বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্টে ভারত ও আওয়ামী লীগের বহুমুখী চক্রান্ত


১৬ অক্টোবর ২০২৫ ১৩:১২

॥ জামশেদ মেহদী ॥
ভারত এবং ভারতে বসবাসরত শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্টের জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা করছে। এ স্থিতিশীলতা বিনষ্টের চূড়ান্ত টার্গেট হলো আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন যেকোনো মূল্যে বানচাল করা। দেশে অশান্তি এবং হানাহানি সৃষ্টির এ চেষ্টা তারা বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত হওয়ার পর থেকেই শুরু করেছে। একের পর এক অঘটন ঘটিয়েছে। আনসার বিদ্রোহ থেকে শুরু করে কতগুলো জনদাবির পক্ষে আয়োজিত সমাবেশে অনুপ্রবেশ করে তারা সেই সমাবেশকে সরকারবিরোধী সহিংসতায় রূপ দেওয়ার অপচেষ্টা করেছে।
তারা শুধু ঐগুলোর মধ্যেই ক্ষান্ত থাকেনি। গত বছরের আগস্ট মাসের কিছুদিন পরই এসেছিলো দুর্গাপূজা। সেই পূজাকে কেন্দ্র করে হিন্দুদের বাড়িঘরে ভাঙচুর এবং হিন্দুদের ওপর নির্যাতনের অনেক কাল্পনিক কাহিনী তারা প্রচার করেছিলো। কিন্তু কোনোটিই হালে পানি পায়নি। আর পাবেই-বা কেমন করে? সহিংস বা নাশকতামূলক তৎপরতা কোনোদিন জনসমর্থন ছাড়া সফল হয় না। মাছ যেমন পানি ছাড়া বাঁচতে পারে না, তেমনি সন্ত্রাসীরাও জনগণের সমর্থন ছাড়া বেশিদিন তাদের সন্ত্রাসী তৎপরতা চালিয়ে যেতে পারে না।
ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শেখ মুজিবের বাড়ি ভাঙা নিয়ে একটি সরকারবিরোধী আবেগ সৃষ্টি করতে চেয়েছিলো ওরা। ভেবেছিল, শেখ মুজিবের বাড়ি ভাঙার মতো বিরাট ঘটনায় জনসাধরণের মধ্যে নিশ্চয়ই বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হবে। কিন্তু দেখা গেলো, বিরূপ প্রতিক্রিয়া তো দূরের কথা, রাত গড়িয়ে সকাল হতে না হতেই হাজার হাজার মানুষ এসে স্বতঃস্ফূর্তভাবে উল্লাসের সাথে বাড়ি ভাঙার কাজ শুরু করে দেয়। র‌্যাংগস ভবনের চৌমাথার পশ্চিম পাশে শেখ মুজিবের পাথর বা ব্রোঞ্জের সুবিশাল মূর্তিটি যখন ভেঙে পড়ছিলো, তখন হাজার হাজার মানুষকে উল্লাসে করতালি দিতে দেখা যায়।
ইত্যবসরে দেশে ১৫ বছর পর মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা পেয়ে এবং বিনা বাধায় রাজনৈতিক তৎপরতা চালানোর সুযোগ পেয়ে রাজনৈতিক দলসমূহ নিজ নিজ আদর্শ নিয়ে মাঠে নেমে পড়ে। সীমান্তের ওপারে অবস্থিত ভারত সরকার এবং তাদের পালিত হাজার হাজার আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী এটাকেই মোক্ষম সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করায় মনস্থির করে। তারা ভাবে যে, জুলাই বিপ্লবকেন্দ্রিক ঐক্যে ফাটল ধরেছে। তাই তারা গোপালগঞ্জসহ কয়েকটি স্থানে অরাজকতা সৃষ্টি করে। তাদের মধ্যে এই মর্মে একটি ভ্রান্ত ধারণা ছিলো যে, যেহেতু সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়, তাই তারা ঐ অরাজকতা সৃষ্টিতে সেনাপ্রধানের পরোক্ষ সম্মতি লাভ করবে। কিন্তু তাদের ঐ দুঃস্বপ্নকে চুরমার করে দেয় স্বয়ং সেনাবাহিনী। গোপালগঞ্জে সন্ত্রাসীরা ৫ জন নিহত হয়। এরপর তাদের উদ্দীপনা চুপসে যায়।
