ভাড়ায় চরম নৈরাজ্যে ক্ষোভ, দীর্ঘ যানজটে ভোগান্তি
২৬ মার্চ ২০২৬ ২১:২৫
॥ সৈয়দ খালিদ হোসেন ॥
এবারের ঈদযাত্রা ও ফিরতি পথে চরম নৈরাজ্যের শিকার হয়েছেন যাত্রীরা। স্বাভাবিক যাত্রার সময়ের চেয়ে ঈদে তুলনামূলক বেশি মানুষ যাতায়াত করার কারণে বাড়তি ভিড় ও ভোগান্তি অনেকটা স্বাভাবিক ব্যাপার হিসেবে প্রায় সবাই মেনে নেন। কিন্তু এবার ভিড় ও ভোগান্তির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বাড়তি ভাড়া আদায়ের প্রতিযোগিতা। ‘লোকাল বাস থেকে শুরু করে দূরপাল্লার বাস’ সবাই যে যার ইচ্ছানুযায়ী বাড়তি ভাড়া আদায় করেছে। বাড়তি ভাড়া আদায়ের পরিসংখ্যান তুলে ধরে যাত্রী কল্যাণ সমিতি বলছে, বাড়তি ভাড়া আদায়ে গত ২০ বছরের সব রেকর্ড ভেঙেছে এবার। ঈদযাত্রা ও ফিরতি পথে বেপরোয়া গাড়িচালকদের নিয়ন্ত্রণ করতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্তরা। ফলে এই ঈদে দুই শতাধিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন, আহত হয়েছেন ছয় শতাধিক। সরকারের মন্ত্রীরা স্মরণকালের নির্বিঘ্ন ঈদযাত্রার দাবি করলেও প্রাণহানির এই সংখ্যা অতীতের যে কোনো ঈদের ছুটির তুলনায় বেশি। এছাড়া মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট ও বৃষ্টির কারণে যাত্রীদের ভোগান্তি বেড়েছে। হাজার হাজার যাত্রীকে বৃষ্টিতে ভিজে পরিহবনে ওঠার জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। অপেক্ষা দীর্ঘ হওয়ার কারণ হচ্ছে, অনেক পরিবহনই নির্ধারিত সময় ছাড়েনি। এ নিয়ে খোদ পরিবহনমন্ত্রীও তোপের মুখে পড়েন।
ভাড়ায় চরম নৈরাজ্য
রাজধানীর রায়েরবাগ, বকশীবাজার, রামপুরা, শাহবাগ, গুলিস্তান, যাত্রাবাড়ী সাইবোর্ডসহ রাজধানীর অভ্যন্তরীণ সব রুটে ঈদের তিন দিন আগ থেকেই বাড়তি ভাড়া আদায় করা হয়েছে যাত্রীদের কাছ থেকে। এ প্রতিবেদক সরেজমিন দেখেছেন, রাজধানীর সাইনবোর্ড থেকে গুলিস্তান পর্যন্ত নিয়মিত বাস ভাড়া ২০ টাকা, কিন্তু ঈদের তিন দিন আগ থেকে যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করা হয় ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। কোনো কোনো বাস ডাইরেক্ট সার্ভিস ঘোষণা দিয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করেন ৩৫ টাকা, অন্যরা ঈদ বোনাস বা বখশিসের কথা বলে আদায় করেন ২০ টাকার স্থলে ৩০ টাকা। অন্য সব রুটেই একই পরিমাণে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হয়। কোনো যাত্রী বাড়তি ভাড়া দিতে না চাইলে তারা যাত্রীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণও করেছেন।
দূরপাল্লার বাসে ঈদযাত্রা ও ফিরতি পথে বাড়তি ভাড়া আদায়ের পরিমাণ আরও বেশি। অনেক ক্ষেত্রে প্রায় দ্বিগুণ ভাড়াও আদায় করা হয়েছে যাত্রীদের কাছ থেকে। রাজধানীর বিভিন্ন বাস টার্মিনালে দূরপাল্লার যাত্রীদের কাছ থেকে ২০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হয়েছে, ফিরতি পথেও একইভাবে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হয়েছে।
