সংক্ষিপ্ত বিশ্ব সংবাদ
২৬ মার্চ ২০২৬ ১৮:১৭
খাদ্য সঙ্কটে পড়তে পারে প্রায় ১০ কোটি মানুষ
তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী। এ নৌপথ দিয়েই পৃথিবীর ২০ শতাংশ জ্বালানি সরবরাহ করা হয়। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর জ্বালানি এ প্রণালী দিয়েই বিশ্বের অন্যান্য অংশে যায়। শুধু কি জ্বালানির জন্যই গুরুত্বপূর্ণ এ প্রণালী, এমন প্রশ্ন করলে উত্তর হবে, ‘না’। কারণ এ নৌপথটি ১০ কোটি মানুষর খাবারের লাইফলাইন। ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালী অনেকটা বন্ধ অবস্থায় রয়েছে। বন্ধ রয়েছে তেলবাহী ট্যাঙ্কার ও খাদ্যবাহী জাহাজ চলাচল। যুদ্ধের জেরে উপসাগরীয় দেশগুলোর খাদ্য সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটছে। ইরান যুদ্ধে সৃষ্ট বিঘ্নগুলোর ধারাবাহিক প্রভাব ভোক্তাদের ওপর পড়বে, যা তাদের জন্য মোটেও ভালো নয়। এর প্রতিক্রিয়ায় গালফ করপোরেশন কাউন্সিলভুক্ত (জিসিসি) দেশগুলোর সরকার জটিলতা কমানোর চেষ্টা করছে। এমন পরিস্থিতিতে ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত একটি নতুন বাণিজ্য করিডর চালু করেছে, যা মাসকট ও জেবেল আলির মতো বন্দরগুলোর মধ্যে পণ্য ছাড়পত্র প্রক্রিয়া দ্রুততর করবে বলে আশা করা হচ্ছে। লয়েডস লিস্ট ইন্টেলিজেন্সের প্রধান সম্পাদক রিচার্ড মিড বলেন, ‘আপনি যথেষ্ট অর্থ দিতে রাজি থাকলে বিমা পাওয়া যায়।’ তবে তিনি মনে করেন, সেটাই আসল সমস্যা নয়। তিনি বলেন, ‘এখানে নিরাপত্তাই মুখ্য। বিষয়টি তুলে ধরা উচিত।’ সম্প্রতি হরমুজ প্রণালীটিকে সামরিকভাবে নিরাপদ করার আলোচনা বেড়েছে। বিশেষ করে যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউএস ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স করপোরেশনকে শিপিং কোম্পানিগুলোকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দেওয়ার দায়িত্ব দেন। এমনকি মার্কিন নৌবাহিনীর এসকর্ট দেওয়ার সম্ভাবনাও উত্থাপন করেন। রিচার্ড বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের নৌবাহিনীর এসকর্ট শিগগিরই আসছে না এটা এক প্রকার সিউর। যখন সামরিক সহায়তা আসবে তখন তেলবাহী ট্যাঙ্কারগুলোকে প্রায়োরিটি দিতে হবে।’ মধ্যপ্রাচ্যের কঠোর জলবায়ুতে টিকে থাকা সহজ নয়, এর জন্য যথেষ্ট প্রচেষ্টা লাগে। গ্রীষ্মে এ অঞ্চলের তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও (১২২ ফারেনহাইট) বেশি হয়। এ অঞ্চলে চাষযোগ্য জমির পরিমাণ খুবই নগণ্য। তাই তো অধিকাংশ খাদ্য বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। এমনকি অঞ্চলটিতে সুপেয় পানির চরম অভাব। আরব দেশগুলোর পানীয় জলের বেশিরভাগই সমুদ্র থেকে সংগৃীহত। পানি পরিশোধন করে মানুষদের দেয় দেশগুলোর সরকারেরা। সৌদি আরব নিজেদের মোট খাদ্যের ৮০ শতাংশ আমদানি করে। ৯০ শতাংশ আমদানি করে সংযুক্ত আরব আমিরাত। আর কাতার আমদানি করে নিজেদের চাহিদার মোট খাদ্যের ৯৮ শতাংশ। এছাড়া ইরাকও প্রচুর খাদ্য আমদানি করে। এসব দেশের বেশিরভাগ খাদ্যবাহী জাহাজ আসে হরমুজ প্রণালী দিয়ে। সামগ্রিকভাবে এ অঞ্চলে আসা খাদ্যবাহী জাহাজগুলোর অধিকাংশই হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচল করে। কিন্তু বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার কারণে এখন নৌপথটি প্রায় সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে রয়েছে। জলপথটি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় খাদ্য পরিবহনকারীরা বিকল্প পথ খুঁজতে হিমশিম খাচ্ছে। অন্য পথে জাহাজ চলাচলে খরচ অনেক বেশি। এর ফলে খাদ্যের দাম বেড়ে যাবে, যা গিয়ে সরাসরি পড়বে ভোক্তাদের ওপর। এমনকি ইরানও তার বাণিজ্যের বড় একটি অংশের জন্য হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভরশীল। ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম (ডব্লিউএফপি) সতর্ক করে জানিয়েছে, খাদ্য সরবরাহ শৃঙ্খল কোভিড-১৯ মহামারি এবং ২০২২ সালে পূর্ণমাত্রার ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সবচেয়ে গুরুতর বিঘ্নের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। ডব্লিউএফপির ডেপুটি নির্বাহী পরিচালক কার্ল এসকেআউ বলেন, ‘শিপিং খরচ বাড়ছে খুব দ্রুত।’ রয়টার্স।
বৈশ্বিক তাপমাত্রা আরো বাড়তে পারে : ডব্লিউএমও
ভবিষ্যতে পৃথিবীর তাপমাত্রা আরো বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘের আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও)। সংস্থাটি জানিয়েছে, পৃথিবী এখন আগের চেয়ে বেশি তাপ শোষণ করছে। শক্তির এ ভারসাম্যহীনতাই জলবায়ু পরিবর্তনের মূল কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, কার্বন ডাই-অক্সাইডসহ তাপ শোষণকারী বিভিন্ন গ্যাসের নির্গমন এমন পরিস্থিতির জন্য দায়ী। অন্যদিকে মানুষের তৈরি জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর কারণে বায়ুমণ্ডলে এসব গ্যাসের পরিমাণ গত ২০ লাখ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ডব্লিউএমও জানিয়েছে, ১৮৫০ সালের পর গত ১১ বছরকে সবচেয়ে উষ্ণ সময় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ২০২৫ সালে বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা শিল্পপূর্ব সময়ের তুলনায় প্রায় ১ দশমিক ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। প্রাকৃতিক ‘লা নিনা’ প্রভাবের কারণে ২০২৫ সালের তাপমাত্রা ২০২৪ সালের চেয়ে কিছুটা কম ছিল। তবু এটি ইতিহাসের অন্যতম উষ্ণ বছর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, তাপমাত্রার উষ্ণতা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। অতিরিক্ত উৎপন্ন হওয়া এ তাপের ৯০ শতাংশের বেশি শোষণ করছে মহাসাগর। এতে সমুদ্রের তাপমাত্রাও রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য, ঝড়ের তীব্রতা ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতায়। একই সঙ্গে বরফ গলার হারও বেড়েছে। ২০২৪ থেকে ২০২৫ সময়ে হিমবাহের গলন ছিল সবচেয়ে বেশি। জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস জানিয়েছেন, মানুষের কর্মকাণ্ড প্রকৃতির ভারসাম্য পুরোপুরি ভেঙে দিচ্ছে। এমনকি ডেঙ্গুর মতো রোগের বিস্তারেও ভূমিকা রাখছে। এর ক্ষতিকর প্রভাব শত থেকে হাজার বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন। গুতেরেস বলেন, ‘বৈশ্বিক জলবায়ুকে এখন জরুরি অবস্থা বলাই যায়। জলবায়ুর প্রতিটি সূচকেই এখন লাল চিহ্ন জ্বলছে। মানুষ ১১ বছর সবচেয়ে বেশি গরম সহ্য করেছে। ইতিহাসের যখন ১১ বার পুনরাবৃত্তি ঘটে, তখন সেটি আর কাকতালীয় থাকে না, এটা নিয়ে ভাবার সময় এসে গেছে।’ জাতিসংঘ মহাসচিব এ সঙ্কট মোকাবিলায় দেশগুলোকে জীবাশ্ম জ্বালানি ছেড়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের আহ্বান
জানিয়েছেন। বিবিসি।
কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামী নেত্রীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ভারত অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের রাজনীতিতে এক সময়ের প্রভাবশালী নেত্রী এবং ‘দুখতারান-এ-মিল্লাত’-এর প্রতিষ্ঠাতা আশিয়া আন্দ্রাবিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে দিল্লির একটি বিশেষ আদালত। গত ২৪ মার্চ মঙ্গলবার কঠোর সন্ত্রাসবিরোধী আইন ইউএপিএ-র অধীনে এই বিতর্কিত রায় ঘোষণা করা হয়। আদালতের এই রায়ে আশিয়ার দুই ঘনিষ্ঠ সহযোগী সোফি ফেহমিদা এবং নাহিদা নাসরিনকেও ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ’র দাবি, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে জম্মু ও কাশ্মীরকে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করার লক্ষ্যে ‘দেশবিরোধী’ কার্যকলাপ এবং ‘সন্ত্রাসবাদী’ আদর্শ প্রচার করে আসছিলেন। ২০১৮ সালে গ্রেপ্তারের পর থেকে দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে আদালত তাদের রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা এবং অশান্তি সৃষ্টির দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে। আশিয়ার এই সাজা কেবল একটি আইনি রায় নয়, বরং ২০১৯ সালে ৩৭০ ধারা বাতিলের পর কাশ্মীর উপত্যকায় বিচ্ছিন্নতাবাদী রাজনীতির বিরুদ্ধে ভারতের মোদি সরকারের দমন-পীড়নের নীতিরই প্রতিফলন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ৬২ বছর বয়সী আন্দ্রাবি ৯০-এর দশক থেকেই কাশ্মীরের স্বাধীনতার পক্ষে প্রচারের জন্য জনপ্রিয় ছিলেন। এই রায়ের মাধ্যমে কাশ্মীরের স্বাধীনতা আন্দোলনের একটি অধ্যায়ের অবসান ঘটতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সিয়াসত ডেইলি।
ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিতর্কিত রায় : ধর্মান্তরিত হলেই বাতিল হবে এসসি মর্যাদা
ভারতের দলিত ও পিছিয়ে পড়া শ্রেণির (ঝঈ) মর্যাদা এবং আইনি সুরক্ষা নিয়ে এক ঐতিহাসিক রায় প্রদান করল সুপ্রিম কোর্ট। আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, হিন্দু, শিখ বা বৌদ্ধ ধর্ম ছাড়া অন্য কোনো ধর্ম গ্রহণ করলে একজন নাগরিক আর তফসিলি জাতির (ঝঈ) অন্তর্ভুক্ত থাকবেন না। এই পরিবর্তনের ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এসসি-এসটি (অত্যাচার প্রতিরোধ) আইনের অধীনে কোনো বিশেষ সুরক্ষা বা সরকারি সুযোগ-সুবিধার দাবিদার হবেন না।
গত মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিচারপতি পি.কে. মিশ্র এবং এন.ভি. অঞ্জারিয়ার ডিভিশন বেঞ্চ অন্ধ্রপ্রদেশের এক খ্রিস্টান যাজকের দায়ের করা মামলা খারিজ করে এই রায় দেন। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি খ্রিস্টধর্ম বা অন্য কোনো ধর্মে ধর্মান্তরিত হন এবং সক্রিয়ভাবে সেই ধর্ম পালন করেন, তবে তাঁর পূর্বের তফসিলি জাতির শংসাপত্র আইনত অকার্যকর হয়ে যাবে। ঘটনার সূত্রপাত অন্ধ্রপ্রদেশের জনৈক খ্রিস্টান যাজক চিন্থাদা আনন্দকে কেন্দ্র করে। তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে, তফসিলি জাতির সদস্য হওয়া সত্ত্বেও খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করায় তাঁকে জাতিগতভাবে হেনস্তা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে তিনি এসসি-এসটি আইনে মামলা করেন। অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্ট প্রথমে তাঁর আবেদন খারিজ করে জানায়, খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণের পর তিনি আর এসসি মর্যাদা পেতে পারেন না। পরবর্তীকালে এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে তিনি সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ হন। সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের রায় বহাল রেখে জানায়, আবেদনকারী গত এক দশক ধরে চার্চের যাজক হিসেবে কাজ করছেন এবং ঘটনার দিনও তিনি প্রার্থনা সভা পরিচালনা করছিলেন। যেহেতু তিনি স্বেচ্ছায় অন্য ধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং তা পালন করছেন, তাই তাঁর এসসি মর্যাদা ‘স্বয়ংক্রিয়ভাবে’ বাতিল হয়ে গেছে। আদালত আরও স্পষ্ট করে যে, সংবিধানে তফসিলি জাতির মর্যাদা শুধুমাত্র হিন্দু, শিখ এবং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। আল-জাজিরা।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধকে ‘কলঙ্ক’ আখ্যা দিয়ে পোপ লিওর যুদ্ধবিরতির ডাক