এ বছর সদ্যসমাপ্ত দুর্গাপূজায় অশান্তি ও হানাহানি সৃষ্টির জন্য তারা ভিন্ন ট্যাকটিকস অবলম্বন করে। পশ্চিমবঙ্গের মুসলিম মেজরিটি জেলা মুর্শিদাবাদের বহরমপুর/খাগড়া এলাকায় একাধিক পূজামণ্ডপে মহিষাসুর মূর্তি গড়া হয়। সেটির আদল ছিলো বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের। সেই অসুরের মূর্তিতে অর্থাৎ অসুররূপী ড. ইউনূসের মুখে লাগানো হয়েছিলো দাড়ি। এ ঘটনার মাধ্যমে এটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, ড. ইউনূস তথা বর্তমান বাংলাদেশ সরকার তাদের দু’ চোখের বিষ। তাদের বিষাক্ত চিন্তা এতদূর গড়িয়েছে যে, তারা এ পূজাকে বাংলাদেশ এবং মুসলমানবিরোধী হিন্দু সাম্প্রদায়িক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিলো।
তাদের ধারণা ছিলো যে, মুসলমান ড. ইউনূসকে অসুর বানানো এবং তার মুখে দাড়ি লাগানোর ফলে বাংলাদেশের মুসলমানরা ভয়ঙ্কর উত্তেজিত হবেন এবং হিন্দুদের পূজামণ্ডপে হামলা করবেন। আর এমন ঘটনা ঘটলে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম এবং দিল্লিতে অবস্থানরত কয়েক হাজার আওয়ামী লীগার বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করবে এবং সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগাবে। কিন্তু তাদের এ স্বপ্ন দুঃস¦প্নে পরিণত হয়েছে। এবার বাংলাদেশের প্রায় ৩২ হাজার পূজামণ্ডপের একটিতেও কোনো ধরনের গোলযোগ হয়নি। বাংলাদেশ কায়েমের পর বিগত ৫৪ বছরের মধ্যে এবারই সর্বপ্রথম বাংলাদেশে দুর্গাপূজায় কোথাও কোনো গোলযোগ হয়নি। যে জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে ওদের এতো অপপ্রচার, সেই হাজার হাজার জামায়াত কর্মী হিন্দুদের পূজামণ্ডপ পাহারা দিয়েছেন। এছাড়া পুলিশের সার্বক্ষণিক পাহারাদারি তো ছিলোই।
পশ্চিমবঙ্গের অসুরকেন্দ্রিক ষড়যন্ত্রের পর বাংলাদেশে যখন কোনো বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা গেলো না, তখন তারা সেই একই ষড়যন্ত্র বাংলাদেশেও পাকায়। বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্রে বিগত ৪ অক্টোবরের পর ২-৩ দিন খবর বের হয় যে, বাংলাদেশে এবার শারদীয় দুর্গাপূজায় ৭৯৩টি পূজা মন্ডপে অসুরের মুখে দাড়ি লাগানো হয়েছিল। এই তথ্য এবং পরিসংখ্যান দিয়েছেন স্বয়ং স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান যে, এ সাম্প্রদায়িক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। কারা এসব অপকর্ম করেছে, সেটি নিয়ে জোর তদন্ত চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। তিনি বলেন, এসব ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গে ধর্মীয় নেতাদের জানানো হয়েছে। তাঁদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তাঁরা এ বিষয়ে সহযোগিতা করছেন। প্রতিটি ক্ষেত্রে জিডি করা হয়েছে। কারা কারা এ ঘটনায় জড়িত, সে অনুসন্ধান চলছে।