ঢাকা থেকে নিজ গ্রামের বাড়ি বরগুনায় যাওয়ার স্বাভাবিক ভাড়া ৬৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৭০০ টাকা। কিন্তু ঈদের সময় প্রায় দ্বিগুণ ভাড়া নেওয়া এক ভুক্তভোগীর ভাষ্য থেকে জানা গেল নতুন এক অপকৌশলের কথা। তিনি জানান, সায়েদাবাদে মেঘনা পরিবহনে গিয়ে দেখেন জ¦ালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে টিকিট বিক্রি বন্ধ আছে। পরে তিনি কল্যাণপুর কাউন্টার থেকে শ্যামলী পরিবহনের চারটি টিকিট কেনেন। সাধারণত এই রুটে নন-এসি ভাড়া ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকার মধ্যে থাকলেও তাকে প্রতি টিকিট ১ হাজার ২০০ টাকা দিতে হয়েছে। তিনি বলেন, ‘চারটি টিকিটের জন্য তার কাছ থেকে প্রায় দুই হাজার টাকা বেশি নেওয়া হয়েছে।’ তিনি বাড়তি ভাড়া নেওয়ার নতুন অপকৌশলের ধারণা দিয়ে বলেন, অতিরিক্ত ভাড়া গোপন করার জন্য অপারেটররা মূল টিকিটের পরিবর্তে ‘টোকেন’ দিয়েছে। ‘এই টোকেন দেখিয়ে নির্ধারিত সময়ের ৩০ মিনিট আগে কাউন্টার থেকে মূল টিকিট নিতে হয়। প্রায় সব যাত্রীর সঙ্গেই একই অপকৌশলে বেশি টাকা নেওয়া হয়েছে। একইভাবে দেশের সব জেলা বা অঞ্চল থেকে শহরে ফিরতি পথেও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের খবর পাওয়া গেছে। পটুয়াখালীর কুয়াকাটা থেকে ঈদ উদযাপন করে ঢাকায় কর্মস্থলে যোগ দেওয়া যাত্রী ‘নুসরাত জাহান কলি’ এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, কর্মস্থলে ফেরার পথে তাকে অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হয়েছে ছয়শ’ টাকা। এই রুটে ইউরো কোচ (স্লিপার) বাস সবসময় ভাড়া নেয় চৌদ্দশ’ টাকা। কিন্তু ঈদে গ্রামে যাওয়া ও ঢাকায় ফিরার সময় নিয়েছে দুই হাজার টাকা। কোনো কোনো ক্ষেত্রে আরও বেশিও নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গত ১৮ মার্চ দেশের গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, এবারের ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য গত ২০ বছরের রেকর্ড ভঙ্গ করতে চলেছে। ঈদযাত্রায় ভাড়া নৈরাজ্য ও যাত্রী হয়রানি পর্যবেক্ষণের এক সংক্ষিপ্ত সমীক্ষা তুলে ধরে তিনি বলেন, এবারের ঈদে ৮৭ শতাংশ বাস-মিনিবাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য চালাচ্ছে, ঢাকা থেকে পাবনা নিয়মিত ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকার বাস ভাড়া ১২শ’ টাকা, ঢাকা থেকে নাটোর নিয়মিত ৫৫০ থেকে ৫৮০ টাকার বাস ভাড়া ১২শ’ টাকা, ঢাকা থেকে রংপুর নিয়মিত ৫০০ টাকার বাস ভাড়া ১৫শ’ টাকা, ঢাকা থেকে নোয়াখালীর নিয়মিত ৫০০ টাকার বাস ভাড়া ৮০০ টাকা, ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের নিয়মিত ৫০০ টাকার বাস ভাড়া ৭০০ টাকা, ঢাকা থেকে রামগঞ্জ নিয়মিত ৩৫০ টাকার বাস ভাড়া ৮০০ টাকা, ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ লোকাল বাসে ২৫০ টাকার ভাড়া ৬০০ টাকা, ঢাকা থেকে খুলনা নিয়মিত ৫০০ টাকার বাস ভাড়া ৮০০ টাকা, চট্টগ্রাম থেকে লক্ষ্মীপুর নিয়মিত ৪০০ টাকার বাস ভাড়া ৮০০ টাকা, চট্টগ্রাম থেকে ভোলা