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতকে ‘মানব পরিবারের জন্য এক গভীর কলঙ্ক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন পোপ চতুর্দশ লিও। একই সঙ্গে তিনি দ্রুত যুদ্ধবিরতির জন্য জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন। গত রোববার (২২ মার্চ) ভ্যাটিকান সিটির সেন্ট পিটার্স চত্বর-এ সাপ্তাহিক অ্যাঞ্জেলাস প্রার্থনায় বক্তব্য দিতে গিয়ে পোপ বলেন, ‘এত মানুষের কষ্ট এবং নিরপরাধদের দুর্দশার সামনে আমরা নীরব থাকতে পারি না। তাদের যন্ত্রণা পুরো মানবজাতিকেই আঘাত করছে।’ তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যসহ সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত অন্যান্য অঞ্চলের পরিস্থিতি তিনি গভীর উদ্বেগ ও হতাশার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছেন। পোপ লিও তার বক্তব্যে আবারও সবাইকে প্রার্থনায় অবিচল থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, শত্রুতা বন্ধ করে শান্তির পথ উন্মুক্ত করতে হবে। বিশ্বজুড়ে সংঘাত ও সহিংসতার প্রেক্ষাপটে পোপের এই আহ্বান নতুন করে শান্তি প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরেছে। বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ ছাড়া এই সংকট থেকে উত্তরণের পথ কঠিন হয়ে পড়বে। আল-জাজিরা।
যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের’ অভিযোগ উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের
উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর সমালোচনা করে দেশটিকে ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস’ ও আগ্রাসনের হোতা হিসেবে অভিযুক্ত করেছেন। তবে তার দীর্ঘ বক্তব্যে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কোনো সরাসরি আক্রমণাত্মক মন্তব্য না করে কূটনীতির পথ কিছুটা খোলা রেখেছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। গত ২৪ ২৩ মার্চ সোমবার পিয়ংইয়ংয়ে উত্তর কোরিয়ার পার্লামেন্ট ‘সুপ্রিম পিপলস অ্যাসেম্বলি’র অধিবেশনে দেওয়া এক ভাষণে কিম এসব কথা বলেন। এই অধিবেশনেই তিনি টানা তৃতীয়বারের মতো দেশটির রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে পুনরায় নিশ্চিত হন। পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগের সম্ভাবনা নাকচ নিজের নীতি নির্ধারণী ভাষণে কিম জং উন স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, উত্তর কোরিয়া কখনোই তাদের পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগ করবে না। তিনি এই অস্ত্রভাণ্ডারকে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার একটি ‘অখণ্ড ঢাল’ হিসেবে বর্ণনা করেন। কিম বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে বিশ্বজুড়ে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ও আগ্রাসন চালাচ্ছে। আমাদের শত্রুরা সংঘাত নাকি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বেছে নেবে, সেটা তাদের সিদ্ধান্ত। আমরা যেকোনো পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে প্রস্তুত।’ ইরান ও ভেনেজুয়েলা প্রসঙ্গ বিশ্লেষকদের মতে, কিমের এই কঠোর অবস্থানের পেছনে সাম্প্রতিক বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট কাজ করছে। এ বছর মার্কিন নেতৃত্বাধীন অভিযানে ইরান ও ভেনেজুয়েলার নেতাদের ওপর ঘটে যাওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের বিষয়টি মাথায় রেখেই কিম তার দেশকে একটি শক্তিশালী পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে তুলে ধরতে চেয়েছেন। তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে, উত্তর কোরিয়াকে অন্য কোনো দেশের মতো চাপ প্রয়োগ করে বশীভূত করা সম্ভব নয়। ট্রাম্পের বিষয়ে কৌশলগত নীরবতা কিমের ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র সমালোচনা থাকলেও ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম সরাসরি না নেওয়াকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনীতির পর্যবেক্ষকরা। দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্লেষকদের মতে, ভবিষ্যতে ট্রাম্প যদি পুনরায় ক্ষমতায় আসেন, তবে তার সাথে আলোচনার একটি ক্ষীণ সুযোগ জিইয়ে রাখতেই কিম এই কৌশল গ্রহণ করেছেন। অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে কিম দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং স্পষ্ট করে দেন যে, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক মর্যাদা নিয়ে কোনো দরকষাকষির সুযোগ নেই। এসসিএমপি।
বিধানসভা নির্বাচনে কোনো মুসলিম প্রার্থী নেই বিজেপির
ভারতের আসামের বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিজেপি। এবারো বিজেপি রাজ্যে কোনো সংখ্যালঘু মুসলিমকে প্রার্থী করেনি। গত শনিবার (২১ মার্চ) দেশটির একটি সংবাদমাধ্যম জানায়, জোটসঙ্গী অসম গণ পরিষদ (অগপ) ও বোড়োল্যান্ড পিপলস ফ্রন্টের (বিপিএফ) সাথে আসন সমঝোতার পর ৮৯টি আসনের মধ্যে বৃহস্পতিবার বিজেপি ৮৮টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। যথারীতি দেখা যাচ্ছে, এবারো বিজেপি কোনো মুসলিমকে প্রার্থী করেনি। এবার ২৬টি আসন বিজেপি তাদের জোটসঙ্গী অগপকে ছেড়ে দিয়েছে। তবে দলটি বৃহস্পতিবার ২৬টি আসনে যে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে, তাতে ১৩ জন মুসলিম রয়েছেন। এ কারণে এই ১৩ আসনের বাইরের অগপ’র মুসলিম সমর্থকরা বিজেপিকেই ভোট দেবে- এমনটা ভেবেই মুসলিম অধ্যুষিত কেন্দ্রগুলো শাসক দল অগপকেই ছেড়েছে। এই কেন্দ্রগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সোনাই, দক্ষিণ করিমগঞ্জ, মানকাচার, গোয়ালপাড়া পূর্ব বিন্নাকান্দি, রূপহীহাট প্রভৃতি। গণশক্তি।
তুরস্কের লেজার প্রযুক্তির ট্যাঙ্কবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের গণউৎপাদন শুরু
তুরস্কের বিখ্যাত প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান রকেটসান তাদের অত্যাধুনিক লেজারচালিত ট্যাঙ্কবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের (এল-ওএমটিএএস) ব্যাপক হারে উৎপাদন শুরু করেছে। সম্প্রতি সফলভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর এই ঘোষণা দেওয়া হয়। গত ২৩ মাচ সোমবার রকেটসান আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে যে, তাদের মাঝারি পাল্লার অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক মিসাইল এল-ওএমটিএএস এখন থেকে পূর্ণাঙ্গ উৎপাদনে যাচ্ছে। ২০২৪ সালের ‘সাহা এক্সপো’তে এটি প্রথম প্রদর্শিত হয়েছিল। এটি মূলত তুরস্কের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি একটি শক্তিশালী মারণাস্ত্র, যা দেশটির প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে। এল-ওএমটিএএস মিসাইলের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এটি আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে ট্যাঙ্কের বিরুদ্ধে অত্যন্ত কার্যকর। এটি ৫.