শামসুজ্জামান মতীন-এর কবিতা

আবু সাঈদ/ভাই আমার/বন্ধু আমার


১৬ অক্টোবর ২০২৫ ১৪:১৮

রংপুর ভার্সিটির গর্জে ওঠা সিংহ
ওরে তোরা মার আর কত মারবি গুলি
খা খা কত খাবি এই ভুখা-নাঙ্গার শরীর
এই যে আমি দাঁড়ালাম শত্রু বাহিনীর তোড়ে
দারিদ্র্যসীমার নিচ থেকে আসা এক সম্মানোদ্ধত বালক
রাতারাতি হয়ে গেলাম তলোয়ার হাতে যুদ্ধবাজ তরুণ
গর্জে ওঠা সিংহ তার পিঠ নয় বুক দেখিয়েছে।
এ বালক তরুণ যোদ্ধার বয়স কিন্তু
অন্তত খিলজি থেকে শত শত বছর
শত শত বছর থেকেই সে জেগে আছে গর্জে ওঠার নিমিত্তে
সমগ্র দেহে তার ভূমিকম্পের আছর।
ইস্পাতসম লোহার শেকলে গাঁথা
দাফনে-কাফনে-অশ্রুতে-হাসিতে
কী এক অদ্ভুত মিলন সাড়ে নিঃসাড়ে
কী এক অদ্ভুত করুণ আনন্দে বাঁশিতে।
‘ওরে তোরা আজ জয়ধ্বনি কর’
ওরে সাঈদ, বল না কিছু ভাই, কত বড় মুক্তির স্বাদ
তোর মুখমণ্ডলের আঙিনায়
আজ দেখি কত না প্রাপ্তির বিস্বাদ।
বোরাকের বেগে এগিয়ে যাচ্ছে পৃথিবীর প্রাঙ্গণ
কোথায়ও টর্নেডো কোথায়ও মিষ্টি বসন্তের প্রাণকাড়া স্বাদ
ঝনঝনে বাজছে উদ্দীপ্ত গানের সুধা, মুহিব খানের কণ্ঠের মূর্ছনায়
অতিন্দ্রীয় শক্তির অমীয় ধারায় হচ্ছে সিক্ত, নেই কোনো বিস্বাদ।

কেয়া মামনিকে উৎসর্গ।