তিনি আরো বলেন, পার্শ্ববর্তী একটি দেশে প্রতিমা তৈরির সময় প্রধান উপদেষ্টাকে নিন্দনীয়ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। অন্যদিকে এখানে অসুরের মুখে দাড়ি লাগানোর কাজটিতে তাদের যোগসূত্র দেখা যাচ্ছে। গোয়েন্দা সংস্থার কড়া নজরদারি ও দুর্গাপূজার জন্য গঠিত কমিটির সহযোগিতায় কুচক্রীদের চক্রান্ত সরকার নস্যাৎ করতে সক্ষম হয়েছে।
ভারত এবং তাদের মদদপুষ্ট দেশটিতে অবস্থানকারী আওয়ামী লীগাররা যতই বাংলাদেশে নৈরাজ্যের পরিস্থিতি সৃষ্টি করার অপতৎপরতা চালাচ্ছে, ততই তারা জনগণের কাছে চিহ্নিত হয়ে যাচ্ছে এবং এর প্রতিবাদে জনগণের মধ্য থেকেই প্রতিরোধ গড়ে উঠছে। এমন একটি ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রামে।
গত ১০ অক্টোবর শুক্রবার চট্টগ্রাম নগরের জিইসি মোড়ের একটি কনভেনশন সেন্টারে কনসার্টে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া নিয়ে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। মো. শরীফ (২৩) নামে ওই গুলিবিদ্ধ তরুণকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়, কনসার্ট চলাকালে একটি পক্ষ সেখানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেয়। স্লোগান দেওয়া ব্যক্তিরা ছাত্রলীগের কর্মী। এ নিয়ে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা প্রতিবাদ করেন। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পুলিশ এলোপাতাড়ি গুলি করে। এতে ছাত্রদলের দুজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
গুলিবিদ্ধ আহত ব্যক্তিদের দেখতে চমেক হাসপাতালে গিয়েছিলেন চট্টগ্রাম নগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইফুল আলম। হাসপাতাল থেকে তিনি সাংবাদিকদের জানান যে, কনসার্ট চলাকালে কনভেনশন সেন্টারের ভেতরে শ্রোতাদের একটি ক্ষুদ্র অংশ একটি কোণ থেকে হঠাৎ করে স্লোগান দেয়, ‘জয় বাংলা ও জয় শেখ হাসিনা।’ সাথে সাথে দর্শকদের বৃহত্তর অংশ তাদের ধাওয়া দেয়। এই নিয়ে হলের ভেতর হুটোপুটি শুরু হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য পুলিশ শটগান থেকে গুলি বর্ষণ করে। এর ফলে ছাত্রদলের দুই কর্মী আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় শরিফকে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর শরিফের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিলো। তবে সাথে সাথেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার চিকিৎসা শুরু হওয়ায় গত ১৩ অক্টোবর সোমবার প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী আহত শরিফের অবস্থার উন্নতি ঘটছে।
ওপরে অনেক ঘটনা বর্ণনা করা হলো। এসব ঘটনা থেকে দেখা যাচ্ছে যে, ৫ আগস্ট জুলাই বিপ্লব সমাপ্ত হওয়ার পর আওয়ামী লীগ এবং তাদের ঘরানার লোকজনের একটি অংশ পালিয়ে ভারতসহ অন্যান্য দেশে আশ্রয় নেয়। অন্য একটি অংশ দেশের মধ্যেই আত্মগোপন করে থাকে। নির্বাচনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রশ্নে বাংলাদেশের বড় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতভিন্নতা লক্ষ্য করে চক্রান্তকারীরা ধারণা করেছিলো যে, এইবার তারা একটি মোক্ষম সুযোগ পেয়েছে। এ সুযোগের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করতে হবে। কিন্তু সেখানেও তারা নিদারুণভাবে ব্যর্থ হয়েছে।
গণভোটের সময় এবং নোট অব ডিসেন্টের ফলে এখনো বহু প্রত্যাশিত জুলাই সনদ রাজনীতিবিদরা স্বাক্ষর করেননি। তাই সোমবার এই ভাষ্য লেখার সময় পর্যন্ত জুলাই সনদ আটকে আছে। ভারত এবং আওয়ামী লীগ চাচ্ছে, কোনো অবস্থাতেই জুলাই সনদ যেন বাস্তবায়িত না হয়। এছাড়া মোবাইল ফোনে, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স হ্যান্ডল) এবং কলকাতার একশ্রেণির টেলিভিশন কেন্দ্র থেকে গত ৩-৪ দিন ধরে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নতুন করে অপঃপ্রচার শুরু হয়েছে।
গুম, খুন, ক্রসফায়ার, আয়নাঘর ইত্যাদি অপরাধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক এবং বর্তমানে সার্ভিং অফিসারদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনাল-১ এসব অভিযোগ আমলে নিয়েছেন এবং সেনাবাহিনীর অফিসারসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এই গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়েও ভারত এবং আওয়ামী লীগ সীমান্তের ওপার থেকে ভয়ঙ্কর কূটচাল দিচ্ছে। এসব মামলাকে কেন্দ্র করে তারা সেনাবাহিনী এবং বিচার বিভাগ ও সরকারের মধ্যে একটি মন কষাকষি সৃষ্টির লক্ষ্যে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তবে এখানেও প্রাথমিকভাবে তারা ব্যর্থ হয়েছে। সেনাবাহিনীর অ্যাডজ্যুট্যান্ট জেনারেল হাকিমুজ্জামান এক সংবাদ সম্মেলন করে বলেছেন যে, সেনাবাহিনী বাংলাদেশের সংবিধান এবং আইনকে অত্যন্ত শ্রদ্ধার চোখে দেখে। আইনগতভাবে এ বিচারে যতদূর সম্ভব সেনাবাহিনী সহযোগিতা করবে। সেই লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই সেনাবাহিনীর ১৫ অফিসারকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। একজন সেনা অফিসার মেজর জেনারেল কবির অ্যাবসেন্ট, অর্থাৎ পালিয়ে গেছেন। তিনি যাতে সীমান্ত অতিক্রম করতে না পারেন, তার জন্য স্থল, আকাশ ও নৌপথে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে।
ওপরে বর্ণিত একাধিক ঘটনাবলি থেকে দেখা যাচ্ছে যে, ভারত এবং আওয়ামী লীগ সুযোগ পেলেই বাংলাদেশের ওপর ছোবল হানছে। তারা চেয়েছিলো জুলাই সনদ যাতে স্বাক্ষরিত না হয়। সেটি বানচাল করতে পারলে নির্বাচনও বানচাল করা যাবে বলে তাদের ধারণা। এই লেখাটি সোমবার রাতে লিখছি বলে শেষ মুহূর্তে অর্থাৎ ১৭ অক্টোবর শুক্রবার জুলাই সনদ স্বাক্ষরিত এবং ঘোষিত হলো কি না, সেটি বলতে পারছি না। তবে জুলাই সনদ স্বাক্ষরিত হলেও নির্বাচন বানচাল করার জন্য তারা সাধ্যমতো সবরকম চেষ্টা করবে। সেটি সম্ভব যদি দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা দারুণভাবে বিনষ্ট করা যায়। যদি তারা নিকট ভবিষ্যতে বাংলাদেশে কোনো অঘটন ঘটাতে পারে, তাহলে ড. আলী রীয়াজের কথার সাথে একমত হয়ে বলা যায় যে, এর ফলে দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা বিপন্ন হবে। সুতরাং সমগ্র দেশবাসীকে সতর্ক থাকার প্রয়োজন রয়েছে।