৫ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। এতে উচ্চ প্রযুক্তির লেজার গাইডেড সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে, যা নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তু খুঁজে বের করে। মিসাইলটির ওজন ৩২ কেজি, দৈর্ঘ্য ১.৭৫ মিটার এবং ব্যাস ১৬০ মিলিমিটার। এটি উৎক্ষেপণের আগে লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ এবং উৎক্ষেপণের পরেও লক্ষ্যবস্তু পরিবর্তনের সুবিধা দেয়। এল-ওএমটিএএস শুধুমাত্র ট্যাঙ্ক ধ্বংস করতেই নয়, বরং আরও অনেক কাজে ব্যবহার করা যাবে। এটি স্থির এবং চলন্ত ট্যাঙ্ক, সাঁজোয়া যান, কংক্রিটের বাঙ্কার এবং অন্যান্য সুরক্ষিত স্থাপনায় আঘাত করতে পারে। এই মিসাইলটি ট্রাইপড থেকে শুরু করে বিভিন্ন ল্যান্ড প্ল্যাটফর্ম বা সাঁজোয়া যানের ওপর বসিয়েও চালানো সম্ভব। এতে ‘ট্যান্ডেম হাই-এক্সপ্লোসিভ অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক, ব্লাস্ট ফ্র্যাগমেন্টেশন এবং থার্মোবারিক ওয়ারহেড ব্যবহারের বিকল্প রয়েছে। এই মিসাইলটির সিরিয়াল প্রোডাকশন শুরু হওয়া তুরস্কের জন্য একটি কৌশলগত বিজয়। এটি ন্যাটো জোটের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তের নিরাপত্তাকে আরও শক্তিশালী করবে। তুরস্ক এখন আর কেবল প্রোটোটাইপ বা পরীক্ষামূলক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তারা সরাসরি নিজেদের সেনাবাহিনী এবং আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য উন্নত প্রযুক্তির অস্ত্র তৈরি করছে। এল-ওএমটিএএস মিসাইলটি আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য একটি নিখুঁত সমাধান। এটি যেমন সাশ্রয়ী, তেমনি অত্যন্ত ধ্বংসাত্মক। রকেটসানের এই অগ্রগতি তুরস্কের দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পকে বিশ্বদরবারে আরও এক ধাপ উঁচুতে নিয়ে গেল। আর্মি রিকগনিশন।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাবমেরিন যুদ্ধের প্রস্তুতি চীনের
ভবিষ্যতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সঙ্গে সম্ভাব্য সাবমেরিন যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে প্রশান্ত, ভারত ও আর্কটিক মহাসাগরের তলদেশের এক বিশাল এবং বিস্তারিত মানচিত্র তৈরির কাজ শুরু করেছে চীন। রয়টার্সের এক বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। নৌ-বিশেষজ্ঞ এবং মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের মতে, বেইজিংয়ের এই বিশাল সমুদ্র তলদেশ ম্যাপিং কার্যক্রম কেবল বৈজ্ঞানিক গবেষণার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং এটি সমুদ্রের গভীরতা, ভূখণ্ড, পানির তাপমাত্রা এবং লবণাক্ততা সম্পর্কে এমন একটি নিখুঁত তথ্যভাণ্ডার তৈরি করছে, যা যুদ্ধের সময় চীনা সাবমেরিনগুলোকে রাডার ফাঁকি দিয়ে চলাচল করতে এবং শত্রুপক্ষের সাবমেরিন সহজে শনাক্ত করতে সাহায্য করবে। রয়টার্স গত পাঁচ বছরের জাহাজ ট্র্যাকিং ডেটা, চীনা সরকারি নথিপত্র এবং ৪২টি গবেষণা জাহাজের গতিবিধি বিশ্লেষণ করে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে। প্রতিবেদনে দেখা যায়, ‘ডং ফাং হং ৩’ (উড়হম ঋধহম ঐড়হম ৩) নামক চীনের একটি বিশেষায়িত গবেষণা জাহাজ ২০২৪ ও ২০২৫ সালজুড়ে তাইওয়ান এবং মার্কিন ঘাঁটি গুয়ামের কৌশলগত জলসীমায় বারবার টহল দিয়েছে।
২০২৫ সালের মার্চ মাসে জাহাজটিকে শ্রীলঙ্কা ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যবর্তী সমুদ্রসীমায় এবং মালাক্কা প্রণালীর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথগুলোয় জরিপ চালাতে দেখা গেছে। এছাড়া ২০২৪ সালের অক্টোবরে এটি জাপানের কাছে সমুদ্রের তলদেশে এমন কিছু শক্তিশালী সেন্সর স্থাপন ও পরীক্ষা করেছে, যা পানির নিচের যেকোনো বস্তু শনাক্ত করতে সক্ষম। নৌ-যুদ্ধ বিশেষজ্ঞদের মতে, সাবমেরিন যুদ্ধে সেই পক্ষই জয়ী হয় যারা ‘ব্যাটলস্পেস’ বা যুদ্ধক্ষেত্রের পরিবেশ সম্পর্কে বেশি জানে। চীনের এই ‘ট্রান্সপারেন্ট ওশান’ (স্বচ্ছ মহাসাগর) প্রকল্পের মাধ্যমে তারা মহাসাগরগুলোর এমন সব ডিজিটাল মানচিত্র তৈরি করছে, যা তাদের সাবমেরিনগুলোকে গভীর সমুদ্রের পাহাড় ও খাদের আড়ালে আত্মগোপন করে থাকতে সাহায্য করবে।
অস্ট্রেলিয়ার সাবেক সাবমেরিন কমান্ডার পিটার স্কট রয়টার্সকে বলেন, ‘যেকোনো সামরিক সাবমেরিন চালক তার চারপাশের পরিবেশ সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা পেতে মরিয়া থাকেন। চীন যা করছে তা পরিষ্কারভাবে যুদ্ধের ময়দান প্রস্তুত করারই নামান্তর।’ যদিও চীনের ওশান ইউনিভার্সিটি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে যে, এই কার্যক্রমগুলো কেবল জলবায়ু পরিবর্তন এবং খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানের মতো গবেষণার অংশ, তবে সামরিক বিশেষজ্ঞরা এতে ‘সিভিল-মিলিটারি ফিউশন’ বা বেসামরিক-সামরিক সংমিশ্রণের স্পষ্ট ইঙ্গিত দেখছেন। বেইজিংয়ের পররাষ্ট্র বা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে রয়টার্সের প্রশ্নের কোনো সরাসরি উত্তর দেয়নি। অন্যদিকে পেন্টাগনও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। তবে মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা মনে করছেন, চীনের এই ক্রমবর্ধমান সামুদ্রিক সক্ষমতা দীর্ঘদিনের মার্কিন নৌ-আধিপত্যের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এই বিশাল জরিপ কর্মসূচির মাধ্যমে চীন কেবল খনিজসম্পদই নয়, বরং সমুদ্রের নিচে এক অদৃশ্য শক্তিশালী দেয়াল তৈরি করছে যা আগামী দিনগুলোতে বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রয়টার্স ইনভেস্টিগেশন।
ইউক্রেনে রাশিয়ার নজিরবিহীন হামলা
ইউক্রেনে একদিনে প্রায় সাড়ে ৯শ’ ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া, যা যুদ্ধ শুরুর পর সবচেয়ে ব্যাপক ও পরিকল্পিত হামলার মধ্যে একটি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে। স্থানীয় সময় গত ২৪ মার্চ মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে সাড়ে পাঁচশ’র বেশি ড্রোন ছোড়া হয়। এই হামলায় লিভি শহর সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের তথ্যানুযায়ী, ইভানো-ফ্রানকিভ্-স্কে দুইজন এবং ভিনিতসিয়ায় একজন নিহত হয়েছেন। এর আগে রাতভর রাশিয়া প্রায় চারশ’ ড্রোন ও ৩৪টি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইউক্রেনের ১১টি অঞ্চলে হামলা চালায়। এ হামলায় আরও পাঁচজন নিহত হয়। যদিও কিয়েভের দাবি, বেশিরভাগ ড্রোন ভূপাতিত হয়েছে। এ হামলায় আহত হয়েছেন বহু লোক এবং অবকাঠামোগত ক্ষতির পরিমাণও ব্যাপক। বিদ্যুৎ সরবরাহ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একদিনে এত ব্যাপক হামলা ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা শক্তি ও নাগরিক নিরাপত্তাকে নতুনভাবে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকারী দল দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছে ত্রাণ ও চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করেছে। পাশাপাশি নাগরিকদের আরও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রাশিয়ার এ আক্রমণ যুদ্ধকে আরও তীব্র করে তুলতে পারে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগ আরও বাড়াবে। সিএনএন।
গ্রন্থনা ও সম্পাদনা : আবদুল কাইউম খান