নিয়মিত ৪৫০ টাকার বাস ভাড়া ৯০০ টাকা, ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ ট্রাক-পিকআপে জনপ্রতি ৫০০ টাকা ভাড়া আদায় করতে দেখা গেছে। যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এবারের ঈদে ঢাকা থেকে দূরপাল্লার রুটে বাস-মিনিবাসে ৪০ লাখ ট্রিপ যাত্রীর যাতায়াতে ৮৭ শতাংশ যাত্রীপ্রতি টিকিটে গড়ে ৩৫০ টাকা হারে বাড়তি ভাড়া গুনতে হয়েছে। সেই হিসেবে এবারের ঈদে দূরপাল্লার যাত্রীদের ১২১ কোটি ৮০ লাখ টাকা অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হয়েছে। এছাড়া ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন সিটিবাসে ৬০ লাখ ট্রিপ যাত্রীর ৮৭ শতাংশ যাত্রী প্রতি টিকিটে গড়ে ৫০ টাকা হারে বাড়তি দিলে ২৬ কোটি ১০ লাখ টাকা অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হয়। ফলে এবারের ঈদে প্রায় ১৪৮ কোটি টাকা শুধুমাত্র বাস-মিনিবাসে বাড়তি ভাড়া আদায় হয়।
অনেক ট্রেন ও বাস ছাড়েনি সময়মতো
এবারের ঈদে গ্রামে যাওয়া ও ফেরার পথে অনেক গণপরিবহনই নির্ধারিত সময়ে স্টেশন থেকে ছেড়ে যায়নি। যাত্রীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে অপেক্ষা করতে হয়েছে। ফলে নারী-শিশু ও বয়স্ক যাত্রীরা বেশ ভোগান্তিতে পড়েছেন। ট্রেনের ফিরতি যাত্রায়ও শিডিউল বিপর্যয়ে ভোগান্তির কথা বলছেন যাত্রীরা। ২৪ মার্চ রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনের তথ্য নিয়ে জানা গেছে, ফিরতি ট্রেনের পাশাপাশি সকাল থেকে ছেড়ে যাওয়া বুড়িমারী এক্সপ্রেস ছাড়া সব ট্রেনই শিডিউল বিপর্যয় করে স্টেশন ছেড়ে গেছে। নীলসাগর এক্সপ্রেসে করে ঢাকা ফেরা একজন যাত্রী জানিয়েছেন, নীলসাগর এক্সপ্রেস ৪ ঘণ্টা দেরি করেছে। ঢাকায়ও দেরি করে এসেছে। এদিকে কমলাপুর স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, সকাল থেকে তিনটি ট্রেনই দেরিতে ছেড়ে গেছে। ট্রেনগুলো হলো ধূমকেতু এক্সপ্রেস ৫ মিনিট দেরিতে ৭টা ৪০, পর্যটক এক্সপ্রেস ৪৫ মিনিট দেরিতে ৭টা ৪ মিনিট, পারাবত এক্সপ্রেস ২০ মিনিট দেরিতে ৭টা ২০ মিনিটে ছেড়ে যায়।
একাধিক মর্মান্তিক দুর্ঘটনার শিকার যাত্রীরা, প্রাণহানি দুই শতাধিক
ঈদের আগে ঢাকার সদরঘাটে লঞ্চ ঘাটে আসার আগে সিট পাওয়ার জন্য ট্রলারযোগে লঞ্চে উঠতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে দুজন প্রাণ হারান। গত ২১ মার্চ শনিবার রাত ২টা ৫৫ মিনিটে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ার বাজার লেভেলক্রসিং বাস দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত হন। ফলে ওই এলাকার হাসপাতালগুলোয় ঈদের ছুটিতে দুর্ঘটনায় হতাহতরদের স্বজনদের ঢল ছিল। ঈদুল ফিতরের ছুটিতে সরকারি হিসাবে সড়কে ৯২ দুর্ঘটনায় ১০০ জন নিহত এবং ২১৭ জন আহত হয়েছেন। তবে বেসরকারি সংস্থা রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রাথমিক হিসাবে একই সময়ে ২৬৮ সড়ক দুর্ঘটনায় ২০৪ জন নিহত হয়েছেন। আহতের সংখ্যা ছয় শতাধিক। সরকারি নিয়ন্ত্রক সংস্থা সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) হিসাবে, দুর্ঘটনা ও হতাহতের অনেক তথ্য নেই। সরকারি হিসাবে সারা দেশে আহতের সংখ্যা ২১৭ জন বলা হলেও, পঙ্গু হাসপাতাল নামে পরিচিত রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে ঈদের আগের রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে পরের দিন বিকেল ৫টা পর্যন্ত দুর্ঘটনার শিকার হয়ে ১৫১ জন আহত রোগী আসেন। দেশের অন্যান্য হাসপাতালেও ছিল একই চিত্র। অধিকাংশ আহত রোগী ছিলেন মোটরসাইকেল, ব্যাটারিচালিত রিকশা কিংবা ইজিবাইক দুর্ঘটনায় আহত।
বৃষ্টিতে ভোগান্তি ও দীর্ঘ যানজটে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন যাত্রীরা
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ঈদযাত্রায় ও ফিরতি পথে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে একই পরিস্থিতি তৈরি হয়। কোনো কোনো মহাসড়কে যানবাহন চলাচলের গতি কমায় তৈরি হয়েছে ১৫ থেকে ২০ কিলোমিটার পর্যন্ত যানজট। যানজটে আটকে না থেকে বহু যাত্রী হেঁটেই আর কাছের যাত্রীদের গলি রাস্তায় রিকশা বা অটোরিকশায় পথ এগোতেও দেখা গেছে। এবারের ঈদযাত্রায় মূল যানজট ছিল, ঢাকা-টাঙ্গাইল করিডোর ২২ কিলোমিটার, ঢাকা-ময়মনসিংহ হাইওয়ের টঙ্গী থেকে চান্দনা চৌরাস্তা ২১ কিলোমিটার এবং নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে তীব্র যানজটের খবর পাওয়া যায়। গত ১৮ মার্চ সন্ধ্যার পর থেকে বৃষ্টি ও তীব্র যানজটে প্রায় সব রুটেই চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। ওইদিন গাজীপুরের ভোগড়া থেকে চন্দ্রা বাস টার্মিনাল পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার সড়কে দীর্ঘসময় ধরে যান চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে। রাত ১০টার দিকে শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টিতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। এতে চন্দ্রা থেকে টাঙ্গাইল পর্যন্ত মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে যানবাহনের ধীরগতি দেখা দেয়। চন্দ্রা বাস টার্মিনালে উত্তরাঞ্চলের ২৬ জেলার যানবাহনের দীর্ঘ সারি। বৃষ্টির কারণে যাত্রীদের ওঠানামায় চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়।
টানা আট দিনের দীর্ঘ ঈদ ছুটি শেষে ২৪ মার্চ থেকে প্রাণ ফিরতে শুরু করেছে রাজধানী ঢাকায়। খুলছে সব সরকারি, আধাসরকারি ও বেসরকারি অফিস। শিকড়ের টানে বাড়ি ফেরা মানুষ রাজধানীতে ফিরতে শুরু করায় সকাল থেকেই রাজধানীর প্রবেশপথগুলোয় দেখা গেছে শহরে ফেরা মানুষের উপচেপড়া ভিড়। তবে ফেরার এই মিছিলে ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় যাত্রীদের ভোগান্তিতে ফেলে। ফিরতি পথেও প্রায় দ্বিগুণ ভাড়া আদায় করা হয়েছে। অতিরিক্ত ভাড়া প্রসঙ্গে পরিবহনমন্ত্রী যখন বলেছেন ভাড়া কোথাও কোথাও ২০ থেকে ৩০ টাকা কম নেওয়া হয়েছে, তা শুনে ভোগান্তির শিকার মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোয় ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটে।