীয় জনতা পার্টি-বিজেপির নেতা মমতার একসময়ের অতি ঘনিষ্ঠ টিএমসি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরে গেছেন। এ জয়ের মধ্য দিয়ে রাজ্যটি ৫০ বছর পর পাচ্ছে ডাবল ইঞ্জিন সরকার (ভারতের কেন্দ্র ও রাজ্যে একই সরকার)। ১৯৪৭ সালে পাক-ভারত বিভক্তির পর থেকে সিদ্ধার্থ শংকর রায়ের নেতৃত্বে গঠিত কংগ্রেস সরকার ১৯৭৭ পর্যন্ত ডাবল ইঞ্জিন হিসেবে কার্যকর ছিল। সিদ্ধার্থ শংকরের কংগ্রেস সরকারের পতনের পর যুক্তফ্রন্ট, বামফ্রন্ট ও তৃণমূল কংগ্রেস দীর্ঘ মেয়াদে শাসন করে রাজ্যটি। বিজেপির জয়কে স্বাগত জানিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, বাংলায় পদ্ম ফুটেছে। বিজেপির বিপুল জয়ে অভিভূত নরেন্দ্র মোদি সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ‘২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। জনগণের শক্তির জয় হয়েছে; বিজেপির সুশাসনের রাজনীতি জয়ী হয়েছে।’ বিজেপি নেতা ও ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ লিখেছেন, ‘এই বিপুল গণরায় ভয়, তোষণ ও অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষকদের বিরুদ্ধে বাংলার মানুষের জোরালো জবাব।’ অন্যদিকে নির্বাচনে অন্তত ১০০ আসনে কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, বিজেপি অনুপ্রবেশকারী বলতে মুসলিমদের বুঝিয়ে থাকে।
নির্বাচন ফলাফল শেষে বুলডোজার নিয়ে সংখ্যালঘুদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে মিছিল করে মালদহ বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। এমনকি দলটির রাজ্যসভার সংসদ সদস্য সাবেক ভারতীয় রাষ্ট্রদূত হর্ষবর্ধন শ্রীংলাকেও সেখানে দেখা যায়।
এবার নির্বাচনে সবচেয়ে আলোচিত আসন ভবানীপুর। সেখানে তৃণমূল নেত্রী মমতাকে হারিয়েছেন প্রধান প্রতিপক্ষ বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। ইতোমধ্যে নন্দীগ্রাম আসন থেকে জয়ী হয়েছেন শুভেন্দু। ২০২৬ সালের নির্বাচনে এ দুই আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন শুভেন্দু।
তামিলনাড়ু : তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া সি জোসেফ বিজয়ের (থালাপতি বিজয়) দল তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে) একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এ রাজ্যে পুরনো ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে দল দুটিকে পরাজিত করে বিজয়ের দল ১০৮টি আসনে জয়লাভ করেছে। তবে সরকার গঠনের জন্য ১১৮টি আসনের চেয়ে দলটি ১০ আসন পিছিয়ে আছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সরকার গঠনের জন্য বিজয়কে এখন ডিএমকে নেতৃত্বাধীন সেক্যুলার প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স (এসপিএ) অথবা এআইএডিএমকে নেতৃত্বাধীন এনডিএর সমর্থন নিতে হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক বিজয়ানন্দ জানান, সাধারণত রাজ্যপাল একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দলকে সরকার গঠনের আহ্বান জানান। এক্ষেত্রে ১০৮ আসন পাওয়া ছোট দলগুলোর সমর্থন টিভিকের নিতে হবে। তিনি আরও বলেন, সরকার গঠনের আমন্ত্রণ পাওয়ার পর ৭ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে বিধানসভায় আস্থা ভোটে জয়ী হতে হবে। যদি টিভিকে ব্যর্থ হয়, তবে রাজ্যপাল দ্বিতীয় বৃহত্তম জোটকে ডাকতে পারেন।
আসাম : পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি আসামে ১২৬টি আসনের মধ্যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট জয় পেয়েছে ৯২টিতে। কংগ্রেস পেয়েছে ২১টি; এআইইউডিএফ ২টি ও অন্যরা ১১টি আসনে জয়ী হয়েছে। প্রায় ৩ কোটি ২০ লাখ জনসংখ্যা অধ্যুষিত আসামের ১২৬টি বিধানসভা আসনে গত ৯ এপ্রিল একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। রাজ্যের মোট ২ কোটি ৪০ লাখ ভোটারের একটি বড় অংশ অর্থাৎ প্রায় ৪০ শতাংশই মুসলিম সম্প্রদায়ের। সাধারণত মুসলিম ভোটারদের সমর্থন আসামের রাজনীতিতে বড় সমীকরণ হিসেবে কাজ করে।
একসময়ের প্রভাবশালী কংগ্রেস নেতা হিমন্ত ২০১৪ সালে দলটির সাথে মতবিরোধের জেরে সরে আসেন এবং ২০১৫ সালে বিজেপিতে যোগ দেন। তাঁর নেতৃত্বে ২০১৬ সালে রাজ্যে বিজেপি প্রথমবার ক্ষমতায় আসে।
কেরালা ও পদুচেরি : কেরালায় ১৪০ আসনের মধ্যে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোট ইউডিএফ জয় পেয়েছে ৯৭টিতে। বিরোধী এলডিএফ ৩৫টিতে জয়ী হয়েছে। বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট ৩ আসনে ও অন্যরা জিতেছে ৫ আসনে। পদুচেরিতে ৩০ আসনের মধ্যে ১৭টিতে জয় পেয়েছে এনডিএ জোট।
ব্যাপক সহিংসতা, তৃণমূল কার্যালয় ও নেতাকর্মীদের ওপর হামলা : নির্বাচনের ফলাফলে বিজেপির এগিয়ে থাকার খবর আসতেই বেশকিছু জায়গায় মুসলিম সংখ্যালঘু ও তৃণমূল প্রার্থীদের ওপর হামলা; এমনকি তৃণমূল কর্মীদের হত্যার মতো ঘটনা ঘটেছে। ব্যারাকপুর রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ কলেজ গণনা কেন্দ্রে নোয়াপাড়া বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ ওঠে বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ সদস্য শতাব্দী রায়ের অভিযোগ, সাধারণ কর্মী-সমর্থকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
এ কেন্দ্রেই ব্যারাকপুরের তৃণমূল প্রার্থী ও পরিচালক রাজ চক্রবর্তী ঘিরে ‘চোর’ ‘চোর’ স্লোগান দিতে দেখা যায়। বর্ধমানের এমবিসি গণনা কেন্দ্রের বাইরেও উত্তেজনা ছড়ায়। বর্ধমান উত্তরের তৃণমূল প্রার্থীর এজেন্টকে পিটিয়ে গণনা কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে।
ফলাফল ঘোষণার আগেই কাঁথি পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের তালা ভেঙে দেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। পরে তৃণমূলের প্রতীকে গেরুয়া রং লাগিয়ে সেই কার্যালয়ের দখল নেন তারা। পশ্চিম বর্ধমানের জামুরিয়া ও বারাবনিতে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ ঘটানো হয়। এ সময় চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
মমতার পেটে লাথি : মমতার অভিযোগ, সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের ভোট গণনা কেন্দ্রে তাঁকে ধাক্কা দেওয়া হয়েছে, তাঁর পেটে লাথি মারা হয়েছে। সেই সময়ে সিসি ক্যামেরা বন্ধ ছিল বলে দাবি করেছেন মমতা। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন এখানে একটা কালো ইতিহাস তৈরি করল। কমিশনই ভিলেন হয়েছে। মানুষের অধিকার লুট করেছে। বিজেপি আর কমিশনের মধ্যে বেটিং হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও এর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।’
ভবানীপুর গণনা কেন্দ্রের অভিজ্ঞতায় ফিরহাদ-কন্যা : মমতার সুরেই ওই গণনা কেন্দ্রে কারচুপির বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হলেন তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিমের কন্যা প্রিয়দর্শিনী হাকিম।
তার দাবি, প্রথম কয়েক দফা পর্যন্ত ভোটগণনা স্বাভাবিক ও স্বচ্ছভাবেই চলছিল। তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কয়েক হাজার ভোটে এগিয়েও ছিলেন। কিন্তু পরিস্থিতি আচমকাই বদলে যায় মাঝপথে। তার অভিযোগ, একপর্যায়ে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী গণনাকেন্দ্রে প্রবেশ করে তৃণমূলের প্রতিনিধিদের উদ্দেশে সেখান থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন। প্রিয়দর্শিনীর কথায়, তিনি প্রতিবাদ জানান। পরে তাকে শর্ত দেওয়া হয়, গণনায় যা সংখ্যা জানানো হবে, সেটাই লিখে নিতে হবে। তিনি তা মানতে অস্বীকার করলে তাকেও জোর করে বাইরে বের করে দেওয়া হয়। তার প্রবেশপত্র কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। আরও গুরুতর অভিযোগ তুলে তিনি জানান, গণনা কেন্দ্রে তৃণমূলের একাধিক প্রতিনিধিকে হেনস্তা করা হয়। তাকেও ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়া হয় এবং চুল ধরে টানাহেঁচড়া করা হয়েছে বলে দাবি করেন।
‘মুখ্যমন্ত্রী’ মমতার ইস্তফায় না সাংবিধানিক সংকট? : গত ৫ মে মঙ্গলবার বিকালে মমতা সংবাদ সম্মেলনে সরাসরি জানিয়ে দিলেন, তিনি ইস্তফা দেবেন না! কারণ তিনি হারেননি। মমতা যদি আনুষ্ঠানিকভাবে ইস্তফা না দেন, তাহলে কী হবে? সংবিধানের নিয়মাবলি কী? এমন পরিস্থিতির উল্লেখ করে সংবিধানে কিছু বলা নেই। তবে কি সাংবিধানিক সংকট তৈরি হচ্ছে ভারতে? সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বেশকিছু ধারণার কথা বলছেন, যা অতীতে কোনো না কোনো রাজ্যে ঘটেছে। কিন্তু ভোটে হেরে যাওয়ার পরও বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর ইস্তফা না দেওয়ার নজির দেশে নেই। ফলে মমতা শেষ পর্যন্ত ইস্তফা না দিলে ভারতের সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে এক নতুন নজির তৈরি হবে। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৭ মে বৃহস্পতিবার। ইস্তফা না দিলে আনুষ্ঠানিকভাবে ওই দিন পর্যন্ত মমতাই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন। কিন্তু ৭ তারিখ পেরোলেই তার মুখ্যমন্ত্রীর পদ থাকবে না। ইস্তফা না দিলেও নামের আগে জুড়ে যাবে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী।
অন্যদিকে বিজেপি শনিবার ৯ মে শপথগ্রহণের কর্মসূচি করতে পারে। ৯ তারিখ বা তার পরের কোনো দিনে শপথগ্রহণ হলে মধ্যবর্তী স্বল্পসময় রাজ্যপাল পুরো বিষয়টি তত্ত্বাবধান করবেন এবং তা হবে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষে। কলকাতা হাই কোর্টের এক অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, মধ্যবর্তী সময়ে অনেক ক্ষেত্রে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীকে ‘তদারকি’ (কেয়ারটেকার) মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে রাজ্যপাল কাজ চালানোর অনুরোধ করেন। তেমন কেউ না হলে তিনি নিজে এক-দুদিন তদারকি করতে পারেন। রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করারও সংস্থান রয়েছে। কিন্তু সাধারণত এত কম সময়ের জন্য ‘সংকট’ না হলে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা না-ও হতে পারে।
সকল বিতর্কের মাঝেই মঙ্গলবার কালিঘাটে এক সংবাদ সম্মেলনে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র শক্তি বৃদ্ধি করার কথাও বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা ও অভিষেকের সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ডেরেক ও’ব্রায়েন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়রা। বিজেপিবিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটের সব নেতা ফোন করে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন বলে জানান মমতা। অখিলেশ আজ আসতে চেয়েছিল। আমি কাল আসতে বলেছি। একে একে সবাই আসবেন। জোট শক্তিশালী করব।’ তিনি বলেন, ‘জোট আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে। তবে ভারতের সাম্প্রতিক নির্বাচনী ফলাফলের পর কি হবে সে বিষয়ে ভারতীয়দের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী দেশ এবং মুসলিম দেশগুলোও কিছুটা উদ্বিগ্ন।
তথ্যসূত্র : বিবিসি, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, টাইমস অব ইন্ডিয়া, হিন্দুস্তান টাইমস, আনন্দবাজার, পুবের কলম।